Sunan Ibn Majah

← Sunan Ibn Majah

The Book of the Sunnah

২৬৪ হাদিস

  1. 1

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে যা আদেশ দেই, তোমরা তা গ্রহণ করো এবং যে বিষয়ে তোমাদেরকে নিষেধ করি তা থেকে বিরত থাকো।

    Book 0 · Hadith 1 · #1 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  2. 2

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যে সম্পর্কে তোমাদের বলিনি, সে সম্পর্কে তোমরা আমাকে জিজ্ঞেস করো না। কারণ তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগণ তাদের নবীগণের নিকট অধিক প্রশ্নের কারণে এবং তাদের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে ধ্বংস হয়েছে। অতএব আমি তোমাদেরকে কোন বিষয়ের নির্দেশ দিলে তোমরা তা যথাসাধ্য পালন করো এবং কোন বিষয়ে আমি তোমাদের নিষেধ করলে তা থেকে তোমরা বিরত থাকো।

    Book 0 · Hadith 2 · #2 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  3. 3

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আমার আনুগত্য করে সে আল্লাহ্‌রই আনুগত্য করে এবং যে ব্যাক্তি আমার অবাধ্যাচরণ করে সে আল্লাহ্‌রই অবাধ্যাচরণ করে।

    Book 0 · Hadith 3 · #3 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  4. 4

    । ইবনু উমার (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কোন হাদীস শুনলে, তাতে তিনি নিজের পক্ষ থেকে কম-বেশি করতেন না।

    Book 0 · Hadith 4 · #4 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  5. 5

    । আবূ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট বের হয়ে আসেন, তখন আমরা দারিদ্র্য সম্পর্কে আলাপরত ছিলাম এবং আমরা সে বিষয়ে শংকিত ছিলাম। তিনি বলেন: তোমরা দারিদ্র্যকে ভয় করছো? সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! অবশ্যই তোমাদের উপর পৃথিবী প্রবল বেগে প্রবাহিত হবে (প্রভাব বিস্তার করবে), এমনকি পৃথিবী তোমাদের অন্তর কেবল তার দিকেই আকৃষ্ট করে ফেলবে। আল্লাহ্‌র শপথ! আমি তোমাদেরকে পরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছেড়ে গেলাম, যার রাত-দিন ঔজ্জ্বল্যে সমান। আবূ দারদা (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্যই বলেছেন। আল্লাহ্‌র শপথ! তিনি আমাদের পরিচ্ছন্ন অবস্থায়ই ছেড়ে গেছেন, যার রাত ও দিন ঔজ্জ্বল্যে সমান।

    Book 0 · Hadith 5 · #5 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  6. 6

    । কুররাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের একটি দল অব্যাহতভাবে ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) পর্যন্ত সাহায্যপ্রাপ্ত হতে থাকবে এবং যারা তাদের অপদস্থ করতে চায় তারা তাদের কোন ক্ষতি করতে সক্ষম হবে না।

    Book 0 · Hadith 6 · #6 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  7. 7

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমার উম্মাতের একটি দল সর্বদা আল্লাহ্‌র নির্দেশের উপর স্থির থাকবে। তাদের বিরোধীরা তাদের ক্ষতি করতে সক্ষম হবে না।

    Book 0 · Hadith 7 · #7 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Sahih, Isnaad Hasan
  8. 8

    । আবূ ইনাবাহ (উতবাহ) আল-খাওলানী হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে দু কিবলার দিকেই সালাত আদায় করেছেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ সর্বদা এই দ্বীনের মধ্যে একটি গাছ রোপন করতে থাকবেন (এমন লোক সৃষ্টি করতে থাকবেন) যাদের তিনি তাঁর আনুগত্যে নিয়োজিত রাখবেন।

    Book 0 · Hadith 8 · #8 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  9. 9

    । আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুআবিয়াহ ভাষণ দিতে দাঁড়িয়ে বলেন, তোমাদের আলিমগণ কোথায়, তোমাদের আলিমগণ কোথায়? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) পর্যন্ত আমার উম্মাতের একটি দল সর্বদা লোকেদের উপর বিজয়ী থাকবে। তারা তাদের লাঞ্ছিত করতে উদ্যত বা সাহায্য করতে আগ্রহী কারো পরোয়া করবে না।

    Book 0 · Hadith 9 · #9 · Sahih, Sahih, Sahih
  10. 10

    । সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) পর্যন্ত আমার উম্মাতের একটি দল সত্যের উপর স্থির থাকবে এবং সাহায্যপ্রাপ্ত হতে থাকবে। মহামহিম আল্লাহ্‌র নির্দেশ (ক্বিয়ামাত (কিয়ামত)) আসা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধবাদীরা তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না।

    Book 0 · Hadith 10 · #10 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  11. 11

    । জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত থাকা অবস্থায় তিনি একটি সরল রেখা টানলেন এবং তাঁর ডান দিকে দুটি সরল রেখা টানলেন এবং বাম দিকেও দুটি সরল রেখা টানলেন। অতঃপর তিনি মধ্যবর্তী রেখার উপর তাঁর হাত রেখে বলেনঃ এটা আল্লাহ্‌র রাস্তা। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) এবং এ পথই আমার সরল পথ। অতএব তোমরা এ পথেরই অনুসরণ করো এবং বিভিন্ন পথ অনুসরণ করো না, অন্যথায় তা তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে। (সূরাহ আনআম ৬ :)

    Book 0 · Hadith 11 · #11 · Sahih, Sahih, Daif
  12. 12

    । আল-মিক্বদাম ইবনু মাদীকারিব আল-কিনদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ অচিরেই কোন ব্যাক্তি তার আসনে হেলান দেয়া অবস্থায় বসে থাকবে এবং তার সামনে আমার হাদীস থেকে বর্ণনা করা হবে, তখন সে বলবে, আমাদের ও তোমাদের মাঝে মহামহিম আল্লাহ্‌র কিতাবই যথেষ্ট। আমরা তাতে যা হালাল পাবো তাকেই হালাল মানবো এবং তাতে যা হারাম পাবো তাকেই হারাম মানবো। (মহানবী (সাঃ) বলেন) সাবধান! নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা হারাম করেছেন তা আল্লাহ যা হারাম করেছেন তার অনুরূপ।

    Book 0 · Hadith 12 · #12 · Sahih, Sahih, Hasan, Isnaad Hasan
  13. 13

    । আবূ রাফি (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি যেন তোমাদের কাউকে এরূপ না পাই যে, সে তার আসনে হেলান দিয়ে বসে থাকবে এবং (এই অবস্থায়) আমার প্রদত্ত কোন আদেশ অথবা আমার প্রদত্ত কোন নিষেধাজ্ঞা তার নিকট পৌঁছলে সে বলবে, আমি কিছু জানি না, আমরা আল্লাহ্‌র কিতাবে যা পাবো তার অনুসরণ করবো।

    Book 0 · Hadith 13 · #13 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Isnaad Sahih
  14. 14

    । আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যদি কেউ আমাদের এই দ্বীনে নতুন কিছু উদ্ভাবন করে যা তাতে নেই, তা প্রত্যাখ্যাত।

    Book 0 · Hadith 14 · #14 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  15. 15

    । আবদুল্লাহ ইবনুুয যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক আনসার ব্যাক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সামনে যুবায়র -এর সাথে হাররার পানির নালা নিয়ে বিবাদ করে, যার দ্বারা তারা খেজুর বাগানে পানি সেচ করতেন। আনসারী বললো, তুমি পানি ছেড়ে দাও যাতে তা প্রবাহিত হতে পারে। কিন্তু যুবায়র তা অস্বীকার করেন। তাই তারা বিবাদ করতে করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে যুবায়র! তোমার বাগানে পানি সিঞ্চন করো, অতঃপর তোমার প্রতিবেশির দিকে তা পাঠিয়ে দাও। এতে আনসারী অসন্তুষ্ট হয়ে বললো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনার ফুফাতো ভাই তো (তাই এরূপ ফয়সালা দিলেন)। এ কথায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখমন্ডল বিবর্ণ হয়ে গেলো। তিনি বলেনঃ হে যুবায়র! (তোমার বাগানে) পানি সিঞ্চন করো, অতঃপর তা প্রতিরোধ করে রাখো, যাবত না তা আইল বরাবর হয়। রাবী আবদুল্লাহ বলেন, যুবায়র বললেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমার মতে এ আয়াত উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নাযিল হয় (অনুবাদ) কিন্তু না, তোমার প্রভুর শপথ! তারা মুমিন হবে না, যতক্ষণ তারা তাদের বিবাদের বিচারভার তোমার উপর অর্পণ না করে, অতঃপর তোমার প্রদত্ত সিদ্ধান্তে তাদের মনে কোন দ্বিধা না থাকে এবং সর্বান্তঃকরণে তারা তা মেনে নেয়। (সূরাহ নিসা ৪ঃ)

    Book 0 · Hadith 15 · #15 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon
  16. 16

    । ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা আল্লাহ্‌র বাঁদীদেরকে আল্লাহ্‌র মসজিদে সালাত আদায় করতে (যেতে) বাধা দিও না। ইবনু উমার (রাঃ)-এর এক পুত্র বললো, আমরা অবশ্যই তাদেরকে বাধা দিবো। রাবী বলেন, এতে তিনি ভীষণ অসন্তুষ্ট হন এবং বলেন, আমি তোমার নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাদীস বর্ণনা করছি, আর তুমি বলছো, আমরা অবশ্যই তাদের বাধা দিবো

    Book 0 · Hadith 16 · #16 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  17. 17

    । আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তার পাশে তার এক ভ্রাতুষ্পুত্র বসা ছিল। সে কংকর নিক্ষেপ করলে তিনি তাকে নিষেধ করেন এবং বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরো বলেনঃ এতে না শিকার ধরা যায়, না শত্রুকে আহত করা যায়, বরং তা দাঁত ভেঙ্গে দেয় এবং চোখ ফুঁড়ে দেয়। রাবী বলেন, তার ভাইপো পুনরায় কংকর নিক্ষেপ করলে আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল বলেন, আমি তোমাকে হাদীস শুনাচ্ছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করতে নিষেধ করেছেন, তারপরও তুমি কংকর নিক্ষেপ করলে! আমি তোমার সাথে কখনও কথা বলবো না।

    Book 0 · Hadith 17 · #17 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  18. 18

    । ক্বাবীসাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী ও তাঁর মুখপাত্র উবাদাহ ইবনুুস সামিত মুআবিয়াহ -এর সাথে রোম (বায়যান্টাইন) যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি লোকেদের লক্ষ্য করলেন যে, তারা সোনার টুকরা স্বর্ণ মুদ্রার সাথে এবং রূপার টুকরা রৌপ্য মুদ্রার সাথে ক্রয়-বিক্রয় (বিনিময়) করছে। তিনি বলেন, হে লোক সকল! তোমরা তো (এরূপ বিনিময়ে) সুদ খাচ্ছো। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা সোনার বিনিময়ে সোনা বিক্রয় করো না, তবে পরিমাণে সমান সমান হলে, বাড়তি না হলে এবং লেনদেন বাকীতে না হলে করতে পারো। তখন মুআবিয়াহ তাকে বলেন, হে আবূল ওয়ালীদ! আমি তো এরূপ লেনদেনে সুদের কিছু দেখছি না, যদি না লেনদেন বাকীতে হয়। উবাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি তোমার নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণনা করছি। আর তুমি আমার নিকট তোমার অভিমত ব্যক্ত করছো। আল্লাহ যদি আমাকে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ দেন তাহলে আমি এমন এলাকায় বসবাস করবো না, যেখানে আমার উপর তোমার কর্তৃত্ব চলে। অতএব তিনি (যুদ্ধ থেকে) প্রত্যাবর্তন করে মদিনা্য় পৌঁছলে উমার ইবনুল খাত্তাব তাকে বলেন, হে আবূল ওয়ালীদ! আপনি কেন ফিরে এসেছেন? তখন তিনি তার নিকট সমস্ত বৃত্তান্ত বর্ণনা করেন এবং সেখানে তার বসবাস না করার কথাও ব্যক্ত করেন। উমার (রাঃ) বলেন, হে আবূল ওয়ালীদ! আপনি আপনার এলাকায় ফিরে যান। কেননা যে এলাকায় আপনি ও আপনার মত মানুষ থাকবে না সেখানে আল্লাহ গযব নাযিল করবেন। তিনি মুআবিয়াহ (রাঃ)-কে লিখে পাঠান, উবাদাহ (রাঃ)-এর উপর তোমার কোন কর্তৃত্ব চলবে না এবং তিনি যা বলেন জনসাধারণকে তদনুযায়ী পরিচালনা করো। কারণ এটাই আদেশ।

    Book 0 · Hadith 18 · #18 · Sahih Hadith, Sahih, Isnaad Hasan
  19. 19

    । আলী ইবনু আবূ তালিব থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাদীস বর্ণনা করলে তোমরা মনে রাখবে যে, তিনি ছিলেন সর্বাধিক ধার্মিক, হিদায়াতপ্রাপ্ত ও আল্লাহ্ভীরু।

    Book 0 · Hadith 19 · #19 · Daif, Daif, Daif, Daif
  20. 20

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি এমন লোকের পরিচয় তুলে ধরছি যার নিকট তোমাদের কেউ আমার হাদীস বর্ণনা করবে, আর সে তার আসনে হেলান দেয়া অবস্থায় বলবে, কুরআন পাঠ করো। কোন উত্তম কথা বলা হলে (মনে করবে যে) আমিই তা বলেছি।

    Book 0 · Hadith 21 · #20 · Mawdu, Munkar, Very Daif, Daif
  21. 21

    । আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আবূ হুরায়রা (রাঃ) এক ব্যাক্তিকে (ইবনু আব্বাসকে) বলেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! আমি তোমার নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণনা করলে তুমি তার বিপরীতে কোন দৃষ্টান্ত পেশ করো না।

    Book 0 · Hadith 22 · #21 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  22. 22

    । আমর ইবনু মাইমূন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে ইবনু মাসঊদ (রা)-এর নিকট উপস্থিত হতে আমার ভুল হতো না। কিন্তু আমি কখনও তাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন এভাবে কিছু বলতে শুনিনি। এক রাতে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি মাথা নিচু করলেন। রাবী বলেন, আমি তার দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তিনি এমন অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছেন যে, তার জামার বোতাম খোলা, তার চক্ষুদ্বয় অশ্রু বিগলিত এবং এর শিরাগুলো ফুলে গেছে। অতঃপর তিনি বলেন, তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই বলেছেন অথবা এর অধিক বা কম বলেছেন অথবা এর কাছাকাছি বা এর অনুরূপ বলেছেন (অর্থাৎ তিনি যা বলেছেন তা আমার হুবহু মনে নেই)।

    Book 0 · Hadith 23 · #22 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  23. 23

    । মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণনাকালে ভীত-শংকিত হতেন এবং বলতেন, অথবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুরূপ বলেছেন।

    Book 0 · Hadith 24 · #23 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  24. 24

    । আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-কে বললাম, আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণনা করুন। তিনি বলেন, আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি এবং (অনেক কিছুই) ভুলে গেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণনা করা খুবই কঠিন দায়িত্ব।

    Book 0 · Hadith 25 · #24 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  25. 25

    । আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সাফার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শাবী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি ইবনু উমার (রাঃ) এর সাথে একটি বছর যাবত উঠাবসা করেছি, কিন্তু আমি তাকে কখনও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বরাতে কিছুই বর্ণনা করতে শুনিনি।

    Book 0 · Hadith 26 · #25 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  26. 26

    । ইবন তাউস (রহঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমরা হাদীস মুখস্থ করতাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছেই হাদীস মুখস্থ করা হতো। কিন্তু এখন তোমরা প্রতিটি কষ্টকর ও আরামদায়ক স্থানে (পর্যালোচনা ব্যতীত) উঠতে শুরু করেছ। তোমাদের জন্য আফসোস হয়।

    Book 0 · Hadith 27 · #26 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  27. 27

    । কারাযা ইবনু কাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আমাদেরকে কূফার উদ্দেশে পাঠালেন। তিনি আমাদের বিদায় দিতে আমাদের সাথে সিরার নামক স্থান পর্যন্ত হেঁটে আসেন। তিনি বলেন, তোমরা কি জানো আমি কেন তোমাদের সাথে চলে এসেছি? রাবী বলেন, আমরা বললাম, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহচর্যের কর্তব্য এবং আনসারদের প্রতি কর্তব্যের কারণে। উমার (রাঃ) বলেন, আমি তোমাদের নিকট একটি বিশেষ কথা বলার উদ্দেশে তোমাদের সঙ্গে চলে এসেছি। আমি আশা করি তোমাদের সাথে আমার চলে আসার প্রতি খেয়াল রেখে তোমরা তা মনে রাখবে। তোমারা এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছো, যাদের বক্ষস্থলে ফুটন্ত হাঁড়ির মত কুরআনের আওয়াজ হবে। তারা তোমাদেরকে দেখে তোমাদের প্রতি তাদের আনুগত্যের গর্দান এগিয়ে দিবে এবং বলবে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণ এসেছেন। তোমরা তাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কম সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করবে। তাহলে আমি তোমাদের সাথে আছি।

    Book 0 · Hadith 28 · #27 · Sahih, Sahih, Daif
  28. 28

    । সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মদিনা থেকে মক্কা পর্যন্ত সা’দ ইবনু মালিক (রাঃ)-এর সাহচর্যে ছিলাম। কিন্তু আমি তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি হাদীসও বর্ণনা করতে শুনিনি।

    Book 0 · Hadith 29 · #28 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  29. 29

    । আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামকে তার আবাস বানালো।

    Book 0 · Hadith 30 · #29 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  30. 30

    । আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার প্রতি মিথ্যারোপ করো না। কেননা আমার প্রতি মিথ্যারোপ জাহান্নামে প্রবেশ করাবে।

    Book 0 · Hadith 31 · #30 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  31. 31

    । জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যারোপ করলো, সে যেন তার বাসস্থান জাহান্নামে নির্ধারণ করলো।

    Book 0 · Hadith 33 · #31 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  32. 32

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আমার নামে মনগড়া কথা রচনা করলো, যা আমি বলিনি, সে যেন তার বাসস্থান জাহান্নামে নির্ধারণ করলো।

    Book 0 · Hadith 34 · #32 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Hasan, Sahih
  33. 33

    । আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই মিম্বারের উপর বলতে শুনেছিঃ তোমরা আমার থেকে অধিক হাদীস বর্ণনার ব্যাপারে সাবধান হও। কেউ আমার সম্পর্কে বলতে চাইলে সে যেন হক কথা বা সত্য কথাই বলে। যে ব্যাক্তি আমার নামে এমন কথা বলে যা আমি বলিনি, সে যেন তার বাসস্থান জাহান্নামে নির্ধারণ করলো।

    Book 0 · Hadith 35 · #33 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  34. 34

    । আবদুল্লাহ ইবনুুয যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি (আমার পিতা) যুবায়র ইবনুল আওয়াম কে বললাম, আমি যেমন ইবনু মাসঊদ (রাঃ) ও অমুক অমুক সাহাবীকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনি তদ্রূপ আপনাকে কেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণনা করতে শুনি না? তিনি বলেন, ইসলাম গ্রহণের পর থেকে কখনও আমি তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হইনি। কিন্তু আমি তাঁকে একটি কথা বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান নির্ধারণ করলো।

    Book 0 · Hadith 36 · #34 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  35. 35

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যারোপ করলো, সে যেন জাহান্নামে তার আবাস নির্ধারণ করলো।

    Book 0 · Hadith 37 · #35 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  36. 36

    । আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি আমার নামে হাদীস বর্ণনা করলো, অথচ সে মনে করে যে, সে মিথ্যা বলেছে, সেও মিথ্যাবাদীদের একজন।

    Book 0 · Hadith 38 · #36 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  37. 37

    । সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি জ্ঞাতসারে আমার নামে মিথ্যা বর্ণনা করলো, সেও মিথ্যাবাদীদের একজন।

    Book 0 · Hadith 39 · #37 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  38. 38

    । আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি আমার নামে কোন মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করলো, সে অন্যতম মিথ্যাবাদী। ৩/৪০। (১) হাসান বিন মূসা আল-আশয়াব (রহঃ) শুবা (রহঃ) হতেও অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।

    Book 0 · Hadith 40 · #38 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  39. 39

    । মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি নিজ ধারণা মতে আমার বরাতে কোন (মিথ্যা) হাদীস বর্ণনা করলো সে অন্যতম মিথ্যাবাদী।

    Book 0 · Hadith 41 · #39 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih Muslim
  40. 40

