Sunan Ibn Majah

← Sunan Ibn Majah

Fasting

১৪৫ হাদিস

  1. 1

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর মর্জি হলে আদম সন্তানের প্রতিটি সৎকাজের প্রতিদান দশ গুণ থেকে সাত শত গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। আল্লাহ্ বলেনঃ তবে রোযা ব্যতীত, তা আমার জন্যই (রাখা হয়) এবং আমিই তার প্রতিদান দিবো। সে তার প্রবৃত্তি ও পানাহার আমার জন্যই ত্যাগ করে। রোযাদারের জন্য দু’টি আনন্দঃ একটি আনন্দ তার ইফতারের সময় এবং আরেকটি আনন্দ রয়েছে তার প্রভু আল্লাহর সাথে তার সাক্ষাতের সময়। রোযাদার ব্যক্তির মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট কস্তুরীর ঘ্রাণের চেয়েও অধিক সুগন্ধময়।

    Book 7 · Hadith 1 · #1636 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  2. 2

    । ‘উসমান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যুদ্ধের মাঠে ঢাল যেমন তোমাদের রক্ষাকারী, রোযাও তদ্রূপ জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়ার ঢাল।

    Book 7 · Hadith 2 · #1637 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  3. 3

    । সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জান্নাতের একটি দরজার নাম ‘রাইয়্যান’। কিয়ামতের দিন সেখান থেকে আহবান করা হবেঃ রোযাদারগণ কোথায়? যে ব্যক্তি রোযাদার হবে, সে উক্ত দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে এবং যে উক্ত দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে, সে কখনও পিপাসার্ত হবে না।

    Book 7 · Hadith 3 · #1638 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Hasan
  4. 4

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রমযান মাসের রোযা রাখলো, তার পূর্বের গুণাহরাশি মাফ করা হলো।

    Book 7 · Hadith 4 · #1639 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  5. 5

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যখন রমযান মাসের প্রথম রাত আসে, তখন শয়তান ও অভিশপ্ত জিনদের শৃংখলিত করা হয়,জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়, তার একটি দরজাও খোলা হয় না, জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, এর একটি দরজাও বন্ধ হয় না এবং একজন ঘোষক ডেকে বলেন, হে সৎকর্মপরায়ণ ব্যক্তি! অগ্রসর হও, হে অসৎকর্মপরায়ণ! থেমে যাও। আল্লাহ্ (রমযানের) প্রতিটি রাতে অসংখ্য লোককে জাহান্নাম থেকে নাজাত দেন।

    Book 7 · Hadith 5 · #1640 · Sahih, Sahih, Daif, Daif
  6. 6

    । জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা প্রতি ইফতারের অর্থাৎ প্রতি রাতে বেশ সংখ্যক লোককে (জাহান্নাম থেকে) মুক্তি দেন।

    Book 7 · Hadith 6 · #1641 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Hasan, Daif
  7. 7

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রমযান মাস শুরু হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের নিকট এ মাস সমুপস্থিত। এতে রয়েছে এমন এক রাত, যা হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। এ থেকে যে ব্যক্তি বঞ্চিত হলো সে সমস্ত কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হলো। কেবল বঞ্চিত ব্যক্তিরাই তা থেকে বঞ্চিত হয়।

    Book 7 · Hadith 7 · #1642 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Hasan, Daif
  8. 8

    । সিলা ইবনু যুফার (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সন্দেহের দিনে আমরা আম্মার (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন একটি (ভুনা) বকরী পেশ করা হলো। কতক লোক পিছনে সরে গেলো। আম্মার (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আজ রোযা রাখলো সে তো অবশ্যই আবূল কাসিম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অবাধ্যাচরণ করলো।

    Book 7 · Hadith 8 · #1643 · Sahih, Sahih, Sahih, Daif
  9. 9

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, চাঁদ দেখার একদিন আগে থেকে রোযা রাখতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।

    Book 7 · Hadith 9 · #1644 · Sahih, Sahih, Daif, Daif
  10. 10

    । কাসিম আবূ ‘আবদুর রহমান (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি মুআবিয়া ইবনু আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ)-কে মিম্বারের উপর বলতে শুনেছেন, রমাযান মাস শুরু হওয়ার পূর্বে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ রোযা অমুক অমুক দিন। আমরা আগেই সেই রোযা রাখবো। অতএব যার ইচ্ছা সে আগে রোযা রাখুক, আর যার ইচ্ছা পরে রাখুক।

    Book 7 · Hadith 10 · #1645 · Daif, Daif, Daif, Daif
  11. 11

    । উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুললাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শাবান মাসে রোযা রাখতে রাখতে রমযানে পৌঁছতেন।

    Book 7 · Hadith 11 · #1646 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  12. 12

    । রবীআহ ইবনুল গায (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) এর নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায় গোটা শাবান মাস রোযা রাখতেন, এমনকি এভাবে রমযান মাসে উপনীত হতেন।

    Book 7 · Hadith 12 · #1647 · Sahih, Hasan Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  13. 13

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন রমাযান মাসের এক দিন বা দু’ দিন আগে রোযা রাখা শুরু না করে। তবে যে ব্যক্তি অনবরত রোযা রাখতে অভ্যস্ত, সে ঐ দিন রোযা রাখতে পারে।

    Book 7 · Hadith 13 · #1648 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  14. 14

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শাবান মাসের অর্ধেক অতিবাহিত হওয়ার পর থেকে রমযান মাস না আসা পর্যন্ত কোন রোযা নাই।

    Book 7 · Hadith 14 · #1649 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  15. 15

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বেদুইন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললো, আমি আজ রাতে (সন্ধ্যায়) নতুন চাঁদ দেখেছি। তিনি বলেনঃ তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, ‘‘আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল’’? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি বলেনঃ হে বিলাল! ওঠো এবং লোকেদের মধ্যে ঘোষণা দাও যে, তারা যেন আগামীকাল থেকে রোযা রাখে।

    Book 7 · Hadith 15 · #1650 · Daif, Daif, Daif
  16. 16

    । আবূ উয়াইমির ইবনু আনাস ইবনু মালিক (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহাবী এবং আনসার সম্প্রদায়ভুক্ত আমার এক চাচা আমার নিকট বর্ণনা করেন, মেঘের কারণে আমরা শাওয়ালের নতুন চাঁদ দেখতে পাইনি। আমরা (পরের দিন) রোযা রাখলাম। দিনের শেষভাগে একটি কাফেলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামরাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে গতকাল চাঁদ দেখার সাক্ষ্য দিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদেরকে ইফতার (রোযা ভঙ্গ) করার এবং পরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

    Book 7 · Hadith 16 · #1651 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  17. 17

    । ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখা শুরু করবে এবং চাঁদ দেখে ইফতার (রোযার সমাপ্তি) করবে। তোমাদের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে (তিরিশ দিন) পূর্ণ করবে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) নতুন চাঁদ দেখার একদিন আগেও রোযা রাখতেন।

    Book 7 · Hadith 17 · #1652 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  18. 18

