Sunan Ibn Majah

← Sunan Ibn Majah

The Chapters on Blood Money

৮০ হাদিস

  1. 1

    । আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন মানুষের (অপরাধের) মধ্যে সর্বপ্রথম নরহত্যার (অপরাধের) বিচার করা হবে।

    Book 21 · Hadith 1 · #2610 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon
  2. 2

    । আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মানুষ অন্যায়ভাবে নিহত হলেই তার পাপের একটি অংশ আদম (রাঃ) এর প্রথম সন্তানের (কাবীলের) আমলনামায় যোগ হয়। কারণ সে-ই সর্বপ্রথম নরহত্যার প্রচলন করেছিল।

    Book 21 · Hadith 2 · #2611 · Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih, Sahih - Agreed Upon
  3. 3

    । আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম নরহত্যার (অপরাধের) বিচার করা হবে।

    Book 21 · Hadith 3 · #2612 · Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih
  4. 4

    । ‘উকবা ইবনে ‘আমের আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে এমতাবস্থায় সাক্ষাত করবে যে, সে আল্লাহর সাথে কোন কিছু শরীক করেনি এবং অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করেনি, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

    Book 21 · Hadith 4 · #2613 · Sahih, Sahih, Daif
  5. 5

    । আল-বারাআ ইবনে আযেব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একজন ঈমানদার ব্যক্তির অন্যায়ভাবে নিহত হওয়ার চেয়ে গোটা পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়া আল্লাহর নিকট অধিক সহজ ও সাধারণ ব্যাপার।

    Book 21 · Hadith 5 · #2614 · Sahih, Sahih, Hasan Lighairihi, Hasan
  6. 6

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি একজন মুমিনকে হত্যার ব্যাপারে সামান্য একটু কথার দ্বারাও সহায়তা করবে, সে মহান আল্লাহর সাথে এমতাবস্থায় সাক্ষাত করবে যে, তার দু’ চোখের মাঝখানে (কপালে) লেখা থাকবেঃ ‘‘আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত’’।

    Book 21 · Hadith 6 · #2615 · Very Daif, Very Daif, Very Daif, Daif
  7. 7

    । সালিম ইবনে আবুল জাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনে আব্বাস (রাঃ) কে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে কোন ঈমানদার মুসলিমকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলো, অতঃপর তওবা করলো, ঈমান আনলো (ইসলাম গ্রহণ করলো), সৎকাজ করলো, অতঃপর হেদায়াত মত চললো। তিনি বলেন, আফসোস তার জন্য! কোথায় তার জন্য হেদায়াত? আমি তোমাদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন হত্যাকারী তার মাথার সাথে নিহত ব্যক্তির মাথা লটকানো অবস্থায় উপস্থিত হবে। নিহত ব্যক্তি বলবে, হে প্রভু! তাকে জিজ্ঞেস করুন, সে কেন আমাকে হত্যা করেছে? আল্লাহর শপথ! অবশ্যি আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের নবীর উপর এ কথা নাযিল করেছেন এবং অতঃপর এমন কিছু নাযিল করেননি যা উক্ত কথাকে রহিত করতে পারে।

    Book 21 · Hadith 7 · #2616 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  8. 8

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখে শুনেছি এবং যা আমার দু’ কান শুনেছে এবং আমার অন্তর যা সংরক্ষণ করেছে তা কি তোমাদেরকে অবহিত করবো না? এক বান্দা নিরানব্বই ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। এরপর তার তওবা করার খেয়াল হলে সে জানতে চাইলো যে, পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় আলেম কে? তাকে একটি লোক সম্পর্কে অবহিত করা হলো। সে তার কাছে এসে বললো, আমি নিরানব্বই ব্যক্তিকে হত্যা করেছি, আমার জন্য কি তওবার কোন সুযোগ আছে? লোকটি বললো, নিরানব্বই ব্যক্তিকে হত্যা করার পর (এখন আবার তওবা)! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তখন সে তার তরবারি কোষমুক্ত করে তাকে হত্যা করলো এবং তার দ্বারা এক শতজন পূর্ণ করলো। পুনরায় তার তওবার খেয়াল হলে সে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আলেম ব্যক্তি সম্পর্কে জানতে চাইলো। তাকে এক লোক সম্পর্কে বলা হলে সে তার নিকট গিয়ে বললো, আমি একশত ব্যক্তিকে হত্যা করেছি, আমার জন্য কি তওবার কোন সুযোগ আছে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সেই লোকটি বললো, তোমার জন্য আফসোস! তোমার এবং তওবার মধ্যে কে প্রতিবন্ধক হতে পারে? তুমি যে নিকৃষ্ট জনপদে আছো সেখান থেকে রওয়ানা হয়ে উত্তম জনপদে, অমুক অমুক জনপদে যাও। সেখানে গিয়ে তোমার রবের ইবাদত করো। অতঃপর সে সেই উত্তম জনপদের উদ্দেশে যাত্রা করলো। পথিমধ্যে তার মৃত্যু এসে উপস্থিত হলো। তখন তার ব্যাপারে রহমতের ফেরেশতা ও আযাবের ফেরেশতা বিবাদে লিপ্ত হলো। ইবলীস বললো, আমিই তার উপযুক্ত হকদার। সে মুহূর্তের জন্যও আমার অবাধ্য হয়নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ রহমতের ফেরেশতা বললেন, সে অনুতপ্ত হয়ে যাত্রা করেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তখন মহামহিম আল্লাহ একজন ফেরেশতা পাঠান। উভয় ফেরেশতা তার কাছে মামলা রুজু করলেন। মীমাংসাকারী ফেরেশতা বললেন, তোমরা দেখো, উভয় জনপদের যেটি তার নিকটবর্তী তাকে সেই জনপদের অন্তর্ভুক্ত করো। কাতাদা (রাঃ) বলেন, হাসান (রাঃ) আমাদের নিকট একথাও বর্ণনা করেছেন যে, তার মৃত্যু এসে গেলে সে হামাগুড়ি দিয়ে উত্তম জনপদের নিকটবর্তী হয়ে গেলো এবং নিকৃষ্ট জনপদ থেকে দূরে সরে গেলো। তাই ফেরেশতাগণ তাকে উত্তম জনপদের বাসিন্দাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। ৩/২৬২২(১)। আবুল আব্বাস ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইসমাঈল আল-বাগদাদী-আফ্ফান-হাম্মাম (রাঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