    । ইরবায ইবনু সারিয়াহ (রাঃ) বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ভাষায় আমাদের নাসীহাত করেন, যাতে অন্তরসমূহ ভীত হল এবং চোখগুলো অশ্রু বর্ষণ করলো। তাঁকে বলা হল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি তো বিদায় গ্রহণকারীর উপদেশ দিলেন। অতএব আমাদের নিকট থেকে একটি প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করুন (একটি সুনির্দিষ্ট আদেশ দিন)। তিনি বলেনঃ তোমরা আল্লাহ্ভীতি অবলম্বন করো, শ্রবণ করো ও আনুগত্য করো (নেতৃ-আদেশ), যদিও সে কাফরী গোলাম হয়। আমার পরে অচিরেই তোমরা মারাত্নক মতভেদ লক্ষ্য করবে। তখন তোমরা আমার সুন্নাত ও হিদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশিদ্বীনের সুন্নাত অবশ্যই অবলম্বন করবে, তা দাঁত দিয়ে শক্তভাবে কামড়ে ধরবে। অবশ্যই তোমরা বিদআত কাজ পরিহার করবে। কারণ প্রতিটি বিদআতই ভ্রষ্টতা।

    Book 0 · Hadith 42 · #40 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Hasan
  41. 41

    । ইরবায ইবনু সারিয়াহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এমন হৃদয়গ্রাহী নাসীহাত করেন যে, তাতে (আমাদের) চোখগুলো অশ্রু ঝরালো এবং অন্তরসমূহ প্রকম্পিত হল। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! এতো যেন নিশ্চয়ই বিদায়ী ভাষণ। অতএব আপনি আমাদের থেকে কি প্রতিশ্রুতি নিবেন (আদেশ দিবেন)? তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের আলোকিত দ্বীনের উপর রেখে যাচ্ছি, তার রাত তার দিনের মতই (উজ্জ্বল)। আমার পরে নিজেকে ধ্বংসকারীই কেবল এ দ্বীন ছেড়ে বিপথগামী হবে। তোমাদের মধ্যে যে বেঁচে থাকবে সে অচিরেই অনেক মতবিরোধ দেখতে পাবে। অতএব তোমাদের উপর তোমাদের নিকট পরিচিত আমার আদর্শ এবং হিদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশিদ্বীনের আদর্শ অনুসরণ করা অবশ্য কর্তব্য। তোমরা তা শক্তভাবে দাঁত দিয়ে আকড়ে ধরে থাকবে। তোমরা অবশ্যই আনুগত্য করবে, যদি হাবশী গোলামও (তোমাদের নেতা নিযুক্ত) হয়। কেননা মুমিন ব্যাক্তি হচ্ছে নাসারন্ধ্রে লাগাম পরানো উটতুল্য। লাগাম ধরে যে দিকেই তাকে টানা হয়, সে দিকেই যেতে বাধ্য হয়।

    Book 0 · Hadith 43 · #41 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  42. 42

    । ইরবায ইবনু সারিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ফজরের সালাত আদায় করালেন, অতঃপর আমাদের দিকে ফিরে আমাদের উদ্দেশে মর্মস্পর্শী ওয়ায করেন অবশিষ্ট বিবরণ পূর্ববৎ (৪৩ নং হাদীসের অনুরূপ)।

    Book 0 · Hadith 44 · #42 · Sahih, Sahih, Sahih
  43. 43

    । জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ভাষণ দিতেন তখন তাঁর চোখ দুটি লাল হয়ে যেতো, কন্ঠস্বর জোরালো হতো, তাঁর ক্রোধ বৃদ্ধি পেতো, যেন তিনি কোন সেনাবাহিনীকে সতর্ক করছেন। তিনি বলতেনঃ তোমরা সকাল ও সন্ধ্যায় আক্রান্ত হতে পারো (অথবা তোমাদের সকাল-সন্ধ্যা কল্যাণময় হোক)। তিনি আরো বলতেনঃ আমার প্রেরণ ও ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) এ দুটি আঙ্গুলের অবস্থানের মত পরস্পর নিকটবর্তী। তিনি তাঁর তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল মিলিয়ে দেখান। অতঃপর তিনি বলেনঃ সবচেয়ে উত্তম নির্দেশ হল আল্লাহ্‌র কিতাব এবং সর্বোত্তম পথ হল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রদর্শিত পথ। দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু উদ্ভাবন সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট কাজ। প্রতিটি বিদআতই ভ্রষ্টতা। তিনি আরো বলেনঃ কোন ব্যাক্তি ধন-সম্পদ রেখে (মারা) গেলে তা তার পরিবারবর্গের এবং কোন ব্যাক্তি দেনা অথবা অসহায় সন্তান রেখে (মারা) গেলে তার ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব আমার এবং তার সন্তানের লালন-পালনের দায়িত্বভারও আমার যিম্মায়।

    Book 0 · Hadith 45 · #43 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  44. 44

    । আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বস্তুত বিষয় দুটিঃ কালাম ও হিদায়াত। অতএব সর্বোত্তম কালাম (কথা) হল আল্লাহ্‌র কালাম এবং সর্বোত্তম হিদায়াত (পথ নির্দেশ) হল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হিদায়াত। শোন! তোমরা নতুনভাবে উদ্ভাবিত নিকৃষ্ট বিষয় সম্পর্কে সতর্ক থাকবে। কেননা নিকৃষ্ট কাজ হল দ্বীনের মাঝে নতুন উদ্ভাবিত বিষয়। প্রতিটি নতুন নিকৃষ্ট উদ্ভাবন হচ্ছে বিদআত এবং প্রতিটি বিদআতই ভ্রষ্টতা। সাবধান! (শয়তান) যেন তোমাদের অন্তরে দীর্ঘায়ুর আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি করতে না পারে, অন্যথায় তা তোমাদের অন্তরাত্নাকে শক্ত করে দিবে। সাবধান! নিশ্চয় যা কিছু আসার তা নিকটবর্তী এবং যা দূরবর্তী তা আসার নয়। জেনে রাখো! অবশ্যই সেই ব্যাক্তি দুর্ভাগা যে তার মায়ের গর্ভ থেকেই দুর্ভাগা। খোশনসীব সেই ব্যাক্তি যে অপরকে দেখে নাসীহাত গ্রহণ করে। সাবধান! ঈমানদার ব্যাক্তিকে হত্যা করা (বা তার সাথে সশস্ত্র সংঘাত করা) কুফরী এবং তাকে গালমন্দ করা পাপ। কোন মুসলিমের পক্ষে তার মুসলিম ভাইকে তিন দিনের অধিক (কথা না বলে) ত্যাগ করা হালাল নয়। সাবধান! তোমরা মিথ্যাচারিতা থেকে দূরে থাকো। কেননা মিথ্যাচারিতা দ্বারা না সফলতা অর্জন করা যায়, না অর্থহীন অপলাপ থেকে বাঁচা যায়। নিজ সন্তানের সাথে ওয়াদা করে তা পূরণ না করা কোন লোকের জন্যই শোভনীয় নয়। কেননা মিথ্যা (মানুষকে) পাপাচারের দিকে চালিত করে এবং পাপাচার জাহান্নামের দিকে চালিত করে। পক্ষান্তরে সততা (মানুষকে) পুণ্যের পথে চালিত করে এবং পুণ্য জান্নাতের দিকে চালিত করে। সত্যবাদী সম্পর্কে বলা হয়, সে সত্য বলেছে ও পুণ্যের কাজ করেছে। আর মিথ্যবাদী সম্পর্কে বলা হয়, সে মিথ্যা বলেছে ও পাপাচার করেছে। জেনে রাখো! কোন ব্যাক্তি মিথ্যা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহ্‌র নিকট ডাহা মিথ্যাবাদী হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়।

    Book 0 · Hadith 46 · #44 · Daif, Daif, Daif
  45. 45

    । আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন (অনুবাদ) তিনি তোমার প্রতি এই কিতাব নাযিল করেছেন যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট, দ্ব্যর্থহীন, এগুলো কিতাবের মূল অংশ, আর অন্যগুলো রূপক। যাদের অন্তরে সত্য লঙ্ঘন প্রবণতা আছে শুধু তারাই বিশৃঙ্খলা ও ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশে যা রূপক তার অনুসরণ করে। আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ তার ব্যাখ্যা জানে না। আর যারা সুগভীর জ্ঞানের অধিকারী তারা বলে, আমরা এর প্রতি ঈমান আনলাম, সমস্তই আমাদের রবের নিকট থেকে আগত। বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যাক্তিগণ ব্যতীত অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না- (সূরাহ আল ইমরান ২ঃ ৭)। অতঃপর তিনি বলেনঃ হে আয়িশাহ! যখন তুমি তাদেরকে এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বাদানুবাদ করতে দেখবে, তখন মনে করবে যে, এরা সেই লোক যাদের আল্লাহ অপদস্থ করেন। তোমরা তাদের পরিহার করো।

    Book 0 · Hadith 47 · #45 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  46. 46

    । আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার পরে হিদায়াতপ্রাপ্ত লোক তখনই পথভ্রষ্ট হবে, যখন তারা ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হবে। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) বরং এরা তো এক বিতর্ককারী সম্প্রদায়। (সূরাহ যুখরুফ ৪৩ঃ)

    Book 0 · Hadith 48 · #46 · Hasan Sahih, Hasan, Isnaad Hasan
  47. 47

    । হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ বিদআতী ব্যাক্তির সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম), সালাত, যাকাত বা দান-খয়রাত, হাজ্জ (হজ্জ), উমরাহ, জিহাদ, ফিদয়া, ন্যায়বিচার ইত্যাদি কিছুই কবূল করবেন না। সে ইসলাম থেকে এমনভাবে খারিজ হয়ে যায় যেভাবে আটা থেকে চুল টেনে বের করা হয়।

    Book 0 · Hadith 49 · #47 · Mawdu, Mawdu, Mawdu, Daif
  48. 48

    । আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা বিদআতী ব্যাক্তির নেক আমল কবূল করবেন না, যতক্ষণ না সে তার বিদআত পরিহার করে।

    Book 0 · Hadith 50 · #48 · Daif, Daif, Very Daif, Daif
  49. 49

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি মিথ্যাকে বাতিল মনে করে পরিহার করলো তার জন্য জান্নাতের এক প্রান্তে একটি প্রাসা’দ নির্মাণ করা হয়। যে ব্যাক্তি সঙ্গত হওয়া সত্ত্বেও ঝগড়া ত্যাগ করলো তার জন্য জান্নাতের মধ্যখানে একটি প্রাসা’দ নির্মাণ করা হয়। যে ব্যাক্তি তার চরিত্র সুন্দর করলো তার জন্য জান্নাতের উচ্চতর স্থানে একটি প্রাসা’দ নির্মাণ করা হয়।

    Book 0 · Hadith 51 · #49 · Sanad Daif, Sanad Daif, Daif
  50. 50

    । আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তাআলা মানুষের অন্তর থেকে ইলমকে বিলুপ্ত করার মাধ্যমে তা কেড়ে নিবেন না, বরং তিনি আলিমদেরকে (দুনিয়া থেকে) তুলে নেয়ার মাধ্যমে ইলমকেও তুলে নিবেন। অতএব যখন কোন আলিম অবশিষ্ট থাকবে না তখন জনগণ অজ্ঞ ও মূর্খদেরকে নেতা হিসাবে গ্রহণ করবে এবং তাদের কাছে (দ্বীনী বিষয়ে) জিজ্ঞেস করা হলে তারা (সেই বিষয়ে) কোন ইলম না থাকা সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত দিবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং জনগণকেও পথভ্রষ্ট করবে।

    Book 0 · Hadith 52 · #50 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  51. 51

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দলীল-প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ব্যতীত কাউকে সিদ্ধান্ত (ফাতাওয়া) দেয়া হলে তার পাপের বোঝা ফাতাওয়া প্রদানকারীর উপর বর্তাবে।

    Book 0 · Hadith 53 · #51 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  52. 52

    । আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অত্যাবশ্যকীয় ইলম (জ্ঞান) তিন প্রকার, এ ছাড়া অবশিষ্টগুলো অতিরিক্তঃ আল-কুরআনের বিধান সম্পর্কিত (মুহকাম) আয়াতসমূহ অথবা প্রতিষ্ঠিত সুন্নাহ (হাদীস) অথবা ইনসাফভিত্তিক ফারায়েজের জ্ঞান (ওয়ারিসী স্বত্ব ন্যায়সঙ্গতভাবে বণ্টনের জ্ঞান)।

    Book 0 · Hadith 54 · #52 · Daif, Daif, Daif, Daif
  53. 53

    । মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইয়ামানে পাঠানোর সময় বলেনঃ যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান আছে কেবল সেই বিষয়ে তুমি সিদ্ধান্ত বা রায় প্রদান করবে। কোন বিষয় তোমার জন্য কঠিন হলে (অজ্ঞাত থাকলে) তুমি অপেক্ষা করবে, যতক্ষণ না তোমার নিকট স্পষ্ট হয় (বা তোমাকে বলে দেয়া হয়) অথবা তুমি লিখিতভাবে সে সম্পর্কে আমাকে জানাবে।

    Book 0 · Hadith 55 · #53 · Mawdu, Mawdu, Mawdu, Daif
  54. 54

    । আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ বনী ইসরাঈলের যাবতীয় কাজকর্ম যথার্থভাবেই হচ্ছিল, যতক্ষণ তাদের মধ্যে যথার্থ সন্তান জন্মেছে। অতঃপর তাদের মধ্যে বিজাতীয় বা লুন্ঠনকৃত নারীর সন্তান যুক্ত হলে তারা নিজেদের মত অনুযায়ী রায় প্রদান করে নিজেরাও পথভ্রষ্ট হয় এবং অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করে।

    Book 0 · Hadith 56 · #54 · Daif, Daif, Daif, Daif
  55. 55

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঈমানের ষাট বা সত্তরের অধিক স্তর আছে। তার সাধারণ বা নিম্নতর স্তর হল রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা। সর্বোচ্চ স্তর হল কালিমা লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু (আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই) বলা এবং লজ্জাশীলতাও ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। ১/৫৭ (১)। আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ- আবূ খালিদ আহমার-ইবনু আজলান, (পুনরায়) আমর ইবনু রাফি-সাহল (সকলে) আবদুল্লাহ ইবনু দ্বীনার- আবূ সালিহ- আবূ হুরায়রা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে (৫৭ নং হাদীসের) অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

    Book 0 · Hadith 57 · #55 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  56. 56

    । আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যাক্তিকে লজ্জাশীলতা সম্পর্কে তার ভাইকে নাসীহাত (তিরস্কার) করতে শুনলেন। তখন তিনি বলেনঃ নিশ্চয় লজ্জাশীলতা ঈমানের একটি শাখা।

    Book 0 · Hadith 58 · #56 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  57. 57

    । আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার অন্তরে সরিষার দানা (সামান্যতম) পরিমাণও অহংকার আছে, সে (প্রথম পর্যায়েই) জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং যার অন্তরে সরিষার দানা (সামান্যতম) পরিমাণ ঈমান আছে সে জাহান্নামে (স্থায়ীভাবে) প্রবেশ করবে না।

    Book 0 · Hadith 59 · #57 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  58. 58

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন আল্লাহ তাআলা (কিয়ামতের দিন) মুমিনদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিবেন এবং তারা নিরাপদ হয়ে যাবে, তখন ঈমানদারগণ তাদের জাহান্নামী ভাইদের ব্যাপারে তাদের প্রতিপালকের সাথে এত প্রচন্ড তর্ক-বিতর্কে লিপ্ত হবে যে, তারা দুনিয়াতে অবস্থানকালে তাদের কেউ তার বন্ধুর পক্ষে ততটা প্রচন্ড বিতর্কে লিপ্ত হয়নি। তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এ ভাইয়েরা তো আমাদের সাথে সালাত আদায় করতো, সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) রাখতো এবং হাজ্জ (হজ্জ) করতো। অথচ আপনি তাদেরকে জাহান্নামে দাখিল করেছেন। তখন আল্লাহ তাআলা বলবেনঃ তোমরা যাও এবং তাদের মধ্যে যাদেরকে তোমরা চিনতে পারো, তাদের বের করে নিয়ে এসো। অতএব তারা তাদের কাছে যাবে এবং তাদের আকৃতি দেখে তাদের চিনতে পারবে। জাহান্নামের আগুন তাদের দৈহিক গঠনাকৃতি ভক্ষণ (নষ্ট) করবে না। আগুন তাদের কারো পদদ্বয়ের জংঘার অর্ধাংশ পর্যন্ত এবং কারো পদদ্বয়ের গোছা পর্যন্ত স্পর্শ করবে। তারা তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে এনে বলবে, হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদেরকে যাদের বের করে আনার নির্দেশ দিয়েছেন আমরা তাদের বের করে এনেছি। অতঃপর আল্লাহ বলবেনঃ যাদের অন্তরে এক দ্বীনার পরিমাণ ঈমান আছে, অতঃপর যাদের অন্তরে অর্ধ দ্বীনার পরিমাণ ঈমান আছে, অতঃপর যাদের অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণও ঈমান আছে, তোমরা তাদেরকেও বের করে নিয়ে এসো। আবূ সাঈদ বলেন, যার এ কথা বিশ্বাস না হয় সে যেন তিলাওয়াত করে (অনুবাদ) আল্লাহ অণু পরিমাণও জুলুম করেন না। কোন উত্তম কাজ হলে আল্লাহ তা দ্বিগুণ করেন এবং আল্লাহ তাঁর পক্ষ থেকে মহা পুরস্কার প্রদান করেন- (সূরাহ নিসা ৪ঃ ৪০)।

    Book 0 · Hadith 60 · #58 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  59. 59

    । জুনদুব ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। আমরা ছিলাম শক্তিশালী এবং সক্ষম যুবক। আমরা কুরআন শেখার পূর্বে ঈমান শিখেছি, অতঃপর কুরআন শিখেছি এবং তার দ্বারা আমাদের ঈমান বেড়ে যায়।

    Book 0 · Hadith 61 · #59 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  60. 60

    । ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এ উম্মাতের দুটি শ্রেণীর জন্য ইসলামে কোন অংশ নেই- মুরজিয়া ও কাদারিয়া সম্প্রদায়।

    Book 0 · Hadith 62 · #60 · Daif, Daif, Very Daif, Daif
  61. 61

    । উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে উপবিষ্ট থাকা অবস্থায় ধবধবে সাদা পোশাক পরিহিত ও মাথায় গাঢ়ো কালো চুলবিশিষ্ট এক ব্যাক্তি এসে হাযির হন। তার চেহারায় সফরের কোন ছাপ দেখা যাচ্ছিল না এবং আমাদের কেউই তাকে চিনে না। রাবী বলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সামনে বসলেন, তার হাঁটুদ্বয় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাঁটুদ্বয়ের সাথে লাগিয়ে এবং তার দু হাত তাঁর দু উরুর উপর রেখে, তারপর জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ইসলাম কী? তিনি বলেনঃ এই সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল, সালাত কায়িম করা, যাকাত দেয়া, রমাযানের সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করা এবং আল্লাহ্‌র ঘরের হাজ্জ (হজ্জ) করা। তিনি (আগন্তুক) বলেন, আপনি সত্য কথা বলেছেন। আমরা তার এ কথায় অবাক হলাম যে, তিনই জিজ্ঞেস করলেন এবং তিনই তা সত্যায়ন করলেন। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ঈমান কী? তিনি বলেনঃ তুমি ঈমান আনবে আল্লাহ্‌র উপর, তাঁর মালায়িকার, তাঁর রাসূলগণের, তাঁর কিতাবসমূহে, আখিরাতের দিনে এবং তাকদীরে ও তার ভালো-মন্দে। আগন্তুক বলেন, আপনি সত্য কথা বলেছেন। আমরা এবারও তার কথায় অবাক হলাম যে, তিনই প্রশ্ন করছেন এবং তিনই তা সত্যায়ন করছেন। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ইহসান কী? তিনি বলেনঃ তুমি এমনভাবে আল্লাহ্‌র ইবাদাত করো যেন তুমি তাঁকে দেখছো, যদি তুমি তাঁকে না দেখো তবে নিশ্চয় তিনি তোমাকে দেখছেন। তিনি বলেন, মুহূর্তটি (ক্বিয়ামাত (কিয়ামত)) কখন আসবে? তিনি বলেনঃ এ সম্পর্কে উত্তরদাতা প্রশ্নকর্তার চেয়ে অধিক কিছু জানে না। তিনি বলেন, তাহলে এর আলামত কী? তিনি বলেনঃ ক্রীতদাসী তার মনিবকে প্রসব করবে। ওয়াকী (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ অনারবদের ঔরসে আরবরা জন্মগ্রহণ করবে। তুমি দেখতে পাবে নগ্নদেহ, নগ্নপদ ও অভাবগ্রস্ত মেষ চারকরা সুউচ্চ ইমারতের মালিক হয়ে অহংকারে ফেটে পড়বে। উমার বলেন, এ ঘটনার তিন দিন পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বলেনঃ লোকটি কে, তুমি কি তা জানো? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বলেনঃ ইনি হলেন জিবরীল (আঃ), দ্বীনের বিষয়াদি শিক্ষা দেয়ার জন্য তোমাদের নিকট এসেছেন।

    Book 0 · Hadith 63 · #61 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  62. 62