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা নতুন চাঁদ দেখে রোযা রাখা শুরু করবে এবং (শাওয়ালের) নতুন চাঁদ দেখে ইফতার (ঈদ) করবে। তোমাদের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে তোমরা তিরিশ দিন রোযা রাখবে।

    Book 7 · Hadith 18 · #1653 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  19. 19

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করেনঃ মাসের কত দিন গত হয়েছে? রাবী বলেন, আমরা বললাম, বাইশ দিন এবং আট দিন বাকী আছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মাস এত দিনে হয়, মাস এত দিনে হয় এবং মাস এত দিনেও হয়। তৃতীয়বার তিনি এক আঙ্গুল বন্ধ রাখেন।

    Book 7 · Hadith 19 · #1654 · Sahih, Sahih, Sahih, Daif
  20. 20

    । সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাস এত দিনে হয়, মাস এত দিনে হয়, মাস এত দিনেও হয় এবং তৃতীয়বারে তিনি একটি আঙ্গুল বন্ধ করে রাখেন।

    Book 7 · Hadith 20 · #1655 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  21. 21

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে ঊনত্রিশ দিনের চেয়ে বেশির ভাগ তিরিশ দিনই (রমযানের রোযা) রেখেছি।

    Book 7 · Hadith 21 · #1656 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Daif
  22. 22

    । আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ঈদের দু’মাস রমযান এবং যুল-হিজ্জা (সাধারণত) একই বছরে কম (ঊনতিরিশ দিনে) হয় না।

    Book 7 · Hadith 22 · #1657 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  23. 23

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে দিন তোমরা ইফতার (রোযা শেষ) করো সেদিন ঈদুল ফিতর এবং যেদিন তোমরা কুরবানী করো সেদিন ঈদুল আযহা।

    Book 7 · Hadith 23 · #1658 · Sahih, Sahih, Sahih
  24. 24

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো সফররত অবস্থায় রোযা রাখতেন এবং কখনো রাখতেন না।

    Book 7 · Hadith 24 · #1659 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  25. 25

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হামযা আল-আসলামী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করে বলেন, আমি রোযা রাখি। আমি কি সফররত অবস্থায়ও রোযা রাখবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি চাইলে রোযা রাখো, আর যদি চাও না রাখো।

    Book 7 · Hadith 25 · #1660 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  26. 26

    । আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা প্রচন্ড গরমের মৌসুমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এক সফরে প্রচন্ড খরতাপের শিকার হলাম। গরমের তীব্রতার কারণে লোকেরা তাদের হাত মাথার উপর রাখছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) ব্যতীত দলের মধ্যে আর কেউ রোযাদার ছিলো না।

    Book 7 · Hadith 26 · #1661 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  27. 27

    । কা‘ব ইবনু আসেম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সফরে রোযা রাখা সওয়াবের কাজ নয়।

    Book 7 · Hadith 27 · #1662 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  28. 28

    । ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সফরে রোযা রাখা সওয়াবের কাজ নয়।

    Book 7 · Hadith 28 · #1663 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  29. 29

    । আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সফরে রোযা রাখে সে আবাসে উপস্থিত রোযা ভঙ্গকারী ব্যক্তির অনুরূপ। আবূ ইসহাক (রহ.) বলেন, হাদীসটি নির্ভরযোগ্য নয়।

    Book 7 · Hadith 29 · #1664 · Daif, Daif, Daif
  30. 30

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুল আশহাল গোত্রের এবং ‘আলী ইবনু মুহাম্মাদের মতে ‘আবদুল্লাহ ইবনু কা‘ব গোত্রের এক ব্যক্তি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর অশ্বারোহী বাহিনী আমাদের উপর হামলা করলো। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হয়ে দেখলাম যে, তিনি সকালের নাস্তা করছেন। তিনি বলেনঃ কাছে এসো এবং আহার করো। আমি বললাম, আমি রোযাদার। তিনি বলেনঃ বসো, আমি তোমার সাথে রোযা সম্পর্কে আলোচনা করবো। মহান আল্লাহ্ মুসাফির থেকে অর্ধেক সালাত হ্রাস করেছেন এবং মুসাফির, গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারিণীকে রোযা রাখার ব্যাপারে অবকাশ দিয়েছেন। আল্লাহর শপথ! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দু’টি অথবা একটির কথা বলেছেন। আমার নিজের জন্য দুঃখ হয়, আমি কেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে আহার করলাম না

    Book 7 · Hadith 30 · #1665 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Hasan
  31. 31

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে গর্ভবতী নারী নিজ জীবনের ক্ষতির আশঙ্কা করে এবং যে স্তন্যদায়িনী মা তার সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা করে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে রোযা না রাখার অনুমতি দিয়েছেন।

    Book 7 · Hadith 31 · #1666 · Very Daif, Very Daif, Very Daif, Daif
  32. 32

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার উপর রমযান মাসের রোযার কাযা থাকলে আমি শাবান মাস না আসা পর্যন্ত তা রাখতাম না।

    Book 7 · Hadith 32 · #1667 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  33. 33

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় আমরা ঋতুবতী হতাম। তিনি আমাদের (ছুটে যাওয়া) রোযার কাযা করার নির্দেশ দিতেন।

    Book 7 · Hadith 33 · #1668 · Hasan
  34. 34

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিান বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললো, আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। তিনি বলেনঃ কিসে তোমাকে ধ্বংস করলো। সে বললো, আমি রমযানের রোযারত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি একটি গোলাম আযাদ করো সে বললো, আমার সেই সামর্থ্য নাই। তিনি বলেনঃ তাহলে একাধারে দু’ মাস রোযা রাখো। সে বললো, আমার সেই সামর্থ্যও নাই। তিনি বলেনঃ তাহলে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও। সে বললো, আমার সেই সামর্থ্যও নাই। তিনি বলেনঃ তুমি বসো। অতএব সে বসে থাকলো। ইতোমধ্যে এক ঝুড়ি খেজুর এলো। তিনি বলেনঃ যাও এটা দান করে দাও। সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন! মদিনার দু’ কংকরময় প্রান্তরের মাঝে আমাদের চেয়ে অধিক অভাবগ্রস্ত আর কেউ নেই। তিনি বলেনঃ যাও, এগুলো তোমার পরিবার-পরিজনদের খাওয়াও। ১/১৬৭১ (১)। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তার পরিবর্তে একদিন রোযা রাখো।

    Book 7 · Hadith 34 · #1669 · Sahih, Daif, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  35. 35

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বিনা ওজরে রমযান মাসের একদিন রোযা ভাঙ্গে সে সারা জীবন রোযা রাখলেও তার ক্ষতিপূরণ হবে না।

    Book 7 · Hadith 35 · #1670 · Daif, Daif, Daif, Daif
  36. 36

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন রোযাদার ভুলক্রমে আহার করলে সে যেন তার রোযা পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহ্ তাকে পানাহার করিয়েছেন।

    Book 7 · Hadith 36 · #1671 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  37. 37

    । আসমা বিনত আবূ বাকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সময় মেঘাচ্ছন্ন দিনে ইফতার করলাম, তারপর সূর্য প্রকাশ পেলো। অধস্তন রাবী বলেন, আমি হিশাম (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তাদেরকে কাযা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল কি? তিনি বলেন, অবশ্যই।

