Foods (Kitab Al-At'imah)
- 1
। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের কাউকে যদি ওয়ালীমার দা‘ওয়াত দেয়া হয়, তবে সে যেন তাতে অংশগ্রহণ করে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 1 · #3733 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (5173) Sahih Muslim (1429) - 2
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ .. পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। এতে রয়েছেঃ সে যদি সওম পালনরত না হলে যেন খায়, আর সওম পালনকারী হলে যেন (দা‘ওয়াত দাতার জন্য) দু‘আ করে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 2 · #3734 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim (1429) - 3
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের দা‘ওয়াত দিলে সে যেন তা কবূল করে। তা বিবাহ অনুষ্ঠান বা প্রীতিভোজ যাই হউক না কেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 3 · #3735 · Sahih, Sahih Muslim (1429) - 4
। নাফি‘ (রহঃ) সূত্রে আইয়ূবের সনদে অনুরূপ অর্থের হাদীস বর্ণিত। আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।
Book 28 · Hadith 4 · #3736 · Daif, Sahih, Daif, Sahih Muslim (1429) - 5
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাকে দা‘ওয়াত দেয়া হয়, সে যেন তাতে সাড়া দেয়, অতঃপর ইচ্ছা হলে খাবে, নতুবা বিরত থাকবে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 5 · #3737 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim (1430) - 6
। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাকে দা‘ওয়াত দেয়ার পরও সে তা কবূল করলো না, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানী করলো। আর যে ব্যক্তি দা‘ওয়াত ছাড়াই উপস্থিত হলো, সে চোর হয়ে ঢুকলো এবং লুটেরা হয়ে বের হলো।[1] দুর্বলঃ ইরওয়াহ (১৯৫৪), মিশকাত (৩২২২)।
Book 28 · Hadith 6 · #3738 · Daif, Daif, Daif, Daif - 7
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলতেন, নিকৃষ্টতম খাদ্য হলো ঐ বিবাহ অনুষ্ঠানের খাদ্য, যেখানে শুধু ধনীদের দা‘ওয়াত দেয়া হয় এবং গরীবদের উপেক্ষা করা হয়। যে ব্যক্তি দা‘ওয়াত প্রত্যাখ্যান করে সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানী করে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 7 · #3739 · Sahih, Sahih, Sahih Muquf, Sahih Bukhari (5177) Sahih Muslim (1432) - 8
। সাবিত (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যাইনাব বিনতু জাহশের বিবাহের ঘটনা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর নিকট আলাপ করা হলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাইনাবের বিয়েতে যেভাবে ওয়ালীমা অনুষ্ঠান করেছেন অন্য কোনো স্ত্রীর বেলায় তাঁকে তদ্রূপ করতে দেখেনি। তিনি একটি বকরী দিয়ে বিবাহ ভোজনের ব্যবস্থা করেছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 8 · #3740 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (5171) Sahih Muslim (1428) - 9
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফিয়্যাহ (রাঃ)-এর বিবাহে খেজুর ও ছাতু দিয়ে ওয়ালিমা করেছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 9 · #3741 · Sahih, Sahih, Hasan - 10
। আব্দুল্লাহ ইবনু উসমান আস সাকাফী (রহঃ) থেকে তার গোত্রের এক অন্ধ ব্যক্তির সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ওয়ালীমা অনুষ্ঠান বিবাহের প্রথম দিনে করা জরূরী, দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান উত্তম এবং তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠান লোক শুনানো ও লোক দেখানোর জন্য। কাতাদাহ (রহঃ) বলেন, আমাকে এক ব্যক্তি বলেছেন, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ)-কে ওয়ালীমাতে প্রথম দিন দা‘ওয়াত দেয়া হলে তিনি সাড়া দিলেন, দ্বিতীয় দিন দা‘ওয়াত দেয়া হলেও কবূল করলেন এবং তৃতীয় দিন দা‘ওয়াত দেয়া হলে তিনি দা‘ওয়াত কবূল করলেন না। তিনি বললেন, এ সব লোক মানুষকে দেখানোর জন্য এবং শুনানোর জন্য এসব করে থাকে।[1] দুর্বলঃ ইরওয়া
Book 28 · Hadith 10 · #3742 · Daif, Daif, Daif - 11
। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। কাতাদাহ উল্লেখিত ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, তৃতীয় দিনে দা‘ওয়াত করা হলো, কিন্তু তিনি তা কবূল করেননি এবং যে লোক তাকে দা‘ওয়াত দিতে এসেছিল তিনি তার দিকে ঢিল ছুড়ে মারেন।[1] দুর্বল।
Book 28 · Hadith 11 · #3743 · Daif, Daif, Daif - 12
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তাবূকের সফর থেকে) মদীনায় ফিরে এসে একটি উট অথবা গরু যাবাহ করলেন।[1] সনদ সহীহ।
Book 28 · Hadith 12 · #3744 · Sahih Isnaad, Sahih Isnaad, Sahih, Sahih Bukhari (3089) - 13
। আবূ শুরাইহ আল কা‘বি (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। উত্তমরূপে মেহমানদারীর সীমা একদিন এক রাত। মেহমানদারী তিনদিন। এরপর অতিরিক্ত দিনগুলোর মেহমানদারী সাদাকাহ হিসেবে গণ্য। তিনদিন পর আপ্যায়নকারীর বাড়ীতে তার বিনা অনুমতিতে মেহমানদের অবস্থান করা উচিত নয়। এতে সে বিরক্ত হতে পারে। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীঃ 'জাইযাহ' একদিন ও এক রাত- এর অর্থ কি? তিনি বলেন, কথাটির অর্থ হলো, মেহমানকে সম্মান প্রদর্শন, উপহার প্রদান ও তার নিরাপত্তা বিধান করা একদিন ও এক রাত। আর আতিথ্য প্রদান হচ্ছে তিনদিন।[1] আবূ সুরাইহ বর্ণিত হাদীসটি সহীহ। মালিক ইবনু আনাসের বর্ণিত সনদ সহীহ মাকতূ।
Book 28 · Hadith 13 · #3745 · Sahih Isnaad Maqtu, Sahih, Sahih Bukhari (6135) Sahih Muslim (48 After 1726) - 14
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিনদিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সাদাকাহ হিসেবে গণ্য।[1] সনদ হাসান সহীহ।
Book 28 · Hadith 14 · #3746 · Hasan Sahih Isnaad, Hasan Sahih Isnaad, Isnaad Hasan - 15
। আবূ কারীম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক রাত মেহমানদারী করা মুসলিমের কর্তব্য। যার আঙ্গিনায় মেহমান নামে, একদিন মেহমানদারী করা তার উপর ঋণ পরিশোধের সমান। সে ইচ্ছা করলে তার এ ঋণ ত্যাগ পরিশোধ করবে বা ত্যাগ করবে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 15 · #3747 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 16
। আল মিকদাম আবূ কারিমাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের নিকট মেহমান হয়ে এলো, (অথচ) বঞ্চিত অবস্থায় তার সকাল হলো, তাকে সাহায্য করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। তাদের খাদ্য ও মাল থেকে সে তার রাতের মেহমানদারীর পরিমাণ আদায় করে নিতে পারে।[1] দুর্বলঃ মিশকাত (৪২৪৭)।
Book 28 · Hadith 16 · #3748 · Daif, Daif, Daif, Isnaad Hasan - 17
