Sahih al Bukhari

← Sahih al Bukhari

Al-Adha Festival Sacrifice (Adaahi)

৩০ হাদিস

  1. 1

    وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ هِيَ سُنَّةٌ وَمَعْرُوفٌ. ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেছেনঃ কুরবানী সুন্নাত এবং স্বীকৃত প্রথা। ৫৫৪৫. বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাদের এ দিনে আমরা সর্বাগ্রে যে কাজটি করব তা হল সালাত আদায় করব। এরপর ফিরে এসে আমরা কুরবানী করব। যে ব্যক্তি এভাবে তা আদায় করল সে আমাদের নীতি অনুসরণ করল। আর যে ব্যক্তি আগেই যবহ্ করল, তা এমন গোশতরূপে গণ্য যা সে তার পরিবারের জন্য আগাম ব্যবস্থা করল। এটা কিছুতেই কুরবানী বলে গণ্য নয়। তখন আবূ বুরদাহ ইবনু নিয়ার দাঁড়ালেন, আর তিনি সালাতের) আগেই যবহ্ করেছিলেন। তিনি বললেনঃ আমার নিকট একটি বকরীর বাচ্চা আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাই যবহ্ কর। তবে তোমার পরে আর কারো জন্য তা যথেষ্ট হবে না। মুতাররাফ বারা’ থেকে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সালাতের পর যবহ্ করল তার কুরবানী পূর্ণ হল এবং সে মুসলিমদের নীতি গ্রহণ করল। [৯৫১; মুসলিম ৩৫/১, হাঃ ১৯৬১, আহমাদ ১৬৪৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 1 · #5514
  2. 2

    আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের পূর্বে যবহ্ করল সে নিজের জন্যই যবহ্ করল। আর যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের পর যবহ্ করল, তার কুরবানী পূর্ণ হল এবং সে মুসলিমদের নীতি গ্রহণ করল। [৯৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 2 · #5515
  3. 3

    ‘উকবাহ ইবনু আমির জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে কতগুলো কুরবানীর পশু বণ্টন করলেন। তখন ‘উকবাহ (রাঃ)-এর অংশ পড়ল একটি বকরীর বাচ্চা। ‘উকবাহ (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার অংশে পড়েছে একটি বকরীর বাচ্চা। তিনি বললেনঃ সেটাই কুরবানী করে নাও। [২৩০০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 3 · #5516
  4. 4

    ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে প্রবেশ করলেন। অথচ মক্কা প্রবেশের পূর্বেই ‘সারিফ’ নামক জায়গায় তার মাসিক শুরু হয়। তখন তিনি কাঁদতে লাগলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার কী হয়েছে? মাসিক শুরু হয়েছে না কি? তিনি বললেনঃ হাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা তো এমন এক ব্যাপার যা আল্লাহ আদম আঃ)-এর কন্যাদের উপর নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। কাজেই হাজীগণ যা করে থাকে, তুমিও তেমনি করে যাও, তবে তুমি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করবে না। এরপর আমরা যখন মিনায় ছিলাম, তখন আমার কাছে গরুর গোশ্ত নিয়ে আসা হল। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ এটা কী? লোকজন উত্তর করলঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ থেকে গরু কুরবানী করেছেন। [২৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 4 · #5517
  5. 5

    আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরবানীর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের পূর্বে যবহ্ করেছে, সে যেন পুনরায় যবহ্ করে। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! এটাতো এমন দিন যাতে গোশত খাওয়ার প্রতি ইচ্ছা জাগে। তখন সে তার প্রতিবেশীদের কথাও উল্লেখ করল এবং বললঃ আমার কাছে এমন একটি বকরীর বাচ্চা আছে যেটি গোশতের ক্ষেত্রে দু’টি বকরীর চেয়েও উত্তম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সেটিই কুরবানী করতে অনুমতি প্রদান করলেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ আমি জানি না, এ অনুমতি এ ব্যক্তি ছাড়া অন্যের জন্যেও প্রযোজ্য কিনা? এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি ভেড়ার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সে দু’টিকে যবহ্ করলেন। লোকজন ছোট একটি বকরীর পালের দিকে উঠে গেল। এরপর ওগুলোকে বণ্টন করল কিংবা তিনি বলেছেনঃ সেগুলোকে তারা যবহ্ করে টুকরা টুকরা করে কাটলো। [৯৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 5 · #5518
  6. 6