    Book 21 · Hadith 8 · #2617 · Hasan, Hasan, Hasan, Sahih - Agreed Upon
  9. 9

    । আবূ মুরায়হ আল-খুযাঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার কেউ নিহত হয় অথবা যাকে আহত করা হয় তার তিনটি বিকল্প বিষয়ের যে কোন একটি গ্রহণ করার এখতিয়ার আছে। সে চতুর্থটি গ্রহণ করতে চাইলে তোমরা তার উভয় হাত ধরে রাখো (তাকে বাধা দাও)। সে হত্যাকারীকে হয় হত্যা করবে অথবা ক্ষমা করবে অথবা দিয়াত (আর্থিক ক্ষতিপূরণ) গ্রহণ করবে। যে ব্যক্তি এই (তিনটি বিকল্পের) কোন একটি গ্রহণ করার পর আরও কিছু (অতিরিক্ত) দাবি করবে তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন, সেখানে সে স্থায়ী হবে।

    Book 21 · Hadith 9 · #2618 · Daif, Daif, Daif, Daif
  10. 10

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার কেউ নিহত হয় তার দু’টি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণের এখতিয়ার রয়েছে। (হত্যাকারীকে কিসাসস্বরূপ) হত্যা করা হবে অথবা ফিদ্য়া (দিয়াত) আদায় করা হবে।

    Book 21 · Hadith 10 · #2619 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon
  11. 11

    । যায়েদ ইবনে দুমায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আমার পিতা ও আমার চাচা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন এবং তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে হুনাইনের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তারা উভয়ে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের নামায পড়ার পর একটি গাছের নিচে বসলেন। তখন আকরা‘ ইবনে হারিস তাঁর সামনে দাঁড়ালেন। তিনি ছিলেন খিনদিফ গোত্রের নেতা। তিনি (নিহত) মুহাল্লিম ইবনে জাসসামার কিসাসের দাবি উত্থাপন করলেন। অপরদিকে উয়াইনা ইবনে হিসনও দাঁড়িয়ে আমের ইবনে আদবাত আল-আশজাঈর কিসাসের দাবি উত্থাপন করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা দিয়াত গ্রহণ করো। তারা তা অস্বীকার করলো। তখন লাইছ গোত্রের মুকাইতিল নামক এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহর শপথ, ইসলামের বিজয় যুগে এ হত্যার দৃষ্টান্ত হলো সেই মেষ পালের মতো যা পানি পান করতে আসলে তার প্রতি তীর নিক্ষিপ্ত হলো এবং ভয়ে শেষের মেষটি পর্যন্ত পলায়ন করলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাদের সফরে থাকা অবস্থায় (এখানে) তোমরা পঞ্চাশটি উট পাবে এবং (মদীনায়) প্রত্যাবর্তনের পর পঞ্চাশটি উট পাবে। অতএব তারা দিয়াত গ্রহণ করলো।

    Book 21 · Hadith 11 · #2620 · Daif, Daif, Daif, Isnaad Hasan
  12. 12

    । ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি (কাউকে) ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে তাকে নিহত ব্যক্তির অভিভাবকদের নিকট সোপর্দ করা হবে। তারা ইচ্ছা করলে তাকে হত্যা করবে অথবা ইচ্ছা করলে দিয়াত গ্রহণ করবে। আর দিয়াত হলো তিরিশটি হিক্কা (চার বছরের উট), তিরিশটি জাযাআ (পাঁচ বছরের উট) এবং চল্লিশটি খালিফা (গর্ভধারী উষ্ট্রী)। এটাই হলো ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার দিয়াত। উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা (সোলেহ)-ও হতে পারে। আর এটা হলো কঠোর দিয়াত।

    Book 21 · Hadith 12 · #2621 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  13. 13

    । আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ভুলবশত হত্যা (কাতলে খাতা) হলো শিবহে আম্দ-এর অন্তর্ভুক্ত। যেমন চাবুক বা লাঠির আঘাতে মৃত্যু। এতে এক শত উট (দিয়াতস্বরূপ) দিতে হবে। তার মধ্যে চল্লিশটি হতে হবে গর্ভবতী। ২/২৬২৭ (১)। মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহ্ইয়া-সুলায়মান ইবনে হারব-হাম্মাদ ইবনে যায়েদ-খালিদ আল-হায্যা-কাসিম ইবনে রাবীআ-উকবা ইবনে আওস-আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।

    Book 21 · Hadith 13 · #2622 · Sahih, Sahih, Sahih
  14. 14

    । ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন কাবা ঘরের সিঁড়ির উপর দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন, অতঃপর বললেনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র যিনি নিজ প্রতিশ্রুতি সত্যে পরিণত করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই সম্মিলিত বাহিনীকে পরাভূত করেছেন। জেনে রাখো, চাবুক বা লাঠির আঘাতে নিহত হলে তা কতলে খাতা (ভুলবশত হত্যা) এর দিয়ত একশত উষ্ট্রী, যার চল্লিশটি হতে হবে গর্ভবতী। জেনে রাখো, জাহিলী যুগের সকল রীতিনীতি এবং রক্তপাত (হত্যার প্রতিশোধ) আমার এই দু’ পায়ের নিচে। তবে বায়তুল্লাহর সেবা এবং হাজীদের পানি পান করানোর যে প্রথা প্রচলিত ছিল তা বহাল থাকবে। জেনে রাখো, এ দু’টি বিষয়কে আমি পূর্ববৎ তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের দায়িত্বে বহাল রাখলাম।

    Book 21 · Hadith 14 · #2623 · Hasan, Hasan, Daif, Daif
  15. 15

    । ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘‘বারো হাজার দিরহাম’’ দিয়াত নির্ধারণ করেছেন।