    Book 7 · Hadith 37 · #1672 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  38. 38

    । ফাদালা ইবনু উবাইদ আল-আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন রোযারত অবস্থায় তাদের নিকট বেরিয়ে আসেন। তিনি পানির পাত্র চেয়ে নিয়ে পানি পান করেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল আপনি তো এই দিন (নফল)রোযা রেখেছিলেন। তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, তবে আমি বমি করেছি।

    Book 7 · Hadith 38 · #1673 · Daif, Daif, Sahih
  39. 39

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যার মুখ ভরে বমি হয় তাকে রোযা কাযা করতে হবে না। যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় বমি করে তাকে রোযার কাযা করতে হবে।

    Book 7 · Hadith 39 · #1674 · Sahih, Sahih, Daif
  40. 40

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রোযাদারের উত্তম গুণাবলির একটি হলো দাঁতন করা।

    Book 7 · Hadith 40 · #1675 · Daif, Daif, Daif, Daif
  41. 41

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযারত অবস্থায় সুরমা লাগিয়েছেন।

    Book 7 · Hadith 41 · #1676 · Sahih, Sahih, Daif, Daif
  42. 42

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রক্তমোক্ষণকারী ও যার রক্তমোক্ষণ করা হয়, তারা উভয়ে রোযা ভঙ্গ করেছে।

    Book 7 · Hadith 42 · #1677 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih
  43. 43

    । সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ রক্তমোক্ষণকারী ও যার রক্তমোক্ষণ করা হয়েছে তারা উভয়ে রোযা ভঙ্গ করেছে।

    Book 7 · Hadith 43 · #1678 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  44. 44

    । আবূ কিলাবা (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি অবহিত করেন যে, একদা শাদ্দাদ ইবনু আওস (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে বাকী নামক স্থানে হাঁটছিলেন। তিনি এক ব্যক্তির নিকট দিয়ে গমন করেন, যে রক্তমোক্ষণ করছিল, তখন রমযান মাসের আঠার দিন গত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ রক্তমোক্ষক ও যার রক্তমোক্ষণ করা হয়েছে তারা উভয়ে রোযা ভঙ্গ করেছে।

    Book 7 · Hadith 44 · #1679 · Sahih, Sahih Lighairihi, Sahih, Isnaad Sahih
  45. 45

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযা ও ইহরামরত অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন।

    Book 7 · Hadith 45 · #1680 · Daif, Sahih, Daif, Daif
  46. 46

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাসে চুমা দিতেন।

    Book 7 · Hadith 46 · #1681 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  47. 47

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযারত অবস্থায় চুমা দিতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেমন নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেন, তোমাদের মধ্যে কে নিজের উপর তদ্রূপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা রাখে

    Book 7 · Hadith 47 · #1682 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  48. 48

    । হাফসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযারত অবস্থায় চুমা দিতেন।

    Book 7 · Hadith 48 · #1683 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  49. 49

    । নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুক্তদাসী মায়মূনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রোযাদার দম্পতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, স্বামী তাকে চুমা দিয়েছে। তিনি বলেনঃ তারা রোযা ভঙ্গ করেছে।

    Book 7 · Hadith 49 · #1684 · Very Daif, Very Daif, Daif, Daif
  50. 50

    । ইবরাহীম (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আসওয়াদ ও মাসরূক (রহ.) ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযারত অবস্থায় কি স্ত্রীর দেহের সাথে নিজ দেহ মিলাতেন? তিনি বলেন, তিনি তা করতেন। আর তিনি ছিলেন তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সংযমী।

    Book 7 · Hadith 50 · #1685 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  51. 51

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বৃদ্ধ রোযাদারকে স্ত্রীর দেহ স্পর্শ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে এবং যুবকদের জন্য তা অপছন্দ করা হয়েছে।

    Book 7 · Hadith 51 · #1686 · Sahih, Sahih, Sahih
  52. 52

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মিথ্যাচার, মূর্খতা ও মূর্খতাসুলভ কাজ ত্যাগ করলো না, তার পানাহার বর্জন করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।

    Book 7 · Hadith 52 · #1687 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  53. 53

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কত রোযাদার আছে যাদের রোযার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না। কত সালাত আদায়কারী আছে যাদের রাত জাগরণ ছাড়া আর কিছুই জোটে না।

    Book 7 · Hadith 53 · #1688 · Sahih, Hasan Sahih, Hasan, Isnaad Hasan
  54. 54

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন রোযা অবস্থায় অশ্লীল ও মূর্খতাসুলভ আচরণ না করে। কেউ তার সাথে মূর্খতাসুলভ আচরণ করলে সে যেন বলে, আমি রোযাদার। তাহকীক আলবানীঃ

    Book 7 · Hadith 54 · #1689 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  55. 55

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সাহরী খাবে। কেননা সাহরীতে বরকত আছে।

    Book 7 · Hadith 55 · #1690 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  56. 56

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা সাহরী খাওয়ার মাধ্যমে দিনে রোযা রাখার জন্য এবং দিনে বিশ্রামের মাধ্যমে রাতে নামায ড়ার জন্য সাহায্য গ্রহণ করো।

    Book 7 · Hadith 56 · #1691 · Daif, Daif, Daif, Daif
  57. 57

    । যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাহরী খেলাম, এরপর সালাতে দাঁড়ালাম। রাবী ক্বাতাদাহ (রহ.) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, সাহরী ও সালাতের মধ্যে কত সময়ের ব্যবধান ছিল? তিনি বলেন, পঞ্চাশ আয়াত তিলাওয়াত করার পরিমাণ সময়।

    Book 7 · Hadith 57 · #1692 · Hasan, Hasan, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  58. 58

    । হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বলতে গেলে দিনেই সাহরী খেয়েছি, পার্থক্য এতটুকু যে, তখনও সূর্য উদিত হয়নি।

    Book 7 · Hadith 58 · #1693 · Sahih, Sahih, Hasan
  59. 59

    । ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বিলালের আযান যেন তোমাদের কাউকে তার সাহরী খাওয়া থেকে বিরত না রাখে। কেননা সে তোমাদের ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগাবার বা সতর্ক করার জন্য এবং তোমাদের সালাতীকে সালাতে রত বা অবসর হওয়ার জন্য আযান দিয়ে থাকে। আর এ সময়কে ফজর বলা হয় না, বরং উর্ধাকাশে আড়াআড়িভাবে সাদা আভা প্রকাশ পাওয়াই ফজর।

    Book 7 · Hadith 59 · #1694 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  60. 60

    । সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মানুষ কল্যাণের সাথে থাকবে, যাবত তারা জলদি(যথাসময়ে) ইফতার করতে থাকবে।

    Book 7 · Hadith 60 · #1695 · Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  61. 61

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাবত লোকেরা যথাসময়ে ইফতার করবে তাবত তারা কল্যাণের সাথে থাকবে। তাই তোমরা যথাসময়ে ইফতার করো। কারণ ইহুদীরা বিলম্বে ইফতার করে।