। উকবাহ ইবনু আমির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদেরকে বাইরে প্রেরণ করে থাকেন। আমরা কোনো জনপদে গিয়ে যাত্রা বিরতি করি। তারা আমাদের মেহমানদারী করে না। এ বিষয়ে আপনি কি বলেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বললেনঃ তোমরা যদি কোনো সম্প্রদায়ের নিকট অবতরণ করার পর তারা নিজেদের সামর্থ্য মোতাবেক তোমাদের আপ্যায়ন করে তবে তোমরা তা গ্রহণ করো। যদি তারা তা না করে, তবে তাদের কাছ থেকে তাদের সামর্থ্যের দিকে লক্ষ্য রেখে মেহমানের অধিকার আদায় করবে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 17 · #3749 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (6137) Sahih Muslim (1727) - 18
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করো না। তবে ব্যবসায়ে লেনদেন পরস্পরের সন্তোষের ভিত্তিতে হওয়া আবশ্যক...।’’ (সূরা আন-নিসাঃ ২৯) ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর লোকেরা অন্য কারো বাড়ীতে আতিথ্য গ্রহণ করা অন্যায় ভাবলো। অতঃপর সূরা আন-নূরের মাধ্যমে উপরের আয়াতের হুকুম রহিত করা হলো। মহান আল্লাহ বলেনঃ ‘‘এতে কোনো দোষ নেই যে, কোনো ব্যক্তি নিজেদের ঘর থেকে খাবে... আলাদা আলাদাভাবে খাও।’’ (সূরা আন-নূরঃ ৬১) পর্যন্ত। এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে অবস্থা এরূপ ছিলো যে, কোনো ধনী লোক কাউকে খাওয়া দা‘ওয়াত দিলে সে বলতো, আমি এর থেকে খাওয়া অন্যায় মনে করি। التَّجَنُّحُ অর্থ আপত্তি। সে আরো বলতো, এ খাদ্যে আমার চেয়ে দরিদ্ররাই অধিক হকদার। এর প্রেক্ষিতে অন্য মুসলিমের বাড়ীতে খাবার গ্রহণ বৈধ করা হয়, যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে। আহলে কিতাবদের খাদ্য দ্রব্য হালাল করা হয়েছে।[1] সনদ হাসান।
Book 28 · Hadith 18 · #3750 · Hasan Isnaad, Hasan Isnaad, Isnaad Hasan - 19
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ প্রতিদ্বন্দ্বি অহংকারীর খাদ্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 19 · #3751 · Sahih, Sahih, Sahih - 20
। সাফীনাহ আবূ আব্দুর রাহমান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা একটি লোক আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)-কে দা‘ওয়াত করে তার জন্য খাদ্য তৈরী করে (বাড়িয়ে) দিয়ে গেলো। ফাতিমাহ (রাঃ) বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ডাকলে তিনি আমাদের সঙ্গে আহার করতেন। আলী (রাঃ) তাঁকে দা‘ওয়াত দিলেন এবং তিনি এসে দরজায় চৌকাঠের উপর নিজের হাত রাখলেন। তিনি একটি রঙ্গিন পর্দা ঘরের একদিকে টানিয়ে রাখা দেখতে পেয়ে ঘরে প্রবেশ না করে ফিরে গেলেন। ফাতিমাহ (রাঃ) আলী (রাঃ)-কে বললেন, গিয়ে দেখুন, তিনি কেন ফিরে যাচ্ছেন? সুতরাং আমি তাঁর অনুসরণ করলাম, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কিসে আপনাকে ফিরে আসতে বাধ্য করল? তিনি বললেনঃ আমার জন্য বা কোনো নবীর জন্য কারুকার্য খচিত সজ্জিত ঘরে প্রবেশ করা সমীচীন নয়।[1] হাসান।
Book 28 · Hadith 20 · #3752 · Hasan, Hasan, Isnaad Hasan - 21
। হুমাইদ ইবনু আব্দর রাহমান আল হিমজারী (রহঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক সাহাবীর সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ দু’ ব্যক্তি একই সাথে দা‘ওয়াত করলে তোমার বাড়ীর নিকটতর ব্যক্তির দা‘ওয়াত কবূল করবে। কেননা বাড়ীর নিকটবর্তী ব্যক্তি নিকটতর প্রতিবেশী। আর যদি একজন অন্যজনের আগে দা‘ওয়াত দিতে আসে তবে প্রথমে আসা ব্যক্তির দওয়াত কবূল করবে।[1] দুর্বলঃ ইরওয়াহ (১৯৫১), মিশকাত (৩২২৩)।
Book 28 · Hadith 21 · #3753 · Daif, Daif, Daif - 22
। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের রাতের খাবার উপস্থিত করা হলে এবং ‘ইশার সালাতের ইকামাত দেয়া হলে খাবার শেষ না করে সালাতে যাবে না। মুসাদ্দাদের বর্ণনায় রয়েছেঃ আব্দুল্লাহ ইবনু উমারের রাতের খাবার পরিবেশন করা হলে বা রাতের খাবার আনা হলে তিনি আহার শেষ না করে কখনো সালাতের জন্য উঠতেন না। এমন কি ইকামাত বা ইমামের কিরাআত শুনতে পেলেও তিনি আহার শেষ না করা পর্যন্ত উঠতেন না।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 22 · #3754 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih Sahih Bukhari (677) Sahih Muslim (559) - 23
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খাবারের জন্য বা অন্য কোনো কারণে সালাতের জামা‘আত বিলম্বিত করা যাবে না।[1] দুর্বলঃ মিশকাত (১০৭১)।
Book 28 · Hadith 23 · #3755 · Daif, Daif, Daif, Daif - 24
। আব্দুল্লাহ ইবনু উবাইদ ইবনু উমাইর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবায়র (রাঃ)-এর সময় আমার পিতার সঙ্গে আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন আব্বাদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবায়র বললেন, আমরা শুনেছি, রাতের আহারকে সালাতের উপর (অর্থাৎ আগে খেয়ে নেয়ার) অগ্রাধিকার দেয়া হতো। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাকে বললেন, তোমার জন্য দুঃখ হয়! তুমি কি মনে করেছে আগেকার লোকদের রাতের আহার তোমার পিতার রাতের আহারের অনুরূপ ছিলো?[1] সনদ হাসান।
Book 28 · Hadith 24 · #3756 · Hasan Isnaad, Hasan Isnaad, Isnaad Hasan - 25
। আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম টয়লেট থেকে বেরিয়ে এলে তাঁর সামনে খাবার উপস্থিত করা হলো। সাহাবীগণ বললেন, আপনার জন্য উযুর পানি নিয়ে আনবো কি? তিনি বললেনঃ আমাকে তো সালাতের জন্য উযু করার আদেশ দেয়া হয়েছে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 25 · #3757 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 26
। সালমান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আম তাওরাতে পড়েছিঃ ‘‘খাবার শুরুর আগে উযু করার মধ্যেই খাবারের বরকত নিহিত।’’ আমি এ কথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেনঃ খাদ্য গ্রহণের আগে ও পরে উযু করার (হাত ধোয়ার) মধ্যে খাদ্যের বরকত নিহিত। সুফিয়ান (রহঃ) খাওয়ার পূর্বে উযু করা পছন্দ করতেন না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি যঈফ।[1] দুর্বলঃ যঈফাহ (১৬৮), মিশকাত (৪২০৮)।
Book 28 · Hadith 26 · #3758 · Daif, Daif, Daif, Daif - 27
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশাব-পায়খানা সেরে গিরিপথ থেকে নামলেন। আমাদের সামনে ঢালের উপর খেজুর রাখা ছিলো। আমরা তাঁকে খেতে ডাকলে তিনি আমাদের সঙ্গে খেজুর খেলেন কিন্তু পানি স্পর্শ করলে না (হাত ধৌত করেননি)।[1] সনদ দুর্বল।
Book 28 · Hadith 27 · #3759 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Daif - 28
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো খাদ্যের দোষ বর্ণনা করতেন না। রুচি হলে তিনি খেতেন, আর রুচি না হলে বাদ দিতেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 28 · #3760 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (5409) Sahih Muslim (2064) - 29
। ওয়াহশী ইবনু হারব থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা খাবার খাই, কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারি না। তিনি বললেনঃ হয় তো তোমরা বিচ্ছিন্নভাবে খাও। তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তোমরা একত্রে আহার করো এবং খাদ্য গ্রহণের সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করো, তাহলে তোমাদের খাদ্যে বরকত দেয়া হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, যদি তোমাকে কোথাও দা‘ওয়াত করা হয় এবং খাবার সামনে রাখা হয় তাহলে বাড়ির কর্তা অনুমতি না দেয়া পর্যন্ত খাওয়া শুরু করবে না।[1] হাসান।