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকবেষ্টিত থাকা অবস্থায় এক ব্যাক্তি তার নিকট এসে বলললো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! ঈমান কী? তিনি বলেনঃ তুমি ঈমান আনবে আল্লাহ্‌র প্রতি, তাঁর মালায়িকার, তাঁর কিতাবসমূহে, তাঁর রাসূলগণের, তার সাথে সাক্ষাতে এবং তুমি আরো ঈমান আনবে পুনরুত্থান দিবসে। সে বললো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! ইসলাম কী? তিনি বলেনঃ তুমি আল্লাহ্‌র ইবাদাত করবে, তাঁর সাথে কোন কিছু শারীক করবে না, ফরজ সালাত কায়িম করবে, ফরজ যাকাত প্রদান করবে এবং রমাযানের সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করবে। সে বললো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! ইহসান কী? তিনি বলেনঃ তুমি এমনভাবে আল্লাহ্‌র ইবাদাত করো যেন তুমি তাকে দেখছো। যদি তুমি তাকে দেখতে সক্ষম না হও, তবে তিনি নিশ্চয় তোমাকে দেখছেন। সে বললো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! মুহূর্তটি (ক্বিয়ামাত (কিয়ামত)) কখন আসবে? তিনি বলেনঃ এ বিষয়ে উত্তরদাতা প্রশ্নকারীর চাইতে অধিক কিছু জানে না। তবে আমি তোমাকে তার কতিপয় শর্ত (আলামত) সম্পর্কে বলছি। ক্রীতদাসী যখন তার মনিবকে প্রসব করবে, সেটা কিয়ামতের শর্তাবলীর অন্তর্ভুক্ত। যখন মেষ চারকরা সুউচ্চ দালান-কোঠার (মালিক হয়ে) অহংকারে ফেটে পড়বে, এটাও তার শর্তাবলীর অন্তর্ভুক্ত। পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) কিয়ামতের জ্ঞান কেবল আল্লাহ্‌র নিকট রয়েছে, তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তিনি জানেন যা জরায়ুতে আছে। কেউ জানে না আগামীকাল (বা ভবিষ্যতে) সে কী উপার্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন্ স্থানে সে মরবে। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত- (সূরাহ লোকমান: ৩৪)।

    Book 0 · Hadith 64 · #62 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  63. 63

    । আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঈমান হল অন্তরের বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকারোক্তি এবং দ্বীনের রোকনসমূহের (অপরহার্য বিধানসমূহ) বাস্তবায়ন। আবূস সালত (রহঃ) বলেন, এ সানাদ কোন পাগলের নিকট পাঠ করা হলে সেও নিরাময় লাভ করবে।

    Book 0 · Hadith 65 · #63 · Mawdu, Mawdu, Mawdu, Daif
  64. 64

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তোমাদের কেউ (পূর্ণ) মুমিন হবে না, যাবৎ না সে তার ভাইয়ের জন্য (বা তার প্রতিবেশির জন্য) তাই পছন্দ করবে, যা সে তার নিজের জন্য পছন্দ করে।

    Book 0 · Hadith 66 · #64 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  65. 65

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদের কারো কাছে তার সন্তান-সন্ততি, তার পিতা-মাতা ও সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় না হওয়া পর্যন্ত সে (পূর্ণ) মুমিন হতে পারবে না।

    Book 0 · Hadith 67 · #65 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  66. 66

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং তোমরা পরস্পরকে মহব্বত না করা পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন একটি বিষয় নির্দেশ করবো না, যা করলে তোমরা পরস্পরকে মহব্বত করবে? তোমাদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।

    Book 0 · Hadith 68 · #66 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  67. 67

    । আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমকে গালি দেয়া গর্হিত কাজ এবং তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা কুফরী।

    Book 0 · Hadith 69 · #67 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  68. 68

    । আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি এক আল্লাহ্‌র প্রতি নিষ্ঠাবান অবস্থায়, তাঁর ইবাদাতরত অবস্থায় যাঁর কোন শারীক নাই, সালাত কায়িম করে এবং যাকাত প্রদান করে দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হল, সে এমন অবস্থায় মারা গেল যে, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট। আনাস বলেন, এটা হল আল্লাহ্‌র সেই দ্বীন, যা নিয়ে রাসূলগণ এসেছেন এবং তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তা মানুষের নিকট পৌঁছিয়েছেন ফিতনা-ফাসা’দ এবং মনগড়া মতবিরোধ সৃষ্টির পূর্বেই। এর সমর্থন রয়েছে কুরআনের শেষের দিকে অবতীর্ণ আয়াতে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেনঃ যদি তারা তওবা করে, সালাত কায়িম করে এবং যাকাত দেয়- (সূরাহ তওবা ৯ঃ ৫)। আনাস বলেন, তারা তওবা করার পর মূর্তিগুলো ও সেগুলোর পূজা ত্যাগ করে। অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেনঃ যদি তারা তওবা করে, সালাত কায়িম করে এবং যাকাত দেয় তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই- (সূরাহ তওবা ৯ঃ ১১)। ১৩/৭০। (১)। আবূ হাতিম-‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মূসা ‘আবসী-আবূ জা‘ফার রাযী-রাবী‘ ইবনু আনাস (রাঃ) থেকে এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

    Book 0 · Hadith 70 · #68 · Daif, Daif, Daif, Daif
  69. 69

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রাসূল এবং তারা সালাত কায়িম করে এবং যাকাত দেয়।

    Book 0 · Hadith 71 · #69 · Sahih Mutawatir, Sahih Mutawatir, Sahih
  70. 70

    । মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা এ সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রাসূল এবং তারা সালাত কায়িম করে ও যাকাত দেয়।

    Book 0 · Hadith 72 · #70 · Sahih Mutawatir, Sahih Mutawatir, Sahih
  71. 71

    ইবনু আব্বাস ও জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের দু শ্রেণীর লোকের ইসলামে কোন অংশ নেই- মুরজিয়া সম্প্রদায় ও কাদারিয়া সম্প্রদায়।

    Book 0 · Hadith 73 · #71 · Daif, Daif, Very Daif, Daif
  72. 72

    । আবূ হুরায়রা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, ঈমান বাড়ে ও কমে।

    Book 0 · Hadith 74 · #72 · Very Daif, Very Daif, Daif
  73. 73

    । আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঈমান বাড়ে ও কমে।

    Book 0 · Hadith 75 · #73 · Daif, Daif, Daif
  74. 74

    । আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি ছিলেন সত্যবাদী ও সত্যবাদী বলে সমর্থিতঃ তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টি কার্যক্রম এভাবে অগ্রসর হয় যে, তার মাতৃগর্ভে চল্লিশ দিন পর্যন্ত (শুক্ররূপে) জমা রাখা হয়, তারপর অনুরূপ সময়ে তা জমাট রক্ত পিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর অনুরূপ সময়ে তা গোশতপিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর আল্লাহ তাআলা তার নিকট একজন ফেরেশতা পাঠান। তাকে চারটি বিষয় লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়। অতএব তিনি (আল্লাহ) বলেন, তার কার্যকলাপ, তার আয়ুষ্কাল, তার রিয্ক এবং সে দুর্ভাগা না ভাগ্যবান তা লিখে দাও। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয় তোমাদের কেউ অবশ্যই জান্নাতীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাত পরিমাণ দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জাহান্নামীদের কাজ করে, ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। আবার তোমাদের কেউ অবশ্যই জাহান্নামীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র এক হাত দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জান্নাতীদের কাজ করে, ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে।

    Book 0 · Hadith 76 · #74 · Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  75. 75

    । ইবনুুদ দাইলামী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বাঁধে। তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রম নষ্ট করে দেয় কিনা। তাই আমি উবাই ইবনু কাব (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, হে আবূল মুনযির! আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বেঁধেছে, তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রমকে নষ্ট করে দেয় কিনা। অতএব এ সম্পর্কে আমাকে কিছু বলুন। আশা করি আল্লাহ তার দ্বারা আমার উপকার করবেন। তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা ঊর্ধলোকের ও ইহলকের সকলকে শাস্তি দিতে চাইলে তিনি অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারেন। তথাপি তিনি তাদের প্রতি জুলুমকারী নন। আর তিনি তাদেরকে দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের জন্য তাদের কাজকর্মের চেয়ে কল্যাণময়। যদি তোমাদের নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ বা উহূদ পাহাড়ের মত সোনা থাকতো এবং তুমি তা আল্লাহ্‌র রাস্তায় খরচ করতে থাকো, তবে তোমার সেই দান কবূল করা হবে না, যাবৎ না তুমি তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রেখো! যা কিছু তোমার উপর আপতিত হয়েছে, তা তোমার উপর আপতিত হতে কখনো ভুল হতো না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না তা ভুলেও কখনো তোমার উপর আপতিত হবে না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও, তাহলে তুমি জাহান্নামে যাবে। আমি মনে করি, তুমি আমার ভাই আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) এর নিকট গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলে তোমার কোন ক্ষতি হবে না। (ইবনুুদ দাইলামী বলেন), অতঃপর আমি আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ -এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও উবাই (রাঃ) এর অনুরূপ বললেন। তিনি আরো বললেন, তুমি হুযাইফাহ (রাঃ) এর নিকট গিয়ে জিজ্ঞেস করলে তোমার ক্ষতি নেই। অতঃপর আমি হুযাইফাহ (রাঃ) এর কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও তাদের দুজনের অনুরূপ বলেন। তিনি আরও বলেন, তুমি যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) এর নিকট গিয়ে তাকেও জিজ্ঞেস করো। অতএব আমি যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তাআলা ঊর্ধলোক ও ইহলকের সকল অধিবাসীকে শাস্তি দিতে চাইলে অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারবেন এবং তিনি তাদের প্রতি জুলুমকারী নন। আর তিনি তাদের প্রতি দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের সমস্ত সৎ কাজের চাইতেও তাদের জন্য অধিক কল্যাণকর। তোমার নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ সোনা থাকলেও এবং তুমি তা আল্লাহ্‌র পথে ব্যয় করলেও তিনি তা কবূল করবেন না, যাবৎ না তুমি সম্পূর্ণরূপে তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রাখো! তোমার উপর যা কিছু আপতিত হওয়ার আছে তা তোমার উপর আপতিত হয়েছে, তা কখনো ভুলেও এড়িয়ে যেত না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না, তা তোমার উপর ভুলেও কখনো আপতিত হত না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও তাহলে তুমি জাহান্নামে যাবে।

    Book 0 · Hadith 77 · #75 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  76. 76

    । আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বসা ছিলাম। তাঁর হাতে ছিল এক টুকরা কাঠ। তা দিয়ে তিনি মাটির উপর রেখা টানলেন, অতঃপর মাথা তুলে বলেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার জন্য জান্নাতে তার একটি আসন অথবা জাহান্নামে তার নিকট আসন নির্ধারিত করা হয়নি। বলা হল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তাহলে আমরা কি ভরসা করব না? তিনি বলেনঃ না, তোমরা সৎ কাজ করতে থাকো এবং (এর উপর) ভরসা করো না। কারণ যাকে যার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তা তার জন্য সহজসাধ্য করা হয়েছে। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) সুতরাং কেউ দান করলে, মুত্তাকী হলে এবং যা উত্তম তা গ্রহণ করলে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব সহজ পথ। আর কেউ কার্পণ্য করলে, নিজেকে অমুখাপেক্ষী মনে করলে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব কঠোর পথ। (সূরাহ লায়ল ৯২ঃ)

    Book 0 · Hadith 78 · #76 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  77. 77

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শক্তিশালী মুমিন দুর্বল মুমিনের চাইতে উত্তম এবং আল্লাহ্‌র নিকট অধিক প্রিয়। অবশ্য উভয়ের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। তুমি তোমার জন্য উপকারী জিনিসের আকাঙ্ক্ষা করো এবং আল্লাহ্‌র সাহায্য চাও এবং কখনও অক্ষমতা প্রকাশ করো না। তোমার কোন ক্ষতি হলে বলো না, যদি আমি এভাবে করতাম, বরং তুমি বল, আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চান তাই করেন। কেননা লাও (যদি) শব্দটি শয়তানের তৎপরতার দ্বার খুলে দেয়।

    Book 0 · Hadith 79 · #77 · Hasan, Hasan, Hasan, Sahih Muslim
  78. 78

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে (আত্নার জগতে) বিতর্ক করেন। মূসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বলেনঃ হে আদম! আপনি আমাদের পিতা। আপনি আমাদের হতাশ করেছেন এবং আপনার ভুলের মাশুল স্বরূপ আমাদেরকে জান্নাত থেকে বহিস্কার করেছেন। আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বলেনঃ হে মূসা! আল্লাহ তোমাকে তাঁর প্রত্যক্ষ কালামের জন্য মনোনীত করেছেন এবং তিনি স্বহস্তে তোমাকে তাওরাত কিতাব লিখে দিয়েছেন। তুমি কি আমাকে এমন একটি ব্যাপারে দোষারোপ করছো, যা আল্লাহ তাআলা আমাকে সৃষ্টি করার চল্লিশ বছর পূর্বে আমার জন্য নির্ধারিত করেন? অতএব আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিতর্কে মূসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর বিজয়ী হন, আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন, আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন। কথাটি তিনি তিনবার বলেন।

    Book 0 · Hadith 80 · #78 · Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  79. 79

    । আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন বান্দাহ চারটি বিষয়ের উপর ঈমান না আনা পর্যন্ত মুমিন হবে না। একমাত্র আল্লাহ্‌র উপর ঈমান আনবে, যাঁর কোন শারীক নেই, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র রাসূল, মৃত্যুর পর পুনরুত্থান এবং তাকদীরের ভালোমন্দে।

    Book 0 · Hadith 81 · #79 · Sahih, Sahih, Sahih, Daif
  80. 80

    । উম্মুল মুমিনীন আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আনসার সম্প্রদায়ের এক বালকের জানাযা পড়ার জন্য ডাকা হল। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তার জন্য সুসংবাদ, সে জান্নাতের চড়ুই পাখিদের মধ্যে এক চড়ুই যে পাপ কাজ করেনি এবং তা তাকে স্পর্শও করেনি। তিনি বলেনঃ হে আয়িশাহ! এর ব্যতিক্রমও কি হতে পারে? নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা একদল লোককে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদেরকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তিনি জাহান্নামের জন্যও একদল সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদের জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছেন।

    Book 0 · Hadith 82 · #80 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  81. 81

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরায়শ মুশরিকরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে তাকদীরের ব্যাপারে ঝগড়া করার উদ্দেশে উপস্থিত হয়। তখন এ আয়াত নাযিল হয় (অনুবাদ) যেদিন তাদেরকে উপুড় করে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামের দিকে, (সেদিন বলা হবে) জাহান্নামের যন্ত্রণা আস্বাদন করো। আমি সব কিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাপে। (সূরাহ আল-ক্বামার ৫৪ঃ)

    Book 0 · Hadith 83 · #81 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  82. 82

    । আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়িশাহ (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তার সঙ্গে তাকদীর সম্পর্কে কিছু আলোচনা করেন। আয়িশাহ বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি তাকদীর সম্পর্কে কিছু বলবে, কিয়ামতের দিন তাকে ঐ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। আর যে ব্যাক্তি এ বিষয়ে কিছু বলবে না তাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেসও করা হবে না। আবূল হাসান কাত্তান-হাযেম ইবনু ইয়াহইয়া-আব্দুল মালিক ইবনু সিনান-ইয়াহইয়া ইবনু উসমান (রহঃ)সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

    Book 0 · Hadith 84 · #82 · Daif, Daif, Very Daif, Daif
  83. 83

    । আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদের নিকট বের হয়ে এলেন। তখন তারা তাকদীর সম্পর্কে বাদানুবাদ করছিল। ফলে রাগে তাঁর চেহারা লাল বর্ণ ধারণ করে, যেন ডালিমের দানা তাঁর মুখমন্ডলে ছিটিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেনঃ তোমাদের কি এ কাজের নির্দেশ দেয়া হয়েছে অথবা এর জন্য কি তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে? তোমরাও কুরআনের কতকাংশকে কতকাংশের বিরুদ্ধে পেশ করছো। এ কারণেই তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগণ ধ্বংস হয়েছে। রাবী বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু আমর বললেন, আমি এই মজলিসে উপস্থিত না থাকায় যে লজ্জা পেলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আর কোন মজলিসে আমি উপস্থিত না হওয়ায় এতটা লজ্জা পাইনি।

    Book 0 · Hadith 85 · #83 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Hasan, Isnaad Hasan
  84. 84

    । ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই, অশুভ লক্ষণ বলতে কিছুই নেই এবং হামাহ (পেঁচার ডাক) বলতে কিছুই নেই। তখন তার সামনে এক বেদুঈন দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনার কী মত যে, চর্মরোগে আক্রান্ত একটি উট সুস্থ উটের সংস্পর্শে এসে সকল উটকে আক্রান্ত করে? তিনি বলেনঃ এটাই তোমাদের তাকদীর। আচ্ছা প্রথম উটটিকে কে সংক্রামিত করেছিল?

    Book 0 · Hadith 86 · #84 · Daif, Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih
  85. 85

    । শাবী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) কূফায় এলে আমরা কূফার একদল ফকীহ তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করি। আমরা তাকে বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট যা শুনেছেন, তা আমাদের কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এলে তিনি বলেনঃ হে আদী ইবনু হাতিম! তুমি ইসলাম গ্রহণ করো, শান্তি পাবে। আমি বললাম, ইসলাম কী? তিনি বলেনঃ তুমি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল এবং তুমি তাকদীরের ভাল-মন্দ, স্বাদ-তিক্ততা সব কিছুর উপর ঈমান আনবে।

    Book 0 · Hadith 87 · #85 · Very Daif, Very Daif, Very Daif, Daif
  86. 86

    । আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অন্তর হল পালকতুল্য, উন্মুক্ত মাঠে বাতাস তাকে যেদিকে ইচ্ছা উল্টাতে-পাল্টাতে থাকে।

    Book 0 · Hadith 88 · #86 · Sahih, Sahih, Sahih Muquf, Daif
  87. 87

    । জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যাক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার একটি দাসী আছে। আমি কি তার সাথে (সঙ্গমকালে) আযল করতে পারি? তিনি বলেনঃ তার জন্য যা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অবশ্যই সে লাভ করবে। পরে আবার সেই আনসারই তাঁর নিকট এসে বলেন, দাসীটি গর্ভধারণ করেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যার জন্য যা নির্ধারিত করা হয়েছে তা অবশ্যই ঘটবে?