    Book 21 · Hadith 15 · #2624 · Daif, Daif, Hasan, Isnaad Hasan
  16. 16

    । ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি ভুলবশত নিহত হলো তার দিয়াত ৩০টি বিনতে মাখায (এক বছরের উষ্ট্রী), ৩০টি বিনতে লাবূন (দু বছরের উষ্ট্রী), ৩০টি হিক্কা (চার বছরের উষ্ট্রী) এবং দশটি ইবনে লাবূন (দু বছরের উট)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গ্রামবাসীদের বেলায় এগুলোর মূল্য নির্ধারণ করেন চারশত দীনার অথবা তার সমতুল্য রৌপ্য মুদ্রা। তিনি দিয়াতের নগদ মূল্য নির্ধারণ করতেন উটের বাজার দর অনুসারে। উটের বাজার দর বৃদ্ধি পেলে দিয়াতের পরিমাণও বেড়ে যেতো এবং উটের বাজার দর হ্রাস পেলে দিয়াতের পরিমানও হ্রাস পেতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এর মূল্য চারশত দীনার থেকে আটশত দীনার পর্যন্ত অথবা এর সমমূল্যের (রৌপ্য) মুদ্রায় আট হাজার দিরহাম পর্যন্ত পৌঁছেছিল। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সিদ্ধান্তও দিয়েছিলেন যে, গরুর মালিক গরুর দ্বারা তাদের দিয়াত পরিশোধ করতে চাইলে দুইশত গরু এবং বকরীর মালিক বকরী দ্বারা দিয়াত পরিশোধ করতে চাইলে দু’ হাজার বকরী দিতে হবে।

    Book 21 · Hadith 16 · #2625 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  17. 17

    । আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কতলে খাতার (ভুলবশত হত্যার) দিয়াত বিশটি হিক্কা, বিশটি জাযাআ, বিশটি বিনতে মাখায, বিশটি বিনতে লাবূন এবং বিশটি ইবনে মাখায।

    Book 21 · Hadith 17 · #2626 · Daif, Daif, Daif
  18. 18

    । ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিয়াত নির্ধারণ করেছেন বার হাজার (দিরহাম)। আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আল্লাহ ও তাঁর রাসূল নিজ কৃপায় তাদের অভাবমুক্ত করেছিলেন বলেই তারা বিরোধিতা করেছিল’’ (সূরা তওবাঃ ৭৪), এ আয়াতের তাৎপর্য দিয়াত গ্রহণের দ্বারা (তাদের অভাবমুক্ত করেছিলেন)।

    Book 21 · Hadith 18 · #2627 · Daif, Daif, Daif, Isnaad Hasan
  19. 19

    । মুগীরা ইবনে শো‘বা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকিলার উপর দিয়াত ধার্য করেছেন।

    Book 21 · Hadith 19 · #2628 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  20. 20

    । মিকদাম আশ-শামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার ওয়ারিস নোই আমি তার ওয়ারিস। আমি তার দিয়াতও পরিশোধ করবো এবং তার পরিত্যক্ত সম্পদের ওয়ারিসও হবো। যার কোন ওয়ারিস নই (তার) মামা তার ওয়ারিস। সে তার পক্ষ থেকে দিয়াতও পরিশোধ করবে এবং তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির ওয়ারিসও হবে।

    Book 21 · Hadith 20 · #2629 · Sahih, Sahih, Sahih
  21. 21

    । ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি অন্ধ বিদ্বেষ অথবা গোত্রীয় বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে পাথর, চাবুক অথবা লাঠির আঘাতে হত্যাকান্ড ঘটায় তার উপর কতলে খাতার দিয়াত ধার্য হবে। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে তার উপর কিসাস বাধ্যকর হবে। আর যে ব্যক্তি হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণের মধ্যে প্রতিবন্ধক হবে তার উপর আল্লাহর, ফেরেশতাকুলের এবং মানবজাতির অভিসম্পাত। তার নফল অথবা ফরয কোন ইবাদতই কবুল করা হবে না।

    Book 21 · Hadith 21 · #2630 · Batil, Sahih, Isnaad Sahih
  22. 22

    । নিমরান ইবনে জারিয়া (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির বাহুতে তরবারি দ্বারা আঘাত করে তা গ্রন্থির বাইরে থেকে কেটে ফেলে। আহত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট মামলা রুজু করলো। তিনি তাকে দিয়াত প্রদানের নির্দেশ দিলেন। সে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কিসাস দাবি করছি। তিনি বলেনঃ তুমি দিয়াত গ্রহণ করো, আল্লাহ এতে তোমায় বরকত দান করুন। তিনি তার পক্ষে কিসাসের রায় দেননি।

    Book 21 · Hadith 22 · #2631 · Daif, Daif, Very Daif, Daif
  23. 23

    । আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মস্তিকের মূলে (আঘাত) না পৌঁছলে, পেটের অভ্যন্তরে (আঘাত) না পৌঁছলে এবং হাড় ভেঙ্গে স্থানচ্যুত না হলে তাতে কিসাস নেই।

    Book 21 · Hadith 23 · #2632 · Hasan, Hasan, Daif
  24. 24

    । আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ জাহম ইবনে হুযায়ফা (রাঃ) কে যাকাত আদায়কারী নিয়োগ করে পাঠান। এক ব্যক্তি তার যাকাতের ব্যাপারে তার সাথে বিবাদে লিপ্ত হয়। আবূ জাহম (রাঃ) তাকে আঘাত করলে তার মাথা ফেটে যায়। সেই গোত্রের লোকজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কিসাস দাবি করছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা এতো এতো পরিমাণ মাল পাবে। কিন্তু তারা তাতে রাজী হলো না। তিনি বলেনঃ তোমরা এতো এতো পরিমাণ মাল পাবে। এবার তারা রাযী হয়ে গেলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি কি লোকেদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে তোমাদের রাযী হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দিবো? তারা বললো, হ্যাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাষণ দেন এবং বলেনঃ এই লাইস গোত্রের লোকজন আমার নিকট কিসাসের দাবি নিয়ে এসেছে। আমি তাদেরকে এতো এতো পরিমাণ মাল প্রদানের প্রস্তাব করে জিজ্ঞেস করলামঃ তোমরা কি সম্মত হলে? তারা বললো, না। এতে মুহাজিরগণ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে শাস্তি দিতে উত্যত হলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বিরত হতে নির্দেশ দিলে তারা বিরত হন। তিনি মালের পরিমাণ আরো বাড়িয়ে তাদেরকে পুনরায় প্রস্তাব দিয়ে বলেনঃ তোমরা কি সম্মত হলে? তারা বললো, হ্যাঁ। তিনি বলেনঃ আমি কি লোকেদের উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে তাদেরকে তোমাদের সম্মত হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দিবো? তারা বললো, হ্যাঁ। অতএব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাষণ দিলেন, অতঃপর জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি সম্মত হয়েছো? তারা বললো, হ্যাঁ। ইমাম ইবনে মাজা (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, এ হাদীসটি বর্ণনার ক্ষেত্রে মা‘মার নিঃসঙ্গ। তিনি ছাড়া অপর কেউ এটি রিওয়ায়াত করেছেন কিনা তা আমার জানা নেই।