Book 28 · Hadith 29 · #3761 · Hasan, Hasan, Hasan Lighairihi, Daif - 30
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ কোনো ব্যক্তি তার ঘরে প্রবেশ ও খাদ্য গ্রহণের সময় আল্লাহর নাম নিলে শয়তান (তার সঙ্গীদের) বলে, রাতে এখানে তোমাদের থাকা-খাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যখন কোনো ব্যক্তি ঘরে প্রবেশের সময় আল্লাহর নাম নেয় না, তখন শয়তান বলে, তোমরা রাতে থাকার স্থান পেলে। সে যখন খাবার সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করে না তখন শয়তান বলে, তোমরা রাতে থাকার জায়গা ও খাওয়ার দুটোর সুযোগই পেলে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 30 · #3762 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim (2018) - 31
। হুযাইফাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে খেতে বসলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাওয়া আরম্ভ করার পূর্বে আমাদের কেউ খাদ্যের দিকে হাত বাড়াতো না। একদা আমরা তাঁর সাথে খেতে বসি। তখন এক বেদুঈন এমনভাবে দৌড়ে এলো যেন কেউ তাকে পিছন থেকে তাড়া করছে। সে খাওয়ার পাত্রে হাত দিতে যাচ্ছিল তখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত ধরে ফেললেন। অতঃপর একটি বালিকা দৌড়িয়ে আসলো, যেন তাকেও কেউ পিছন থেকে তাড়া করছে। সেও খাদ্যের মধ্যে হাত ঢুকাতে যাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাতও ধরে ফেললেন। তিনি বললেন, যে খাদ্য আল্লাহর নাম নিয়ে খাওয়া হয় না তাতে শয়তান শরীক করে। সে প্রথমে বেদুঈনকে নিয়ে এসেছিল তার সঙ্গে খাদ্যে অনুপ্রবেশ করতে। আমি তার হাত ধরে ফেলি। ঐ সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! শয়তানের হাত এখন এই দু’জনের হাতের সাথে আমার হাতের মধ্যে বন্দী।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 31 · #3763 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim (2017) - 32
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ আহার করতে বসলে যেন বিসমিল্লাহ বলে খাবার শুরু করে। সে যদি প্রথমে বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে যায় তবে যেন বলেঃ খাবারের শুরুতে আল্লাহর নাম শেষেও আল্লাহর নাম।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 32 · #3764 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Isnaad Sahih - 33
। উমাইয়্যাহ ইবনু মাখশী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসা ছিলেন। তখন এক লোক খাচ্ছিল, কিন্তু আল্লাহর নাম নিয়ে খাওয়া শুরু করেনি। মাত্র এক লোকমা খাবার বাকি থাকতে সে তা মুখে দেয়ার সময় বললো, খাবারের শুরুতে ও শেষ বিসমিল্লাহ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে দিলেন এবং বললেনঃ শয়তান তার সঙ্গে খাচ্ছিল। যখন সে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করলো, শয়তান তার পেটের খাবার বমি করে ফেলে দিলো।[1] দুর্বলঃ মিশকাত
Book 28 · Hadith 33 · #3765 · Daif, Daif, Hasan, Isnaad Hasan - 34
। আলী ইবনু আক্বমার (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ জুহাইফাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি আসনে বসে হেলান দিয়ে খাবার খাই না।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 34 · #3766 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (3598) - 35
। মুস‘আব ইবনু সুলাইম (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কোনো এক কাজে প্রেরণ করলেন। আমি তাঁর নিকট ফিরে এসে দেখি তিনি বসে খেজুর খাচ্ছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 35 · #3767 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 36
। শু‘আইব ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো হেলান দিয়ে খাবার খেতে দেখা যায়নি এবং তাঁর পিছনে কখনো দু’ জন লোককে চলতে দেখা যায়নি।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 36 · #3768 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim (2044) - 37
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ খাওয়ার সময় যেন পাত্রের মাঝখান থেকে না খায়, বরং সে যেন তার কিনারা থেকে খাওয়া শুরু করে। কেননা পাত্রের মাঝখানে বরকত নাযিল হয়।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 37 · #3769 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Isnaad Hasan - 38
। আব্দুল্লাহ ইবনু বুসর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি বড়ো কড়াই ছিলো। তা চারজন লোক বহন করতো। পাত্রটির নাম ছিলো ‘গাররাআ।’ বেলা কিছুটা উপরে উঠলে এবং লোকের চাশতের সালাত আদায় শেষ হলে পাত্রটি নিয়ে আসা হলো। অর্থাৎ তাতে ঝোল মিশ্রিত রুটি ছিলো। লোকেরা এর চারিদিকে বসলো। লোকের আধিক্যের কারণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাঁটু গেড়ে বসলেন। এক বেদুঈন বললো, এটা কিভাবে বসা হলো! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ আমাকে ভদ্র ও সম্মানিত বান্দা বানিয়েছেন। তিনি আমাকে অবাধ্য ও উচ্ছৃঙ্খল বানাননি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ পাত্রের কিনারা থেকে খাও এবং মধ্যখান ছেড়ে দাও। এতে বরকত হবে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 38 · #3770 · Sahih, Sahih, Isnaad Hasan - 39
। সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ জায়গায় আহার করতে নিষেধ করেছেনঃ যে দস্তরখানে বসে মদ পান করা হয় এবং যেখানে উপুড় হয়ে বসে পেটের উপর ভর দিয়ে খাওয়া হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এটা মুনকার হাদীস। জা‘ফার ইবনু বুরকান হাদীসটি যুহরীর নিকট শুনেননি।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 39 · #3771 · Sahih, Daif, Daif - 40
। জা‘ফার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তার নিকট এ হাদীস যুহরীর সূত্রে পৌঁছেছে। আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।
Book 28 · Hadith 40 · #3772 · Daif, Sahih, Daif, Daif - 41
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ খাওয়ার সময় যেন তার ডান হাতে খায় এবং যখন পান করে তখনও যেন তার ডান হাতে পান করে। কেননা শয়তান তার বাম হাতে পানাহার করে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 41 · #3773 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim (2020) - 42
। উমার ইবনু আবূ সালামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমার কাছে এসো, আল্লাহর নাম নাও, ডান হাতে খাও এবং তোমার সামনে থেকে খাও।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 42 · #3774 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 43
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ছুরি দিয়ে গোশত কেটে (খাবে) না। কেননা এটা অনারাবদের রীতি, বরং তা দাঁত দিয়ে কামড়ে খাও। কারণ তা অধিক উপকারী ও স্বাস্থ্যকর। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি শক্তিশালী নয়।[1] দুর্বলঃ মিশকাত (৪২১৫)।
Book 28 · Hadith 43 · #3775 · Daif, Daif, Daif, Daif - 44
