Dialects and Readings of the Qur'an (Kitab Al-Huruf Wa Al-Qira'at)
- 1
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত (এভাবে) পড়েছেনঃ ‘‘তোমরা মাকামে ইবরাহীমকে সালাতের স্থান বানিয়ে নাও।’’ (সূরা আল-বাকারাহঃ ১২৫)।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 1 · #3966 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 2
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাতে এক লোক উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করলো। সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ অমুক ব্যক্তির উপর রহমত বর্ষণ করুন। সে রাতে আমাকে এমন কিছু আয়াত স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যা আমি প্রায় ভুলতে বসেছিলাম।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 2 · #3967 · Sahih, Sahih, Sahih - 3
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘‘আর নবীর জন্য শোভনীয় নয় যে, তিনি খিয়ানাত করবেন।’’ এই আয়াত বদরের যুদ্ধের সময় অবতীর্ণ হয়েছে, বদরের যুদ্ধের সময় একটা লাল চাঁদর হারিয়ে গেলে কতিপয় লোক বলাবলি করলো, সম্ভবত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা নিয়েছেন। তখন আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ ‘‘আর নবীর জন্য শোভনীয় নয় যে, তিনি খিয়ানাত করবেন। অথচ যে ব্যক্তি খিয়ানাত করবে সে খিয়ানাতকৃত বস্তুসহ কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে। অতঃপর প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের পূর্ণ বিনিময় পাবে এবং তাদের প্রতি বিন্দুমাত্র যুলুম করা হবে না।’’ (সূরা আল-ইমরানঃ ১৬১)। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘ইয়াগুলু’ শব্দের ইয়া-তে যবর হবে।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 3 · #3968 · Sahih, Sahih, Daif - 4
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট কৃপণতা ও বার্ধক্য থেকে আশ্রয় চাইছি।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 4 · #3969 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (2823) Sahih Muslim (2706) - 5
। লাক্বীত ইবনু সাবিরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বনী মুনতাফিকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়েছিলাম। অতঃপর তিনি হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সীন হরফে যের পড়েছেন, সীনে যবর দিয়ে পড়েননি।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 5 · #3970 · Sahih, Sahih, Isnaad Hasan - 6
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক অভিযানে মুসলিমগণ এক লোকের সাক্ষাৎ পেলো, যার কিছু বকরী ছিলো। লোকটি বললো, আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। (অথচ) তারা তাকে হত্যা করে বকরীগুলো নিয়ে নিলো। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ ‘‘কেউ তোমাদের সালাম দিলে দুনিয়াবী সম্পদের লোভে তাকে বলো না যে, তুমি মু‘মিন নও’’ (সূরা আন-নিসাঃ ৯৪) অর্থাৎ সেই বকরীগুলো।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 6 · #3971 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (4591) Sahih Muslim (3025) - 7
। খারিজাহ ইবনু যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের এই আয়াত এভাবে (পেশ দিয়ে) পড়তেনঃغَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ।[1] হাসান সহীহ।
Book 32 · Hadith 7 · #3972 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Hasan - 8
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত (এভাবে) পড়তেনঃ وَالْعَيْنُ بِالْعَيْنِ।[1] দুর্বল।
Book 32 · Hadith 8 · #3973 · Daif, Daif, Daif - 9
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত এভাবে পড়তেনঃ وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَا أَنَّ النَّفْسَ بِالنَّفْسِ وَالْعَيْنُ بِالْعَيْنِ দুর্বল।
Book 32 · Hadith 9 · #3974 · Daif, Daif, Daif, Daif - 10