    Book 21 · Hadith 24 · #2633 · Sahih, Sahih, Sahih, Daif
  25. 25

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্ভস্থ ভ্রুণের দিয়াত বাবত একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী নির্ধারণ করেন। তিনি যার উপর দিয়াত ধার্য করেন সে বললো, আমরা কি এমন মানুষের দিয়াত দিবো যে না পান করেছে, না চীৎকার করেছে আর না শব্দ করে কেঁদেছে? এর রক্ত (দিয়াত) তো বাতিল, অর্থহীন! রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ লোকটি তো কবি সুলভ কথা বলছে। ভ্রুণের জন্য একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী দিয়াতস্বরূপ দিতে হবে।

    Book 21 · Hadith 25 · #2634 · Sahih, Sahih, Hasan, Isnaad Hasan
  26. 26

    । মিসওয়ার ইবনে মাখরামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আঘাতের কারণে কোন নারীর গর্ভপাত হলে তার ব্যাপারে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) লোকজনের পরামর্শ তলব করলেন। মুগীরা ইবনে শো‘বা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত থাকা অবস্থায় তিনি এ ক্ষেত্রে একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী দিয়াতস্বরূপ ধার্য করেছেন। উমার (রাঃ) বলেন, তোমার কথার একজন সমর্থক উপস্থিত করো। তখন মুহাম্মাদ ইবনে মাসলামা (রাঃ) তার কথা সমর্থন করলেন।

    Book 21 · Hadith 26 · #2635 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  27. 27

    । ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) লোকজনের নিকট গর্ভস্থ ভ্রুণের (দিয়াতের) ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ফয়সালা জানতে চাইলেন। তখন হামল ইবনে মালেক ইবনে নাবিগা (রাঃ) উঠে দাঁড়িয়ে বলেন, আমি আমার দু’ স্ত্রীর মাঝখানে ছিলাম। তাদের একজন তাঁবুর কিলক দ্বারা অপরজনকে আঘাত করে তার গর্ভস্থ ভ্রুণসহ তাকে হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হত্যা করার এবং গর্ভস্থ ভ্রুণের দিয়াতস্বরপ একটি ক্রীতদাস প্রদানের নির্দেশ দেন।

    Book 21 · Hadith 27 · #2636 · Sahih Isnaad, Sahih Isnaad, Isnaad Sahih
  28. 28

    । সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উমার (রাঃ) বলতেন, দিয়াত আকিলার প্রাপ্য এবং স্ত্রী উত্তরাধিকারসূত্রে তার স্বামীর দিয়াত থেকে কিছুই পাবে না। (তার এ রায়ের কথা জানতে পেরে) আদ-দাহ্হাক ইবনে সুফিয়ান (রাঃ) তাকে লিখে পাঠান যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশয়াম আদ-দিবাবীর স্ত্রীকে তার স্বামীর দিয়াত থেকে উত্তরাধিকার স্বত্ব দান করেছেন।

    Book 21 · Hadith 28 · #2637 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Sahih
  29. 29

    । উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামল ইবনে মালেক আল হুযালী আল-লিহ্য়ানীকে তার স্ত্রীর দিয়াত থেকে ওয়ারিসী স্বত্ব দান করেন, যাকে তার অপর স্ত্রী হত্যা করেছিল।

    Book 21 · Hadith 29 · #2638 · Sahih, Sahih Lighairihi, Daif, Daif
  30. 30

    । ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফয়সালা দেন যে, দু’ আহলে কিতাব সম্প্রদায় অর্থাৎ ইহূদী ও নাসারাদের দিয়াত হবে মুসলিমদের দিয়াতের অর্ধেক।

    Book 21 · Hadith 30 · #2639 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  31. 31

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হত্যাকারী (নিহতের) ওয়ারিস হবে না।

    Book 21 · Hadith 31 · #2640 · Sahih, Sahih, Hasan
  32. 32

    । ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। মুদলিজ গোত্রীয় আবূ কাতাদা নামক এক ব্যক্তি নিজ পুত্রকে হত্যা করে। উমার (রাঃ) তার থেকে একশত উট আদায় করেন, যার মধ্যে ছিল তিরিশটি হিক্কা, তিরিশটি জাযাআ এবং চল্লিশটি গর্ভবতী উষ্ট্রী। অতঃপর তিনি বললেন, নিহতের ভাই কোথায়? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ হত্যাকারীর জন্য (নিহতের) উত্তরাধিকার স্বত্ব নাই।

    Book 21 · Hadith 32 · #2641 · Sahih, Sahih, Daif
  33. 33

    । আমর ইবনে শুআইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, কোন নারীর উপর দিয়াত বাধ্যকর হলে তার তার বিদ্যমান (বংশীয়) আত্মীয়গণ পরিশোধ করবে। কিন্তু তারা তার ওয়ারিস হবে না। তবে তার ওয়ারিসদের প্রদানের পর কিছু অবশিষ্ট থাকলে তা তারা পেতে পারে। কোন নারী নিহত হলে তা দিয়াত পাবে তার ওয়ারিসগণ। তারাই হত্যাকারীকে (কিসাসস্বরূপ) হত্যা করার অধিকারী।

    Book 21 · Hadith 33 · #2642 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  34. 34

    । জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হত্যাকারী নারীর উপর ধার্যকৃত দিয়াত প্রদানের দায় তার বংশীয় আত্মীয়গণের উপর আরোপ করেন। তখন নিহত নারীর বংশীয় আত্মীয়রা বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তার মীরাছ কি আমরা পাবো? তিনি বলেনঃ না, তার মীরাছ তার স্বামী ও সন্তানের প্রাপ্য।

    Book 21 · Hadith 34 · #2643 · Sahih, Sahih, Daif
  35. 35

    । আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তার ফুফু রুবায়্যি একটি বালিকার সামনের পাটির দাঁত ভেঙ্গে ফেলেছিল। অপরাধীর গোত্র ক্ষমা প্রার্থনা করলে আহতের গোত্র তা অস্বীকার করে। তারা দিয়াত প্রদানের প্রস্তাব দিলে তাও তারা প্রত্যাখ্যান করে। অতঃপর তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র নিকট উপস্থিত হলে, তিনি কিসাস গ্রহণের নির্দেশ দেন। তখন আনাস ইবনুন নাযর (রাঃ) বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! রুবায়্যির সামনের পাটির দাঁত ভেঙ্গে ফেলা হবে। সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্য দীনসহ প্রেরণ করেছেন, তার দাঁত ভাঙ্গা যাবে না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে আনাস! আল্লাহর কিতাবের বিধান হলো কিসাস। রাবী বলেন, তখন আহত মেয়েটির গোত্র সম্মত হয়ে (কিসাস) ক্ষমা করে দেয়। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ্র বান্দাদের মধ্যে এমন লোকও আছে, যে আল্লাহর নামে শপথ করলে আল্লাহ তা অবশ্যই পূর্ণ করার ব্যবস্থা করেন।

    Book 21 · Hadith 35 · #2644 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  36. 36

    । ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সব দাঁতের মূল্য ও মর্যাদা সমান। সামনের দাঁত ও মাড়ির দাঁত (দিয়াতের ক্ষেত্রে) এক সমান।

    Book 21 · Hadith 36 · #2645 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  37. 37

    । ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিটি দাঁতের দিয়াত পাঁচটি উট নির্ধারণ করেছেন।

    Book 21 · Hadith 37 · #2646 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  38. 38

    । ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এটা এবং এটা অর্থাৎ কনিষ্ঠা, ও বৃদ্ধাঙ্গুলির (দিয়াত) সমান।

    Book 21 · Hadith 38 · #2647 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  39. 39

    । ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সবগুলো আঙ্গুল (দিয়াত) সমান। প্রতিটি আঙ্গুলের দিয়াত দশটি করে উট।

    Book 21 · Hadith 39 · #2648 · Hasan, Hasan, Sahih Lighairihi, Sahih
  40. 40

    । আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সব আঙ্গুল (দিয়াত) সমান।

    Book 21 · Hadith 40 · #2649 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Isnaad Sahih
  41. 41

    । ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হাড় উন্মুক্তকারী প্রতিটি যখমের দিয়াত পাঁচটি করে উট।

    Book 21 · Hadith 41 · #2650 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Hasan, Hasan
  42. 42

    । উমায়্যার পুত্রদ্বয় ইয়ালা ও সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তারা উভয়ে বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে তাবুক যুদ্ধে রওয়ানা করলাম। আমাদের সাথে এক সাথীও ছিল। পথিমধ্যে সে এবং অপর এক ব্যক্তি বিবাদে লিপ্ত হয়। রাবী বলেন, আমাদের লোকটি তার প্রতিপক্ষের হাত কামড়ে ধরলো। সে তার মুখ থেকে নিজের হাত মুক্ত করার জন্য সজোরে টান দিলো। এতে তার সামনের পাটির দাঁত উপড়ে পড়ে গেলো। সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে তার দাঁতের দিয়াত দাবি করলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ তার ভাইকে ষাঁড়ের মত কামড়ে ধরে, অতঃপর এসে দিয়াত দাবি করে। এর কোন দিয়াত নেই। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দাঁতের দিয়াতের দাবি নাকচ করে দিলেন।

    Book 21 · Hadith 42 · #2651 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Hasan
  43. 43

    । ইমরান ইবনে হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের বাহু কামড়ে ধরলে, লোকটি তার হাত টান দিলো। এতে তার সামনের পাটির দাঁত উপড়ে পড়ে গেলো। সে বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পেশ করলে তিনি তার দাবি নাকচ করে দেন এবং বলেনঃ তোমাদের একজন অপরজনকে ষাঁড়ের মত কামড়ায়

    Book 21 · Hadith 43 · #2652 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon
  44. 44

    । আবূ জুহাইফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আলী ইবনে আবূ তালিব (রাঃ) কে বললাম, আপনাদের নিকট এমন কোন জ্ঞান আছে কি যা অন্যদের অজ্ঞাত? তিনি বলেন, না, আল্লাহর শপথ! লোকেদের নিকট যে জ্ঞান আছে তা ব্যতীত বিশেষ কোন জ্ঞান আমাদের নিকট নাই। তবে আল্লাহ যদি কাউকে কুরআন বুঝবার জ্ঞান দান করেন এবং এই সহীফার মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দিয়াত ইত্যাদি প্রসঙ্গে যা আছে (তাহলে স্বতন্ত্র কথা)। এই সহীফার মধ্যে আরো আছেঃ কোন কাফেরকে হত্যার অপরাধে কোন মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না।

    Book 21 · Hadith 44 · #2653 · Daif, Sahih, Sahih Bukhari
  45. 45

    । ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন কাফেরকে হত্যার অপরাধে কোন মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না।

    Book 21 · Hadith 45 · #2654 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih
  46. 46

    । ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন কাফেরকে হত্যার অপরাধে কোন মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না এবং চুক্তিভুক্ত কোন যিম্মীকেও তার চুক্তি বহাল থাকা অবস্থায় হত্যা করা যাবে না।

    Book 21 · Hadith 46 · #2655 · Sahih, Sahih, Daif
  47. 47

    । ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সন্তানকে হত্যার অপরাধে পিতাকে হত্যা করা যাবে না।