। সাফওয়ান ইবনু উমাইয়্যাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আহার করছিলাম এবং হাড় থেকে গোশত ছিড়ে খাচ্ছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ হাড়টি তুলে মুখে নাও, এবং দাঁত দিয়ে কামড়ে খাও, কারণ তা অধিক উপকারী ও স্বাস্থ্যকর। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, উসমান (রহঃ) সাফওয়ান (রহঃ) থেকে কিছু শুনেননি। এ বর্ণনাটি মুরসাল।[1] দুর্বলঃ যঈফাহ (২১৯৩)।
Book 28 · Hadith 44 · #3776 · Daif, Daif, Daif - 45
। আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট সবচেয়ে প্রিয় গোশত ছিলো ছাগলের হাড়ের গোশত।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 45 · #3777 · Sahih, Sahih, Daif, Daif - 46
। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) একই সনদ বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহুর গোশত অধিক পছন্দ করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, এই বাহুর গোশতেই বিষ মিশানো হয়েছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানতেন, ইয়াহুদীরা এতে বিষ মিশিয়ে ছিলো।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 46 · #3778 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Daif - 47
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক দর্জি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দা‘ওয়াত করলো। সে তাঁর জন্য খাবার তৈরী করলো। আনাস (রাঃ) বলেন, আমিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে খাবারের দাওয়াতে গেলাম। সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে বার্লির রুটি, লাউ ও শুকনা গোশত দিয়ে তৈরী তরকারী আনলো। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখলাম, তিনি পাত্রের চারপাশে লাউয়ের টুকরা খুঁজছেন। সেদিন থেকে আমিও সর্বদা এ তরকারী পছন্দ করি।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 47 · #3779 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (5436) Sahih Muslim (2041) - 48
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পছন্দের খাবার ছিলো তরকারীর ঝোলে ভিজানো রুটি ও খুরমা এবং মাখন ও আটার সংমিশ্রণে তৈরী রুটি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি যঈফ।[1] দুর্বলঃ যঈফাহ (১৭৫৮), মিশকাত (৪২২০)।
Book 28 · Hadith 48 · #3780 · Daif, Daif, Daif, Daif - 49
। কাবীসাহ ইবনু হুলব (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করতে শুনেছি, সে বললো, এমন খাবার আছে কি যা আমি অপছন্দ করবো? তিনি বললেনঃ তোমার মনে যেন কোন হালাল বস্তু সংশয় সৃষ্টি না করে। তাহলে তুমি নাসারাদের সদৃশ হবে। কেননা তারা প্রত্যেক জিনিসে সংশয় বোধ করতো।[1] হাসান।
Book 28 · Hadith 49 · #3781 · Hasan, Hasan, Isnaad Hasan - 50
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাল্লালার (যে প্রাণী নাপাক বস্তু খায়) গোশত খেতে ও তার দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 50 · #3782 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Daif - 51
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাল্লালার দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 51 · #3783 · Sahih, Sahih, Hasan, Hasan - 52
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাল্লালার উটে আরোহণ করতে এবং তার দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন।[1] হাসান সহীহ।
Book 28 · Hadith 52 · #3784 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Sahih, Hasan - 53
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার বিজয়ের দিন আমাদেরকে গাধার গোশত খেতে বারণ করেছেন এবং ঘোড়ার গোশত খাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 53 · #3785 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Sahih Bukhari (4219) Sahih Muslim (1941) - 54
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বার বিজয়ের দিন আমরা ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা যাবাহ করেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে খচ্চর ও গাধার গোশত খেতে বারণ করলেন, কিন্তু ঘোড়ার গোশত খেতে বারণ করেননি।
Book 28 · Hadith 54 · #3786 · Sahih, Sahih, Sahih - 55
। খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ঘোড়া, খচ্চর ও গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। হায়ওয়াতের বর্ণনায় রয়েছেঃ তিনি হিংস্র জন্তুর গোশত খেতেও নিষেধ করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইমাম মালিক (রহঃ) এ মত পোষণ করেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ঘোড়ার গোশত খাওয়া দোষের কিছু নয় এবং উপরোক্ত হাদীস মোতাবেক আমল করা হয় না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীস মানসূখ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একদল সাহাবী ঘোড়ার গোশত খেয়েছেন। ইবনু যুবায়র, ফাদালাহ ইবনু উবাইদ, আনাস ইবনু মালিক, আসমা বিনতু আবূ বাকর, সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ (রহঃ) ও ‘আলকামাহ (রহঃ) তাদের অন্তর্ভুক্ত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কুরাইশগণ ঘোড়া যবাহ করতো।[1] দুর্বল।
Book 28 · Hadith 55 · #3787 · Daif, Daif, Daif - 56
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ছিলাম একজন শক্তিশালী যুবক। আমি একটি খরগোশ শিকার করে তার গোশত ভুনা করলাম। আবূ তালহা (রাঃ) আমাকে এর পিছন দিকের গোশত নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রেরণ করলেন। আমি তা নিয়ে তাঁর কাছে উপস্থিত হলে তিনি তা গ্রহণ করলেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 56 · #3788 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (2572) Sahih Muslim (1953) - 57
। আবূ খালিদ ইবনু হুওয়াইরিস (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) ‘আস-সাফাহ’ নামক স্থানে ছিলেন। মুহাম্মাদ ইবনু খালিদ বলেন, তা মক্কায় অবস্থিত একটি স্থান। এক লোক একটি খরগোশ শিকার করে আনলো। সে বললো, হে আব্দুল্লাহ ইবনু আমর! আপনি কি বলেন? তিনি বললেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এর গোশত আনা হয়। তখন আমি সেখানে বসা ছিলাম। তিনি তা আহার করেননি এবং অন্যকে খেতে নিষেধ করেননি। তাঁর ধারণা, এর মাসিক ঋতু হয়।[1] সনদ দুর্বল।
Book 28 · Hadith 57 · #3789 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Daif, Daif - 58
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা তার খালা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য মাখন, পনির ও দব্বের (অনেকটা গুইসাপের মত দেখতে) গোশত পাঠালে তিনি মাখন ও পনির থেকে খেলেন কিন্তু দব্বের গোশত খেলেন না রুচিবোধ না হওয়ায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে একত্রে বসে তা খাওয়া হলো। তা হারাম হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে বসে তা খাওয়া যেতো না।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 58 · #3790 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (2575) Sahih Muslim (1947) - 59
। খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে মাইমূনাহ (রাঃ)-এর ঘরে যান। সেখানে দব্বের ভাজা গোশত আনা হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা নিতে হাত বাড়ালে মাইমূনাহ (রাঃ)-এর ঘরে উপস্থিত অন্যান্য স্ত্রীগণ বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বলে দাও যা নিতে তিনি চাইছেন। তারা বললেন, এটা দব্বের গোশত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত গুটিয়ে নিলে খালিদ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, এটা কি হারাম? তিনি বললেনঃ না, কিন্তু এটা আমাদের এলাকায় পাওয়া যায় না। এর গোশত আমার নিকট রুচিকর নয়। খালিদ (রাঃ) বলেন, আমি হাত বাড়িয়ে তা নিয়ে খেলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা দেখলেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 59 · #3791 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (2537) Sahih Muslim (1945) - 60
। সাবিত ইবনু ওয়াদি‘আহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সামরিক অভিযানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা কিছু দব্ব ধরলাম। সাবিত (রাঃ) বলেন, আমি একটি দব্ব ভূনা করে তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে রাখলে তিনি একটি কাঠ উঠিয়ে তা দিয়ে এর আঙ্গুল গণনা করলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ বনী ইসরাঈলের একটি সম্প্রদায়কে যমীনের বুকে একটি বিচরণশীল প্রাণীতে রূপান্তরিত করে দেয়া হয়েছিল। আমি জানি না, সেটা কোন প্রাণী? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তা খেলেন না এবং খেতে নিষেধও করলেন না।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 60 · #3792 · Sahih, Sahih, Sahih - 61
। আব্দুর রাহমান ইবনু শিবল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দব্বের গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।[1] হাসান।
Book 28 · Hadith 61 · #3793 · Hasan, Hasan, Daif - 62
। বুরাইহ ইবনু উমার ইবনু সাফীনাহ (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হুবাবার গোশত খেয়েছি।[1] দুর্বলঃ মিশকাত
Book 28 · Hadith 62 · #3794 · Daif, Daif, Daif, Daif - 63
। মিলকাম ইবনু তালিব্ব (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। কিন্তু আমি কখনো ‘হাশরাতুল আরদ’ হারাম হওয়া সম্পর্কে কিছু শুনিনি।[1] সনদ দুর্বল।
Book 28 · Hadith 63 · #3795 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Daif - 64
। ঈসা ইবনু নুমাইলাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তাকে সজারুর গোশত খাওয়া সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ আয়াত পড়েনঃ ‘‘আপনি বলুন, আমার নিকট যে ওয়াহী এসেছে তাতে এমন কোনো বস্তু পাই না যা খাওয়া কারো পক্ষে হারাম...’’ (সূরা আল-আনআমঃ ১৪৫) পূর্ণ আয়াত। বর্ণনাকারী বলেন, এক প্রবীন শাইখ ইবনু উমার (রাঃ)-কে বললেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে সজারু সম্পর্কে আলাপ করা হলে তিনি বলেনঃ ‘‘নাপাক প্রাণীর মধ্যকার একটি প্রাণী।’’ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একথা বলে থাকেন তাহলে তিনি ঠিকই বলেছেন, যা আমার জানা ছিলো না।[1] সনদ দুর্বল।
Book 28 · Hadith 64 · #3796 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Daif - 65
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহিলী যুগের লোকেরা কিছু জিনিস খেতো এবং ঘৃণাবশত কিছু জিনিস পরিহার করতো। এ অবস্থায় আল্লাহ তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রেরণ করলেন এবং তাঁর কিতাব অবতীর্ণ করলেন এবং তাতে কিছু জিনিস হালাল করলেন ও কিছু জিনিস হারাম করলেন। তিনি যা হালাল করেছেন তা হালাল এবং যা হারাম করেছেন তা হারাম, আর যেগুলো সম্পর্কে নীরব থেকেছেন তাতে ছাড় দেয়া হয়েছে। অতঃপর ইবনু আব্বাস (রাঃ) তিলাওয়াত করেনঃ ‘‘আপনি বলুন, আমার নিকট যে ওয়াহী এসেছে তাতে এমন কোনো জিনিস পাইনি যা আহার করা কারো জন্য হারাম।’’ আয়াতের শেষ পর্যন্ত।[1] সনদ সহীহ।
Book 28 · Hadith 65 · #3797 · Sahih Isnaad, Sahih Isnaad, Isnaad Sahih - 66
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হায়েনা সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ এটা শিকার করার মতো প্রাণী। ইহরাম অবস্থায় তা শিকার করলে একটি মেষ কুরবানী দিতে হয়।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 66 · #3798 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 67
। আবূ সা‘লাবা আল-খুশানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক শিকারী দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 67 · #3799 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (5530) Sahih Muslim (1932) - 68
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক শিকারী দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র জন্তু ও প্রত্যেক পাঞ্জাধারী শিকারী পাখী খেতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 68 · #3800 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim (1934) - 69
। আল-মিকদাম ইবনু মা‘দীকারির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সাবধান! শিকারী দাঁতযুক্ত হিংস্র জন্তু, গৃহপালিত গাধা এবং চুক্তিবদ্ধ যিম্মীর হারানো মাল খাওয়া হারাম। তবে সে তা পরিত্যাগ করে থাকলে ভিন্ন কথা। কোনো ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের নিকট মেহমান হিসেবে উপস্থিত হওয়ার পর তারা তাকে আতিথ্য না করলে সে আতিথ্যের পরিমাণ মাল তাদের কাছ থেকে আদায় করে নিতে পারে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 69 · #3801 · Sahih, Sahih, Sahih - 70
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার বিজয়ের দিন শিকারী দাঁতযুক্ত হিংস্র জন্তু ও প্রত্যেক পাঞ্জাধারী শিকারী পাখী খেতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 70 · #3802 · Sahih, Sahih, Sahih, Daif - 71
। খালিদ ইবনুর ওয়ালীদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে খায়বার যুদ্ধে যোগদান করেছি। ইয়াহুদীরা এসে অভিযোগ করলো যে, লোকেরা তাড়াহুড়া করে তাদের বাঁধা পশুগুলো লুণ্ঠন করে নিয়ে যাচ্ছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সাবধান! যে কাফিররা তোমাদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় ন্যায়সংগত অধিকার ছাড়া তাদের মাল আত্মসাৎ করা বৈধ নয়। তোমাদের প্রতি হারাম করা হয়েছে গৃহপালিত গাধা, ঘোড়া, খচ্চর, প্রত্যেক শিকারী দাঁতযুক্ত হিংস্র জন্তু এবং প্রত্যেক পাঞ্জাধারী শিকারী পাখী।[1] দুর্বল।
Book 28 · Hadith 71 · #3803 · Daif, Daif, Daif, Daif - 72
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিড়ালের গোশত খেতে এবং এর বিক্রয়লব্ধ অর্থ ভোগ করতে নিষেধ করেছেন।[1] দুর্বলঃ ইরওয়া (২৪৮৭)।
Book 28 · Hadith 72 · #3804 · Daif, Daif, Daif, Sahih - 73
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বারের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন এবং ঘোড়ার গোশত খাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 73 · #3805 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - 74