। ‘আতিয়্যাহ ইবনু সা‘দ আল-আওফী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। আমি আব্দুল্লাহ ইবনু উমারের সামনে এই আয়াত اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ ضَعْفٍ এভাবে পাঠ করলে তিনি বলেন,مِنْ ضُعْفٍ পাঠ করো। বর্ণনাকারী বলেন, আমিও তোমার মতো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে পড়েছিলাম। ফলে তিনি আমার ভুল ধরেছিলেন যেমন আমি তোমার ভুল ধরেছি।[1] হাসান।
Book 32 · Hadith 10 · #3975 · Hasan, Hasan, Daif, Daif - 11
। আবূ সাঈদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে পড়তেনঃ (مِنْ ضُعْفٍ)।[1] হাসান।
Book 32 · Hadith 11 · #3976 · Hasan, Hasan, Daif, Daif - 12
। আব্দুর রাহমান ইবনু আবযা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) এই আয়াত এভাবে পড়তেনঃ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْتَفْرَحُوا।[1] হাসান সহীহ।
Book 32 · Hadith 12 · #3977 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Hasan, Hasan - 13
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত এভাবে পড়তেনঃ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْتَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِمَّا تَجْمَعُونَ।[1] হাসান সহীহ।
Book 32 · Hadith 13 · #3978 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Isnaad Hasan - 14
। আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ আয়াত এভাবে পড়তে শুনেছেঃ (إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ)।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 14 · #3979 · Sahih, Sahih, Isnaad Hasan - 15
। শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত কিভাবে পড়তেনঃ (إِنَّهُ عَمَلٌ غَيْرُ صَالِحٍ)? তিনি বললেন, তিনি এই আয়াত এভাবে পড়তেন(إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ)।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 15 · #3980 · Sahih, Sahih, Hasan, Hasan - 16
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দু‘আ করতেন তখন প্রথমে নিজের জন্য দু‘আ করতেন এবং বলতেনঃ আমাদের উপর এবং মূসার উপর আল্লাহর রহমত। যদি তিনি ধৈর্য ধারণ করতেন, তাহলে তিনি তার সঙ্গী (খিযির) থেকে আশ্চর্যকর জিনিস দেখতে পেতেন। বরং তিনি ধৈর্য না ধরে বলেনঃإِنْ سَأَلْتُكَ عَنْ شَيْءٍ بَعْدَهَا فَلَا تُصَاحِبْنِي قَدْ بَلَغْتَ مِنْ لَدُنِّي। ক্বারী হামযাহ শব্দটি দীর্ঘ করে পাঠ করেন।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 16 · #3981 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - 17
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াতেরقَدْ بَلَغْتَ مِنْ لَدُنِّي লাদুন্নী শব্দের নূনকে তাশদীদ সহকারে পড়েছেন।[1] দুর্বল
Book 32 · Hadith 17 · #3982 · Daif, Daif, Daif, Daif - 18
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) আমাকে ঐভাবে পড়িয়েছেন যেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পড়িয়েছিলেন। যেমনفِي عَيْنٍ حَمِئَةٍ। এখানে حَمِئَةٍ শব্দটি হালকাভাবে পড়েছেন।
Book 32 · Hadith 18 · #3983 · Sahih, Sahih, Daif - 19
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘ইল্লীনের অধিবাসী এক ব্যক্তি জান্নাতবাসীদের দিকে তাকাবে। ফলে জান্নাত তার দৃষ্টির কারণে মোতির মতো উজ্জ্বল হয়ে যাবে।’’ বর্ণনাকারী বলেন, হাদীসে এভাবেই এসেছে। এখানেدُرِّيٌّ শব্দটির দালের উপর পেশ হবে যের বা যবর হবে না। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আবূ বাকর এবং উমার তাদের দলভুক্ত হবেন। বরং তারা ঐ মতির চাইতে উত্তম।[1] দুর্বল।
Book 32 · Hadith 19 · #3984 · Daif, Daif, Hasan - 20
। ফারওয়াহ ইবনু মুসাইক আল-গুতাইফী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। অতঃপর হাদীস উল্লেখ করেন। এ সময় কওমের এক লোক জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদেরকে ‘সাবা’ সম্পর্কে সংবাদ দিন। সেটা কি কোনো জায়গার নাম নাকি কোনো মহিলার নাম? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ সেটা কোনো জায়গা বা মহিলার নাম নয়। বরং তা আরবের একজন লোকের নাম। লোকটির দশজন পুত্র ছিলো। যাদের ছয়জনে ইয়ামেনে এবং চারজন সিরিয়াতে বাস করে।[1] হাসান সহীহ।