    Book 21 · Hadith 47 · #2656 · Sahih, Sahih, Daif, Daif
  48. 48

    । উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ সন্তান হত্যার অপরাধে পিতাকে হত্যা করা যাবে না।

    Book 21 · Hadith 48 · #2657 · Sahih, Sahih, Daif, Daif
  49. 49

    । সামুরা ইবনে জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার ক্রীতদাসকে হত্যা করলে আমরা তাকে হতা করবো এবং কেউ তার দেহের কোন অঙ্গ কর্তন করলে আমরা তার দেহের অঙ্গ কর্তন করবো।

    Book 21 · Hadith 49 · #2658 · Daif, Daif, Hasan, Hasan
  50. 50

    । ‘আলী (রাঃ) থেকে এবং ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তারা বলেন, এক ব্যক্তি তার ক্রীতদাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এক শত বেত্রাঘাত করেন, এক বছরের নির্বাসন দেন এবং মুসলিমদের (জায়গীর, ভাতা ইত্যাদি) প্রাপ্য অংশের মধ্য থেকে তার অংশ বিলোপ করেন।

    Book 21 · Hadith 50 · #2659 · Very Daif, Very Daif, Daif, Daif
  51. 51

    । আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ এক ইহূদী দু’টি পাথরের মাঝখানে এক মহিলার মাথা রেখে তা পিষ্ট করে তাকে হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি পাথরের মাঝখানে অপরাধীর মাথা রেখে তা পিষ্ট করে তাকে হত্যা করান।

    Book 21 · Hadith 51 · #2660 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon
  52. 52

    । আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক ইহূদী একটি বালিকাকে তার অলঙ্কারপত্রের লোভে হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুমূর্ষু বালিকাকে (একজনের নামোল্লেখ করে) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমাকে কি অমুকে আঘাত করেছে? সে তার মাথার ইশারায় বললো, না। তিনি আবার (অন্য একজনের নামোল্লেখ করে) তাকে জিজ্ঞেস করলে সে তার মাথার ইশারায় বললো, না। তিনি তাকে (ইহূদীর নামোল্লেখ করে)। আবার জিজ্ঞেস করলে সে মাথার ইশারায় বললো, হ্যাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত ইহূদীর মাথা দু’টি পাথরের মাঝখানে রেখে পিষ্ট করে হত্যা করান।

    Book 21 · Hadith 52 · #2661 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon
  53. 53

    । নু'মান ইবনে বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তরবারির আঘাতেই মৃত্যুদন্ড কার্যকর করতে হবে।

    Book 21 · Hadith 53 · #2662 · Very Daif, Very Daif, Very Daif, Daif
  54. 54

    । আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তরবারির আঘাতেই মৃত্যুদন্ড কার্যকর করতে হবে।

    Book 21 · Hadith 54 · #2663 · Daif, Daif, Daif, Daif
  55. 55

    । আমর ইবনুল আহ্ওয়াস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিদায় হজ্জের দিন বলতে শুনেছিঃ সাবধান! অপরাধী তার অপরাধের দ্বারা নিজেকেই দায়বদ্ধ করে। পিতার অপরাধে পুত্রকে এবং পুত্রের অপরাধে পিতাকে দায়বদ্ধ করা যাবে না।

    Book 21 · Hadith 55 · #2664 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Isnaad Hasan
  56. 56

    । তারিক আল-মুহারিবী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তাঁর হস্তদ্বয় এতো উপরে তুলে বলতে শুনেছি যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছেঃ সাবধান! সন্তানের অপরাধে মাকে অভিযুক্ত করা যাবে না। সাবধান! সন্তানের অপরাধে মাকে অভিযুক্ত করা যাবে না।

    Book 21 · Hadith 56 · #2665 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  57. 57

    । খাশখাশ আল-আনবারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার এক পুত্রসহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তিনি বলেনঃ তোমার অপরাধের প্রতিশোধ তার থেকে নেয়া যাবে না এবং তার অপরাধের প্রতিশোধ তোমার থেকে নেয়া যাবে না।

    Book 21 · Hadith 57 · #2666 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  58. 58

    । উসামা ইবনে শরীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একজনের অপরাধের জন্য অপরজনকে দায়বদ্ধ করা যাবে না।

    Book 21 · Hadith 58 · #2667 · Sahih, Hasan Sahih, Sahih Lighairihi, Isnaad Hasan
  59. 59

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পশুর আঘাতে দন্ড নেই, খনিতে দন্ড নেই এবং কূপে পড়াতে দন্ড নেই।

    Book 21 · Hadith 59 · #2668 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  60. 60

    । ‘আমর ইবনে আওফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ পশুর আঘাতে দন্ড নেই এবং খনিতে দন্ড নেই।

    Book 21 · Hadith 60 · #2669 · Sahih, Sahih Lighairihi, Hasan Lighairihi, Sahih
  61. 61

    । উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফয়সালা করেছেন যে, খনিতে দন্ড নেই, কূপে পতিত হওয়ায় দন্ড নেই, পশুর আঘাতে দন্ড নেই। পশু বলতে গৃহপালিত গবাদি পশু ইত্যাদি বুঝায়। ‘দন্ড নেই’ অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে না।

    Book 21 · Hadith 61 · #2670 · Sahih, Sahih Lighairihi, Hasan Lighairihi, Sahih
  62. 62

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আগুনে পতিত হওয়ায় দন্ড নেই এবং কূপে পতিত হওয়ায়ও দন্ড নেই।

    Book 21 · Hadith 62 · #2671 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  63. 63