    Book 7 · Hadith 61 · #1696 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Sahih Lighairihi, Isnaad Hasan
  62. 62

    । সালমান ইবনু আমের (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ ইফতার করলে সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে। সে খেজুর না পেলে যেন পানি দিয়ে ইফতার করে। কারণ তা পবিত্র।

    Book 7 · Hadith 62 · #1697 · Daif, Daif, Hasan Sahih, Isnaad Hasan
  63. 63

    । হাফসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাত থাকতে ফরয রোযার নিয়াত করলো না তার রোযা হয়নি।

    Book 7 · Hadith 63 · #1698 · Sahih, Sahih, Daif
  64. 64

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এসে বলেনঃ তোমাদের কাছে (আহার করার মত) কিছু আছে কি? আমরা বললাম, না। তিনি বলেন, তাহলে আমি রোযা রাখলাম। অতঃপর তিনি রোযা অবস্থায় থাকেন। আমাদের নিকট কিছু হাদিয়া এলে তিনি রোযা ভাঙ্গ করেন। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, তিনি কখনো রোযা রাখতেন আবার কখনো রোযা রাখতেন না। রাবী মুজাহিদ (রহ.) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, তা কিভাবে? ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, তার দৃষ্টান্ত এরূপ যে, কোন ব্যক্তি সদকার মাল নিয়ে দান করার উদ্দেশে বের হয়ে এর কিছু অংশ দান করে, আর কিছু অংশ রেখে দেয়।

    Book 7 · Hadith 64 · #1699 · Sahih, Hasan Sahih, Hasan, Hasan
  65. 65

    । ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর আল-কারী (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, না, কা‘বার প্রভুর শপথ! এ কথা আমি বলছি নাঃ যে ব্যক্তি নাপাক অবস্থায় ভোরে উপনীত হলো সে রোযা ভঙ্গ করুক’’। বরং মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা বলেছেন।

    Book 7 · Hadith 65 · #1700 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  66. 66

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাপাক অবস্থায় রাতে ঘুমাতেন। অতঃপর বিলাল (রাঃ) তাঁর নিকট এসে তাঁকে সালাতের জন্য ডাকতেন। তখন তিনি উঠে গোসল করতেন। আমি তাঁর মাথা থেকে ফোঁটায় ফোঁটায় পানি পড়তে দেখেছি। তারপর তিনি বের হয়ে যেতেন এবং ফজরের সালাতে আমি তাঁর কন্ঠস্বর শুনতে পেতাম। মুতাররিফ (রহ.) বলেন, আমি ‘আমের (রহ.)-কে বললাম, তা কি রমযানে? তিনি বলেন, রমযান ও অন্য মাস একই সমান।

    Book 7 · Hadith 66 · #1701 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  67. 67

    । নাফি‘ (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর নিকট জানতে চাইলাম যে, এক ব্যক্তি নাপাক অবস্থায় ভোরে উপনীত হলো, সে রোযা রাখতে ইচ্ছুক। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বপ্নদোষজনিত নয়, বরং সহবাসজনিত নাপাক অবস্থায় ভোরে উপনীত হতেন, অতঃপর গোসল করতেন এবং তাঁর রোযা পূর্ণ করতেন।

    Book 7 · Hadith 67 · #1702 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  68. 68

    । ‘আবদুল্লাহ্ ইবনশ শিখখীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সর্বদা রোযা রাখে সে রোযাও রাখেনি, আবার রোযা ভঙ্গও করেনি।

    Book 7 · Hadith 68 · #1703 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  69. 69

    । ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সর্বদা রোযা রাখে, সে রোযাই রাখেনি।

    Book 7 · Hadith 69 · #1704 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  70. 70

    । মিনহাল (রহ.) বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওমুল বীয অর্থাৎ প্রতি মাসের তেরো, চৌদ্দ ও পনের তারিখে রোযা রাখার নির্দেশ দিতেন এবং বলতেন তা সারা বছর রোযা রাখার সমতুল্য। ১/১৭০৭ (১)। ইসহাক বিন মানসূর-হিববান বিন হিলাল, হাম্মাম-আনাস বিন সীরীন, আবদুল মালিক-ক্বাতাদাহ বিন ক্বায়সী তার পিতা হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। ইবনু মাজাহ বলেন, এক্ষেত্রে শু‘বাহ ভুল করেছেন এবং হাম্মাম ঠিক করেছেন।

    Book 7 · Hadith 70 · #1705 · Daif, Daif, Daif
  71. 71

    । আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিন দিন রোযা রাখলো, তা যেন সারা বছর রোযা রাখলো। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে এর সমর্থনে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ) ‘‘কেউ কোন সৎকাজ করলে, সে তার দশ গুণ পাবে’’ (সূরা আনআমঃ ১৬০)। অর্থাৎ প্রতিটি দিন দশ দিনের সমান।

    Book 7 · Hadith 71 · #1706 · Sahih, Sahih, Daif
  72. 72

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি মাসে তিন দিন রোযা রাখতেন। রাবী বলেন, আমি বললাম, মাসের কোন্ কো্ দিন? তিনি বলেন, তিনি যে কোন দিন রোযা রাখতে ইতস্তত করতেন না।

    Book 7 · Hadith 72 · #1707 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  73. 73

    । আবূ সালামাহ (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) এর নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, তিনি একাধারে রোযা রেখেই যেতেন। এমনকি আমরা বলতাম, তিনি রোযা রেখেই যাবেন। আবার তিনি একাধারে রোযাহীন অবস্থায় কাটাতেন, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি রোযাহীন অবস্থায়ই থাকবেন। শা'বান মাস ব্যতীত অন্য কোন মাসে আমি তাঁকে এত অধিক রোযা রাখতে দেখিনি। তিনি প্রায় পুরা শাবান মাসই রোযা রাখতেন। তিনি শাবানের অল্প কিছুদিন বাদ দিয়ে পুরা মাসই রোযা রাখতেন।

    Book 7 · Hadith 73 · #1708 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  74. 74

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধারে রোযা রেখে যেতেন, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি আর রোযা ভঙ্গ করবেন না। আবার কখনো তিনি একাধারে রোযাহীন থাকতেন, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি আর রোযা রাখবেন না। মদিনায় আসার পর থেকে তিনি রমযান মাস ব্যতীত অন্য কোন মাসে সম্পূর্ণ মাস রোযা রাখেননি।

    Book 7 · Hadith 74 · #1709 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  75. 75

    । ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রোযাসমূহের মধ্যে দাঊদ (আঃ)-এর রোযা আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়। তিনি এক দিন রোযা রাখতেন এবং পরবর্তী দিন রোযা রাখতেন না। আল্লাহর নিকট দাঊদ (আঃ)-এর সালাত অধিক প্রিয়। তিনি রাতের অর্ধাংশ ঘুমাতেন, এক-তৃতীয়াংশ সালাতে কাটাতেন এবং আবার এক-ষষ্ঠাংশ ঘুমাতেন।

    Book 7 · Hadith 75 · #1710 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  76. 76

    । ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যে ব্যক্তি দু’ দিন রোযা রাখে এবং এক দিন রাখে না, তার সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বলেনঃ কেউ কি তার সামর্থ্য রাখে? ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যে ব্যক্তি এক দিন রোযা রাখে এবং এক দিন রাখে না? তিনি বলেনঃ সেটা হলো দাঊদ (আঃ)-এর রোযা। ‘উমার (রাঃ) বললেন, যে ব্যক্তি এক দিন রোযা রাখে এবং দু’ দিন রাখে না? তিনি বলেনঃ আমি পছন্দ করি যে, আমাকে এ ধরনের রোযা রাখার সামর্থ্য দান করা হোক।

    Book 7 · Hadith 76 · #1711 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  77. 77

    । ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ নূহ (আঃ) ঈদুল ফিতরের দিন ও ঈদুল আযহার দিন ব্যতীত সারা বছর রোযা রাখতেন।

    Book 7 · Hadith 77 · #1712 · Daif, Daif, Daif, Daif
  78. 78

    । রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুক্তাদাস সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি ঈদুল ফিতরের পর ছয় দিন রোযা রাখলো, তা পূর্ণ বছর রোযা রাখার সমতুল্য। ‘‘কেউ কোন সৎকাজ করলে, সে তার দশ গুণ পাবে’’ (সূরা আন‘আমঃ ১৬০)।

    Book 7 · Hadith 78 · #1713 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  79. 79

    । আবূ আইউব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রমযান মাসের রোযা রাখার পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখবে, তা যেন সারা বছর রোযা রাখার সমতুল্য।

    Book 7 · Hadith 79 · #1714 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Sahih Muslim
  80. 80

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক দিন রোযা রাখে, আল্লাহ্ ঐ দিনের বিনিময়ে জাহান্নামকে তার মুখমন্ডল থেকে সত্তর বছরের দূরত্বে সরিয়ে দেন।

    Book 7 · Hadith 80 · #1715 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  81. 81

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক দিন রোযা রাখে, আল্লাহ্ তার বিনিময়ে জাহান্নাম থেকে তার মুখমন্ডলকে সত্তর বছরের দূরত্বে রাখেন।

    Book 7 · Hadith 81 · #1716 · Sahih, Sahih, Daif, Daif
  82. 82

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মিনার দিনসমূহ হলো পানাহারের দিন।

    Book 7 · Hadith 82 · #1717 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Isnaad Hasan
  83. 83

    । বিশর ইবনু সুহাইম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আইয়্যামে তাশরীকে ভাষণ দেন। তিনি বলেনঃ মুসলিম ব্যক্তি ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং এই দিনসমূহ হচ্ছে পানাহারের দিন।

    Book 7 · Hadith 83 · #1718 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  84. 84

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন।

    Book 7 · Hadith 84 · #1719 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  85. 85

    । আবূ উবাইদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে ঈদের দিন উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুতবাহর আগে সালাত পড়েন, অতঃপর বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা এ দু’ দিন রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন। কেননা ঈদুল ফিতরের দিন হচ্ছে তোমাদের রোযা ভঙ্গের দিন এবং ঈদুল আযহার দিন তোমরা তোমাদের কুরবাণীর গোশত খাবে।

    Book 7 · Hadith 85 · #1720 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  86. 86

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর আগের দিন বা পরের দিনসহ রোযা রাখা ব্যতীত, কেবলমাত্র জুমু‘আহর দিন রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন।

    Book 7 · Hadith 86 · #1721 · Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  87. 87

    । মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ইবনু জা‘ফর (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর ঘর তাওয়াফকালে জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি জুমু‘আহর দিন রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন? তিনি বলেন, হাঁ, এই ঘরের প্রভুর শপথ

    Book 7 · Hadith 87 · #1722 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  88. 88

    । ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জুমু‘আহর দিন খুব কমই রোযাহীন দেখেছি।

    Book 7 · Hadith 88 · #1723 · Hasan, Hasan, Hasan, Isnaad Hasan
  89. 89

    । ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু বুসর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের উপর যে রোযা ফরয করা হয়েছে সেই রোযা ব্যতীত তোমরা শনিবার রোযা রাখবে না। তোমাদের কেউ আঙ্গুরের ডাল বা গাছের ছাল ব্যতীত কিছু না পেলে সে যেন তা চুষে (শনিবারের) রোযা ভঙ্গ করে। ১/১৭২৬ (১) হুমাইদ বিন মাস‘আদাহ-সুফ্ইয়ান বিন হুবাইব সাওর বিন ইয়াযিদ হতে তিনি খালিদ বিন মা‘দান হতে তিনি আবদুল্লাহ বিন বুসর তার বোন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ব’লে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।

    Book 7 · Hadith 89 · #1724 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Hasan
  90. 90

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট (যুলহিজ্জার) দশ দিনের সৎকাজের চাইতে অধিক পছন্দনীয় সৎকাজ আর নেই। সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ্! আল্লাহর পথে জিহাদও নয় কি? তিনি বলেন, আল্লাহর পথে জিহাদও নয়, কিন্তু যে ব্যক্তি তার জান-মালসহ আল্লাহর পথে বের হয়ে তার কোন কিছু নিয়ে আর ফিরে আসে না (তার মর্যাদা অনেক)।

    Book 7 · Hadith 90 · #1725 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  91. 91

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যুলহিজ্জার) দশ দিনের ইবাদতের চেয়ে দুনিয়ার অন্য কোন দিনের ইবাদত মহান আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় নয়। এই ক’দিনের মধ্যকার এক এক দিনের রোযা এক বছর রোযা রাখার সমান এবং তার এক একটি রাত কদরের রাতের সমান।

    Book 7 · Hadith 91 · #1726 · Daif, Daif, Daif, Daif
  92. 92

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে (যুলহিজ্জার) দশ দিন কখনো রোযা রাখতে দেখিনি।

    Book 7 · Hadith 92 · #1727 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  93. 93

    । আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি আল্লাহর নিকট আরাফাত দিবসের রোযার এই সওয়াব আশা করি যে, তিনি তাঁর বিনিময়ে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।

    Book 7 · Hadith 93 · #1728 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  94. 94

    । ক্বাতাদাহ্ ইবনু নো‘মান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আরাফাত দিবসে রোযা রাখলো, তার আগের বছরের ও পরের বছরের গুনাহ মাফ করা হলো।

    Book 7 · Hadith 94 · #1729 · Daif, Sahih Lighairihi, Daif
  95. 95

    । ইকরিমা (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর বাড়িতে গিয়ে তাকে আরাফাতের ময়দানে আরাফাত দিবসে রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাতের ময়দানে আরাফাত দিবসে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন।

    Book 7 · Hadith 95 · #1730 · Daif, Daif, Daif, Isnaad Hasan
  96. 96

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশূরার দিন রোযা রাখতেন এবং এ দিন রোযা রাখতে নির্দেশ দিতেন।

    Book 7 · Hadith 96 · #1731 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  97. 97