    Book 0 · Hadith 89 · #87 · Sahih, Sahih, Sahih, Hasan
  88. 88

    । সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেবল সৎ কর্মই আয়ু বৃদ্ধি করে এবং দুআ ব্যতীত অন্য কিছুতে তাকদীর রদ হয় না। মানুষের অসৎ কর্মই তাকে রিয্ক বঞ্চিত করে।

    Book 0 · Hadith 90 · #88 · Hasan, Hasan, Hasan Lighairihi, Daif
  89. 89

    । সুরাকাহ ইবনু জুশুম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! কার্যকলাপ কী তাই যা পূর্বেই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এবং তদনুযায়ী তাকদীর নির্ধারিত হয়েছে, না ভবিষ্যতে যা করা হবে তা? তিনি বলেনঃ বরং তাই যা পূর্বে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে এবং তদনুযায়ী তাকদীর নির্দিষ্ট হয়েছে। যাকে যে জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তার জন্য তা সহজসাধ্য করা হয়েছে।

    Book 0 · Hadith 91 · #89 · Sahih, Sahih, Sahih
  90. 90

    । জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এ উম্মাতের তারাই মাজুসী (অগ্নিপূজক) যারা আল্লাহ্‌র নির্ধারিত তাকদীরকে অস্বীকার করে। এরা রোগাক্রান্ত হলে তোমরা তাদের দেখতে যেও না। তারা মারা গেলে তোমরা তাদের জানাযায় হাজির হয়ো না। এদের সাথে তোমাদের সাক্ষাৎ হলে তোমরা এদের সালাম দিও না।

    Book 0 · Hadith 92 · #90 · Hasan, Hasan, Very Daif, Daif
  91. 91

    । আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জেনে রাখো! আমি প্রত্যেক বন্ধুর বন্ধুত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। যদি আমি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করতাম তবে আবূ বাকরকেই অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম। নিশ্চয় তোমাদের এই সাথী আল্লাহ্‌র অন্তরঙ্গ বন্ধু। ওয়াকী (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ তিনি নিজে।

    Book 0 · Hadith 93 · #91 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  92. 92

    । আবূ হুরায়রা(রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আবূ বাকরের ধন-সম্পদ আমার যতটুকু উপকারে এসেছে অন্য কারো ধন-সম্পদ আমার তত উপকারে আসেনি। রাবী বলেন, এ কথায় আবূ বাকর কেঁদে ফেলেন এবং বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি ও আমার ধন-সম্পদ আপনারই।

    Book 0 · Hadith 94 · #92 · Sahih, Sahih, Daif
  93. 93

    । আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আবূ বাকর ও উমার নবী-রাসূলগণ ব্যতীত পূর্বাপর (সর্বকালের) সকল বয়স্ক জান্নাতীর নেতা হবে। হে আলী! তাদের জীবদ্দশায় তুমি তা তাদেরকে অবহিত করো না।

    Book 0 · Hadith 95 · #93 · Sahih, Sahih, Daif
  94. 94

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (জান্নাতে) উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যাক্তিদেরকে, তাদের তুলনায় নিম্ন মর্যাদার লোকেরা দেখতে পাবে, যেমন আকাশের দিগন্তে আলোকোজ্জ্বল তারকারাজি দেখা যায়। আবূ বাকর ও উমার তাদের অন্তর্ভুক্ত, বরং তাদের মাঝে অধিক মর্যাদাবান।

    Book 0 · Hadith 96 · #94 · Sahih, Sahih, Hasan
  95. 95

    । হুযাইফাহ ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি জানি না আমি তোমাদের মাঝে আর কতকাল জীবিত থাকবো। অতএব আমার অবর্তমানে তোমরা আমার পরে অবশিষ্ট লোকের অনুসরণ করবে এবং (এ কথা বলে) তিনি আবূ বাকর ও উমার (রাঃ)-এর প্রতি ইঙ্গিত করেন।

    Book 0 · Hadith 97 · #95 · Sahih, Sahih, Hasan
  96. 96

    । ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ উমার (রাঃ) এর লাশ জানাযার খাটিয়ায় রাখা হলে উপস্থিত লোকজন, তার চারপাশে ভীড় করে দুআ-কালাম ও সালাত শুরু করে দেয়, তখনো সালাত আদায়ের জন্য লাশ উঠানো হয়নি। আমিও তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। তখন এক ব্যাক্তির সাথে আমার ধাক্কা লাগলো এবং তিনি আমার কাঁধ ধরলেন। আমি তাকিয়ে দেখি যে, তিনি আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)। তিনি উমার (রাঃ) এর প্রতি করুণা প্রকাশ করে আফসোস করলেন, অতঃপর বলেন, আমার নিকট আপনার চেয়ে অধিক প্রিয় আর কেউ নেই, আপনি যে নেক আমলসহ আল্লাহ্‌র নৈকট্য লাভ করেছেন তার তুলনা নেই। আল্লাহ্‌র শপথ! অবশ্যই আমি বিশ্বাস করি যে, আল্লাহ তাআলা আপনাকে আপনার দুজন সাথীর সাথে মিলিত করবেন। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রায়ই বলতে শুনতামঃ আমি, আবূ বাকর ও উমার গিয়েছিলাম। আমি আবূ বাকর ও উমার প্রবেশ করলাম। আমি, আবূ বাকর ও উমার বের হলাম। তাই আমি বিশ্বাস করি যে, আল্লাহ আপনাকে আপনার দু মহান বন্ধুর সাথে একত্র করবেন।

    Book 0 · Hadith 98 · #96 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  97. 97

    । ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর ও উমার (রাঃ) এর মাঝখান দিয়ে বের হয়ে চললেন, অতঃপর বললেনঃ এভাবেই আমরা (কিয়ামতের দিন) উত্থিত হবো।

    Book 0 · Hadith 99 · #97 · Daif, Daif, Daif, Daif
  98. 98

    । আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আবূ বাকর ও উমার (রাঃ) নবী-রাসূলগণ ব্যতীত পূর্বাপর সকল যুগের বয়স্ক জান্নাতীদের নেতা হবে।

    Book 0 · Hadith 100 · #98 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Isnaad Hasan
  99. 99

    । আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বলা হল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! কোন্ ব্যাক্তি আপনার নিকট অধিক প্রিয়? তিনি বলেনঃ আয়িশাহ। আবার বলা হল, পুরুষদের মধ্যে? তিনি বলেনঃ তার পিতা।

    Book 0 · Hadith 101 · #99 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Sahih
  100. 100

    । আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ) কে বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তাঁর কোন্ সাহাবী সর্বাধিক প্রিয় ছিলেন? তিনি বলেন, আবূ বাকর। আমি আবার বললাম, তারপর তাদের মধ্যে কে? তিনি বললেন, উমার। আমি আবার বললাম, অতঃপর তাদের মধ্যে কে? তিনি বলেন, আবূ উবাইদাহ।

    Book 0 · Hadith 102 · #100 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  101. 101

    । ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার ইসলাম গ্রহণ করলে জিবরীল (আলাইহিস সালাম) অবতরণ করে বলেন, হে মুহাম্মাদ! উমারের ইসলাম কবূল করার সুসংবাদে ঊর্ধ্ব জগতের বাসিন্দ্বারা আনন্দিত হয়েছে।

    Book 0 · Hadith 103 · #101 · Very Daif, Very Daif, Very Daif, Daif
  102. 102

    । উবাই ইবনু কাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহাসত্যবাদী সত্তা (আল্লাহ্) সর্বপ্রথম উমারের সাথে মূসাফাহা করবেন, তাকে সর্বপ্রথম সালাম দিবেন এবং তার হাত ধরে সর্বপ্রথম তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

    Book 0 · Hadith 104 · #102 · Daif, Munkar, Daif
  103. 103

    । আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আল্লাহ! বিশেষভাবে উমার ইবনুল খাত্তাবের দ্বারা ইসলামকে সম্মানিত করুন।

    Book 0 · Hadith 105 · #103 · Sahih, Sahih, Daif, Daif
  104. 104

    । আবদুল্লাহ ইবনু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী (রাঃ) কে বলতে শুনেছি: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরে সর্বোৎকৃষ্ট মানুষ হলেন আবূ বাকর (রাঃ) এবং আবূ বাকর (রাঃ) এর পরে উত্তম লোক হলেন উমার (রাঃ)।

    Book 0 · Hadith 106 · #104 · Sahih, Sahih, Sahih
  105. 105

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে বসা ছিলাম। তিনি বলেনঃ একদা আমি স্বপ্নে নিজেকে জান্নাতের মধ্যে দেখলাম। আমি লক্ষ্য করলাম, এক মহিলা একটি প্রাসা’দর নিকট বসে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, প্রাসা’দটি কার? মহিলা বললো, উমার (রাঃ) এর। তখন উমারের আত্নমর্যাদাবোধের কথা আমার স্মরণ হল এবং আমি সেখান থেকে পেছনে ফিরে এলাম। আবূ হুরায়রা বলেন, (এ কথা শুনে) উমার কেঁদে দিলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরআন হোক, আমি আপনার উপর কিভাবে আত্নর্যাদাবোধ প্রকাশ করতে পারি।

    Book 0 · Hadith 107 · #105 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  106. 106

    । আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা উমারের মুখে সত্যকে স্থাপন করেছেন এবং সেই সত্যের সাহায্যে সে কথা বলে।

    Book 0 · Hadith 108 · #106 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  107. 107

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জান্নাতে প্রত্যেক নবীর একজন অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে। সেখানে আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু হবে উসমান ইবনু আফফান।

    Book 0 · Hadith 109 · #107 · Daif, Daif, Very Daif, Daif
  108. 108

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের দরজায় উসমান -এর সাক্ষাৎ পেয়ে বলেনঃ হে উসমান! এই যে, জিবরীল (আলাইহিস সালাম)। তিনি আমাকে অবহিত করেন যে, আল্লাহ তাআলা তোমার সাথে উম্মু কুলসুমের বিবাহ দিয়েছেন এবং তার মোহরও রুকাইয়ার মোহরের সমান।

    Book 0 · Hadith 110 · #108 · Daif, Daif, Very Daif, Daif
  109. 109

    । কাব ইবনু উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অচিরেই সংঘটিতব্য একটি বিপর্যয়ের উল্লেখ করেন। ইত্যবসরে এক ব্যাক্তি মাথা নিচু করে চলে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তখন এ ব্যাক্তি সৎপথে প্রতিষ্ঠিত থাকবে। আমি দ্রুত হেঁটে গিয়ে তার দু কাঁধে হাত রাখতেই দেখলাম যে, তিনি উসমান। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট ফিরে এসে বললাম, ইনি কি সেই ব্যাক্তি? তিনি বলেনঃ ইনিই সেই ব্যাক্তি।

    Book 0 · Hadith 111 · #109 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  110. 110

    । আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে উসমান! তোমাকে আল্লাহ তাআলা একদিন এই কাজের (খিলাফতের) দায়িত্বশীল করবেন। মুনাফিকরা ষড়যন্ত্র করে আল্লাহ প্রদত্ত তোমার এই জামা (খিলাফতের দায়িত্ব) তোমার থেকে খুলে ফেলতে চাইবে। তুমি কখনও তা খুলবে না। তিনি এ কথা তিনবার বলেন। নুমান (রহঃ) বলেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, (বিদ্রোহ চলাকালে) জনসম্মুখে এ হাদীস বর্ণনা করতে আপনাকে কিসে বিরত রেখেছে? তিনি বলেন, আমি ভুলে গিয়েছিলাম।

    Book 0 · Hadith 112 · #110 · Sahih, Sahih, Sahih
  111. 111

    । আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রোগশয্যায় বললেনঃ আমি আশা করি যে, এ সময় আমার কোন সাহাবী আমার নিকট উপস্থিত থাকুক। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমরা কি আপনার কাছে আবূ বাকরকে ডেকে আনবো? তিনি নীরব থাকলেন। আমরা বললাম, আমরা কি আপনার কাছে উমারকে ডেকে আনবো? তিনি এবারও নীরব থাকলেন। আমরা বললাম, আমরা কি আপনার নিকট উসমানকে ডেকে আনবো? তিনি বলেন, হাঁ। অতঃপর উসমান এলেন। তিনি তার সাথে একান্তে আলাপ-আলোচনা করেন। উসমান -এর চেহারায় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেল। ক্বায়স (রহঃ) বলেন, আমার নিকট উসমানের মুক্ত দাস আবূ সাহলাহ (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, উসমান ইবনু আফফান নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ থাকাকালে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার থেকে একটি অঙ্গীকার নিয়েছেন, আমি তাতে ধৈর্য ধারণ করবো। আলী ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, উসমান বলেছেন, আমি তাতে ধৈর্য ধারণ করবো। ক্বায়স (রহঃ) বলেন, সাহাবীদের মতে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে এটাই ছিল তাঁর একান্ত আলাপ।

    Book 0 · Hadith 113 · #111 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  112. 112

    । আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে অবগত করলেন যে, মুমিন ব্যাক্তিরাই আমাকে ভালবাসবে এবং মুনাফিকরাই আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে।

    Book 0 · Hadith 114 · #112 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Sahih Muslim
  113. 113

    । সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী (রাঃ) কে বলেনঃ তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, আমার নিকট তুমি এরূপ স্থানের অধিকারী যেরূপ মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট হারূন (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্থান (মর্যাদা)?

    Book 0 · Hadith 115 · #113 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  114. 114

    । আল-বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বিদায় হাজ্জে (হজ্জ) উপস্থিত ছিলাম। তিনি পথিমধ্যে এক স্থানে অবতরণ করেন, অতঃপর সালাতের জামাআতে একত্র হওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি আলী -এর হাত ধরে বলেনঃ আমি কি মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের চাইতে অধিক ঘনিষ্ঠতর নই? তারা বলেন, হ্যাঁ অবশ্যই। তিনি আবার বলেনঃ আমি কি প্রত্যেক মুমিনের নিকট তার নিজের চাইতে অধিক ঘনিষ্ঠতর নই? তারা বলেন, হাঁ অবশ্যই। তিনি বলেনঃ আমি যার বন্ধু আলীও তার বন্ধু। হে আল্লাহ্! যে তাকে ভালোবাসে আপনি তাকে ভালোবাসুন। হে আল্লাহ! যে তার সাথে শত্রুতা করে আপনিও তার সাথে শত্রুতা করুন।

    Book 0 · Hadith 116 · #114 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Daif
  115. 115

    । আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ লাইলা (রহঃ) আলী -এর সাথে নৈশ আলাপ করতেন। আলী শীতকালে গ্রীষ্মকালীন পোশাক এবং গ্রীষ্মকালে শীতকালীন পোশাক পরিধান করতেন। আমরা বললাম, আপনি যদি তাকে জিজ্ঞেস করতেন! তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের যুদ্ধ চলাকালে আমাকে ডেকে পাঠান। তখন আমি চক্ষুপীড়ায় আক্রান্ত ছিলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি চক্ষুপীড়ায় আক্রান্ত। তিনি তাঁর মুখের লালা আমার চোখে লাগিয়ে দিয়ে বলেনঃ হে আল্লাহ্! তার থেকে গরম ও ঠান্ডা দূরীভূত করে দাও। তিনি বলেন, সেদিন থেকে আমি না গরম অনুভব করছি, না ঠান্ডা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ নিশ্চয় আমি এমন এক ব্যাক্তিকে অভিযানে পাঠাবো যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলও তাকে ভালোবাসেন এবং সে পৃষ্ঠপ্রদর্শনকারীও নয়। লোকেদের এই মর্যাদা লাভের আকাঙ্ক্ষা হল। তিনি আলী (রাঃ) কে ডেকে পাঠান এবং তাকেই (সেনাবাহিনীর) পতাকা দান করেন।

    Book 0 · Hadith 117 · #115 · Hasan, Hasan, Daif
  116. 116

    । ইবনু উমার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হাসান ও হুসায়ন জান্নাতী যুবকদের নেতা এবং তাদের পিতা তাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ হবে।

    Book 0 · Hadith 118 · #116 · Sahih, Sahih, Hasan
  117. 117

    । হুবশী ইবনু জুনাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ আলী আমার থেকে এবং আমি তার থেকে। আলীই আমার পক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করতে পারে।

    Book 0 · Hadith 119 · #117 · Hasan, Hasan, Hasan
  118. 118

    । আব্বাদ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী বলেছেনঃ আমি আল্লাহ্‌র বান্দা এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভাই। আমি পরম সত্যবাদী। আমার পরে কেবল মিথ্যাবাদীই এই (খেতাব) দাবি করবে। আমি লোকেদের সাত বছর পূর্বেই সালাত আদায় করেছি।

    Book 0 · Hadith 120 · #118 · Daif, Batil, Batil, Daif
  119. 119

    । সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুআবিয়াহ (রাঃ) একবার হাজ্জ (হজ্জ) করতে আসেন। সা’দ (রাঃ) তার নিকট উপস্থিত হলে লোকেরা আলী (রাঃ) সম্পর্কে (অশোভন) উক্তি করে। এতে সা’দ (রাঃ) অসন্তুষ্ট হন এবং বলেন, তোমরা এমন এক ব্যাক্তি সম্পর্কে কটূক্তি করলে যার সম্পর্কে আমি রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ আমি যার বন্ধু, আলী তার বন্ধু। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আরো বলতে শুনেছিঃ তুমি আমার কাছে ঐরূপ যেরূপ ছিলেন হারূন (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূসা (আলাইহিস সালাম) এর নিকট। তবে আমার পরে কোন নবী নেই। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আরো বলতে শুনেছিঃ আজ (খায়বার যুদ্ধের দিন) আমি অবশ্যই এমন ব্যাক্তির হাতে (যুদ্ধের) পতাকা অর্পণ করবো, যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে।

    Book 0 · Hadith 121 · #119 · Sahih, Sahih, Sahih, Daif
  120. 120

    । জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বনূ কুরায়যার যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কে আমাদের নিকট (কাফির) সম্প্রদায়ের তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে? যুবায়র(রাঃ) বলেন, আমি। তিনি পুনরায় বলেন, কে আমাদের নিকট (কাফির) সম্প্রদায়ের তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে? যুবায়র(রাঃ) বলেন, আমি। এভাবে তিনবার এ কথার পুনরাবৃত্তি হয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রত্যেক নবীর হাওয়ারী (জানবাজ সহচর) ছিল, আমার হাওয়ারী হল যুবায়র।

    Book 0 · Hadith 122 · #120 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  121. 121

    । যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহূদের যুদ্ধের দিন তাঁর পিতামাতাকে আমার জন্য একত্র (উল্লেখ) করেন।

    Book 0 · Hadith 123 · #121 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  122. 122

    । উরওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আয়িশাহ (রাঃ) আমাকে বললেন, হে উরওয়াহ! তোমার দুজন পিতৃপুরুষ সেই লোকেদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যাদের সম্পর্কে এ আয়াত নাযিল হয়েছে (অনুবাদ) যারা ক্ষত-বিক্ষত হওয়ার পরও আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ডাকে সাড়া দিয়েছে (সূরাহ আল ইমরানঃ ১৭২)। অর্থাৎ আবূ বাকর ও যুবায়র।

    Book 0 · Hadith 124 · #122 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  123. 123

    । জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ত্বলহাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে তিনি বলেনঃ একজন শহীদ যমীনের বুকে বিচরণ করছে।

    Book 0 · Hadith 125 · #123 · Sahih, Sahih, Very Daif, Daif
  124. 124

    । মুআবিয়াহ ইবনু আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ত্বলহাহ্ এর দিকে তাকিয়ে বলেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে সে তাদের অন্তর্ভুক্ত।

    Book 0 · Hadith 126 · #124 · Hasan, Hasan, Daif
  125. 125

    । মূসা ইবনু ত্বলহাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মুআবিয়াহ (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন তিনি বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে, ত্বলহাহ তাদের অন্তর্ভুক্ত।

    Book 0 · Hadith 127 · #125 · Hasan, Hasan, Daif
  126. 126

    । ক্বায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ত্বলহাহ্ (রাঃ) এর কর্তিত হাত দেখেছি, যা দ্বারা তিনি উহূদের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (প্রতি আক্রমণ) প্রতিহত করেছিলেন।

    Book 0 · Hadith 128 · #126 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  127. 127

    । আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সা’দ ইবনু মালিক ব্যতীত অপর কারো জন্য তাঁর পিতা-মাতাকে একত্রে উল্লেখ করতে দেখিনি। তিনি উহূদের যুদ্ধ চলাকালে তাকে বলেন, হে সা’দ! তীর নিক্ষেপ করো, আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য উৎসর্গিত হোক।

    Book 0 · Hadith 129 · #127 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  128. 128

    । সাঈদ ইবনুল মূসা ইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহূদের দিন যুদ্ধ চলাকালে আমার জন্য তাঁর পিতা-মাতাকে একত্র করেছেন। তিনি বলেনঃ হে সা’দ! তীর নিক্ষেপ করো, আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য উৎসর্গিত হোক।

    Book 0 · Hadith 130 · #128 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  129. 129

    । ক্বায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ আমিই আল্লাহ্‌র রাস্তায় তীর বর্ষণকারী প্রথম আরব।

    Book 0 · Hadith 131 · #129 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  130. 130

    । সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, যেদিন আমি ইসলাম গ্রহণ করি, সেদিন আর কেউ ইসলাম গ্রহণ করেনি। কিন্তু আমি আমার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি সাত দিন যাবৎ গোপন রাখি। আমি ইসলাম গ্রহণকারী তৃতীয় ব্যাক্তি।

    Book 0 · Hadith 132 · #130 · Sahih, Sahih, Sahih
  131. 131

    । রিবাহ ইবনুল সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফায়ল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশ ব্যাক্তির মধ্যে দশম জন। তিনি বলেনঃ আবূ বাকর জান্নাতী, উমার জান্নাতী, উসমান জান্নাতী, আলী জান্নাতী, ত্বলহাহ্ জান্নাতী, যুবায়র জান্নাতী, সা’দ জান্নাতী ও আবদুর রহমান ইবনু আওফ জান্নাতী। সাঈদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, নবম ব্যাক্তি কে? তিনি বলেন, আমি।

    Book 0 · Hadith 133 · #131 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  132. 132

    । সাঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে সাক্ষ্য দেই যে, আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ হে হেরা (পর্বত)! স্থির হও। কেননা তোমার উপর একজন নবী, একজন পরম সত্যবাদী ও একজন শহীদ রয়েছেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নাম ধরে গণনা করেনঃ আবূ বাকর, উমার, উসমান, আলী, ত্বলহাহ্, যুবায়র, সা’দ, ইবনু আওফ ও সাঈদ ইবনু যায়দ।

    Book 0 · Hadith 134 · #132 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Hasan
  133. 133

    । হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজরানবাসীদের বলেনঃ আমি অচিরেই তোমাদের সাথে একজন আমানাতদার (বিশ্বস্ত) লোক পাঠাচ্ছি, যে সত্যিকারের আমানাতদার (বিশ্বস্ত)। (রাবী বলেন), লোকেরা এই মর্যাদা লাভের আকাঙ্ক্ষা করছিল। অতঃপর তিনি আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ -কে পাঠান।

    Book 0 · Hadith 135 · #133 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  134. 134

    । আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ) কে বললেনঃ এ ব্যাক্তি হল এ উম্মাতের আমানাতদার (পরম বিশ্বস্ত ব্যাক্তি)।

    Book 0 · Hadith 136 · #134 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  135. 135

    । আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যদি পরামর্শ না করেই কাউকে খলীফা নিযুক্ত করতাম, তাহলে ইবনু উম্মে আব্‌দকেই খলীফা নিযুক্ত করতাম।

    Book 0 · Hadith 137 · #135 · Daif, Daif, Daif, Daif
  136. 136

    । আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আবূ বাকর ও উমার তাকে সুসংবাদ দেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি কুরআন মাজীদ উত্তমরূপে তিলাওয়াত করতে চায়, যেভাবে তা নাযিল হয়েছে, সে যেন ইবনু উম্মে আব্‌দ এর পাঠ মোতাবেক তিলাওয়াত করে।