    । সাহল ইবনে আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তাকে তার কওমের কয়েকজন সম্ভ্রান্ত লোক জানিয়েছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে সাহল এবং মুহাইয়্যাসা দুর্ভিক্ষের শিকার হয়ে খায়বার এলাকায় গেলেন। অতঃপর মুহাইয়্যাসার নিকট লোক মারফত খবর পৌঁছলো যে, আবদূল্লাহ ইবনে সাহলকে হত্যা করে তার লাশ খায়বারের একটি গর্তে অথবা একটি কূপে নিক্ষেপ করা হয়েছে। মুহাইয়্যাসা (রাঃ) ইহূদীদের নিকট গিয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! তোমরাই তাকে হত্যা করেছো। তারা বললো, আল্লাহর শপথ! আমরা তাকে হত্যা করিনি। অতঃপর তিনি তার গোত্রে ফিরে এসে তাদের নিকট এ ঘটনা বর্ণনা করলেন। তিনি ও তার বড় ভাই হুয়াইয়্যাসা এবং আবদুল রহমান ইবনে সাহল (রাঃ) মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলেন। খায়বারের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মুহাইয়্যাসা (রাঃ) কথা বলতে উদ্যত হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ জ্যেষ্ঠকে, জ্যেষ্ঠকে অগ্রাধিকার দাও। তিনি বয়সে বড় বুঝাতে চাচ্ছিলেন। হুওয়াইয়্যাসা কথা বললেন, তারপর মুহাইয়্যাসা কথা বললেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ইহূদীরা হয় তোমাদের সঙ্গীর দিয়াত প্রদান করবে অথবা যুদ্ধের ঘোষণা দিবে। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিষয়টি সম্পর্কে পত্র লিখলে ইহূদীরা প্রতি উত্তরে লিখে পাঠায়, আল্লাহর শপথ! আমরা তাকে হত্যা করিনি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুওয়াইয়্যাসা, মুহাইয়্যাসা ও আবদুর রহমান (রাঃ)-কে বললেনঃ তোমরা কি শপথ করে তোমাদের সঙ্গীর খুনের বদলা দাবি করতে পারো? তারা বললো, (আমরা শপথ করবো) না। তিনি বলেনঃ তারা তো মুসলিম নয় (মিথ্যা শপথ করবে)। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের অর্থাৎ (রাষ্ট্রের) পক্ষ থেকে তার দিয়াত পরিশোধ করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকট একশত উষ্ট্রী পাঠান এবং সেগুলি তাদের বসতিতে পৌঁছে গেলো। সাহল (রাঃ) বলেন, সেগুলির মধ্যকার একটি লাল উষ্ট্রী আমাকে লাথি মেরেছিল।

    Book 21 · Hadith 63 · #2672 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon
  64. 64

    । ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। মাসউদের দু’ পুত্র হুয়াইয়্যাসা ও মুহাইয়্যাসা এবং সাহলের দু’ পুত্র আবদুল্লাহ ও আবদুর রহমান কাজের সন্ধানে খায়বারের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়লেন। আবদুল্লাহ শত্রুতার শিকার হয়ে নিহত হলে বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জানানো হলো। তিনি বলেনঃ তোমরা কি শপথ করে দিয়াতের অধিকারী হবে? তারা বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা তো ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম না, আমরা কিভাবে শপথ করবো? তিনি বলেনঃ তাহলে ইহূদীরা (শপথ করে) তোমাদের থেকে দায়মুক্ত হয়ে যাবে। তারা বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাহলে তারা তো আমাদের ধ্বংস করে ফেলবে! রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের পক্ষ থেকে তার দিয়াত পরিশোধ করেন।

    Book 21 · Hadith 64 · #2673 · Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih Lighairihi, Sahih
  65. 65

    । সালামা ইবনে রাওহ্ ইবনে যিনবা (রাঃ) থেকে তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি তার এক গোলামকে নির্বীর্য করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এই অঙ্গহানির কারণে দাসত্বমুক্ত করে দিলেন।

    Book 21 · Hadith 65 · #2674 · Hasan, Hasan Lighairihi, Sahih
  66. 66

    । ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি চীৎকার করতে করতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার কী হয়েছেঃ সে বললো, আমার মনিব আমাকে তার এক দাসীকে চুমা দিতে দেখে আমার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ লোকটিকে আমার নিকট নিয়ে এসো। কিন্তু তাকে অনুসন্ধান করে পাওয়া গেলো না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যাও, তুমি স্বাধীন। সে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কে আমাকে সাহায্য করবে? রাবী বলেন, সে বলছিল, আপনিকি মনে করেন, আমার মনিব যদি আমাকে ছিনিয়ে নিয়ে আবার গোলাম বানায়? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাকে সাহায্য করা প্রত্যেক মুমিন মুসলিমের কর্তব্য।

    Book 21 · Hadith 66 · #2675 · Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  67. 67

    । আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হত্যা করার ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে ঈমানদারগনই সবচেয়ে বেশি ক্ষমাশীল।

    Book 21 · Hadith 67 · #2676 · Daif, Daif, Daif
  68. 68

    । আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানুষের মধ্যে সর্বধিক ক্ষমাশীল হত্যাকারী হলো ঈমনদারগণ।

    Book 21 · Hadith 68 · #2677 · Daif, Daif, Daif
  69. 69

    । ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মুসলিমদের জীবনের মূল্য এক সমান। তারা বিজাতীয় শত্রুর বিরুদ্ধে একটি হাতস্বরূপ (একতাবদ্ধ)। তাদের একজন সাধারণ লোকও অপরকে তাদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে পারে। তাদের দূরবর্তী ব্যক্তিও গনীমাতে শরীক হবে ( সেনানায়ক যদি তাকে অন্যত্র কোন প্রয়োজনে পাঠিয়ে থাকে)।

    Book 21 · Hadith 69 · #2678 · Sahih, Sahih, Sahih
  70. 70

    । মা‘কিল ইবনে ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমগণ অন্যদের (বিজাতীয় শত্রুর) বিরুদ্ধে একটি হাতস্বরূপ। তাদের জীবনের মূল্য এক সমান।

    Book 21 · Hadith 70 · #2679 · Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih
  71. 71

    । ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সকল মুসলিম তাদের বিজাতীয় শত্রুর বিরুদ্ধে এক হাতস্বরূপ ঐক্যবদ্ধ। তাদের সকলের জান ও মাল সমান মর্যাদাসম্পন্ন। মুসলিম সমাজের একজন সাধারণ লোকও (তাদের পক্ষ থেকে) অন্যকে আশ্রয় দিতে পারে। মুসলিমদের দূরবর্তী ব্যক্তিও তাদের গনীমাতে শরীক হবে।