    আবূ বাকরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণিত যে, নবী বলেছেনঃ কাল আবর্তিত হয়েছে তার সেই অবস্থানের উপর, যেভাবে আল্লাহ আকাশসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন। বছর বার মাসের। তার মাঝে চারটি মাস সম্মানিত। তিনটি পরপরঃ যুল কা‘দা, যুল-হাজ্জাহ্ ও মুহাররম। আরেকটি মুদার গোত্রের রজব মাস, সেটি জুমাদা ও শা’বানের মাঝখানে। (এরপর তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ) এটি কোন্ মাস? আমরা বললামঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জানেন। তখন তিনি নীরব রইলেন। এমন কি আমরা ভাবলাম যে, তিনি এটিকে অন্য নামে নাম দিবেন। তিনি বললেনঃ এটি কি যুল-হাজ্জ মাস নয়? আমরা বললামঃ হাঁ। তিনি আবার বললেনঃ এটি কোন্ শহর? আমরা বললামঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জানেন। তিনি নীরব রইলেন, এমনকি আমরা ভাবতে লাগলাম, হয়ত তিনি এটির অন্য কোন নাম দিবেন। তিনি বললেনঃ এটি কি মক্কা নগর নয়? আমরা বললামঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ এটি কোন দিন? আমরা বললামঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জানেন। তিনি নীরব রইলেন। এমনকি আমরা ধারণা করলাম যে, হয়ত তিনি এর নামের পরিবর্তে অন্য নাম দিবেন। তিনি বললেনঃ এটা কি কুরবানীর দিন নয়? আমরা উত্তর করলামঃ হাঁ। এরপর তিনি বললেনঃ তোমাদের রক্ত, তোমাদের ধন-সম্পদ, বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ বলেন, সম্ভবতঃ আবূ বাকরাহ বলেছেন, ‘‘এবং তোমাদের ইয্যত তোমাদের পরস্পরের উপর এমন সম্মানিত, যেমন সম্মানিত তোমাদের এই দিন, তোমাদের এই শহর, তোমাদের এই মাস। শীঘ্রই তোমরা তোমাদের রবের সঙ্গে সাক্ষাত করবে। তখন তিনি তোমাদের সম্পর্কে তোমাদের জিজ্ঞেস করবেন। সাবধান! আমার পরে তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ে ফিরে যেয়ো না। তোমাদের কেউ যেন কাউকে হত্যা না করে। মনে রেখ, উপস্থিত ব্যক্তি যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির কাছে (আমার বাণী) পৌঁছে দেয়। হয়ত যাদের কাছে পৌঁছানো হবে তাদের কেউ কেউ বর্তমানে যারা শুনেছে তাদের কারো চেয়ে বেশি সংরক্ষণকারী হবে। রাবী মুহাম্মাদ যখন এ হাদীস উল্লেখ করতেন, তখন বলতেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্যই বলেছেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ দেখ, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? দেখ, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? [৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 6 · #5519
  7. 7

    নাফি‘ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কুরবানী করার জায়গায় কুরবানী করতেন। উবাইদুল্লাহ বলেনঃ অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানী করার জায়গায়। [৯৮২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 7 · #5520
  8. 8

    ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদগাহে যবহ্ করতেন এবং নহর করতেন। [৯৮২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 8 · #5521
  9. 9