    Book 0 · Hadith 138 · #136 · Sahih, Sahih, Hasan, Hasan
  137. 137

    । আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তোমার জন্য পর্দা (বাধা) তুলে নেয়া হয়েছে। তাই তুমি আমার নিকট এসে আমার গোপন কথা শুনতে পারো, যাবত না আমি তোমাকে নিষেধ করি।

    Book 0 · Hadith 139 · #137 · Sahih, Sahih, Sahih
  138. 138

    । আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কুরায়শ গোত্রের লোকেদের সমাবেশে তাদের পারস্পরিক আলোচনাকালে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করলে তারা তাদের আলোচনা বন্ধ করে দিত। আমরা বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেনঃ লোকেদের কী হল যে, তাদের পারস্পরিক আলোচনাকালে আমার আহলে বাইতর কোন লোককে দেখলে তারা তাদের কথাবার্তা বন্ধ করে দেয়? আল্লাহ্‌র শপথ! কোন ব্যাক্তির অন্তরে ঈমান প্রবেশ করতে পারে না যতক্ষণ না সে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির জন্য এবং আমার সাথে তাদের আত্নীয় সম্পর্কের কারণে তাদেরকে ভালোবাসবে।

    Book 0 · Hadith 140 · #138 · Daif, Daif, Daif, Daif
  139. 139

    । আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা আমাকে প্রিয় বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছেন, যেমন ইব্রাহীম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তিনি বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছিলেন। কিয়ামতের দিন জান্নাতে আমি ও ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) সামনাসামনি আসনে উপবিষ্ট থাকবো এবং আব্বাস আমাদের দুজনের মাঝে একজন মুমিন হিসাবে অবস্থান করবেন।

    Book 0 · Hadith 141 · #139 · Mawdu, Mawdu, Mawdu, Daif
  140. 140

    । আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান সম্পর্কে বলেনঃ হে আল্লাহ্! আমি অবশ্যই হাসানকে ভালোবাসি। অতএব আপনিও তাকে ভালোবাসুন এবং যারা তাকে ভালোবাসে আপনি তাদেরও ভালোবাসুন। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি তাকে নিজের বুকের সাথে জড়িয়ে ধরেন।

    Book 0 · Hadith 142 · #140 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  141. 141

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি হাসান ও হুসায়নকে ভালোবাসে, সে আমাকেই ভালোবাসে এবং যে ব্যাক্তি তাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে সে আমার প্রতই বিদ্বেষ পোষণ করে।

    Book 0 · Hadith 143 · #141 · Hasan, Hasan, Hasan, Sahih
  142. 142

    । ইয়ালা ইবনু মুররাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে তাঁকে প্রদত্ত এক আহারের দাওয়াতে রওনা হন। তখন হুসায়ন গলির মধ্যে খেলাধূলা করছিলেন। রাবী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের অগ্রভাগে এগিয়ে গেলেন এবং তাঁর দু হাত বিস্তার করে দিলেন। বালকটি এদিক ওদিক পালাতে থাকলো এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হাসাতে হাসাতে ধরে ফেলেন। এরপর তিনি তাঁর এক হাত ছেলেটির চোয়ালের নিচে রাখলেন এবং অপর হাত তার মাথার তালুতে রাখলেন, অতঃপর তাকে চুমা দিলেন এবং বললেনঃ হুসায়ন আমার থেকে এবং আমি হুসায়ন থেকে। যে ব্যাক্তি হুসায়নকে ভালোবাসে, আল্লাহ তাআলা তাকে ভালোবাসেন। হুসায়ন আমার নাতিদের একজন। ৩/১৪৪(ক)। ‘আলী ইবনু মুহাম্মাদ-ওয়াকী‘-সুফ্ইয়ান (রহ.) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

    Book 0 · Hadith 144 · #142 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  143. 143

    । যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী, ফাতিমাহ, হাসান ও হুসায়ন (রাঃ)-কে লক্ষ্য করে বলেনঃ যারা তোমাদের শান্তি ও স্বস্তিতে রাখবে, আমিও তাদের শান্তিতে রাখবো এবং যারা তোমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করবে, আমিও তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করবো।

    Book 0 · Hadith 145 · #143 · Daif, Daif, Very Daif, Daif
  144. 144

    । আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বসা ছিলাম। আম্মার ইবনু ইয়াসির প্রবেশানুমতি চাইলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাকে অনুমতি দাও। এই পাক ও পবিত্র ব্যাক্তিকে স্বাগতম।

    Book 0 · Hadith 146 · #144 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Hasan
  145. 145

    । হানী ইবনু হানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আম্মার আলী -এর নিকট প্রবেশ করে তিনি বলেন, এই পাক-পবিত্র ব্যাক্তিকে স্বাগতম। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ আম্মার এমন একটি পাত্র যার গলা পর্যন্ত ঈমানে ভরপুর।

    Book 0 · Hadith 147 · #145 · Sahih, Sahih, Daif
  146. 146

    । আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আম্মার এমন ব্যাক্তি, যাকে দুটি বিষয়ের মধ্যে এখতিয়ার দেয়া হলে সে অধিকতর হিদায়াতপূর্ণ বিষয়টি গ্রহণ করে।

    Book 0 · Hadith 148 · #146 · Sahih, Sahih, Daif
  147. 147

    । বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা চার ব্যাক্তিকে ভালোবাসতে আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনিও তাদের ভালোবাসেন। বলা হল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তারা কারা? তিনি বলেনঃ আলী তাদের অন্তর্ভুক্ত। এ কথাটি তিনি তিনবার বলেন। (অপর তিনজন) আবূ যার, সালমান ও মিক্বদাদ।

    Book 0 · Hadith 149 · #147 · Daif, Daif, Daif, Sahih
  148. 148

    । আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সর্বপ্রথম সাত ব্যাক্তি তাদের ইসলাম গ্রহণের কথা প্রকাশ করেন। তারা হলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাকর, আম্মার, তার মাতা সুমাইয়্যাহ, সুহায়ব, বিলাল ও মিক্বদাদ। অতঃপর আল্লাহ তাআলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চাচা আবূ তালিবের মাধ্যমে তাঁর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন। আল্লাহ তাআলা আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন তার স্বগোত্রীয়দের দ্বারা। অবশিষ্ট সকলকে মুশরিকরা আটক করে। তারা তাদেরকে লৌহবর্ম পরিধান করিয়ে প্রখর রোদের মাঝে চিৎ করে শুইয়ে দিত। তাদের মাঝে এমন কেউ ছিল না, যাকে দিয়ে তারা তাদের ইচ্ছানুসারে স্বীকারোক্তি করায়নি। কেবল বিলাল নিজেকে আল্লাহ্‌র রাস্তায় অপমানিত করেন এবং লোকেরাও তাকে অপমানিত করে। তারা তাকে আটক করে বালকদের হাতে তুলে দেয়। তারা তাকে নিয়ে মক্কার অলিতে-গলিতে ঘুরে বেড়াতো এবং তিনি শুধু আহাদ আহাদ (আল্লাহ এক, আল্লাহ এক) বলতেন।

    Book 0 · Hadith 150 · #148 · Hasan Sahih, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  149. 149

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অবশ্যই আল্লাহ্‌র পথে আমাকে যতটা নির্যাতন করা হয়েছে, অপর কাউকে সেরূপ নির্যাতন করা হয়নি এবং আমাকে আল্লাহ্‌র পথে যতটা ভীত-সন্ত্রস্ত করা হয়েছে, অপর কাউকে সেরূপ ভীত-সন্ত্রস্ত করা হয়নি। আমার ও বিলালের উপর দিয়ে তিন তিনটি রাত এমনভাবে অতিবাহিত হয়েছে যে, বিলালের বগলের নিচে দাবিয়ে রাখা সামান্য খাদ্য ছাড়া এমন কোন খাদ্য ছিল না যা কোন প্রাণী খেতে পারে।

    Book 0 · Hadith 151 · #149 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Isnaad Sahih
  150. 150

    । সালিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক কবি বিলাল ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) এর প্রশংসা করে বলেনঃ বিলাল ইবনু আবদুল্লাহ হলেন সর্বোত্তম বিলাল। তখন ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, তুমি মিথ্যা বলছো। না, বরং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিলালই হলেন সর্বোত্তম বিলাল।

    Book 0 · Hadith 152 · #150 · Daif, Daif, Daif, Isnaad Hasan
  151. 151

    । আবূ লাইলা আল-কিন্দী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খাব্বাব উমার (রাঃ) এর নিকট এলে তিনি বলেন, কাছে এসো। তোমার চেয়ে উপযুক্ত এই মজলিসে যোগদানকারী আর কেউ নেই, আম্মার ব্যতীত। খাব্বাব তার পিঠে মুশরিকদের বীভৎস শাস্তির দাগসমূহ তাঁকে দেখাতে লাগলেন।

    Book 0 · Hadith 153 · #151 · Sahih, Sahih, Sahih, Daif
  152. 152

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে আমার উম্মাতের প্রতি সর্বাপেক্ষা দয়ার্দ্র ব্যাক্তি আবূ বাকর। তাদের মধ্যে আল্লাহ্‌র দ্বীনের ব্যাপারে সর্বাপেক্ষা কঠোর মনোভাবাপন্ন ব্যাক্তি উমার। তাদের মধ্যে সর্বাধিক সত্যিকার লজ্জাশীল ব্যাক্তি উসমান। তাদের মধ্যে সর্বাধিক বিচক্ষণ বিচারক আলী ইবনু আবূ তালিব। তাদের মধ্যে আল্লাহ্‌র কিতাবের সর্বোত্তম পাঠকারী উবাই ইবনু কাব। তাদের মধ্যে হালাল ও হারাম সম্পর্কে সর্বাধিক জ্ঞাত ব্যাক্তি মুআয ইবনু জাবাল। তাদের মধ্যে ফারায়িয (দায়ভাগ) সম্পর্কিত বিষয়ে সর্বাধিক জ্ঞানী যায়দ ইবনু সাবিত। শোন! প্রত্যেক উম্মাতের একজন আমীন (বিশস্ত ব্যাক্তি) থাকে। আর এ উম্মাতের আমীন হল আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ।

    Book 0 · Hadith 154 · #152 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Isnaad Hasan
  153. 153

    । আবূ ক্বিলাবাহ (রহঃ) থেকে ইবনু কুদামার সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে আরো আছে যে, তিনি যায়দ ইবনু সাবিত সম্পর্কে বলেনঃ তাদের মধ্যে তিনি ফারায়িয সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত।

    Book 0 · Hadith 155 · #153 · Sahih, Sahih, Sahih
  154. 154

    । আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ বাচনিক সত্যবাদিতায় আবূ যারের চেয়ে উত্তম কোন ব্যাক্তিকে আসমান ছায়াদান করেনি এবং পৃথিবী তার বুকে ধারণ করেনি।

    Book 0 · Hadith 156 · #154 · Sahih, Sahih, Hasan Lighairihi, Hasan
  155. 155

    । আল-বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এক টুকরা সাদা রেশমী কাপড় উপহার দেয়া হল। উপস্থিত লোকজন একের পর এক তা হাতে নিয়ে দেখতে লাগলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা কি এটি দেখে অবাক হচ্ছো! তারা তাঁকে বলেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বলেনঃ সেই মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! জান্নাতে সা’দ ইবনু মুআয-এর রুমাল এর চাইতেও উত্তম হবে।

    Book 0 · Hadith 157 · #155 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  156. 156

    । জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সা’দ ইবনু মুআয-এর মৃত্যুতে মহান আল্লাহ্‌র আরশ কেঁপে উঠেছিল।

    Book 0 · Hadith 158 · #156 · Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  157. 157

    । জারীর ইবনু আবদুল্লাহ আল-বাজালী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণের দিন থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে প্রবেশে আমাকে কখনো বাধা দেননি এবং তিনি যখনই আমাকে দেখেছেন আমার সামনে হেসে দিয়েছেন। আমি তাঁর নিকট অভিযোগ করি যে, আমি ঘোড়ার পিঠে স্থির হয়ে থাকতে পারি না। তিনি তাঁর হাত দিয়ে আমার বুকে মৃদু আঘাত করে বলেনঃ হে আল্লাহ! তাকে (ঘোড়ার পিঠে) স্থির রাখো এবং তাকে হিদায়াতকারী ও হিদায়াতপ্রাপ্ত বানিয়ে দাও।

    Book 0 · Hadith 159 · #157 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  158. 158

    । রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জিবরীল (আলাইহিস সালাম) অথবা একজন ফেরেশতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বলেন, আপনাদের মধ্যে যারা বাদ্র যুদ্ধ অংশগ্রহণ করেছে আপনারা তাদের কেমন গণ্য করেন? তাঁরা বলেন, তারা আমাদের মধ্যে উত্তম লোক। ফেরেশতা বলেন, অনুরূপভাবে তারাও আমাদের মধ্যে উত্তম ফেরেশতা (যারা বাদর যুদ্ধ অংশগ্রহণ করেছিল)।

    Book 0 · Hadith 160 · #158 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  159. 159

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার সাহাবীদের গালি দিও না। সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! তোমাদের কেউ যদি উহূদ পাহাড় পরিমাণ সোনাও দান-খয়রাত করে তবে তা তাদের কারো এক মুদ্দ বা অর্ধ মুদ্দ দান-খয়রাত করার সমান মর্যাদাসম্পন্নও হবে না।

    Book 0 · Hadith 161 · #159 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  160. 160

    । নুসায়র ইবনু যুলূক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, তোমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের গালি দিও না। অবশ্যই তাদের কারো এক মুহূর্তের সৎকাজ তোমাদের কারো সারা জীবনের সৎকাজের চেয়েও উত্তম।

    Book 0 · Hadith 162 · #160 · Hasan, Hasan, Sahih
  161. 161

    । আল-বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আনসারদের ভালোবাসে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন এবং যে ব্যাক্তি আনসারদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, আল্লাহ তাআলা তার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেন। শুবাহ (রহঃ) বলেন, আমি আদী (রহঃ)-কে বললাম, আপনি কি এটি বারাআ ইবনু আযিব -এর নিকট শুনেছেন? তিনি বলেন, অবশ্যই তিনি বর্ণনা করেছেন।

    Book 0 · Hadith 163 · #161 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  162. 162

    । সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আনসারগণ যেন দেহের আভরণ এবং অন্যরা তার উপরিভাগের (শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন) আভরণ। আনসারগণ যদি কোন গিরি সংকটে বা গিরিখাদে প্রবেশ করে এবং অন্য লোকেরা অন্য গিরিখাদে বা গিরি সংকটে প্রবেশ করে, তবে আমি আনসারদের গিরি সংকটেই যাবো। হিজরতের ঘটনা না ঘটলে আমি আনসারদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।

    Book 0 · Hadith 164 · #162 · Sahih, Sahih, Sahih
  163. 163

    । আমর ইবনু আওফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা আনসারদের প্রতি দয়াপরবশ হোন, তাদের সন্তানদের প্রতি দয়াপরবশ হোন, তাদের সন্তানদের প্রতি দয়াপরবশ হোন এবং তাদের সন্তানদের সন্তানগণের প্রতিও দয়াপরবশ হোন।

    Book 0 · Hadith 165 · #163 · Very Daif, Very Daif, Daif
  164. 164

    । ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তাঁর বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে বললেনঃ হে আল্লাহ! তাকে প্রজ্ঞা ও কুরআনের তাৎপর্য জ্ঞান দান করুন।

    Book 0 · Hadith 166 · #164 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Sahih
  165. 165

    । আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি খারিজীদের উল্লেখ করে বলেন, তাদের মাঝে খাটো হাতবিশিষ্ট এক ব্যাক্তির উদ্ভব হবে। যদি তোমরা স্বেচ্ছায় সৎকাজ ছেড়ে না দিতে, তবে আমি তোমাদের নিকট সেই হাদীস বর্ণনা করতাম যাতে আল্লাহ তাআলা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যবানিতে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। অধস্তন রাবী উবাঈদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনি কি এ কথা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট শুনেছেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ কাবার প্রভুর শপথ! তিনি তিনবার এ কথা বলেন।

    Book 0 · Hadith 167 · #165 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  166. 166

    । আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শেষ যমানায় ক্ষুদ্র দাঁতবিশিষ্ট ও স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন এক সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে। তারা মানুষকে ভালো ভালো কথা বলবে, কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা ইসলাম থেকে এত দ্রুত বেগে খারিজ হয়ে যাবে, যেমন ধনুক থেকে তীর দ্রুত বেগে শিকারের দিকে ছুটে যায়। অতএব যে ব্যাক্তি তাদের সাক্ষাৎ পাবে সে যেন তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। যারা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ্‌র নিকট তাদের জন্য তার বিনিময় রয়েছে।

    Book 0 · Hadith 168 · #166 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih
  167. 167

    । আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)-কে বললাম, আপনি কি (খারিজী) হারূরিয়াদের সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে কিছু বলতে শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি তাঁকে একটি সম্প্রদায়ের কথা আলোচনা করতে শুনেছি যারা হবে অত্যধিক ইবাদাতকারী এবং তাদের সালাত-সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম)র তুলনায় তোমাদের নিকট তোমাদের সালাত-সাওম খুবই নগণ্য মনে হবে। তারা দ্বীন থেকে দ্রুত গতিতে বের হয়ে যাবে, যেমন ধনুক থেকে তীর শিকারের দিকে দ্রুত গতিতে চলে যায়। সে তার তীর তুলে নিয়ে তার ফলার অগ্রভাগ পরখ করবে কিন্তু কিছুই দেখতে পাবে না, অতঃপর তার তীরের (ফলা সংলগ্ন) কাঠ পরখ করবে তাতেও কোন চিহ্ন দেখতে পাবে না। অতঃপর তীরের ফলা পরখ করে তাতেও কিছু দেখতে পাবে না, অতঃপর তীরের পালক পরখ করে তার সন্দেহ হবে যে, সে কিছু চিহ্ন দেখতে পাচ্ছে কিনা।

    Book 0 · Hadith 169 · #167 · Sahih, Sahih, Sahih
  168. 168

    । আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার পরে আমার উম্মাতের মধ্যে অচিরেই একটি দলের উদ্ভব হবে, যারা কুরআন পড়বে কিন্তু তা তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা এত দ্রুতবেগে ধর্মচ্যুত হবে, যেমন তীর ধনুক থেকে শিকারের দিকে দ্রুত ছুটে যায়, অতঃপর তারা দ্বীনের পথে ফিরে আসবে না। এরা হল সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট। আবদুল্লাহ ইবনুুস সামিত (রহঃ) বলেন, আমি বিষয়টি হাকাম ইবনু আমর আল-গিফারীর ভাই রাফি ইবনু আমর (রাঃ) এর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বলেন, আমিও হাদীসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট শুনেছি।

    Book 0 · Hadith 170 · #168 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  169. 169

    । ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অবশ্যই আমার উম্মাতের একটি দল কুরআন পড়বে, কিন্তু তারা ইসলাম থেকে দ্রুত বিচ্যুত হয়ে যাবে, যেমন তীর ধনুক থেকে দ্রুত শিকারের দিকে বেরিয়ে যায়।

    Book 0 · Hadith 171 · #169 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih
  170. 170

    । জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিরানাহ নামক স্থানে গনীমাতের মাল ও সোনারূপা বণ্টন করছিলেন। এগুলো বিলাল (রাঃ) এর কোলে ছিল। এক ব্যাক্তি বললো, হে মুহাম্মাদ! ইনসাফ করুন। কেননা, আপনি ইনসাফ করছেন না। তিনি বলেনঃ তোমার জন্য দুঃখ হয়, আমিই যদি ইনসাফ না করি, তবে আমার পরে কে ইনসাফ করবে? উমার বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাকে ছেড়ে দিন, আমি এই মুনাফিকের ঘাড় উড়িয়ে দেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তার সম্পদ্রায়ের মধ্যে একটি দলের উদ্ভব হবে, যারা কুরআন পড়বে, কিন্তু তা তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা এমনভাবে ধর্মচ্যুত হবে, যেমন ধনুক থেকে তীর শিকারের দিকে দ্রুত ছুটে যায়।

    Book 0 · Hadith 172 · #170 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  171. 171

    । ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খারিজীরা হল জাহান্নামের কুকুর।

    Book 0 · Hadith 173 · #171 · Sahih, Sahih, Hasan, Hasan
  172. 172

    । ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একটি দল আবির্ভূত হবে, যারা কুরআন পড়বে, কিন্তু তা তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না। যখনই তারা আবির্ভূত হবে, তখনই তাদের হত্যা করা হবে। ইবনু উমার বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ যখনই এক দল আবির্ভূত হবে তখনই তাদের ধ্বংস করা হবে। এভাবে বিশের অধিক বার তা ঘটবে, অতঃপর তাদের মধ্য থেকে দাজ্জাল আবির্ভূত হবে।

    Book 0 · Hadith 174 · #172 · Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  173. 173

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শেষ যমানায় এ উম্মাতের মধ্যে একটি সম্প্রদায় আবির্ভূত হবে, যারা কুরআন পড়বে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালীর নিচে যাবে না। তাদের চিহ্ন হবে মুন্ডিত মাথা। তোমরা তাদের দেখতে পেলেই কিংবা তাদের সাক্ষাৎ পেলেই তাদের হত্যা করবে।