    Book 21 · Hadith 71 · #2680 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Sahih Lighairihi, Isnaad Hasan
  72. 72

    । আবদুল্লাহ ইবনে ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি চুক্তিবদ্ধ অমুসলিম যিম্মীকে হত্যা করবে সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। অথচ তার সুগন্ধ অবশ্যই চল্লিশ বছরের দূরত্ব থেকেও পাওয়া যাবে।

    Book 21 · Hadith 72 · #2681 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  73. 73

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নিরাপত্তা লাভকারী কোন যিম্মীকে হত্যা করবে সে জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না। অথচ সত্তর বছরের দূরত্ব থেকেও অবশ্যই তার সুগন্ধ পাওয়া যাবে।

    Book 21 · Hadith 73 · #2682 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Sahih
  74. 74

    । রিফা‘আ ইবনে শাদ্দাদ আল-কিতবানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমর ইবনুল হামিক আল-খুযাঈ (রাঃ) -র নিকট আমি যে বাক্যটি শুনেছি তা না থাকলে আমি মুখতারের মাথা ও দেহের মাঝখান দিয়ে হাঁটাচলা করতাম (তাকে হত্যা করতাম)। আমি তাকে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন লোকের জানের নিরাপত্তা দেয়ার পর তাকে হত্যা করলো সে কিয়ামতের দিন বিশ্বাসঘাতকতার ঝান্ডা বয়ে বেড়াবে।

    Book 21 · Hadith 74 · #2683 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  75. 75

    । রিফা‘আ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুখতারের প্রাসাদে প্রবেশ করে তার নিকট উপস্থিত হলাম। সে বললো, এই মুহূর্তে জিবরীল (আ) আমার নিকট থেকে উঠে চলে গেলেন। তখন তার গর্দানে সজোরে আঘাত হানা থেকে একটি হাদীসই আমাকে বিরত রেখেছে। আমি সুলায়মান ইবনে সুরাদ (রাঃ) কে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘তোমার থেকে কেউ তার জীবনের নিরাপত্তা লাভ করলে তুমি তাকে হত্যা করো না’’। এ হাদীসই তাকে হত্যা করা থেকে আমাকে বিরত রেখেছে।

    Book 21 · Hadith 75 · #2684 · Daif, Daif, Daif, Daif
  76. 76

    । আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এক ব্যক্তি হত্যার অপরাধ করলো। বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পেশ করা হলে তিনি তাকে (হন্তাকে) নিহতের অভিভাবকের নিকট সোপর্দ করলেন। হত্যাকারী বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহর শপথ! তাকে হত্যা করার ইচ্ছা আমার ছিলো না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিহতের অভিভাবককে বললেনঃ সে সত্যবাদী হয়ে থাকলে এবং তারপরও তুমি তাকে হত্যা করলে তুমি জাহান্নামে যাবে। রাবী বলেন, তারা তাকে তার পথে ছেড়ে দিলো। সে একটি রশি দ্বারা পিঠমোড়া দিয়ে বাঁধা ছিল। সে তার রশি মাটির সাথে টানতে টানতে বেরিয়ে চলে গেলো। সেই থেকে তার নাম হলো ‘রশিধারী’।

    Book 21 · Hadith 76 · #2685 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  77. 77

    । আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তার অভিভাবকের হত্যাকারীকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি ক্ষমা করে দাও। সে অস্বীকার করলো। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি দিয়াত গ্রহণ করো। সে তাও অস্বীকার করলো। তিনি বলেনঃ তাহলে যাও, তাকে হত্যা করো। কেননা তুমি তার মতই হবে। রাবী বলেন, তার নিকট গিয়ে তাকে বলা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবশ্যি বলেছেনঃ তাকে হত্যা করো, তুমি তার মতই হবে। অতঃপর সে তাকে তার পথে ছেড়ে দিলো। রাবী বলেন, তাকে তার রশি টানতে টানতে তার পরিবারের দিকে চলে যেতে দেখা গেলো। সম্ভবত নিহতের দাবিদারগণ তাকে রশি দিয়ে বেঁধেছিল। রাবী আবূ উমাইর (রাঃ) তার হাদীসে বলেন, ইবনে মাওযাব (রাঃ) আবদুর রহমান ইবনুল কাসিম (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন এর পর আর কারো পক্ষে এরূপ বলা জায়েয নয় যে, ‘‘তাকে হত্যা করো, তুমিও তার মতই হবে’’। ইবনে মাজা (রাঃ) বলেন, এটা হলো রামলাবাসীদের বর্ণিত হাদীস, যা তাদের ছাড়া আর কারো কাছে নেই।

    Book 21 · Hadith 77 · #2686 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  78. 78

    । আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কিসাস সংক্রান্ত কোন মোকদ্দমা উত্থাপিত হলেই তিনি তা ক্ষমা করে দেয়ার আহবান জানাতেন (বাদীর প্রতি)।

    Book 21 · Hadith 78 · #2687 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  79. 79

    । আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যার দেহের কোন স্থান আঘাতপ্রাপ্ত হলো, অতঃপর সে তা সদাকা করে দিলো (অপরাধীকে ক্ষমা করে দিলো) আল্লাহ এর বিনিময়ে তার এক ধাপ মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন এবং তার একটি গুনাহ মাফ করবেন। এ কথা আমার দু’ কান শুনেছে এবং আমার অন্তর তা হেফাজত করেছেন।

    Book 21 · Hadith 79 · #2688 · Daif, Daif, Daif
  80. 80

    । মুআয ইবনে জাবাল, আবূ উবায়দা ইবনুল জাররাহ, উবাদা ইবনুস সামিত ও শাদ্দাদ ইবনে আওস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন নারী ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার অপরাধ করলে বা যেনা করলে এবং গর্ভবতী হয়ে থাকলে, সন্তান প্রসব না করা পর্যন্ত এবং তার বাচ্চার লালন-পালন (দুধপানের মেয়াদ) শেষ না করা পর্যন্ত তাকে হত্যা বা রজম করা যাবে না।

    Book 21 · Hadith 80 · #2689 · Daif, Daif, Daif, Daif
সব বিষয় · Sunan Ibn Majah