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হিজরত করে) মাদ্বীনাহ্য় পৌঁছে ইহূদীদের রোযা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি জিজ্ঞেস করেন : এটা কী? তারা বললো, এ দিনে আল্লাহ্ মূসা (আঃ)-কে মুক্তি দেন এবং ফিরাউনকে ডুবিয়ে মারেন। তাই মূসা (আঃ)- এ দিন শোকরানা রোযা রাখেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : আমরা মূসা (আঃ)-এর (অনুসরণের) ব্যাপারে তোমাদের চেয়ে অধিক হকদার। তারপর তিনি এদিনে রোযা রাখেন এবং অন্যদেরও রোযা রাখার নির্দেশ দেন।

    Book 7 · Hadith 97 · #1732 · Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  98. 98

    । মুহাম্মাদ ইবনু সাইফী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশূরার দিন আমাদের জিজ্ঞেস করেন, তোমাদের কেউ আজ আহার করেছে কি? আমরা বললাম, আমাদের কতক আহার করেছে এবং কতক আহার করেনি। তিনি বলেন, তোমরা যারা আহার করেছো এবং যারা আহার করোনি, তোমাদের অবশিষ্ট দিনটি রোযা রাখো। আর তোমরা মাদ্বীনাহর পার্শ্ববর্তীদের নিকট লোক পাঠিয়ে দাও, তারাও যেন দিনটির অবশিষ্টাংশ রোযা রাখে।

    Book 7 · Hadith 98 · #1733 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  99. 99

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি আগামী বছর বেঁচে থাকলে অবশ্যই (মুহাররমের) নবম তারিখে রোযা রাখবো। ইবনু আবূ যি'ব-এর বর্ণনায় আরো আছেঃ তাঁর থেকে আশূরার রোযা চলে যাওয়ার আশঙ্কায় (তিনি এ কথা বলেন)।

    Book 7 · Hadith 99 · #1734 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  100. 100

    । ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট আশূরার দিন সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জাহিলী যুগে লোকেরা এ দিন রোযা রাখতো। অতএব তোমাদের কেউ এ দিন রোযা রাখতে আগ্রহী হলে রাখতে পারে এবং কেউ অনাগ্রহী হলে নাও রাখতে পারে।

    Book 7 · Hadith 100 · #1735 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  101. 101

    । আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আশূরার দিনের রোযার দ্বারা আমি আল্লাহর নিকট বিগত বছরের গুনাহ মাফের আশা রাখি।

    Book 7 · Hadith 101 · #1736 · Sahih, Sahih, Sahih
  102. 102

    । রবীআ ইবনুল গায (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) এর নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোমবার ও বৃহস্পতিবারের রোযার প্রতি খুবই খেয়াল রাখতেন।

    Book 7 · Hadith 102 · #1737 · Sahih, Sahih, Sahih
  103. 103

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রাখতেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রেখ থাকেন। তিনি বলেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা সোমবার ও বৃহস্পতিবার এ দু’ দিন পরস্পর সম্পর্ক ছিন্নকারী দু’ ব্যক্তি ব্যতীত প্রত্যেক মুসলিমকে ক্ষমা করেন। তিনি (ফেরেশতাদের) বলেনঃ তারা সন্ধিতে আবদ্ধ হওয়া অবধি তাদের ত্যাগ করো।

    Book 7 · Hadith 103 · #1738 · Sahih, Sahih, Isnaad Hasan
  104. 104

    । আবূ মুজীবা আল-বাহিলী (রহ.) থেকে তার পিতা অথবা তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি সেই ব্যক্তি, গত বছরও আপনার নিকট এসেছিলাম। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ কী ব্যাপার, আমি তোমার শরীর দুর্বল দেখছি কেন? তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি দিনে আহার করি না, রাতেই আহার করি। তিনি বলেনঃ নিজের দেহকে শাস্তি দিতে কে তোমাকে নির্দেশ দিয়েছে? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি অধিক শক্তিশালী। তিনি বলেনঃ তুমি ধৈর্যের মাসের রোযা রাখো এবং এরপর (প্রতি মাসে) এক দিন রোযা রাখো। আমি বললাম, আমি তো অধিক শক্তিশালী। তিনি বলেনঃ তুমি ধৈর্যের মাসের রোযা রাখো এবং প্রতি মাসে দু’ দিন রোযা রাখো। আমি বললাম, আমি এর অধিক শক্তি রাখি। তিনি বলেনঃ তুমি ধৈর্যের মাসের রোযা রাখো, অতঃপর পতিমাসে তিন দিন এবং হারাম মাসসমূহে রোযা রাখো।

    Book 7 · Hadith 104 · #1739 · Daif, Daif, Daif, Daif
  105. 105

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলো, রমযান মাসের পর কোন্ রোযা উত্তম? তিনি বলেনঃ আল্লাহর সেই মাস যাকে তোমরা মুহাররম বলে থাকো।

    Book 7 · Hadith 105 · #1740 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  106. 106

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রজব মাসে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন।

    Book 7 · Hadith 106 · #1741 · Very Daif, Very Daif, Daif, Daif
  107. 107

    । মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম (রহ.) থেকে বর্ণিত। উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হারাম মাসসমূহে রোযা রাখতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, তুমি শাওয়াল মাসে রোযা রাখো। অতঃপর তিনি হারাম মাসসমূহের রোযা রাখা ছেড়ে দেন এবং আমরণ শাওয়াল মাসে রোযা রাখেন।

    Book 7 · Hadith 107 · #1742 · Daif, Daif, Daif, Daif
  108. 108

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিটি জিনিসের যাকাত আছে। রোযা হলো শরীরের যাকাত। মুহরিযের হাদীসে আরো আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ রোযা হলো ধৈর্যের অর্ধাংশ।

    Book 7 · Hadith 108 · #1743 · Daif, Daif, Daif, Daif
  109. 109

    । যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রোযাদারকে ইফতার করায়, তার জন্য রয়েছে ইফতারকারীদের সমান সওয়াব এবং এজন্য তাদের সওয়াব থেকে কিছুই হ্রাসপ্রাপ্ত হবে না।

    Book 7 · Hadith 109 · #1744 · Sahih, Sahih, Hasan Sahih, Sahih
  110. 110

    । ‘আবদুল্লাহ্ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সা‘দ ইবনু মুআয (রাঃ)-এর এখানে ইফতার করেন, অতঃপর বলেনঃ তোমাদের এখানে রোযাদারগণ ইফতার করেছেন, নেককারগণ তোমাদের খাদ্যদ্রব্য আহার করেছেন এবং ফেরেশতাগণ তোমাদের জন্য রহমত কামনা করেছেন।

    Book 7 · Hadith 110 · #1745 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Daif
  111. 111

    । উম্মু ‘উমারা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এখানে আসলে আমরা তাঁর সামনে খাদ্যসামগ্রী পরিবেশন করলাম। তাঁর সাথের কতক লোক ছিল রোযাদার। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ রোযাদারের সামনে আহার করা হলে ফেরেশতাগণ তার জন্য (আল্লাহর) অনুগ্রহ কামনা করেন।