    Book 0 · Hadith 175 · #173 · Sahih, Sahih, Sahih, Daif
  174. 174

    । আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আসমানের নিচে সর্বাধিক নিকৃষ্ট নিহত ব্যাক্তি তারা, যারা জাহান্নামের কুকুর (খারিজীরা) এবং সর্বোত্তম নিহত তারা যারা তাদের হত্যা করতে গিয়ে নিহত হয়েছে। এরা (খারিজীরা) ছিল মুসলিম, পরে কাফির হয়ে যায়। (আবূ গালিব বলেন) আমি বললাম, হে আবূ উমামাহ! এটা কি আপনার মন্তব্য? তিনি বলেন, বরং আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তা বলতে শুনেছি।

    Book 0 · Hadith 176 · #174 · Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  175. 175

    । জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বসা ছিলাম। তিনি পূর্ণিমার রাতে চাঁদের দিকে তাকিয়ে বলেনঃ অচিরেই তোমরা তোমাদের প্রভুকে দেখতে পাবে, যেমন তোমরা এই চাঁদ দেখতে পাচ্ছো। তাঁকে দেখতে তোমাদের কোন অসুবিধা হবে না। ফাজর ও আসরের সালাতে তোমরা পরাভূত না হয়ে সামর্থ্যবান হলে তাই করো (সালাত কাযা করো না)। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) এবং তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করো সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে- (সূরাহ কাফ ৫০ঃ ৩৯)।

    Book 0 · Hadith 177 · #175 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  176. 176

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পূর্ণিমার রাতের চাঁদ দেখতে তোমাদের কি কোন অসুবিধা হয়? তারা বলেন, না। তিনি বলেনঃ তদ্রূপ কিয়ামতের দিন তোমাদের প্রভুর দর্শন লাভে তোমাদের কোন অসুবিধা হবে না।

    Book 0 · Hadith 178 · #176 · Sahih, Sahih, Sahih
  177. 177

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমরা কি আমাদের রবকে দেখতে পাবো? তিনি বলেনঃ তোমরা কি ঠিক দুপুরে মেঘমুক্ত আকাশে সূর্য দেখতে বাধাগ্রস্ত হও? আমরা বললাম, না। তিনি আবার বলেনঃ পূর্ণিমার রাতে মেঘমুক্ত আকাশে তোমাদের চাঁদ দেখতে কি অসুবিধা হয়? তারা বলেন, না। তিনি বলেনঃ ঐ দুটি দেখতে তোমাদের যেমন কোন কষ্ট হয় না, তদ্রূপ তাঁর দর্শন লাভেও তোমাদের কোন কষ্ট হবে না।

    Book 0 · Hadith 179 · #177 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  178. 178

    । আবূ রযীন (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমরা কি কিয়ামতের দিন আল্লাহকে দেখতে পাবো এবং তাঁর সৃষ্টির মাঝে এর নিদর্শন কী? তিনি বলেনঃ হে আবূ রযীন! তোমাদের প্রত্যেকে কি চাঁদকে পৃথকভাবে দেখতে পায় না? তিনি বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বলেনঃ আল্লাহ অতীব মহান এবং এটাই হল তাঁর সৃষ্টির মাঝে (তাঁর) নিদর্শন।

    Book 0 · Hadith 180 · #178 · Hasan, Hasan, Isnaad Sahih
  179. 179

    । আবূ রযীন (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন আল্লাহ্‌র বান্দারা (সামান্য বিপদেই) হতাশ হয় এবং (বিপদ কেটে উঠার জন্য) আল্লাহ ভিন্ন অপরের নৈকট্য অন্বেষী হয়, তখন আমাদের প্রভু তার এ আচরণে হাসেন। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! মহান প্রভু কি হাসেন? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ। আমি বললাম, আমরা কখনো পুণ্যের কাজ ত্যাগ করবো না, যাতে আমাদের প্রভু হাসেন।

    Book 0 · Hadith 181 · #179 · Daif, Daif, Daif, Isnaad Hasan
  180. 180

    । আবূ রযীন (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাদের প্রতিপালক তাঁর সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করার পূর্বে কোথায় ছিলেন? তিনি বলেনঃ মেঘমালার মধ্যে, যার নিচেও বায়ু ছিল না এবং উপরেও বায়ু পানি ছিল না। অতঃপর পানির উপর তিনি তাঁর আরশ সৃষ্টি করেন।

    Book 0 · Hadith 182 · #180 · Daif, Daif, Daif, Isnaad Hasan
  181. 181

    । সাফওয়ান ইবনু মুহরিয আল-মাযিনী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) এর সাথে ছিলাম। তিনি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করছিলেন। তখন এক ব্যাক্তি তার কাছে এসে বলেন, হে ইবনু উমার! আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে একান্তে কথা বলা সম্পর্কে কিভাবে বলতে শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন ঈমানদার ব্যাক্তিকে তার প্রতিপালক প্রভুর খুব নিকটবর্তী করা হবে, এমনকি তিনি তার থেকে পর্দা সরিয়ে নিবেন, অতঃপর তার থেকে তার গুনাহসমূহের স্বীকারোক্তি আদায় করবেন। তিনি বলবেনঃ তুমি কি চিনতে পেরেছ? সে বলবে, হে প্রভু! হ্যাঁ, আমি চিনতে পেরেছি, এমনকি আল্লাহ্‌র মর্জিমাফিক সে স্বীকার করতে থাকবে। তিনি বলবেন, আমি তোমার এ গুনাহসমূহ দুনিয়াতে লুকিয়ে রেখেছি এবং আজ তোমার সেই গুনাহ ক্ষমা করে দিলাম। অতঃপর তার ডান হাতে তার সৎকাজের হিসাব সম্বলিত একটি পুস্তিকা প্রদান করা হবে। অপরদিকে কাফের ও মুনাফিক্বদেরকে উপস্থিত সকলের সামনে ডাক দিয়ে বলা হবে, এরাই তাদের প্রতিপালক প্রভুর প্রতি মিথ্যারোপ করেছে। সাবধান! যালিমদের প্রতি আল্লাহ্‌র অভিসম্পাত- (সূরাহ হূদ ১১ঃ ১৮)।

    Book 0 · Hadith 183 · #181 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  182. 182

    । জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতবাসীরা তাদের ভোগ-বিলাসে মশগুল থাকবে, এমতাবস্থায় তাদের সামনে একটি নূরের আলোকচ্ছটা বিচ্ছুরিত হবে। তারা তাদের মাথা তুলে দেখতে পাবে যে, তাদের মহান প্রভু তাদের উপর দিক থেকে উদ্ভাসিত হয়েছেন। তিনি বলবেনঃ হে জান্নাতবাসীগণ! আসসালাম আলাইকুম (তোমাদের উপর অনন্ত শান্তি বর্ষিত হোক)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এটাই হল আল্লাহ্‌র বাণীর প্রমাণ (অনুবাদ) সালাম (অনন্ত শান্তি), পরম দয়ালু প্রভুর পক্ষ থেকে সম্ভাষণ- (সূরাহ ইয়াসিন ৩৬ঃ ৫৮)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আল্লাহ তাআলা তাদের প্রতি তাকাবেন এবং তারাও তাঁর প্রতি অপলক নেত্রে তাকাবে। জান্নাতীরা যতক্ষণ আল্লাহ্‌র দীদারে মশগুল থাকবে ততক্ষণ তারা অন্য কোন ভোগ-বিলাসের প্রতি ফিরেও তাকাবে না। অবশেষে তিনি তাদের দৃষ্টি থেকে অন্তর্হিত হবেন এবং তাঁর নূর ও বারাকাত তাদের জন্য তাদের আবাসে অবারিত থাকবে।

    Book 0 · Hadith 184 · #182 · Daif, Daif, Daif, Daif
  183. 183

    । আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের সাথেই তার মহান প্রভু কথা বলবেন এবং তার ও প্রভুর মধ্যখানে কোন দোভাষী থাকবে না। সে তার ডান দিকে তাকালে তার কৃতকর্ম ব্যতীত কিছুই দেখবে না। সে তার বাম দিকে তাকালে তার কৃতকর্ম ব্যতীত কিছুই দেখবে না। সে তার সামনের দিকে তাকালে জাহান্নাম তাকে অভ্যর্থনা জানাবে। অতএব কারো জাহান্নামের আগুন থেকে আত্নরক্ষা করার সামর্থ্য থাকলে সে যেন এক টুকরা খেজুর দান করে হলেও তাই করে।

    Book 0 · Hadith 185 · #183 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  184. 184

    । আবদুল্লাহ ইবনু ক্বায়স আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুটি জান্নাত এবং তার পাত্রসমূহ ও অন্যান্য সব কিছুই হবে রূপার তৈরি। আরও দুটি জান্নাত এবং তার পাত্রসমূহ ও অন্যান্য সব কিছুই হবে সোনার তৈরি। আদন নামক জান্নাতে জান্নাতীগণ ও তাদের বারাকাতময় মহান প্রভুর দীদার লাভের মাঝখানে তাঁর চেহারার উপর তাঁর গৌরবের চাঁদর ব্যতীত আর কোন প্রতিবন্ধক থাকবে না।

    Book 0 · Hadith 186 · #184 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  185. 185

    । সুহায়ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) যারা কল্যাণকর কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং আরো অধিক- (সূরাহ ইউনুস ১০ঃ ২৬)। অতঃপর তিনি বলেনঃ জান্নাতীরা জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করার পর এক ঘোষণাকারী ডেকে বলবেঃ জান্নাতবাসীগণ! নিশ্চয় তোমাদের জন্য আল্লাহ তাআলার একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তিনি এখন পূর্ণ করবেন। তারা বলবে, তা কী? আল্লাহ তাআলা কি আমাদের (সৎ কর্মের) পাল্লা ভারী করেননি, আমাদের চেহারাগুলো আলোকিত করেননি, আমাদেরকে জান্নাতে দাখিল করেননি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তখন আল্লাহ তাআলা আবরণ উন্মুক্ত করবেন এবং তারা তাঁর দিকে তাকাবে। আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ তাদেরকে তার দীদারের চাইতে অধিক প্রিয় ও অধিক নয়নপ্রীতিকর আর কিছু দান করেননি।

    Book 0 · Hadith 187 · #185 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  186. 186

    । আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য যিনি সব রকমের ডাক শুনেন। এক মহিলা তার অভিযোগ নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসে। তখন আমি ঘরের এক কোণে অবস্থানরত ছিলাম। সে তার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, কিন্তু আমি তার বক্তব্য শুনতে পাইনি। তখন আল্লাহ তাআলা এ আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ) আল্লাহ অবশ্যই সেই নারীর কথা শুনেছেন, যে তার স্বামীর বিষয়ে আপনার সাথে বাদানুবাদ করছে (সূরাহ মুজাদালা ৫৮ঃ ১)।

    Book 0 · Hadith 188 · #186 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  187. 187

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের প্রতিপালক সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টির পূর্বেই তাঁর হাতে তাঁর নিজের ব্যাপারে লিপিবদ্ধ করেনঃ আমার দয়া আমার ক্রোধের উপর অগ্রবর্তী হয়েছে।

    Book 0 · Hadith 189 · #187 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Isnaad Sahih
  188. 188

    । ত্বলহাহ্ ইবনু খিরাশ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ -কে বলতে শুনেছিঃ উহূদের যুদ্ধের দিন আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু হারাম শহীদ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং বলেনঃ হে জাবির! আল্লাহ তাআলা তোমার পিতা সম্পর্কে যা বলেছেন, আমি কি তোমাকে তা অবহিত করবো না? ইয়াহ্ইয়া (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছেঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে জাবির! আমার কী হল, আমি তোমাকে ভগ্ন হৃদয় দেখছি কেন? জাবির বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার পিতা শহীদ হয়েছেন এবং তিনি অনেক সন্তান ও ঋণের বোঝা রেখে গেছেন। তিনি বলেনঃ আমি কি তোমাকে সুসংবাদ দিবো না যে, আল্লাহ তাআলা তোমার পিতার সাথে কিভাবে সাক্ষাৎ করেছেন? তিনি বলেন, অবশ্যই, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তিনি বলেনঃ আল্লাহ তাআলা কখনো অন্তরাল ছাড়া কারো সাথে কথা বলেননি, কিন্তু তোমার পিতার সাথে অন্তরাল ছাড়াই কথা বলেছেন। তিনি বলেছেনঃ হে আমার বান্দা! আমার কাছে কামনা করো, আমি তোমাকে দান করবো। তোমার পিতা বললো, হে প্রভু! আমাকে জীবন দান করুন, যাতে আমি আপনার রাস্তায় পুনরায় শহীদ হতে পারি। মহান ও পবিত্র প্রতিপালক আল্লাহ বলেনঃ আমি তো আগেই লিপিবদ্ধ করে দিয়েছি যে, লোকেরা (মৃত্যুর পর) (পৃথিবীতে) ফিরে যাবে না। তোমার পিতা বললো, হে প্রভু! তাহলে আমার পশ্চাদবর্তীদের কাছে (আমার সৌভাগ্যের) এ খবর পৌঁছে দিন। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ তাআলা এ আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ) যারা আল্লাহ্‌র পথে নিহত হয়েছে, তোমরা তাদের কখনো মৃত মনে করো না, বরং তারা জীবিত এবং তারা তাদের প্রভুর নিকট থেকে জীবিকাপ্রাপ্ত- (সূরাহ আল ইমরানঃ ৩ঃ ১৬৯)।

    Book 0 · Hadith 190 · #188 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  189. 189

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা দু ব্যাক্তিকে দেখে হাসবেন, যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করার পর দুজনই জান্নাতবাসী হবে। তাদের একজন আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হবে। অতঃপর আল্লাহ তাআলা হত্যাকারীর তওবা কবূল করবেন, ফলে সে ইসলাম গ্রহণ করে আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হবে।

    Book 0 · Hadith 191 · #189 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  190. 190

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলতেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন যমীন ও আসমানকে গুটিয়ে তাঁর ডান হাতে মুষ্টিবদ্ধ করে বলবেনঃ আমিই রাজাধিরাজ, পৃথিবীর রাজা-বাদশারা (আজ) কোথায়?

    Book 0 · Hadith 192 · #190 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  191. 191

    । আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বাতহা নামক স্থানে একদল লোকের সাথে ছিলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তাদের সাথে ছিলেন। তখন একখন্ড মেঘ তাঁকে অতিক্রম করে। তিনি মেঘখন্ডের দিকে তাকিয়ে বলেনঃ তোমরা এটাকে কী নামে অভিহিত করো? তারা বলেন, মেঘ। তিনি বলেনঃ এবং মুয্ন। তারা বলেন, মুয্নও বটে। তিনি বলেনঃ আনানও। আবূ বাকর বলেন, তারা সবাই বললেন, আনানও বটে। তিনি বলেনঃ তোমাদের ও আসমানের মাঝে তোমরা কত দূরত্ব মনে করো? তারা বলেন, আমরা অবগত নই। তিনি বলেনঃ তোমাদের এবং আসমানের মাঝে ৭১ বা ৭২ বা ৭৩ বছরের দূরত্ব রয়েছে। এক আসমান থেকে তার ঊর্ধ্বের আসমানের দূরত্বও তদ্রূপ। এভাবে তিনি সাত আসমানের সংখ্যা গণনা করেন। অতঃপর সপ্তম আকাশের উপর একটি সমুদ্র আছে যার শীর্ষভাগ ও নিম্নভাগের মধ্যকার ব্যবধান (গভীরতা) দু আসমানের মধ্যকার দূরত্বের সমান। তার উপর রয়েছেন আটজন ফেরেশতা, যাদের পায়ের পাতা ও হাঁটুর মধ্যকার ব্যবধান দু আসমানের মধ্যকার দূরত্বের সমান। তাদের পিঠের উপরে আল্লাহ্‌র আরশ অবস্থিত, যার উপর ও নিচের ব্যবধান (উচ্চতা) দু আসমানের মধ্যকার দূরত্বের সমান। তার উপরে রয়েছেন বরকতময় মহান আল্লাহ্।

    Book 0 · Hadith 193 · #191 · Daif, Daif, Daif, Daif
  192. 192

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আল্লাহ তাআলা আসমানে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা জারী করলে মালায়িকাহ বিনয়াবনত হয়ে তাদের পাখাসমূহ দোলাতে থাকেন। ফলে তা থেকে মসৃণ পাথরের উপর জিঞ্জিরের আঘাতের আওয়াজের অনুরূপ আওয়াজ হতে থাকে। অতঃপর তাদের অন্তরের ভীতিকর অবস্থা দূরীভূত হলে তারা পরস্পর জিজ্ঞেস করেন, তোমাদের রব কী বলেছেন? তারা বলেন, তিনি সত্যই বলেছেন, তিনি সমুচ্চ মহান- (সূরাহ সাবা ৩৪ঃ ২৩)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাদের পারস্পরিক আলোচনা শয়তান ওৎ পেতে শোনে এবং ভূপৃষ্ঠে অবস্থানকারী তাদের সাঙ্গপাঙ্গদের কাছে তা পৌঁছে দেয়। কখনো তা নিম্নে অবস্থানকারীদের কাছে পৌঁছানোর পূর্বে তাদের প্রতি উল্কাপিন্ড নিক্ষেপ করা হয়। শ্রুত কথা তারা পৃথিবীতে এসে গণক অথবা যাদুকরের মুখে ঢেলে দেয়। আবার কখনো তারা কিছুই শুনতে পায় না, বরং (নিজেদের পক্ষ থেকে) তা গণক ও যাদুকরের মুখে তাদের কথার সাথে শত মিথ্যা যোগ করে ঢেলে দেয়। তাই কেবল সত্য সেটিই হয় যা তারা আসমান থেকে শোনে।

    Book 0 · Hadith 194 · #192 · Sahih, Sahih, Sahih
  193. 193

    । আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচটি বিষয় নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়ালেন। তিনি বলেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ ঘুমান না এবং ঘুমানো তাঁর জন্য সঙ্গতও নয়। তিনি মীযান (তুলাদন্ড) নীচু করেন এবং উঁচু করেন। রাতের কর্মকান্ড দিনের কর্মকান্ডের পূর্বেই এবং দিনের কর্মকান্ড রাতের কর্মকান্ডের পূর্বেই তাঁর নিকট পৌঁছানো হয়। তাঁর পর্দা হচ্ছে নূর (জ্যোতি)। তিনি তাঁর পর্দা তুলে নিলে তাঁর চেহারার জ্যোতি বা মহিমা তাঁর সৃষ্টির দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত সব কিছু ভস্মীভূত করে দিত।

    Book 0 · Hadith 195 · #193 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  194. 194

    । আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ ঘুমান না এবং ঘুমানো তাঁর জন্য শোভাও পায় না। তিনি দাঁড়িপাল্লা উঠানামা করান। তাঁর পর্দা হল নূর। তিনি তাঁর পর্দা তুলে নিলে তাঁর চেহারার জ্যোতি বা (মহিমা) মানুষের দৃষ্টিসীমার সব কিছুকে জ্বালিয়ে দিত। অধস্তন রাবী আবূ উবাইদাহ (রহঃ) এ আয়াত তিলাওয়াত করেনঃ ধন্য তারা যারা আছে এ আলোর মাঝে এবং যারা আছে তার চারপাশে। জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহ পবিত্র ও মহিমান্বিত (সূরাহ নামলঃ ৮)।

    Book 0 · Hadith 196 · #194 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  195. 195

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ্‌র ডান হাত পরিপূর্ণ, কোন কিছুই তার পূর্ণতাকে হ্রাস করতে পারে না। তিনি রাত-দিন অবারিত দান করেন। তাঁর অপর হাতে রয়েছে তুলাদন্ড। তিনি তুলাদন্ড উঠানামা করান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কি দেখো না যে, আল্লাহ আসমান-যমীন সৃষ্টির সূচনা থেকে অবাধে খরচ করছেন, তারপরও তাতে তাঁর হাতে যা আছে তার সামান্যও কমেনি

    Book 0 · Hadith 197 · #195 · Sahih, Sahih, Sahih
  196. 196

    । আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ (কিয়ামতের দিন) আসমান ও যমীনসমূহকে ধরে তাঁর হাতে মুষ্টিবদ্ধ করে নিবেন। তিনি তাঁর হাত সংকুচিত করবেন এবং সম্প্রসারিত করবেন, অতঃপর বলবেনঃ আমি মহাপ্রতাপশালী। দাম্ভিকরা কোথায়? রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ডানদিক ও বামদিকে ঝুঁকতে থাকলেন, এমনকি আমি দেখলাম যে, মিম্বারটি নিচে থেকে আন্দোলিত হচ্ছে। আমি ভাবলাম, মিম্বারটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমেত উল্টে পড়ে যাবে না তো

    Book 0 · Hadith 198 · #196 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  197. 197

    । আন-নাওয়াস ইবনু সামআন আল-কিলাবী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ প্রতিটি অন্তঃকরণ দয়াময় আল্লাহ্‌র দু আঙ্গুলের মাঝখানে অবস্থিত। তিনি চাইলে তা সোজা পথে প্রতিষ্ঠিত রাখেন এবং তিনি চাইলে তা বক্র পথে চালিত করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ হে অন্তরসমূহের স্থিরতাদানকারী! আমাদের অন্তরসমূহকে আপনার দ্বীনের উপর স্থির রাখুন। তিনি আরো বলেঃ: তুলাদন্ডও দয়াময় আল্লাহ্‌র হাতে। তিনি ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) পর্যন্ত কোন সম্প্রদায়কে উন্নত করবেন এবং কোন সম্প্রদায়কে অবনত করবেন।

    Book 0 · Hadith 199 · #197 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  198. 198

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তিনটি বিষয়ে হাসেন (আনন্দিত হন) সালাতের কাতারের জন্য যে ব্যাক্তি গভীর রাতে সালাতরত থাকে এবং যে ব্যাক্তি সৈন্যবাহিনীকে পিছু হটতে দেখেও জিহাদরত থাকে।

    Book 0 · Hadith 200 · #198 · Daif, Daif, Daif, Daif
  199. 199

    । জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জের (হজ্জ) মৌসুমে নিজেকে লোকেদের সামনে পেশ করতেন এবং বলতেনঃ কুরায়শরা আমাকে আমার প্রভুর কালাম প্রচারে বাধা দিচ্ছে। তোমাদের মাঝে এমন কে আছে যে আমাকে তার গোত্রের কাছে নিরাপদে নিয়ে যাবে?