Book 32 · Hadith 20 · #3985 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Isnaad Hasan - 21
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে ওয়াহীর হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত পড়েছেঃ حَتَّى إِذَا فُزِّعَ عَنْ قُلُوبِهِمْ।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 21 · #3986 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (4800، 4701) - 22
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত এভাবে পড়েছেনঃبَلَى قَدْ جَاءَتْكِ آيَاتِي فَكَذَبْتِ بِهَا وَاسْتَكْبَرْتِ وَكُنْتِ مِنَ الْكَافِرِينَ। ইমাম আবূ দাঊদ বলেন, এই বর্ণনাটি মুরসাল। কারণ বর্ণনাকারী রবী উম্মু সালামাহর সাক্ষাৎ পাননি।[1] সনদ দুর্বল।
Book 32 · Hadith 22 · #3987 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Daif, Daif - 23
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এই আয়াত এভাবে পড়তে শুনেছিঃ فَرُوحٌ وَرَيْحَانٌ।[1] সনদ সহীহ।
Book 32 · Hadith 23 · #3988 · Sahih Isnaad, Sahih Isnaad, Hasan, Isnaad Hasan - 24
। সাফওয়ান ইবনু ইয়া‘লা তার পিতা সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মিম্বারের উপর এই আয়াত এভাবে পড়তে শুনেছিঃ وَنَادَوْا يَا مَالِكُ এই আয়াত ‘ইয়া মা-লা’ পড়া হয়ে থাকে।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 24 · #3989 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (4819) Sahih Muslim (871) - 25
। আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এই আয়াত এভাবে পড়িয়েছেনঃ(إِنِّي أَنَا الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ)।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 25 · #3990 · Sahih, Sahih, Sahih - 26
। আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত এভাবে পড়তেনঃ(فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ)। ইমাম আবূ দাঊদ বলেন, মীম অক্ষর পেশ, দাল অক্ষর যবর এবং কাফ অক্ষর যের বিশিষ্ট হবে।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 26 · #3991 · Sahih, Sahih, Daif - 27
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি এই আয়াত এভাবে পড়তেঃ (يَحْسَبُ أَنَّ مَالَهُ أَخْلَدَهُ)।[1] সনদ দুর্বল।
Book 32 · Hadith 27 · #3992 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Isnaad Hasan - 28
। আবূ কিলাবাহ তার থেকে শুনেছেন, যাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এই আয়াত) এভাবে পড়িয়েছেনঃ(فَيَوْمَئِذٍ لَا يُعَذَّبُ عَذَابَهُ أَحَدٌ وَلَا يُوثَقُ)।[1] সনদ দুর্বল।
Book 32 · Hadith 28 · #3993 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Hasan - 29
। আবূ কিলাবাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। আমার কাছে ঐ ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, যাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়িয়েছেনঃ فَيَوْمَئِذٍ لَا يُعَذَّبُ। অর্থাৎ তিনি يُعَذَّبُ এর যাল অক্ষরে যবর দিয়ে পড়তেন।[1] সনদ দুর্বল।
Book 32 · Hadith 29 · #3994 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Hasan - 30
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি হাদীসে বর্ণনা করেনঃ جِبْرِيلَ وَمِيكَالَ। তিনি বলেনঃ جِبْرَائِلُ وَمِيكَائِلُ এতে কয়েক ধরণের কিরাআত আছে।[1] সনদ দুর্বল।
Book 32 · Hadith 30 · #3995 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Daif - 31
। মুহাম্মাদ ইবনু খাযিম (রহঃ) বলেন, একদা আ‘মাশ (রহঃ)-এর নিকট উল্লেখ করা হলো, জিবরাঈল ও মীকাঈল-এর কিরাআত কিরূপ? তখন আ‘মাশ (রহঃ) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করলেনঃ আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিংগাওয়ালা (ইসরাফীল) সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেনঃ তার ডানপাশে জিবরাঈল ও তার বামপাশে মীকাঈল থাকবেন।[1] দুর্বল।
Book 32 · Hadith 31 · #3996 · Daif, Daif, Daif - 32
। ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) বর্ণনা করে বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর, উমার ও উসমান (রাঃ) এ আয়াত (مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ) এর নিয়মে অর্থাৎ ‘মীম’-এর সাথে আলিফসহ পড়েন। মারওয়ান সর্বপ্রথম ‘আলিফ’ ছাড়া পড়েন।[1] সনদ দুর্বল।
Book 32 · Hadith 32 · #3997 · Daif Isnaad, Daif Isnaad, Daif - 33
। উম্মু সালামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কুরআন পাঠ বর্ণনা করেন অথবা অনুরূপ শব্দ প্রয়োগ করেনঃ (بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ. الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ. الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ. مَلِكِ يَوْمِ الدِّينِ)। তিনি প্রতিটি আয়াত বিরতি দিয়ে পাঠ করতেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি আহমাদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, প্রাচীন কিরাআত হলো مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 33 · #3998 · Sahih, Sahih, Daif - 34
। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে একই গাধার পিঠে বসা ছিলাম, তখন সূর্য অস্ত যাচ্ছিল তিনি আমাকে বললেনঃ তুমি কি জানো, এটা কোথায় অস্তমিত হয়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বলেনঃ ‘‘এটা উষ্ণ পানির এক ঝর্ণায় অস্তমিত হয়’’ (সূরা কাহফঃ ৮৬)।[1] সনদ সহীহ।
Book 32 · Hadith 34 · #3999 · Sahih Isnaad, Sahih Isnaad, Sahih Bukhari (3199، 4802، 4803) Sahih Muslim (159) - 35
। ইবনুল আসকা (রাঃ)-এর মুক্তদাস থেকে ইবনুল আসকা‘র সূত্রে বর্ণিত। তিনি ইবনুল আসকা‘কে বলতে শুনেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাজিরদের আঙ্গিনায় তাদের নিকট অসলেন। তখন এক ব্যক্তি তাঁকে প্রশ্ন করলো, কুরআনের কোন্ আয়াতটি সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ? তিনি বলেনঃ (اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ) আয়াতুল কুরসী।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 35 · #4000 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih - 36
। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি এ আয়াতهَيْتَ لَكَ (তা'র উপর যবর দিয়ে) পড়েছেন। শাকীক (রহঃ) বললেন, আমরা তো এ আয়াত هِئْتُ لَكَ (‘হা’ তে যের ও ‘তা’-র উপর পেশ দিয়) পড়ে থাকি। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বললেন, আমাকে যে রীতিতে পড়া শিখানো হয়েছে, আমি সেভাবেই পড়তে ভালবাসি।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 36 · #4001 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari (4692) - 37
। শাকীক (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-কে বলা হলো, কিছু লোক এ আয়াত هِيتَ لَكَ পড়ে (‘হা’র নীচে যের এবং ‘তা’র উপর পেশ দিয়ে)। তিনি বললেন, আমাকে যেভাবে শিখানো হয়েছে আমি সেভাবেই পড়া পছন্দ করি। এ বলে তিনি পাঠ করলেন هَيْتَ لَكَ (‘হা’র উপর ও ‘তা’র উপর যবর দিয়ে)।[1] সহীহ।
Book 32 · Hadith 37 · #4002 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - 38
। আবূ সাইদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ বনী ইসরাঈলকে বলেনঃ(ادْخُلُوا الْبَابَ سُجَّدًا وَقُولُوا حِطَّةٌ تُغْفَرْ لَكُمْ خَطَايَاكُمْ) ‘‘তোমরা নতশিরে দরজা দিয়ে প্রবেশ করো আর বলতে থাকো, ‘‘ক্ষমা করুন’’, তোমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করা হবে’’ (সূরা আল-বাকারাহঃ ৫৮)।[1] হাসান সহীহ।
Book 32 · Hadith 38 · #4003 · Hasan Sahih, Sahih Lighairihi, Isnaad Hasan - 39
। হিশাম ইবনু সা‘দ (রহঃ) থেকে তার সনদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।
Book 32 · Hadith 39 · #4004 · Daif, Hasan Sahih, Isnaad Hasan - 40
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর ওয়াহী অবতীর্ণ হয়েছে আর তিনি আমাদের নিকট তা পাঠ করেছেন ... سُورَةٌ أَنْزَلْنَاهَا وَفَرَضْنَاهَا (সূরা আন-নূরঃ ১)। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ হালকাভাবে নয়। অতঃপর তিনি সামনের দিকে পড়তে থাকেন।[1] সনদ সহীহ।
Book 32 · Hadith 40 · #4005 · Sahih Isnaad, Sahih Isnaad, Isnaad Sahih