    Book 7 · Hadith 111 · #1746 · Daif, Daif, Hasan Sahih, Isnaad Hasan
  112. 112

    । বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল (রাঃ)-কে বললেনঃ হে বিলাল! সকালের খাবার। বিলাল (রাঃ) বলেন, আমি রোযাদার। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমরা আমাদের রিযিক আহার করবো, আর বিলালের অংশ রয়েছে জান্নাতে। হে বিলাল! তুমি কি জানো যে, রোযাদারের সামনে খাওয়া-দাওয়া করা হলে, তার হাড়সমূহ আল্লাহর গুণগান করে এবং ফেরেশতাগণ তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে

    Book 7 · Hadith 112 · #1747 · Mawdu, Mawdu, Mawdu, Daif
  113. 113

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন তোমাদের কাউকে আহার করার জন্য ডাকা হয়, অথচ সে রোযাদার, তখন সে যেন বলে, আমি রোযাদার।

    Book 7 · Hadith 113 · #1748 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  114. 114

    । জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেনঃ রোযাদার ব্যক্তিকে আহার গ্রহণের আহবান জানানো হলে সে যেন তাতে সাড়া দেয়। অতঃপর তার ইচ্ছা হলে খাবে অথবা খাবে না।

    Book 7 · Hadith 114 · #1749 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  115. 115

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিনি ব্যক্তির দু‘আ রদ হয় নাঃ ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোযাদার যতক্ষণ না ইফতার করে এবং মজলুমের দু‘আ। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তার দু‘আ মেঘমালার উপরে তুলে নিবেন এবং তার জন্য আসমানের দ্বারসমূহ খুলে দেয়া হবে এবং আল্লাহ্ বলবেনঃ আমার মর্যাদার শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে সাহায্য করবো, একটু বিলম্বেই হোক না কেন।

    Book 7 · Hadith 115 · #1750 · Daif, Daif, Hasan, Isnaad Hasan
  116. 116

    । ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল আস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইফতারের সময় রোযাদারের অবশ্যই একটি দু‘আ আছে, যা রদ হয় না (কবুল হয়)। ইবনু আবূ মুলাইকা (রহ.) বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-কে ইফতারের সময় বলতে শুনেছিঃ ‘‘হে আল্লাহ্! আমি আপনার দয়া ও অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি যা সব কিছুর উপর পরিব্যপ্ত, যেন আপনি আমাকে ক্ষমা করেন’’।

    Book 7 · Hadith 116 · #1751 · Daif, Daif, Hasan, Hasan
  117. 117

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন খেজুর না খেয়ে (ঈদের মাঠে) রওয়ানা হতেন না।

    Book 7 · Hadith 117 · #1752 · Daif, Sahih, Hasan Sahih, Sahih Bukhari
  118. 118

    । ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন ভোরে তাঁর সাহাবীদের ফিতরা পরিশোধের নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত (ঈদগাহে) রওয়ানা হতেন না।

    Book 7 · Hadith 118 · #1753 · Daif, Daif, Daif, Daif
  119. 119

    । বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন আহার না করে (ঈদের মাঠে) রওয়ানা হতেন না এবং কুরবাণীর দিন ঈদগাহ থেকে ফিরে না আসা পর্যন্ত আহার করতেন না।

    Book 7 · Hadith 119 · #1754 · Sahih, Sahih, Sahih Lighairihi, Isnaad Hasan
  120. 120

    । ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার যিম্মায় রমযান মাসের রোযা বাকি রেখে মারা গেলো, তার পক্ষ থেকে প্রতি দিনের রোযার জন্য যেন একজন দরিদ্র ব্যক্তিকে আহার করানো হয়।

    Book 7 · Hadith 120 · #1755 · Daif, Daif, Daif
  121. 121

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বোন তার যিম্মায় রমযানের পরপর দু’ মাসের রোযা রেখে মারা গেছে। তিনি বলেনঃ তুমি কি মনে করো, তোমার বোন ঋণগ্রস্ত থাকলে তুমি তা পরিশোধ করতে? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ আল্লাহর প্রাপ্য তো অধিক পরিশোধযোগ্য।

    Book 7 · Hadith 121 · #1756 · Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  122. 122

    । বুরাইদাহ (রাঃ) বলেন, এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমার মা তার যিম্মায় রোযা রেখে মারা গেছেন। আমি কি তার পক্ষ থেকে রোযা রাখবো? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ।

    Book 7 · Hadith 122 · #1757 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  123. 123

    । আতিয়্যা ইবনু সুফ্ইয়ান ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু রবীয়া (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের যে প্রতিনিধি দলটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গিায়ছিল, তারা সাকীফ গোত্রের ইসলাম গ্রহণের বর্ণনা দেয়। রাবী বলেন, তারা তাঁর নিকটে রমযান মাসে উপস্থিত হয়। তিনি মসজিদে তাদের জন্য একটি তাঁবু খাটিয়ে দিয়েছিলেন। তারা ইসলাম গ্রহণ করার পর রমযান মাসের অবশিষ্ট রোযাগুলো রেখেছিল।

    Book 7 · Hadith 123 · #1758 · Daif, Daif, Daif, Daif
  124. 124

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, স্বামীর উপস্থিতিতে তার সম্মতি ব্যতীত স্ত্রী রমযান মাসের রোযা ছাড়া এক দিনও রোযা রাখবে না।

    Book 7 · Hadith 124 · #1759 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih
  125. 125

    । আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদেরকে তাদের স্বামীদের সম্মতি ব্যতীত রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন।

    Book 7 · Hadith 125 · #1760 · Sahih, Sahih, Sahih, Daif
  126. 126

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের মেহমান হলে সে যেন তাদের সম্মতি ব্যতীত (নফল) রোযা না রাখে।

    Book 7 · Hadith 126 · #1761 · Very Daif, Very Daif, Daif, Daif
  127. 127

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কৃতজ্ঞ আহারকারী ধৈর্যশীল রোযাদারের সমতুল্য।

    Book 7 · Hadith 127 · #1762 · Sahih, Sahih, Hasan
  128. 128

    । নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী সিনান ইবনু সান্নাহ আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কৃতজ্ঞ আহারকারির জন্য রয়েছে ধৈর্যশীল রোযাদারের অনুরূপ প্রতিদান।

    Book 7 · Hadith 128 · #1763 · Sahih, Sahih, Isnaad Hasan
  129. 129

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে রমযান মাসের মধ্যম দশকে ই‘তিকাফ করেছিলাম। তিনি বলেনঃ আমাকে লাইলাতুল কদর দেখানো হয়েছিল; পরে তা আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। অতএব তোমরা রমযান মাসের শেষ দশকের বেজোড় রাতসমূহে তা অনুসন্ধান করো।

    Book 7 · Hadith 129 · #1764 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  130. 130

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাসের শেষ দশকে অন্যান্য সময়ের তুলনায় ইবাদতে অধিক মশগুল থাকতেন।

    Book 7 · Hadith 130 · #1765 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  131. 131

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাসের শেষ দশকে রাত জাগতেন, তহবন্দ শক্ত করে বেঁধে নিতেন এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে (ইবাদতে মশগুল হওয়ার জন্য) জাগিয়ে দিতেন।

    Book 7 · Hadith 131 · #1766 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  132. 132

    । আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি বছর দশ দিন ই‘তিকাফ করতেন। তবে তিনি ইনতিকালের বছর বিশ দিন ই‘তিকাফ করেন। প্রতি বছর (রমযান মাসে) তাঁর কাছে একবার কুরআন পেশ করা হতো। তবে তাঁর ইনতিকালের বছর তাঁর কাছে তা দু’বার পেশ করা হয়।

    Book 7 · Hadith 132 · #1767 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  133. 133

    । উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের শেষ দশ দিন ই‘তিকাফ করতেন। তবে তিনি কোন এক বছর এ সময় সফরে অতিবাহিত করেন। এরপর পরবর্তী বছর তিনি বিশ দিন ই‘তিকাফ করেন।

    Book 7 · Hadith 133 · #1768 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  134. 134

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ই‘তিকাফ করার ইচ্ছা করলে ফজরের সালাত পড়ার পর ইতিকাফের উদ্দেশে নির্ধারিত স্থানে প্রবেশ করতেন। তিনি রমযানের শেষ দশদিন ই‘তিকাফ করার ইচ্ছা করলেন এবং তাঁর জন্য একটি বেষ্টনী তৈরি করার নির্দেশ দিলেন। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) -ও তাঁর জন্য একটি বেষ্টনী তৈরির নির্দেশ দেন। অতএব তার জন্যও বেষ্টনী তৈরি করা হলো। হাফসা (রাঃ)-ও একটি বেষ্টনী তৈরির নির্দেশ দিলে তাঁর জন্যও তা তৈরি করা হলো। যয়নাব (রাঃ) তাদের দু’জনের বেষ্টনী দেখে আরেকটি বেষ্টনী তৈরির নির্দেশ দেন এবং তার জন্যও তা তৈরি করা হলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ অবস্থা প্রত্যক্ষ করে বলেন : তোমরা কি পুণ্য লাভের উদ্দেশে এমনটি করছো! এরপর তিনি আর রমযান মাসে ই‘তিকাফ করলেন না, পরে শাওয়াল মাসের দশ দিন ই‘তিকাফ করেন।

    Book 7 · Hadith 134 · #1769 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  135. 135

    । ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। জাহিলী যুগে তার এক রাত ই‘তিকাফ করার মানত ছিল। তিনি এ সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে ই‘তিকাফ করার নির্দেশ দেন।

    Book 7 · Hadith 135 · #1770 · Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  136. 136

    । ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাসের শেষ দশকে ই‘তিকাফ করতেন। নাফি‘ (রহ.) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) আমাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইতিকাফের স্থানটি দেখিয়েছেন।

    Book 7 · Hadith 136 · #1771 · Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  137. 137

    । ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ইতিকাফের ইচ্ছা করলে তার জন্য উসতুওয়ানায়ে তাওবা’’-এর পেছনে তাঁর বিছানা দেয়া হতো অথবা তাঁর খাট রাখা হতো।

    Book 7 · Hadith 137 · #1772 · Daif, Daif, Daif, Isnaad Hasan
  138. 138

    । আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি তুর্কী তাঁবুর মধ্যে ইতিকাফে বসেন, যার জানালায় টাঙ্গানো ছিলো চাটাইয়ের টুকরা। রাবী বলেন, তিনি তাঁর হাত দিয়ে চাটাইটি সরিয়ে বেষ্টনীর পাশে রাখেন, অতঃপর মাথা বের করে লোকেদের সাথে কথা বলেন।

    Book 7 · Hadith 138 · #1773 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Muslim
  139. 139

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ই‘তিকাফরত অবস্থায় কেবলমাত্র প্রাকৃতিক প্রয়োজনে ঘরে যেতাম এবং ঘরে রোগী থাকলে হাঁটতে হাঁটতে তাকে দেখতে যেতাম। তিনি আরো বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ই‘তিকাফকালে প্রাকৃতিক প্রয়োজন ছাড়া ঘরে যেতেন না।

    Book 7 · Hadith 139 · #1774 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  140. 140

    । আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ই‘তিকাফকারী জানাযায় শরীক হতে পারে এবং রোগীকেও দেখতে যেতে পারে।

    Book 7 · Hadith 140 · #1775 · Mawdu, Mawdu, Daif
  141. 141

    । ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ই‘তিকাফরত অবস্থায় তাঁর মাথা আমার দিকে এগিয়ে দিতেন। আমি তা ধৌত করে দিতাম এবং আঁচড়িয়ে দিতাম। তখন আমি হায়েয অবস্থায় আমার ঘরে থাকতাম এবং তিনি মসজিদে থাকতেন।

    Book 7 · Hadith 141 · #1776 · Sahih, Sahih, Sahih, Isnaad Sahih
  142. 142

    । নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রমযান মাসের শেষ দশকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে ই‘তিকাফ করেছিলেন। তখন সাফিয়্যা (রাঃ) তাঁর সাথে দেখা করতে আসেন এবং রাতের কিছুক্ষণ তাঁর সাথে কথাবার্তা বলেন। অতঃপর তিনি চলে যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও তাকে বিদায় দেয়ার জন্য দাঁড়ান। সাফিয়্যা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অপর স্ত্রী উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর ঘরের নিকটবর্তী মসজিদের দরজার কাছাকাছি পৌঁছলে দু’জন আনসারী তাদেরকে অতিক্রম করে গেলেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাম দিয়ে তাড়াতাড়ি চলে যেতে লাগলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বলেনঃ থামো! এ হচ্ছে সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই। তারা বলেন, সুবহানাল্লাহ, হে আল্লাহর রসূল! বিষয়টি তাদের জন্য কঠিন মনে হলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ শয়তান আদম-সন্তানের শিরা-উপশিরায় রক্ত প্রবাহের মত ধাবিত হয়। আমি আশঙ্কা করছিলাম, শয়তান তোমাদের অন্তরে কোনরূপ কুধারণার সৃষ্টি করে কিনা?

    Book 7 · Hadith 142 · #1777 · Sahih, Sahih, Sahih - Bukhari And Muslim
  143. 143

    । ইকরিমা (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এক স্ত্রী তাঁর সাথে ই‘তিকাফ করেন। তিনি লাল ও হলদে বর্ণের রক্ত দেখতে পেতেন। তাই অধিকাংশ সময় তিনি তার নিচে একটি ছোট প্লেট পেতে রাখতেন।

    Book 7 · Hadith 143 · #1778 · Sahih, Sahih, Sahih, Sahih Bukhari
  144. 144

    । ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ই‘তিকাফকারী সম্পর্কে বলেনঃ সে নিজেকে গুনাহ থেকে বিরত রাখে এবং নেককারদের সকল নেকী তার জন্য লেখা হয়।

    Book 7 · Hadith 144 · #1779 · Daif, Daif, Daif, Daif
  145. 145

    । আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দু’ ঈদের রাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে ইবাদত করবে তার অন্তর ঐ দিন মরবে না, যে দিন অন্তরসমূহ মরে যাবে।

    Book 7 · Hadith 145 · #1780 · Mawdu, Mawdu, Daif
সব বিষয় · Sunan Ibn Majah