    Book 0 · Hadith 201 · #199 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Isnaad Sahih
  200. 200

    । আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ্‌র বাণীঃ তিনি প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ কাজে রত-(সূরাহ আর-রহমান ৫৫ঃ ২৯) সম্পর্কে বলেনঃ আল্লাহ্‌র কাজের মধ্যে তিনি গুনাহ ক্ষমা করেন, বিপদাপদ দূর করেন, এক দলকে উন্নীত করেন এবং অপর দলকে অবনমিত করেন।

    Book 0 · Hadith 202 · #200 · Hasan, Hasan, Hasan
  201. 201

    । জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি কোন উত্তম পন্থার প্রচলন করলো এবং লোকে তদনুযায়ী কাজ করলো, তার জন্য তার নিজের পুরস্কার রয়েছে, উপরন্তু যারা তদনুযায়ী কাজ করেছে তাদের সমপরিমাণ পুরস্কারও সে পাবে, এতে তাদের পুরস্কার মোটেও হ্রাস পাবে না। আর যে ব্যাক্তি কোন মন্দ প্রথার প্রচলন করলো এবং লোকেরা তদনুযায়ী কাজ করলো, তার জন্য তার নিজের পাপ তো আছেই, উপরন্তু যারা তদনুযায়ী কাজ করেছে, তাদের সমপরিমাণ পাপও সে পাবে, এতে তাদের পাপ থেকে মোটেও হ্রাস পাবে না।

    Book 0 · Hadith 203 · #201 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Sahih Muslim
  202. 202

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যাক্তি (সাহায্যের জন্য) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এলে তিনি তাকে সাহায্য করার জন্য (লোকেদের) উৎসাহিত করলেন। এক ব্যাক্তি বললো, আমার পক্ষ থেকে এই এই পরিমাণ। রাবী বলেন, উক্ত মজলিসে এমন কেউ অবশিষ্ট রইল না, যে কম বেশি কিছু ঐ ব্যাক্তিকে দান করেনি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যাক্তি কোন উত্তম পন্থার প্রচলন করলে এবং তদনুযায়ী কাজ করা হলে সে তার পূর্ণ প্রতিদান পাবে এবং যারা সেই পন্থা অনুসরণ করে তাদের সমপরিমাণ পুরস্কারও ঐ ব্যাক্তি পাবে, এতে তাদের প্রতিদানে কোন ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যাক্তি কোন মন্দ পন্থার প্রচলন করলে এবং তদনুযায়ী কাজ করা হলে পূর্ণ পাপের বোঝা তার উপর বর্তাবে এবং যারা উক্ত পন্থার অনুসরণ করবে তাদের সমপরিমাণ পাপও ঐ ব্যাক্তির উপর বর্তাবে, এতে তাদের পাপের বোঝা মোটেও হালকা হবে না।

    Book 0 · Hadith 204 · #202 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Isnaad Sahih
  203. 203

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে কোন আহবানকারী ভ্রষ্টতার দিকে আহবান করলে তার অনুসরণকারীদের সমপরিমাণ পাপ তার উপর বর্তাবে এবং তাতে তার অনুসরণকারীদের পাপের বোঝা মোটেও হালকা হবে না। আবার যে কোন ব্যাক্তি সৎপথের দিকে আহবান করলে সে তার অনুসরণকারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং এতে তাদের সাওয়াব মোটেই হ্রাসপ্রাপ্ত হবে না।

    Book 0 · Hadith 205 · #203 · Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih Lighairihi, Isnaad Hasan
  204. 204

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি হিদায়াতের দিকে ডাকে, সে তার অনুসারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং তাতে তার অনুসারীদের পুরস্কারে কোনরূপ ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যাক্তি ভ্রষ্টতার দিকে আহবান করে, তার জন্য তার অনুসারীদের সমপরিমাণ গুনাহ হয় এবং এতে তার অনুসারীদের পাপের বোঝা কিছুমাত্র কমবে না।

    Book 0 · Hadith 206 · #204 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  205. 205

    । আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তি কোন ভালো প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদনুসারে কাজ করলে তার জন্য এ কাজের পুরস্কার রয়েছে, অধিকন্তু তার অনুসরণকারীদের সমপরিমাণ পুরস্কারও রয়েছে। অবশ্য তাতে তাদের পুরস্কারে কোন ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যাক্তি কোন মন্দ প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদনুযায়ী কাজ করা হলে তার জন্য এ কাজের গুনাহ রয়েছে এবং যারা তদনুসারে কাজ করবে তাদের গুনাহের সমপরিমাণ তার উপর বর্তাবে, এতে তাদের গুনাহের পরিমাণ কিছুই কমবে না।

    Book 0 · Hadith 207 · #205 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Sahih
  206. 206

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তি কোন জিনিসের (মতবাদের) দিকে আহবান করলে কিয়ামতের দিন তাকে সেই আহবানসহ দাঁড় করানো হবে, সে মাত্র এক ব্যাক্তিকে আহবান করে থাকলেও।

    Book 0 · Hadith 208 · #206 · Daif, Daif, Daif, Daif
  207. 207

    । আমর ইবনু আওফ আল-মুযানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি আমার একটি (মৃত) সুন্নাত জীবিত করলো এবং লোকেরা তদনুযায়ী আমল করলো, সেও আমলকারীদের সমপরিমাণ পুরস্কার পাবে এবং তাতে আমলকারীদের পুরস্কার আদৌ হ্রাস পাবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যাক্তি বিদআতের প্রচলন করলে এবং তদনুযায়ী আমল করা হলে তার উপর আমলকারীদের সমপরিমাণ পাপ বর্তাবে এবং তাতে আমলকারীদের পাপের বোঝা আদৌ হালকা হবে না।

    Book 0 · Hadith 209 · #207 · Sahih, Sahih Lighairihi, Daif, Daif
  208. 208

    । কাসীর ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি আমার (মৃত্যুর) পরে বিলুপ্ত হওয়া আমার কোন সুন্নাত জীবিত করলো, সে তদনুযায়ী আমলকারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং তাতে আমলকারীদের সাওয়াবের সামান্যও হ্রাস পাবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যাক্তি এমন কোন বিদআতের প্রচলন করলো, যার প্রতি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সন্তুষ্ট নন, তার উপর বিদআত অনুসরণকারীদের সমপরিমাণ গুনাহ বর্তাবে এবং তাতে অনুসরণকারীদের পাপের পরিমাণ কিছুই হ্রাস পাবে না।

    Book 0 · Hadith 210 · #208 · Very Daif, Very Daif, Daif, Daif
  209. 209

    । উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং অপরকে তা শিক্ষা দেয়, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যাক্তই সর্বোত্তম ও অধিক মর্যাদাবান।

    Book 0 · Hadith 211 · #209 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  210. 210

    । উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়, সেই তোমাদের মধ্যে অধিক মর্যাদাবান।

    Book 0 · Hadith 212 · #210 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  211. 211

    । মুসআব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়, সেই তোমাদের মধ্যে উত্তম। রাবী বলেন, তিনি আমার হাত ধরে আমাকে এই স্থানে বসালেন এবং বললেন, ইনি সর্বাপেক্ষা বড় কারী।

    Book 0 · Hadith 213 · #211 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Very Daif, Daif
  212. 212

    । আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কুরআন তিলাওয়াতকারী মুমিন ব্যাক্তি কমলালেবু তুল্য, যা খেতে সুস্বাদু এবং সুগন্ধিযুক্ত। যে মুমিন ব্যাক্তি কুরাআন তিলাওয়াত করে না সে খেজুরতুল্য, যা খেতে সুস্বাদু কিন্তু সুগন্ধিবিহীন। কুরআন তিলাওয়াতকারী মুনাফিক্ব ব্যাক্তি সুগন্ধি গুল্মের সাথে তুলনীয়; যা খুব সুগন্ধিযুক্ত কিন্তু খেতে তিক্ত। যে মুনাফিক্ব ব্যাক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে না সে মাকাল ফলতুল্য, যা খেতেও বিস্বাদ এবং যার কোন সুগন্ধিও নেই।

    Book 0 · Hadith 214 · #212 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  213. 213

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কতক লোক আল্লাহ্‌র পরিজন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তারা কারা? তিনি বলেনঃ কুরআন তিলাওয়াতকারীগণ আল্লাহর পরিজন এবং তাঁর বিশেষ বান্দা।

    Book 0 · Hadith 215 · #213 · Daif, Sahih, Hasan, Isnaad Hasan
  214. 214

    । আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে এবং তা কন্ঠস্থ করে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তাকে তার পরিবারের এমন দশজন লোকের জন্য সুপারিশ করার অনুমতি দিবেন যাদের সকলের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গেছে।

    Book 0 · Hadith 216 · #214 · Very Daif, Very Daif, Very Daif, Daif
  215. 215

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কুরআন শিক্ষা করো, তা তিলাওয়াত করো এবং তা নিয়ে রাত জাগো। কেননা কুরআন এবং যে ব্যাক্তি কুরআন শিক্ষা করে তার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকে, সে হল (মুখ খোলা) মৃগনাভিপূর্ণ থলেবৎ, যার সুবাস চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। আর যে ব্যাক্তি কুরআন শিক্ষা করে তা পেটে ভর্তি করে ঘুমিয়ে রাত কাটায়, সে হল মুখ বাঁধা মৃগনাভিপূর্ণ থলের মত।

    Book 0 · Hadith 217 · #215 · Daif, Daif, Daif, Isnaad Hasan
  216. 216

    । নাফি ইবনু আবদুল হারিস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি উসা্ন নামক স্থানে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। উমার তাকে মক্কার গভর্নর নিয়োগ করেছিলেন। উমার (রাঃ) বলেন, গ্রামবাসী বেদুঈনদের জন্য তুমি কাকে প্রশাসক নিয়োগ করেছ? তিনি বলেন, আমি ইবনু আবযা (রাঃ) কে তাদের প্রশাসক নিয়োগ করেছি। উমার (রাঃ) বলেন, ইবনু আবযা কে? তিনি বলেন, সে আমাদের একজন মুক্তদাস। উমার (রাঃ) বলেন, তুমি একজন মুক্তদাসকে কেন জনগণের প্রশাসক নিয়োগ করলে? তিনি বলেন, সে তো মহান আল্লাহ্‌র কিতাবের বিশেষজ্ঞ আলিম, ফারায়িয সম্পর্কে অভিজ্ঞ এবং উত্তম ফয়সালাকারী। উমার (রাঃ) বলেন, শোন! তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা এই কিতাবের দ্বারা কতক লোককে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন এবং কতককে অবনমিত করেন।

    Book 0 · Hadith 218 · #216 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  217. 217

    । আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ হে আবূ যার! সকালবেলা কুরআনের একটি আয়াত শিক্ষা করা তোমার জন্য একশত রাকআত (নফল) সালাত আদায়ের চেয়ে উত্তম। সকালবেলা জ্ঞানের কিছু অংশ শিক্ষা করা তোমার জন্য এক হাজার রাকআত সালাত আদায়ের চেয়ে উত্তম, তদনুযায়ী কাজ করা হোক বা না হোক।

    Book 0 · Hadith 219 · #217 · Daif, Daif, Daif, Daif
  218. 218

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা যার কল্যাণ সাধন করতে চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন।

    Book 0 · Hadith 220 · #218 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  219. 219

    । মুআবিয়াহ ইবনু আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কল্যাণ হল সুস্বভাব এবং মন্দ হল প্রবৃত্তির তাড়না থেকে উদ্ভূত। আল্লাহ যার কল্যাণ সাধন করতে চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন।

    Book 0 · Hadith 221 · #219 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  220. 220

    । ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একজন ফকীহ (শারীআতের বিধানে অভিজ্ঞ ব্যাক্তি) শয়তানের জন্য এক হাজার ইবাদাতকারীর চেয়ে অধিক শক্ত।

    Book 0 · Hadith 222 · #220 · Mawdu, Mawdu, Very Daif, Daif
  221. 221

    । কাসীর ইবনু ক্বায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি দামিশকের মসজিদে আবূ দারদা -এর কাছে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যাক্তি তার নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, হে আবূ দারদা! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর শহর মদিনা থেকে আপনার নিকট একটি হাদীস শোনার জন্য এসেছি। আমি জানতে পেরেছি যে, আপনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তা বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তুমি কোন ব্যবসায়িক উদ্দেশে আসোনি তো? সে বললো, না। তিনি বলেন, অন্য কোন উদ্দেশেও তুমি আসোনি? সে বললো, না। তিনি বলেন, আমি অবশ্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি জ্ঞানার্জনের কোন পথ অবলম্বন করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি পথ সুগম করে দেন। ফেরেশতাগণ জ্ঞান অন্বেষীর সন্তুষ্টির জন্য তাদের পাখাসমূহ অবনমিত করেন। আর জ্ঞান অন্বেষীর জন্য আসমান ও যমীনবাসী আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, এমনকি পানির মধ্যের মাছও। নিশ্চয় ইবাদাতকারীর উপর আলিমের মর্যাদা তারকারাজির উপর চাঁদের মর্যাদার সমতুল্য। আলিমগণ নবীগণের ওয়ারিস। আর নবীগণ দ্বীনার ও দিরহাম (নগদ অর্থ) ওয়ারিসী স্বত্ব হিসাবে রেখে যাননি, বরং তাঁরা ওয়ারিসী স্বত্বরূপে রেখে গেছেন ইলম (জ্ঞান)। যে ব্যাক্তি তা গ্রহণ করলো, সে যেন একটি পূর্ণ অংশ লাভ করলো।

    Book 0 · Hadith 223 · #221 · Sahih, Sahih, Daif, Daif
  222. 222

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফারয। অপাত্রে জ্ঞান দানকারী শুকরের গলায় মণিমুক্তা ও সোনার হার পরানো ব্যাক্তির সমতুল্য।

    Book 0 · Hadith 224 · #222 · Very Daif, Very Daif, Very Daif, Daif
  223. 223

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি কোন মুসলিমের পার্থিব বিপদসমূহ থেকে একটি বিপদ দূর করলো, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার পারলোকিক বিপদসমূহ থেকে একটি বিপদ দূর করবেন। কোন ব্যাক্তি অপর মুসলিমের দোষ গোপন রাখলে, আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন রাখবেন। যে ব্যাক্তি অপর ব্যাক্তির কষ্ট-কাঠিন্য সহজ করে দেয়, আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার কষ্ট সহজ করে দিবেন। বান্দা যতক্ষণ তার ভাইয়ের সাহায্য-সহযোগিতায় রত থাকে, আল্লাহ ততক্ষণ তার সাহায্য-সহায়তায় রত থাকেন। কোন ব্যাক্তি জ্ঞানার্জনের জন্য কোন পথ অবলম্বন করলে, আল্লাহ এই উসীলায় তার জন্য জান্নাতের একটি পথ সুগম করে দেন। যখন কোন লোকসমষ্টি আল্লাহ্‌র ঘরসমূহের মধ্যকার কোন ঘরে সমবেত হয়ে আল্লাহ্‌র কিতাব তিলাওয়াত করে এবং পরস্পর তা শিক্ষা করে, তখন মালায়িকাহ তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখেন, তাদের উপর প্রশান্তি নাযিল হয়, দয়া ও অনুগ্রহ তাদের আবৃত করে নেয় এবং আল্লাহ তাঁর নিকটে অবস্থানকারীদের (মালায়িকাহর) সাথে তাদের বিষয়ে আলোচনা করেন। (পৃথিবীতে) যার সৎকর্ম কম হবে (আখিরাতে) তার বংশমর্যাদা কোন উপকারে আসবে না।

    Book 0 · Hadith 225 · #223 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  224. 224

    । যির ইবনু হুবায়শ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাফওয়ান ইবনু আসসাল আল-মুরাদী (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি বলেন, তোমাকে কিসে নিয়ে এসেছে? আমি বললাম, জ্ঞানার্জনের জন্য। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তই জ্ঞানার্জনের জন্য তার ঘর থেকে রওনা হয়, তার এই মহৎ উদ্যোগের জন্য মালায়িকাহ তাদের পাখা বিস্তার করেন।

    Book 0 · Hadith 226 · #224 · Sahih, Sahih, Hasan, Isnaad Hasan
  225. 225

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি আমার এই মসজিদে কোন উত্তম বিষয় শিক্ষা দানের জন্য বা শিক্ষা লাভের জন্য আসে, সে আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদরত ব্যাক্তির মর্যাদাসম্পন্ন স্থানীয়। আর যে ব্যাক্তি ভিন্নতর উদ্দেশে আসে, সে অপরের সম্পদের প্রতি লোলুপ দৃষ্টি নিক্ষেপকারীর তুল্য।

    Book 0 · Hadith 227 · #225 · Sahih, Sahih, Isnaad Hasan
  226. 226

    । আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই জ্ঞান জব্দ করে নেয়ার পূর্বেই তোমরা তা ধারণ করো। তা জব্দ করার অর্থ তুলে নেয়া। অতঃপর তিনি তাঁর শাহাদাত ও মধ্যমা আঙ্গুল একত্র করে বলেনঃ এভাবে। অতঃপর তিনি বলেনঃ শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিদানে সমান অংশীদার। অবশিষ্ট লোকের মধ্যে কোন সৌন্দর্য ও কল্যাণ নেই।

    Book 0 · Hadith 228 · #226 · Daif, Daif, Daif, Daif
  227. 227

    । আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোন এক হুজরা থেকে বের হয়ে এসে মসজিদে প্রবেশ করেন। তখন সেখানে দুটি সমাবেশ চলছিল। একটি সমাবেশে লোকজন কুরআন তিলাওয়াত ও আল্লাহ্‌র যিকরে মশগুল ছিল এবং অপর সমাবেশে লোকজন শিক্ষাগ্রহণ ও শিক্ষাদানে রত ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সকলেই কল্যাণকর তৎপরতায় রত আছে। এই সমাবেশের লোকজন কুরআন তিলাওয়াত করছে এবং আল্লাহ্‌র নিকট দুআ করছে। তিনি চাইলে তাদের দান করতেও পারেন আবার চাইলে নাও দিতে পারেন। অন্যদিকে এই সমাবেশের লোকেরা শিক্ষাগ্রহণ ও শিক্ষাদানে রত আছে। আর আমি শিক্ষক হিসাবেই প্রেরিত হয়েছি। অতঃপর তিনি এদের সমাবেশে বসলেন।

    Book 0 · Hadith 229 · #227 · Daif, Daif, Very Daif, Daif
  228. 228

    । যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আমার বক্তব্য শুনেছে, অতঃপর তার প্রচার করেছে, আল্লাহ তাকে হাস্যোজ্জ্বল ও সতেজ করুন। এমন কতক জ্ঞানের বাহক আছে যারা নিজেরাই জ্ঞানী নয়। আবার এমন কতক জ্ঞানের বাহক আছে, তারা যাদের নিকট তা বয়ে নিয়ে যায় তারা এই বাহকদের চেয়ে অধিক সমঝদার। আলী ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর বর্ণনায় আরো আছেঃ তিনটি বিষয়ে কোন মুসলিম ব্যাক্তির অন্তর যেন প্রতারিত না হয়ঃ নিষ্ঠার সাথে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির জন্য কাজ করা, মুসলিম নেতৃবৃন্দকে সদুপদেশ দেয়া এবং তাদের (নেক কাজের) সাথে সম্পৃক্ত থাকা।

    Book 0 · Hadith 230 · #228 · Sahih, Sahih, Hasan
  229. 229

    । মুহাম্মাদ ইবনু জুবায়র ইবনু মুত্ইম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনার আল-খায়ফ নামক উচ্চ ভূমিতে দাঁড়িয়ে বলেছেনঃ আল্লাহ এমন ব্যাক্তিকে সৌন্দর্যমন্ডিত করুন যে আমার বক্তব্য শোনার পর তা প্রচার করলো (বা অপরের নিকট পৌঁছে দিল)। জ্ঞানের অনেক বাহক নিজেরাই জ্ঞানী নয়। জ্ঞানের এমন বাহকও আছে যে, তারা যাদের নিকট তা বয়ে নিয়ে যায় তারা তাদের চেয়ে অধিক জ্ঞানী। ২/২৩১ (১) আলী ইবনু মুহাম্মাদ-ইয়ালা- পুনরায় হিশাম ইবনু আম্মার-সাঈদ ইবনু ইয়াহ্ইয়া-মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক-যুহরী-মুহাম্মাদ ইবনু জুবায়র ইবনু মুত্ইম (রাঃ) তার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।