। গালিব ইবনু আবজার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক বছর দুর্ভিক্ষে পড়লাম। পরিবার-পরিজনের খাওয়ার ব্যবস্থা করার মত সম্পদ আমার ছিলো না, কয়েকটি গাধা ব্যতীত। ইতোপূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা দুর্ভিক্ষে পড়েছি। মোটাতাজা কয়েকটি গাধা ছাড়া আমার এমন কোনো কিছু নেই যা দিয়ে আমি পরিবার-পরিজনের আহারের ব্যবস্থা করবো। অথচ আপনি গৃহপালিত গাধার গোশত খাওয়া হারাম করেছেন। তিনি বলেনঃ তোমার পরিবারের লোকদেরকে মোটাতাজা গাধার গোশত খাওয়াও। নাপাক খাওয়ায় অভ্যস্ত হওয়ার কারণে আমি গৃহপালিত গাধার গোশত খাওয়া হারাম করেছিলাম।[1] সনদ যঈফ মুযতারিব।
Book 28 · Hadith 74 · #3806 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Daif, Daif - 75
। মিস‘আর (রহঃ) বলেন, আমার মতে গালিব (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এ বর্ণনা নিয়ে আসেন।[1] দুর্বল।
Book 28 · Hadith 75 · #3807 · Daif, Daif, Daif, Daif - 76
। আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (দাদা) বলেনঃ খায়বার যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গৃহপালিত গাধার গোশত এবং নাপাকী খায় এমন প্রাণীর গোশত খেতে ও তাতে সওয়ার হতে নিষেধ করেছেন।[1] হাসান সহীহ।
Book 28 · Hadith 76 · #3808 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Hasan, Isnaad Hasan - 77
। আবূ ইয়া‘ফূর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-এর নিকট শুনেছি, আমি তাকে টিড্ডি খাওয়া সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছয়-সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমরা তাঁর সঙ্গে একত্রে টিড্ডি খেয়েছি।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 77 · #3809 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (5495) Sahih Muslim (1952) - 78
। সালমান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে টিড্ডি খাওয়া সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ আল্লাহর অসংখ্য সৈন্যবাহিনী রয়েছে। আমি এগুলো খাই না এবং হারামও বলি না।[1] দুর্বলঃ মিশকাত
Book 28 · Hadith 78 · #3810 · Daif, Daif, Daif - 79
। সালমান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে টিড্ডি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ এরা আল্লাহর অসংখ্য সৈনিক।[1] দুর্বলঃ এর পূর্বেরটি দেখুন।
Book 28 · Hadith 79 · #3811 · Daif, Daif, Daif - 80
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সমুদ্র যা নিক্ষেপ করে বা পানি সরে গেলে যা পাওয়া যায় তা খাও, আর যা মরে ভেসে উঠে তা খেও না।[1] দুর্বলঃ মিশকাত (৪১৩৩)।
Book 28 · Hadith 80 · #3812 · Daif, Daif, Daif - 81
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি তার পরিবার-পরিজন নিয়ে হাররা নামক স্থানে যাত্রাবিরতি করলো। অপর এক ব্যক্তি তাকে বললো, আমার একটি উট হারিয়ে গেছে। তুমি তা পেলে ধরে রাখবে। সে উটটি পেয়ে গেলো কিন্তু মালিককে পেলো না। উটটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার স্ত্রী তাকে বললো, এটা যাবাহ করো, কিন্তু সে যাবাহ করতে সম্মত হলো না। উটটি মারা গেলে তার স্ত্রী বললো, এর চামড়া ছাড়াও তাহলে এর গোশত ও চর্বি আগুনে জ্বালিয়ে খেতে পারবো। স্বামী বললো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করে দেখি। সে তাঁর নিকট এসে এ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ তোমার নিকট এমন কিছু আছে যা তোমাকে মুর্দা খাওয়া থেকে মুখাপেক্ষিহীন করতে পারে? সে বললো, না। তিনি বললেনঃ তবে তা খাও। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর উটের মালিক ফিরে এলে সে তাকে ঘটনা অবহিত করলো। সে বললো, তুমি যাবাহ করলে না কেন? সে বললো, তোমার উট যাবাহ করতে লজ্জাবোধ করেছি।[1] সনদ হাসান।
Book 28 · Hadith 81 · #3813 · Hasan Isnaad, Hasan Isnaad, Isnaad Sahih - 82
। ফুজায়ঈ আল-‘আমিরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলেন, আমাদের জন্য কি মৃত প্রাণী হালাল নয়? তিনি বললেনঃ কেন, তোমাদের খাদ্য কি? আমি বললাম, সকালে এক পিয়ালা দুধ এবং রাতে এক পিয়ালা দুধ খেয়ে থাকি। আবূ নু‘আইম বলেন, ‘উকবাহ আমার নিকট এরূপ ব্যাখা করেছেনঃ সকালে এক পিয়ালা এবং রাতে এক পিয়ালা, আমার পিতার কসম! আমরা সম্পূর্ন ক্ষুধার্ত থাকি। এমতাবস্থায় তাদের জন্য তিনি মৃত প্রাণী খাওয়া হালাল করলেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেনঃ আল-গাবূক হচ্ছে রাতের পানীয় এবং আস-সাবূহ সকালের পানীয়।[1] সনদ দুর্বলঃ মিশকাত (৪২৬১)।
Book 28 · Hadith 82 · #3814 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Daif, Daif - 83
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুধ ও ঘিয়ে ভিজানো সাদা আটার সাদা রুটি আমার খুবই পছন্দ। লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি উঠে গিয়ে ঐ ধরণের রুটি তৈরী করে আনলো। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ ঘি কিরূপ পাত্রে ছিলো? লোকটি বললো, গুই সাপের চামড়ার পাত্রে। তিনি বলেনঃ এটা তুলে নিয়ে যাও। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি মুনকার।[1] সনদ দুর্বলঃ মিশকাত (৪২২৯)।
Book 28 · Hadith 83 · #3815 · Daif, Daif, Daif - 84
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাবূকের ময়দানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পনীরের একটি টিকা আনা হলে তিনি ছুঁড়ি নিয়ে ডাকলেন এবং বিসমিল্লাহ বলে তা টুকরা টুকরা করলেন।[1] সনদ হাসান।
Book 28 · Hadith 84 · #3816 · Hasan Isnaad, Hasan Isnaad, Isnaad Hasan - 85
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সিরকা হচ্ছে উত্তম তরকারী।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 85 · #3817 · Sahih, Sahih, Sahih - 86
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সিরকা উত্তম তরকারী।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 86 · #3818 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim (2052) - 87
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রসুন বা পিয়াজ খেয়েছে সে যেন আমাদের থেকে দূরে থাকে অথবা আমাদের মাসজিদ থেকে দূরে থাকে। সে যেন নিজের ঘরে বসে থাকে। তাঁর সামনে একত্রে রান্না করা বিভিন্ন প্রকার তরকারী ভর্তি একটি পাত্র আনা হলে তিনি তা থেকে এক ধরণের ঘ্রাণ পেয়ে প্রশ্ন করলেন। তাঁকে পাত্রের মধ্যকার তরকারী সম্পর্কে জানানো হলে তিনি বলেনঃ অমুক ব্যক্তির নিকট নিয়ে যাও। লোকটি তাঁর সাথেই ছিলো। তিনি যখন দেখলেন সে তা খেতে অপছন্দ করছে তখন তিনি বললেনঃ খাও। নিশ্চয়ই আমি এমন এক মহান সত্তার সাতে অতি গোপনে কথা বলি যাঁর সাথে তোমরা কথা বলতে পারো না।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 87 · #3819 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (855) Sahih Muslim (564) - 88