    وَقَالَ يَحْيٰى بْنُ سَعِيدٍ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ بْنَ سَهْلٍ قَالَ كُنَّا نُسَمِّنُ الأُضْحِيَّةَ بِالْمَدِينَةِ وَكَانَ الْمُسْلِمُونَ يُسَمِّنُونَ. ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (রহ.) বলেছেনঃ আমি আবূ ‘উমামাহ ইবনু সাহল থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেন, মদিনায় আমরা কুরবানীর পশুগুলোকে মোটাতাজা করতাম এবং অন্য মুসলিমরাও মোটাতাজা করতেন। ৫৫৫৩. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি মেষ দিয়ে কুরবানী আদায় করতেন। আমিও কুরবানী আদায় করতাম দু’টি মেষ দিয়ে। [৫৫৫৪, ৫৫৫৮, ৫৫৬৪, ৫৫৬৫, ৭৩৯৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 9 · #5522
  10. 10

    আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি সাদা কালো রং এর শিংওয়ালা ভেড়ার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং নিজ হাত দিয়ে সে দু’টিকে যবহ্ করলেন। ইসমাঈল ও হাতিম ইবনু ওয়ারদান এ হাদীসটি আইউব, ইবনু সীরীন, আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আইয়্যূব থেকেও এরকমই বর্ণনা করেছেন। [৫৫৫৩; মুসলিম ৩৫/৩, হাঃ ১৯৬৬, আহমাদ ১২১৪৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 10 · #5523
  11. 11

    ‘আমর ইবনু খালিদ (রহ.) ‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর পশু হিসাবে সাহাবীদের মধ্যে বণ্টন করে দেয়ার জন্য তাকে এক পাল বকরী দান করেন। তাত্থেকে একটি বক্রীর বাচ্চা বাকী থেকে গেলে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট তা ব্যক্ত করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তুমি নিজে তা কুরবানী করে নাও। [২৩০০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 11 · #5524
  12. 12

    বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বুরদাহ (রাঃ) নামীয় আমার এক মামা সালাত আদায়ের আগেই কুরবানী করেছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ তোমার বকরী কেবল গোশতের বকরী হল। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে একটি ঘরে পোষা বকরীর বাচ্চা রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সেটাকে কুরবানী করে নাও। তবে তা তুমি ছাড়া অন্য কারো জন্য ঠিক হবে না। এরপর তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের আগে যবহ্ করেছে, সে নিজের জন্যই যবহ্ করেছে, আর যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের পর যবহ্ করেছে, সে তার কুরবানী পূর্ণ করেছে। আর সে মুসলিমদের নিয়ম নীতি অনুসারেই করেছে। শা’বী ও ইবরাহীম ‘উবাইদাহ (রহ.) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। হুরাইস সূত্রে শা’বী থেকে ওয়াকী‘ এরকমই বর্ণনা করেন। শা’বী থেকে আসিম ও দাঊদ আমার নিকট পাঁচ মাসের দুধের বকরীর বাচ্চা আছে বলে বর্ণনা করেছেন। আবুল আহওয়াস বলেনঃ মানসূর আমাদের কাছে দু’ মাসের দুধের বাচ্চা আছে বলে বর্ণনা করেছেন। ইবনু আউন বলেছেনঃ দুধের বাচ্চা। [৯৫১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 12 · #5525
  13. 13

    বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবূ বুরদাহ (রাঃ) সালাত আদায়ের পূর্বে যবহ্ করেছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ এটার বদলে আরেকটি যবহ্ কর। তিনি বললেনঃ আমার কাছে একটি ছয়-সাত মাসের বকরীর বাচ্চা ছাড়া কিছুই নেই। শু‘বাহ বলেন, আমার ধারণা তিনি আরো বলেছেন যে, বকরীর বাচ্চাটি পূর্ণ এক বছরের বকরীর চেয়ে উত্তম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার স্থলে এটিকেই যবহ্ কর। কিন্তু তোমার পরে অন্য কারো জন্য কখনো এ অনুমতি থাকবে না। [৯৫১] হাতিম ইবনু ওয়ারদান এ হাদীসটি আইউব, মুহাম্মাদ, আনাস সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দুধের বাচ্চা) শব্দে বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 13 · #5526
  14. 14

    আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি সাদা-কালো রং এর ভেড়া দ্বারা কুরবানী করেছেন। তখন আমি তাঁকে দেখতে পেলাম তিনি ভেড়া দু’টোর পার্শ্বে পা রেখে ‘বিস্‌মিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার’ পড়ে তাঁর নিজ হাতে সে দু’টোকে যবহ্ করেন। [৫৫৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 14 · #5527
  15. 15

    وَأَعَانَ رَجُلٌ ابْنَ عُمَرَ فِي بَدَنَتِه„ وَأَمَرَ أَبُو مُوسٰى بَنَاتِه„ أَنْ يُضَحِّينَ بِأَيْدِيهِنَّ. এক ব্যক্তি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে কুরবানীর পশুর ব্যাপারে সহযোগিতা করেছিল। আবূ মূসা (রাঃ) তার কন্যাদের আদেশ করেছিলেন- তারা যেন নিজ হাতে কুরবানী করে। ৫৫৫৯. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সারিফ নামক জায়গায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে এলেন। সে সময় আমি কাঁদছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার কী হলো? তুমি কি ঋতুমতী হয়ে পড়েছ? আমি বললামঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ এটাতো এমন এক ব্যাপার যা আল্লাহ আদমের কন্যাদের উপর নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। অতএব হাজীরা যে সকল কাজ আদায় করে তুমিও তা আদায় কর। তবে তুমি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করবে না। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ থেকে গরু কুরবানী করেন। [৯৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 15 · #5528
  16. 16

    বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে খুত্বা দেয়ার সময় বলতে শুনেছিঃ আমাদের আজকের এ দিনে সর্বপ্রথম আমরা যে কাজটি করব তা হল সালাত আদায়। অতঃপর আমরা ফিরে গিয়ে কুরবানী করব। যে ব্যক্তি এভাবে করবে সে আমাদের সুন্নাতকে অনুসরণ করবে। আর যে ব্যক্তি পূর্বেই যবহ্ করল, তা তার পরিবার পরিজনের জন্য অগ্রিম গোশত প্রেরণ, তা কিছুতেই কুরবানী নয়। তখন আবূ বুরদাহ (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি সালাত আদায়ের পূর্বেই যবহ্ করে ফেলেছি এবং আমার কাছে একটি বকরীর বাচ্চা আছে, যেটি পূর্ণ এক বছরের বকরীর চেয়ে উৎকৃষ্ট। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি সেটির জায়গায় এটিকে কুরবানী কর। তোমার পরে এ নিয়ম আর কারো জন্য নয় কিংবা তিনি বলেছেনঃ আদায়যোগ্য হবে না। [৯৫১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 16 · #5529
  17. 17

    আনাস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের পূর্বে যবহ্ করেছে সে যেন আবার যবহ্ করে। তখন একব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ এটাতো এমন দিন যে দিন গোশ্ত খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জাগে। সে তার প্রতিবেশীদের অভাবের কথাও উল্লেখ করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেন তার ওজর উপলব্ধি করলেন। লোকটি বললঃ আমার কাছে এমন একটি ছাগলের বাচ্চা আছে যেটি দু’টি গোশতবহুল বকরীর চেয়ে উৎকৃষ্ট। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তাকে সেটি কুরবানী করার অনুমতি দান করলেন। (বর্ণনাকারী বলেনঃ) আমি জানি না, এ অনুমতি অন্যদের জন্যেও কিনা। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভেড়া দু’টির দিকে ঝুঁকলেন অর্থাৎ তিনি সে দু’টিকে যবহ্ করলেন। এরপর লোকেরা ছাগলের ছোট একটি ক্ষুদ্র পালের দিকে গেল এবং সেগুলোকে যবহ্ করল। [৯৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 17 · #5530
  18. 18

    জুনদুব ইবনু সুফ্ইয়ান বাজালী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি কুরবানীর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট হাজির ছিলাম। তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের আগে যবহ্ করেছে, সে যেন এর স্থলে আবার যবহ্ করে। আর যে ব্যক্তি যবহ্ করেনি, সে যেন যবহ্ করে নেয়। [৯৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 18 · #5531
  19. 19

    বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করে বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের মত সালাত আদায় করে, আমাদের কিবলাকে কিবলা বলে গ্রহণ করে সে যেন ঈদের সালাত) শেষ না করা পর্যন্ত যবহ্ না করে। তখন আবূ বুরদাহ ইবনু নিয়ার দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমিতো যবহ্ করে ফেলেছি। তিনি উত্তর দিলেনঃ এটি এমন জিনিস হল যা তুমি তাড়াহুড়ো করে ফেলেছ। আবূ বুরদাহ বললেনঃ আমার কাছে একটি অল্প বয়সের ছাগলআছে। সেটি পূর্ণ বয়স্ক দু’টি ছাগলের চেয়ে উৎকৃষ্ট। আমি কি সেটি যবহ্ করতে পারি? তিনি উত্তর দিলেনঃ হাঁ। তবে তোমার পরে আর কারো জন্য তা যবহ্ করা যথেষ্ট হবে না। ‘আমির (রহ.) বলেনঃ এটি হল তাঁর উৎকৃষ্ট কুরবানী। [৯৫১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 19 · #5532
  20. 20

    আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি শিংওয়ালা সাদা-কালো রঙের ভেড়া কুরবানী করতেন। তিনি পশুগুলোর পার্শ্ব তাঁর পায়ে চেপে ধরে সেগুলোকে নিজ হাতে যবহ্ করতেন। [৫৫৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 20 · #5533
  21. 21

    আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু’টির পার্শ্বে তাঁর পা রেখে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে স্বহস্তেসেই দু’টিকে যবহ্ করেন। [৫৫৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 21 · #5534
  22. 22

    মাসরূক (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে উম্মুল মু’মিনীন! কোন ব্যক্তি যদি কা‘বার উদ্দেশে হাদী কুরবানীর পশু) পাঠিয়ে দেয় এবং নিজে আপন শহরে অবস্থান করে নির্দেশ দেয় যে, তার হাদীকে যেন মালা পরিয়ে নেয়া হয়, তাহলে সেদিন থেকে লোকদের হালাল হওয়া পর্যন্ত কি সে ব্যক্তির ইহরামের হালাতে থাকতে হবে? মাসরূক বলেনঃ তখন আমি পর্দার আড়াল থেকে তাঁর [‘আয়িশাহ (রাঃ)] হাতের উপর হাত মারার শব্দ শুনলাম। তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীর কুরবানীর পশু) গলায় রশি পাকিয়ে পরিয়ে দিতাম। এরপর তিনি হাদীকে কা‘বার উদ্দেশে প্রেরণ করতেন। তখন স্বামী-স্ত্রীর বৈধ কাজ, লোকেরা ফিরে আসা পর্যন্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর হারাম হত না। [১৬৯৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 22 · #5535
  23. 23

    জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমরা মদিনায় ফিরে আসা পর্যন্ত কুরবানীর গোশত সঞ্চয় করে রাখতাম। রাবী সুফ্ইয়ান ইবনু ‘উইয়াইনাহ একাধিকবার لُحُومَ الأَضَاحِيِّ এর জায়গায় لُحُومُ الْهَدْيِ বলেছেন। [১৭১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 23 · #5536
  24. 24

    আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, তিনি (দীর্ঘদিন) বাইরে ছিলেন। পরে ফিরে আসলে তাঁর সম্মুখে গোশত পেশ করা হল। তিনি বললেনঃ এটি কি আমাদের কুরবানীর গোশত? এরপর তিনি বললেনঃ এটি সরিয়ে দাও, আমি তা খাব না। তিনি বলেন, এরপর আমি উঠে গেলাম এবং বেরিয়ে গিয়ে আমার ভাই আবূ ক্বাতাদাহ ইবনু নু‘মান-এর নিকট এলাম। আবূ ক্বাতাদাহ ছিলেন তার বৈপিত্রেয় ভাই এবং তিনি ছিলেন বাদরী সাহাবী। (তিনি বলেন) অতঃপর বিষয়টি আমি তাকে জানালে তিনি বললেনঃ তোমার অনুপস্থিতির সময় এরূপ বিধান চালু হয়েছে। [৩৯৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 24 · #5537
  25. 25

    সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের যে লোক কুরবানী করেছে, সে যেন তৃতীয় দিনে এমন অবস্থায় সকাল অতিবাহিত না করে যে, তার ঘরে কুরবানীর গোশ্ত কিছু থেকে যায়। পরবর্তী বছর আসলে, সাহাবীগণ বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তেমন করব, যেমন গত বছর করেছিলাম? তখন তিনি বললেনঃ তোমরা নিজেরা খাও, অন্যকে খাওয়াও এবং সঞ্চয় করে রাখ, কারণ গত বছর মানুষের মধ্যে ছিল অনটন। তাই আমি চেয়েছিলাম, তোমরা তাতে সহযোগিতা কর। [মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 25 · #5538
  26. 26

    ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদিনা্য় অবস্থান কালে আমরা কুরবানীর গোশতের মধ্যে লবণ মিশিয়ে রেখে দিতাম। এরপর তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে পেশ করতাম। তিনি বলতেনঃ তোমরা তিন দিনের বেশি খাবে না। তবে এটি বড় ব্যাপার নয়। বরং তিনি তাত্থেকে অন্যদেরকেও খাওয়াতে চেয়েছেন। আল্লাহই বেশি জানেন। [৫৪২৩; মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭১, আহমাদ ২৪৩০৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 26 · #5539
  27. 27

    ইবনু আযহাবের আযাদকৃত দাস আবূ ‘উবায়দ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি ‘উমার ইবনু খত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে কুরবানীর ঈদের দিন ঈদগাহে হাযির ছিলেন। ‘উমার (রাঃ) খুতবার পূর্বে সালাত আদায় করেন। এরপর উপস্থিত জনতার সামনে খুতবা দেন। তখন তিনি বলেনঃ হে লোক সকল! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’ ঈদের দিনে সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন। তার মধ্যে একটি হল, তোমাদের সিয়াম ভঙ্গ করার দিন (অর্থাৎ ঈদুল ফিতর)। আর অন্যটি হল, এমন দিন যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশত খাবে। [১৯৯০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 27 · #5540
  28. 28

    আবূ ‘উবায়দ বলেনঃ এরপর আমি ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) এর সময়ও হাযির হয়েছি। সেদিন ছিল জুমু‘আহর দিন। তিনি খুতবা দানের আগে সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি খুতবাহ্ দিতে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে লোক সকল! এটি এমন দিন, যে দিন তোমাদের জন্য দু’টি ঈদ একত্র হয়ে গেছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে আওয়ালী মদিনার চার মাইল পূর্বে অবস্থিত) এলাকার যে ব্যক্তি জুমু‘আর সালাতের অপেক্ষা করতে চায়, সে যেন অপেক্ষা করে। আর যে ফিরে যেতে চায়, তার জন্য আমি অনুমতি প্রদান করলাম। [1] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 28 · #5541
  29. 29

    আবূ ‘উবায়দ বলেনঃ এরপর ঈদগাহে উপস্থিত হয়েছি ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)-এর সময়ে। তিনি খুতবার আগে সালাত আদায় করেন। এরপর লোকজনের উদ্দেশে খুতবাহ দেন। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশত তিন দিনের বেশি সময় খেতে নিষেধ করেছেন। মা‘মার, যুহরী, আবূ ‘উবায়দ (রহ.) থেকে এরকমই বর্ণিত আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 29 · #5542
  30. 30

    ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরবানীর গোশত থেকে তোমরা তিন দিন পর্যন্ত খাও। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) মিনা থেকে প্রত্যাবর্তন কালে কুরবানীর গোশত খাওয়া থেকে বিরত থাকার কারণে যায়তুন খাদ্য গ্রহণ করতেন। [মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    Book 73 · Hadith 30 · #5543
সব বিষয় · Sahih al Bukhari