    Book 0 · Hadith 231 · #229 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Hasan
  230. 230

    । আব্দুর রহমান বিন আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি আমার নিকট হতে একটি হাদীস শুনে তা অন্যদের নিকট পৌঁছিয়ে দেয়, আল্লাহ তাকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেন। কখনো শ্রোতার চেয়ে প্রচারক অধিকতর স্মৃতিধর হয়ে থাকে।

    Book 0 · Hadith 232 · #230 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Isnaad Sahih
  231. 231

    । আবূ বাক্‌রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন তাঁর ভাষণে বলেনঃ উপস্থিত ব্যাক্তিরা যেন অনুপস্থিতদের নিকট (আমার বাণী) পৌঁছে দেয়। এমনও হতে পারে যে, যাদের নিকট জ্ঞানের কথা পৌঁছানো হয় তারা শ্রোতাদের চাইতে অধিক স্মৃতিধর।

    Book 0 · Hadith 233 · #231 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  232. 232

    । মুআবিয়াহ আল-কুশাইরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শোন! উপস্থিতরা যেন অনুপস্থিতদের নিকট (আমার কথা) পৌঁছিয়ে দেয়।

    Book 0 · Hadith 234 · #232 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Isnaad Hasan
  233. 233

    । ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের উপস্থিতরা যেন তোমাদের অনুপস্থিতদের নিকট (আমার বাণী) পৌঁছে দেয়।

    Book 0 · Hadith 235 · #233 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Daif
  234. 234

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ সেই বান্দাকে সৌন্দর্যমন্ডিত করুন যে আমার বক্তব্য শুনে তা স্মৃতিতে ধারণ করেছে, অতঃপর আমার পক্ষ থেকে তা (অন্যদের নিকট) প্রচার করেছে। কতক জ্ঞানের বাহক নিজেরাই জ্ঞানী নয় এবং কতক জ্ঞানের বাহক যাদের নিকট তা পৌঁছে দেয় তারা তাদের চেয়ে অধিক সমঝদার হতে পারে।

    Book 0 · Hadith 236 · #234 · Sahih, Sahih, Hasan
  235. 235

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় কতক লোক আছে, যারা কল্যাণের চাবিকাঠি এবং অকল্যাণের দ্বার রুদ্ধকারী। পক্ষান্তরে এমন কতক লোকও আছে যারা অকল্যাণের দ্বার উন্মোচনকারী এবং কল্যাণের পথ রুদ্ধকারী। সেই লোকের জন্য সুসংবাদ যার দু হাতে আল্লাহ কল্যাণের চাবি রেখেছেন এবং সেই লোকের জন্য ধ্বংস যার দু হাতে আল্লাহ অকল্যাণের চাবি রেখেছেন।

    Book 0 · Hadith 237 · #235 · Hasan, Hasan, Daif, Daif
  236. 236

    । সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নিশ্চয় এই কল্যাণ কোষাগারস্বরূপ এবং এই কোষাগারের রয়েছে কিছু সংখ্যক চাবি। সুসংবাদ সেই বান্দার জন্য যাকে আল্লাহ কল্যাণের দ্বার উন্মোচনকারী ও অকল্যাণের পথ রুদ্ধকারী বানিয়েছেন। ধ্বংস সেই ব্যাক্তির জন্য যাকে আল্লাহ অকল্যাণের দ্বার উন্মোচনকারী এবং কল্যাণের পথ রুদ্ধকারী বানিয়েছেন।

    Book 0 · Hadith 238 · #236 · Very Daif, Very Daif, Daif, Daif
  237. 237

    । আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় আসমান ও যমীনের অধিবাসীগণ জ্ঞানীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে, এমনকি সমুদ্রের মাছরা পর্যন্ত।

    Book 0 · Hadith 239 · #237 · Sahih, Sahih, Daif
  238. 238

    । মুআয ইবনু আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি জ্ঞানের কথা শিক্ষা দেয়, সে তদনুসারে কর্মসম্পাদনকারীর সমান পুরস্কার পাবে, এতে কর্মসম্পাদনকারীর পুরস্কারে কোনরূপ ঘাটতি হবে না।

    Book 0 · Hadith 240 · #238 · Hasan, Hasan, Daif, Daif
  239. 239

    । আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানুষ তার (মৃত্যুর) পরে যা কিছু রেখে যায়, তার মধ্যে তিনটি জিনিস কল্যাণকরঃ সৎকর্মপরায়ণ সন্তান, যে তার জন্য দুআ করে, সদাকায়ে জারিয়া যার সাওয়াব তার কাছে পৌঁছে এবং এমন জ্ঞান যা তার মৃত্যুর পরও কাজে লাগানো যায়। ৩/২৪১ (১) আবূল হাসান- আবূ হাতিম-মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াযীদ ইবনু সিনান রাহাবী-তার পিতা ইয়াযীদ ইবনু সিনান-যায়দ ইবনু আবূ উনাইসাহ-ফুলাইহ্ ইবনু সুলাইমান-যায়দ ইবনু আসলাম-আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ক্বাতাদাহ-তার পিতা বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি (পূর্বোক্ত) (২৪১ নং) হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

    Book 0 · Hadith 241 · #239 · Sahih, Sahih, Hasan
  240. 240

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঈমানদার ব্যাক্তির মৃত্যুর পর তার যেসব কাজ ও তার যেসব পুণ্য তার সাথে যুক্ত হয় তা হলঃ যে জ্ঞান সে অন্যকে শিক্ষা দিয়েছে এবং তার প্রচার করেছে, তার রেখে যাওয়া সৎকর্মপরায়ণ সন্তান, কুরআন যা সে ওয়ারিসী সূত্রে রেখে গেছে অথবা মাসজিদ যা সে নির্মাণ করিয়েছে অথবা পথিক-মূসা ফিরদের জন্য যে সরাইখানা নির্মাণ করেছে অথবা পানির নহর যা সে খনন করেছে অথবা তার জীবদ্দশায় ও সুস্থাবস্থায় তার মাল থেকে যে দান-খয়রাত করেছে তা তার মৃত্যুর পরও তার সাথে (তার আমলনামায়) যুক্ত হবে।

    Book 0 · Hadith 242 · #240 · Hasan, Hasan, Daif
  241. 241

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন মুসলিমের ইলম শিক্ষা করা, অতঃপর তা তার মুসলিম ভাইকে শিক্ষা দেয়া সর্বোত্তম দানরূপে গণ্য।

    Book 0 · Hadith 243 · #241 · Daif, Daif, Daif, Daif
  242. 242

    । আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে কখনো গদিতে হেলান দিয়ে আহার করতে দেখা যায়নি এবং দুজন লোকও তার পেছনে চলতো না। ১/২৪৪ (১) আবূল হাসান বলেন, হাযিম ইবনু ইয়াহইয়া-ইব্রাহীম ইবনুল হাজ্জাজ-হাম্মাদ ইবনু সালামাহ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। আবূল হাসান বলেন, ইব্রাহীম ইবনু নাসর হামদানী সাহিবুল কাফীয-মূসা ইবনু ইসমাঈল-হাম্মাদ ইবনু সালামাহ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

    Book 0 · Hadith 244 · #242 · Sahih, Sahih, Sahih
  243. 243

    । আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক প্রচন্ড গরমের দিনে বাকীউল গারকাদ নামক স্থানের দিকে বের হলেন। লোকেরা তাঁর পেঁছনে হেঁটে যাচ্ছিল। তিনি জুতার আওয়াজ শুনতে পেলে বিষয়টি তাঁর মনে অপ্রিয় লাগলো। তিনি বসে পড়লেন, যাতে লোকেরা তাঁর আগে চলে যায়, যাতে তাঁর অন্তরে বিন্দুমাত্র অহমিকা জাগ্রত না হয়।

    Book 0 · Hadith 245 · #243 · Daif, Daif, Daif, Daif
  244. 244

    । জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাঁটতেন তখন তাঁর সাহাবীগণ তাঁর আগে আগে চলতেন এবং তাঁর পেছনের দিকে মালায়িকার জন্য ছেড়ে দিতেন।

    Book 0 · Hadith 246 · #244 · Sahih, Sahih, Sahih, Daif
  245. 245

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ অচিরেই তোমাদের নিকট ইলম শিক্ষার জন্য দলে দলে লোক আসবে। তোমরা তাদের দেখলেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উপদেশের সুসংবাদ জানাবে এবং তাদের তালকীন দিবে (জ্ঞানদান করবে)। আমি হাকাম (রহঃ)-কে বললাম, আমরা তাদের কী তালকীন দিব? তিনি বলেন, তাদের ইলম শিক্ষা দিবে।

    Book 0 · Hadith 247 · #245 · Hasan, Hasan, Very Daif, Daif
  246. 246

    । ইসমাঈল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা অসুস্থ হাসান (রহঃ)-কে দেখতে গেলাম, এমনকি আমাদের উপস্থিতিতে ঘর ভর্তি হয়ে গেল। তিনি তার পদদ্বয় গুটিয়ে নিলেন, অতঃপর বলেন, আমরা অসুস্থ আবূ হুরায়রা (রাঃ) কে দেখতে গেলাম। এমনকি আমাদের উপস্থিতিতে ঘর ভর্তি হয়ে গেল। তখন তিনি তাঁর পদদ্বয় গুটিয়ে নিলেন, অতঃপর বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রবেশ করলাম এবং আমাদের উপস্থিতিতে ঘর ভর্তি হয়ে গেল। তিনি তখন কাত হয়ে শায়িত ছিলেন। তিনি আমাদের দেখে তাঁর পদদ্বয় গুটিয়ে নিলেন, অতঃপর বলেনঃ অচিরেই আমার পরে তোমাদের নিকট দলে দলে লোক আসবে জ্ঞানার্জনের জন্য। তোমরা তাদের স্বাগত জানাবে, তাদের সালাম দিবে এবং ইলম শিক্ষা দিবে। অধস্তন রাবী হাসান (রহঃ) বলেন, আমরা তাদের সাক্ষাৎ পেয়েছি। আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা তাদের নিকট গেলে তারা আমাদের স্বাগত জানায়নি, আমাদের সালাম করেনি এবং আমাদের ইলম শিক্ষা দেয়নি, বরং আমরা তাদের কাছে পৌঁছলে তারা আমাদের উপর জুলুম করেছে।

    Book 0 · Hadith 248 · #246 · Mawdu, Mawdu, Mawdu, Daif
  247. 247

    । আবূ হারূন আল-আবদী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) -এর কাছে এলেই তিনি বলতেনঃ তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওসিয়াত অনুযায়ী স্বাগতম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলেনঃ লোকেরা অবশ্যই তোমাদের অনুগামী। অচিরেই পৃথিবীর আনাচে-কানাচে থেকে লোকেরা তোমাদের নিকট দ্বীন শিক্ষার জন্য আসবে। তারা তোমাদের নিকট আসলে তোমরা তাদের ভালো কাজের উপদেশ দিবে।

    Book 0 · Hadith 249 · #247 · Daif, Daif, Very Daif, Daif
  248. 248

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর একটি দুআ এই যে, হে আল্লাহ্! আমি সেই জ্ঞান থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই যা কোন উপকারে আসে না, এমন দুআ থেকে যা শোনা হয় না, সেই অন্তর থেকে যা ভীত হয় না এবং সেই দেহ থেকে যা তৃপ্ত হয় না।

    Book 0 · Hadith 250 · #248 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih
  249. 249

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ হে আল্লাহ্! তুমি যে জ্ঞান আমাকে শিখিয়েছো তার দ্বারা আমাকে উপকৃত করো, আমাকে এমন জ্ঞান দান করো যা আমার উপকারে আসে, আমার জ্ঞানের পরিধি বাড়িয়ে দাও এবং সর্বাবস্থায় সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

    Book 0 · Hadith 251 · #249 · Sahih, Sahih, Daif, Daif
  250. 250

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে জ্ঞান দ্বারা আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অন্বেষণ করা হয়, যদি কেউ সেই জ্ঞান পার্থিব স্বার্থ সিদ্ধির জন্য শিক্ষা করে, তবে সে কিয়ামতের দিন জান্নাতের সুবাসও পাবে না।

    Book 0 · Hadith 252 · #250 · Sahih, Sahih, Hasan, Isnaad Hasan
  251. 251

    । ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি নির্বোধের সাথে ঝগড়া করার জন্য অথবা আলিমদের উপর বাহাদুরি প্রকাশের জন্য অথবা তার প্রতি জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য জ্ঞানার্জন করে, সে জাহান্নামী।

    Book 0 · Hadith 253 · #251 · Hasan, Hasan, Hasan Lighairihi, Daif
  252. 252

    । জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা আলিমদের উপর বাহাদুরী প্রকাশের জন্য, নির্বোধদের সাথে ঝগড়া করার জন্য এবং জনসভার উপর বড়ত্ব প্রকাশ করার জন্য ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষা করো না। যে ব্যাক্তি এরূপ করবে, তার জন্য রয়েছে আগুন আর আগুন।

    Book 0 · Hadith 254 · #252 · Sahih, Sahih, Daif
  253. 253

    । ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমার উম্মাতের কতক লোক ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করবে, তারা কুরআন পড়বে এবং বলবে, আমরা শাসকদের নিকট যাবো তাদের নিকট থেকে পার্থিব স্বার্থ প্রাপ্ত হবো এবং আমাদের দ্বীন থেকে তাদের সরিয়ে রাখবো। এরূপ কখনো হতে পারে না। যেমন কাঁটাদার গাছ থেকে ফল আহরণের সময় হাতে কাঁটা ফুটবেই, তদ্রূপ তারা তাদের কাছে গিয়ে গুনাহ থেকে বাঁচতে পারে না। মুহাম্মাদ ইবনুুস সাব্বাহ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ গুনাহ ব্যতীত তারা কিছুই লাভ করতে পারে না।

    Book 0 · Hadith 255 · #253 · Daif, Daif, Daif, Daif
  254. 254

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা জুব্বুল হুযন থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা কর। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! জুব্বুল হুযন কী? তিনি বলেনঃ জাহান্নামের একটি উপত্যকা, যা থেকে বাঁচার জন্য জাহান্নাম দৈনিক চার শতবার আশ্রয় প্রার্থনা করে। তারা বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তাতে কারা প্রবেশ করবে? তিনি বলেনঃ যারা প্রদর্শনেচ্ছার বশবর্তী হয়ে কাজ করে সেসব কুরআন পাঠকের জন্য তা তৈরি করা হয়েছে। যে সকল কুরআন পাঠক (বিশেষজ্ঞ) শাসক গোষ্ঠীর সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করে তারা আল্লাহ্‌র কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট ক্বারী। মুহারিবী (রহঃ) বলেন, এর দ্বারা যালিম ও অত্যাচারী শাসকদের বুঝানো হয়েছে। ৭/২৫৬ (১) আবূল হাসান-হাযিম ইবনু ইয়াহ্ইয়া- আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু নুমায়র-ইবনু নুমায়র-মুআবিয়াহ আন-নাসরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি সিকাহ (নির্ভরযোগ্য) রাবী। তিনি এই সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ৭/২৫৬ (২) ইব্রাহীম ইবনু নাসর- আবূ গাসসান ইবনু ইসমাঈল-আম্মার ইবনু সায়ফ- আবূ মুআয-মালিক ইবনু ইসমাঈল বলেন, আম্মার (রহঃ) বলেছেনঃ রাবী আবূ মুআয-এর পর মুহাম্মাদ ছিলেন নাকি আনাস ইবনু সীরীন ছিলেন তা আমি অবগত নই।

    Book 0 · Hadith 256 · #254 · Daif, Daif, Daif, Daif
  255. 255

    । আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলিমরা যদি জ্ঞানার্জনের পর তা সংরক্ষণ করে এবং তা যোগ্য আলিমদের সামনে রেখে দেয়, তাহলে অবশ্যই তারা নিজ যুগের জনগণের নেতৃত্ব দিবে। কিন্তু তারা তা দুনিয়াদারদের নিকট পেশ করেছে পার্থিব স্বার্থ লাভের জন্য। ফলে তারা তাদের নিকট হেয় প্রতিপন্ন হয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি তার সমস্ত চিন্তাকে একই চিন্তায় অর্থাৎ আখিরাতের চিন্তায় কেন্দ্রীভূত করেছে, আল্লাহ তার দুনিয়ার চিন্তার জন্য যথেষ্ট। অপর দিকে যে ব্যাক্তি যাবতীয় পার্থিব চিন্তায় নিমগ্ন থাকবে সে যে কোন উন্মুক্ত মাঠে ধ্বংস হোক, তাতে আল্লাহ্‌র কিছু আসে যায় না।

    Book 0 · Hadith 257 · #255 · Daif, Hasan, Daif, Daif
  256. 256

    । ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যের (সন্তুষ্টি লাভের) জন্য জ্ঞানার্জন করে অথবা জ্ঞানার্জনের দ্বারা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কিছু লাভের ইচ্ছা করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নিল।

    Book 0 · Hadith 258 · #256 · Daif, Daif, Daif, Daif
  257. 257

    । হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা আলিমগণের উপর বাহাদুরি জাহির করার জন্য অথবা নির্বোধদের সাথে ঝগড়া করার জন্য অথবা সাধারণ মানুষের মনোযোগ তোমাদের দিকে আকৃষ্ট করার জন্য জ্ঞানার্জন করো না। যে তা করবে সে জাহান্নামী।

    Book 0 · Hadith 259 · #257 · Hasan, Hasan, Daif
  258. 258

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আলিমদের উপর বাহাদুরি জাহির করার জন্য, নির্বোধদের সাথে ঝগড়া করার জন্য এবং নিজের দিকে সাধারণ মানুষের মনোযোগ আকৃষ্ট করার জন্য জ্ঞানার্জন করে, আল্লাহ তাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন।

    Book 0 · Hadith 260 · #258 · Hasan, Hasan, Very Daif, Daif
  259. 259

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যাক্তি (দ্বীনের) জ্ঞানের কথা শিক্ষা করার পর তা গোপন করে রাখলে, কিয়ামতের দিন তাকে আগুনের লাগাম পরানো অবস্থায় উপস্থিত করা হবে। ১/২৬১ (১) আবূল হাসান আল-কাত্তান- আবূ হাতিম- আবূল ওয়ালীদ-ইমারাহ ইবনু যাযান (রহঃ) থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

    Book 0 · Hadith 261 · #259 · Hasan, Hasan, Hasan
  260. 260

    । আবদুর রহমান ইবনু হুরমুয আল-আরাজ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, আল্লাহ্‌র শপথ! যদি মহান আল্লাহ্‌র কিতাবে (কুরআন মজীদ) দুটি আয়াত না থাকতো, তাহলে আমি কখনো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোন হাদীস বর্ণনা করতাম না। যদি আল্লাহ্‌র এই বাণী না থাকতো (অর্থ) আল্লাহ যে কিতাব নাযিল করেছেন যারা তা গোপন রাখে এবং বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহণ করে, তারা নিজেদের পেটে আগুন ছাড়া আর কিছুই ভরে না। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সাথে কথা বলবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি। এরাই সৎপথের বিনিময়ে ভ্রান্ত পথ এবং ক্ষমার পরিবর্তে শাস্তি ক্রয় করেছে। আগুন সহ্য করতে এরা কতই না ধৈর্যশীল। (সূরাহ বাকারাঃ)

    Book 0 · Hadith 262 · #260 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  261. 261

    । জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই উম্মাতের পরবর্তীকালের লোকেরা যখন তাদের পূর্ববর্তীকালের লোকেদের অভিশাপ দিবে, তখন কেউ একটি হাদীস গোপন করলে, সে যেন আল্লাহ কর্তৃক নাযিলকৃত কিতাবকেই গোপন করলো।

    Book 0 · Hadith 263 · #261 · Very Daif, Very Daif, Very Daif, Daif
  262. 262

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যাক্তি (তার জানা) জ্ঞানের কথা জিজ্ঞাসিত হয়ে সে তা গোপন করলে কিয়ামতের দিন তাকে আগুনের লাগাম পরানো হবে।

    Book 0 · Hadith 264 · #262 · Sahih, Sahih, Hasan
  263. 263

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি দ্বীনের এমন জ্ঞান গোপন করে, যার দ্বারা আল্লাহ মানুষের কাজে, দ্বীনের কাজে উপকৃত করে থাকেন, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন আগুনের লাগাম পরাবেন।

    Book 0 · Hadith 265 · #263 · Very Daif, Very Daif, Very Daif, Daif
  264. 264

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তি তার জানা জ্ঞানের কথা জিজ্ঞাসিত হয়ে তা গোপন করলে, কিয়ামতের দিন তাকে আগুনের লাগাম পরানো হবে।

    Book 0 · Hadith 266 · #264 · Sahih, Sahih, Hasan, Hasan
সব বিষয় · Sunan Ibn Majah