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে পিয়াজ-রসুন সম্পর্কে কথা উঠলো। বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! এর মধ্যে রসুনের গন্ধটাই খুব বেশী। আপনি কি এটা হারাম করেন? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা তা খেতে পারো। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তা খায় সে যেন মুখের গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই এ মসজিদের নিকটে না আসে।[1] দুর্বল।
Book 28 · Hadith 88 · #3820 · Daif, Daif, Isnaad Hasan - 89
। হুযাইফাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি কিবলাহর দিকে থুথু ফেলে কিয়ামতের দিন সে ঐ থুথু নিজের দু’ চোখের মধ্যখানে পতিত অবস্থায় উপস্থিত হবে। যে ব্যক্তি এ খারাপ তরকারী (পিয়াজ) খাবে সে যেন আমাদের মসজিদে না আসে। তিনি কথাটি তিনবার বলেছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 89 · #3821 · Sahih, Sahih, Daif - 90
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি এ গাছ (পিয়াজ) খাবে সে অবশ্যই যেন মাসজিদসমূহের নিকটে না আসে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 90 · #3822 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (853) Sahih Muslim (561) - 91
। আল-মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূন খেয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুসল্লায় সালাত পড়তে আসলাম। তখন এক রাক‘আত শেষ হয়েছে। আমি মসজিদে প্রবেশ করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রসুনের গন্ধ পান। তিনি তাঁর সালাত শেষ করে বললেনঃ ‘‘যে ব্যক্তি এই গাছ (রসুন) থেকে আহার করলো, তার মুখের দুর্গন্ধ দূর হওয়ার পূর্বে সে অবশ্যই যেন আমাদের নিকট না আসে।’’ আমি সালাত শেষ করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম! অবশ্যই আপনার হাতটা আমাকে দিন। মুগীরাহ (রাঃ) বলেন, আমি তাঁর হাত জামার ভিতর দিয়ে আমার বুক পর্যন্ত ঢুকালাম। আমার বুকে পট্টি বাঁধা ছিলো। তিনি বললেনঃ এটা তোমার জন্য ওজর।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 91 · #3823 · Sahih, Sahih, Sahih - 92
। মু‘আবিয়াহ ইবনু কুররাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি গাছ থেকে বারণ করেছেন। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ঐ গাছ দু’টো খাবে সে যেন অবশ্যই আমাদের মসজিদে না আসে। তিনি আরো বলেছেনঃ তোমাদের যদি একান্তই এটা খেতে হয় তাহলে রান্না করে দুর্গন্ধ দূর করে খাও। বর্ণনাকারী বলেন, গাছ দু’টি হলো পিয়াজ ও রসুন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 92 · #3824 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Isnaad Hasan - 93
। আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কাঁচা রসুন খেতে নিষেধ করা হয়েছে। রান্না করে খাওয়াতে দোষ নেই।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 93 · #3825 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Daif - 94
। আবূ যিয়াদ খিয়ার ইবনু সালামাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি আয়িশাহ (রাঃ)-কে পিয়াজ খাওয়া সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সর্বশেষ যে খাবার খেয়েছিলেন, তাতে পিয়াজ ছিলো।[1] দুর্বলঃ ইরওয়া (২৫১৩)।
Book 28 · Hadith 94 · #3826 · Daif, Daif, Daif, Daif - 95
। ইউসুফ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি দেখলাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক টুকরা যবের রুটি নিয়ে তাতে একটি খেজুর রেখে বললেনঃ এই খেজুর এই রুটির তরকারী।[1] দুর্বলঃ মিশকাত (৪২২৩)।
Book 28 · Hadith 95 · #3827 · Daif, Daif, Daif - 96
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ঘরে খেজুর নেই সে ঘরের অধিবাসীরা অভুক্ত।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 96 · #3828 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim (2046) - 97
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে পুরাতন খেজুর পরিবেশন করা হলে তিনি তা ছিঁড়ে এর মধ্য থেকে পোকা খুঁজে বের করতে থাকেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 97 · #3829 · Sahih, Sahih, Isnaad Hasan - 98
। ইসহাক ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ তালহা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পোকায় ধরা খেজুর দেয়া হলো। বাকী অংশ পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 98 · #3830 · Sahih, Sahih, Hasan - 99
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমার সাথীর অনুমতি ছাড়া একত্রে দু’টি খেজুর তুলে খেতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 99 · #3831 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - 100
। আব্দুল্লাহ ইবনু জা‘ফার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাজা খেজুরের সাথে শসা খেতেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 100 · #3832 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (5447) Sahih Muslim (2043) - 101
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাজা খেজুর দিয়ে তরমুজ খেতেন। তিনি বলতেনঃ এর ঠান্ডা ওটার গরম কমাবে এবং এর গরম ওটির ঠান্ডা কমিয়ে দিবে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 101 · #3833 · Hasan, Hasan, Isnaad Sahih - 102
। বুসর আস-সুলামীর দু’ পত্র সূত্রে বর্ণিত। তারা উভয়ে বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করলেন। আমরা তাঁকে পনীর ও খেজুর খেতে দিলাম। তিনি পনীর ও খেজুর খুব পছন্দ করতেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 102 · #3834 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 103
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে যুদ্ধে যোগদান করতাম। আমরা মুশরিকদের পাত্র ও পানপাত্র পেয়ে তা ব্যবহার করতাম। এতে তিনি আমাদের কোনো দোষ ধরেননি।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 103 · #3835 · Sahih, Sahih, Isnaad Hasan - 104
। আবূ সা‘লাবা আল-খুশানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আরজ করলেন, আমরা আহলে কিতাবের এলাকায় যাতায়াত করি। তারা তাদের হাঁড়িকে শুকরের গোশত রান্না করে এবং তাদের পানপাত্রে মদ পান করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি তোমরা তাদের পাত্র ছাড়া অন্য পাত্র পাও তবে তাতে পানাহার করো। আর যদি তাদেরগুলো ছাড়া অন্য কোনো পাত্র না পাও তবে তাদেরগুলো পানি দিয়ে ভালভাবে ধুলে তাতে পানাহার করো।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 104 · #3836 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 105
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরাইশদের একটি কাফেলাকে পাকড়াও করতে আমাদেরকে এক অভিযানে পাঠালেন। তিনি আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ)-কে আমাদের অধিনায়ক বানালেন। তিনি আমাদের সাথে এক ব্যাগ খেজুরও দিলেন। এছাড়া আর কিছু আমাদের সাথে ছিলো না। আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ) প্রতিদিন আমাদের প্রত্যেককে একটি করে খেজুর দিতেন। আমরা বাচ্চাদের মতো তা চুষে খেতাম। অতঃপর পানি পান করতাম। এভাবে আমরা রাত পর্যন্ত সারা দিন কাটিয়ে দিতাম। আমরা নিজেদের লাঠি দিয়ে গাছের পাতা ঝরিয়ে তা পানিতে ভিজিয়ে খেয়েছি। জাবির (রাঃ) বলেন, আমরা সমুদ্রের কিনারার দিকে অগ্রসর হলাম। অতঃপর সমুদ্রের তীরে বালুর ঢিবির ন্যায় একটি বস্তু দেখা গেলো। আমরা গিয়ে দেখলাম, এটা একটা সামুদ্রিক প্রাণী, যার নাম আম্বর (তিমি) মাছ। আবূ উবাইদাহ (রাঃ) বললেন, এটা মৃত প্রাণী, আমাদের জন্য হালাল নয়। অতঃপর তিনি মত পাল্টিয়ে বললেন, না! বরং আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতিনিধি এবং আমরা আল্লাহর রাস্তায় বের হয়েছি। তোমরাও সংকটসপন্ন অবস্থায় সম্মুখীন হয়েছ, সুতরাং এটা খাও। জাবির (রাঃ) বলেন, কেবলমাত্র আমরাই সেখানে অবস্থান করেছিলাম। আমরা সংখ্যায় ছিলাম তিনশো। আমরা প্রতিদিন তা খেয়ে মোটাতাজা হয়ে গেলাম। আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে ঘটনাটি বললাম। তিনি বললেনঃ ওটা ছিলো রিযিক, যা আল্লাহ তোমাদের জন্য পাঠিয়েছিলেন। তোমাদের সাথে এর গোশত অবশিষ্ট আছে কি? থাকলে আমাকে খাওয়াও। আমরা মাছের কিছু অংশ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পৌঁছালাম, তিনি তা খেলেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 105 · #3837 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (2483) Sahih Muslim (1935) - 106
। মাইমূনাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একটি ইঁদুর ঘিয়ের মধ্যে পড়ে গেলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তা জানানো হলো। তিনি বললেনঃ এর চারপাশের ঘি ফেলে দিয়ে অবশিষ্ট ঘি খাও।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 106 · #3838 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (5538) - 107
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি ঘিয়ের মধ্যে ইুঁদর পতিত হয় এবং তা জমাট বাঁধা হয় তবে ইঁদুর ও এর চার পাশের ঘি ফেলে দিবে। ঘি যদি তরল হয় তবে তার নিকট যাবে না (খাবে না)।[1] শাযঃ মিশকাত (৪১২৩)।
Book 28 · Hadith 107 · #3839 · Daif, Daif - 108
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে মাইমূনাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে হাদীস বর্ণনা করেছেন তা ইবনুল মুসাইয়্যাব বর্ণিত যুহরীর হাদীসের অনুরূপ।
Book 28 · Hadith 108 · #3840 · Shadh, Daif - 109
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পড়লে তা এর ভিতরে ডুবিয়ে দাও। কেননা তার এক ডানায় রোগ এবং অপর ডানায় নিরাময় রয়েছে। সে জীবাণুযুক্ত পাখা ডুবিয়ে দিতে চেষ্টা করে। কাজেই তা সম্পূর্ণভাবে ডুবিয়ে দাও।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 109 · #3841 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - 110
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাওয়া শেষ করে তিনটি আঙ্গুল চাটতেন এবং বলতেনঃ তোমাদের কারো লোকমা পড়ে গেলে সে যেন তার ময়লা দূর করে তা খেয়ে নেয় এবং শয়তানের জন্য ফেলে না রাখে। তিনি আমাদেরকে থালা পরিষ্কার করে খেতে আদেশ দিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেনঃ তোমাদের কেউই জানে না খাদ্যের কোন অংশে তার জন্য বরকত রয়েছে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 110 · #3842 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim (2034) - 111
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো খাদেম যখন খাবার তৈরী করে তার জন্য পেশ করে; সে বাবুর্চিখানার উত্তাপ করেছে; মালিক যেন তাকে সাথে নিয়ে খায়। খাদ্যের পরিমাণ কম হলে সে যেন অন্তত তার হাতে এক বা দু’ লোকমা খাদ্য তুলে দেয়।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 111 · #3843 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (2557) Sahih Muslim (1663) - 112
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ আহার করার পর আঙ্গুল চেটে খাওয়ার বা খাওয়ানোর পূর্বে যেন রুমালে হাত না মুছে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 112 · #3844 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (5456) Sahih Muslim (2031) - 113
। ইবনু কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন আঙ্গুল দিয়ে আহার করতেন এবং আঙ্গুল চেটে খাওয়ার আগে তা মুছতেন না।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 113 · #3845 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim (2032) - 114
। আবূ উমামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, দস্তরখানা তুলে নেয়ার সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ ‘‘আল্লাহর জন্য অসংখ্য প্রশংসা, পবিত্রতা ও প্রাচুর্য অবিরভাবে। হে আমাদের রব! আমরা যেন আপনার দেয়া রিযিক থেকে মুখাপেক্ষিহীন না হই।’’[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 114 · #3846 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (5458) - 115
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাওয়া শেষে বলতেনঃ ‘‘সেই আল্লাহর জন্য সমস্ত প্রশংসা যিনি আমাদেরকে খাওয়ালেন, পান করালেন এবং মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।[1] দুর্বলঃ মিশকাত (৪২০৪)।
Book 28 · Hadith 115 · #3847 · Daif, Daif, Daif, Daif - 116
। আবূ আইয়ূব আল-আনসারী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাওয়া বা পান করার পর বলতেনঃ ‘‘সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি খাওয়ালেন, পান করালেন, পেটে প্রবেশ করা সহজ করে দিলেন এবং এগুলো বের হওয়ারও ব্যবস্থা রাখলেন।’’[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 116 · #3848 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 117
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি হাত পরিস্কার না করেই হাতে গোশতের গন্ধ ও তৈলাক্ততা নিয়ে ঘুমালো, এতে তার কোনো ক্ষতি হলে এজন্য সে নিজেকেই যেন তিরস্কার করে।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 117 · #3849 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 118
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবুল হাইসাম ইনুত তাইহান (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য খাবার তৈরী করলেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীদেরকে তাঁর বাড়িতে দা‘ওয়াত করলেন। তারা খাওয়া শেষ করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের ভাইয়ের প্রতিদান দাও। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তার প্রতিদান কি? তিনি বললেনঃ কোনো লোককে ঘরে প্রবেশ করিয়ে সেখানে পানাহার করানো হলে যদি তার (দা‘ওয়াতদাতার) জন্য দু‘আ করা হয়, এটাই তার প্রতিদান।[1] দুর্বলঃ ইরওয়া
Book 28 · Hadith 118 · #3850 · Daif, Daif, Daif, Daif - 119
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সা‘দ ইবনু উবাদাহ (রাঃ)-এর বাড়িতে গেলেন। সা‘দ (রাঃ) রুটি ও যাইতুন তৈল আনলেন। তা খাওয়ার পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের নিকট রোযাদারগণ ইফাতর করেছে, সৎ লোকেরা তোমাদের খাদ্য খেয়েছে এবং ফিরিশতাগণ তোমার জন্য রহমতের দু‘আ করেছেন।[1] সহীহ।
Book 28 · Hadith 119 · #3851 · Sahih, Sahih, Hasan