Muwatta Malik

← Muwatta Malik

I'tikaf in Ramadan

১৫ হাদিস

  1. 1

    রেওয়ায়ত ১. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত-তিনি বলিয়াছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লা ইতিকাফে থাকা অবস্থায় তাহার শির আমার দিকে ঝুঁকাইয়া দিতেন, আমি তাহার চুল চিরুনি দিয়া আঁচড়াইয়া দিতাম। আর তিনি হাজতে-ইনসানী (পায়খানা-প্রস্রাবের আবশ্যক) ব্যতীত গৃহে প্রবেশ করিতেন না।

    Book 19 · Hadith 1 · #657 · Sahih
  2. 2

    রেওয়ায়ত ২. আমরা বিন্‌ত আবদুর রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আয়েশা (রাঃ) যখন ইতিকাফ করিতেন, তখন তিনি রোগীর অবস্থা জিজ্ঞাসা করিতে গমন করিতেন না; কিন্তু চলার পথে না দাঁড়াইয়া জিজ্ঞাসা করিয়া নিতেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ ইতিকাফকারী কোন প্রয়োজনে মসজিদের বাহিরে যাইবে না এবং কোন কারণে বাহিরও হইবে না। আর কাহাকে সাহায্যও করিবে না। কিন্তু যদি হাজতে-ইনসানীর (প্ৰস্ৰাব-পায়খানা) জন্য বাহির হয় তাহা বৈধ হইবে। আর যদি কাহারো আবশ্যকের জন্য বাহির হওয়া জায়েয হইত তবে রোগীর অবস্থা দেখা, জানাযার নামায পড়া ও উহার অনুগমন তাহার জন্য সর্বাগ্রে বৈধ হইত (কিন্তু সেগুলির জন্যও বাহির হওয়া নিষেধ)। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ ইতিকাফকারী (প্রকৃত) ইতিকাফকারী হইবে না যতক্ষণ যেসব বস্তু হইতে তাহার পরহেয করিতে হয় সেইসব হইতে সে পরহিয না করিবে (যথা রোগী দেখিতে যাওয়া, জানাযার নামায পড়া, হাজতে-ইনসানী ব্যতীত গৃহে প্রবেশ করা)।

    Book 19 · Hadith 2 · #658 · Mauquf Sahih
  3. 3

    রেওয়ায়ত ৩. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তিনি ইবন শিহাব (রহঃ)-কে প্রশ্ন করিলেন, এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে ইতিকাফ করিতেছে, সে কি তাহার প্রস্রাব-পায়খানার প্রয়োজনে (গৃহের) ছাদের নিচে প্রবেশ করিতে পারবে? তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, ইহাতে কোন ক্ষতি নাই। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমাদের নিকট যাহাতে কোন ইখতেলাফ নাই তাহা এই যে, যে সকল মসজিদে জুম'আর নামায পড়া হয়, সেই সকল মসজিদে ইতিকাফ করা মাকরূহ নহে। আর আমি মনে করি না যে, যে সকল মসজিদে জুম'আর নামায পড়া হয় না, সেই সকল মসজিদে ইতিকাফকে তিনি (মালিক র.) মাকরূহ বলিয়াছেন। ব্যাপার হইল এই যে, ইতিকাফকারী যে মসজিদে ইতিকাফ করিতেছে উহা হইতে বাহির হইবে অথবা জুম'আ ছাড়িয়া দিবে, সেই জন্য তিনি মাকরুহ বলিয়াছেন। তাহার মতে, যদি এইরূপ মসজিদ হয় যাহাতে জুম'আ পড়া হয় না এবং ইতিকাফকারীর উপর সেই মসজিদ ছাড়া অন্য কোন মসজিদে জুম'আতে যাওয়া ওয়াজিব না হয় তবে সেই মসজিদে ইতিকাফ করিতে কোন দোষ নাই। কারণ আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করিয়াছেন, (‏وَأَنْتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ‏) অর্থাৎ তোমরা মসজিদে ইতিকাফরত অবস্থায় তাহদের সহিত (স্ত্রী) মিলিত হইও না। (বাকারাঃ ১৮৭) ইহাতে সাধারণভাবে সকল মসজিদকে উদ্দেশ্য করা হইয়াছে এবং কোন মসর্জির্দকে আল্লাহ নির্দিষ্ট করিয়া দেন নাই। মালিক (রহঃ) বলেন, এইজন্যই ইতিকাফকারীর পক্ষে জুম'আ অনুষ্ঠিত হয় না সেইরূপ মসজিদে ইতিকাফ করা জায়েয হইবে, যদি মসজিদ হইতে বাহির হইয়া জুম'আ মসজিদে যাওয়া তাহার উপর ওয়াজিব না হয়। মালিক (রহঃ) বলেন, যে মসজিদে ইতিকাফ করিয়াছে (ইতিকাফকারী) সেই মসজিদেই রাত্রি যাপন করিবে, তবে যদি তাহার তাবু মসজিদের চত্বরের কোন চত্বরে হয়। মালিক (রহঃ) বলেন, আমি শুনি নাই, ইতিকাফকারী রাত্রি যাপন করার জন্য কোন কিছু নির্মাণ করিবে কিন্তু তাহার রাত্রি যাপন হইবে মসজিদে অথবা মসজিদের চত্বরে। মসজিদ ব্যতীত অন্যত্র রাত্রি যাপন সে করিবে না, ইহার প্রমাণ হইল আয়েশা (রাঃ)-এর উক্তি- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইতিকাফ করিতেন তখন হাজতে-ইনসানী ছাড়া গৃহে প্রবেশ করতেন না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কেউ মসজিদের ছাদের উপর ইতিকাফ করিবে না এবং সাওমাআতেও (صومعه মিনার) না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইতিকাফকারী যেই রাত্রে ইতিকাফের ইচ্ছা করিয়াছে, সেই রাত্রির সূর্যাস্তের পূর্বে ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করিবে, যাহাতে যেই রাত্রে ইতিকাফ করবে, সেই রাত্রির প্রথম অংশকে সে ইতিকাফ দ্বারা মুবারকবাদ জানাইতে পারে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইতিকাফকারী নিজের ইতিকাফে মশগুল থাকিবে, ইতিকাফ ভিন্ন তিজারত বা অন্যকিছুর দিকে যেই সবের প্রতি মশগুল হওয়া যায় মনোযোগী হইবে না। ইতিকাফকারীর পক্ষে তাহার কোন আসবাব অথবা পরিবারের উপকারী ও উপযোগী কোন কাজ, তাহার মাল বিক্রয় অথবা অন্য কোন কাজ যাহা তাহাকে ব্যতিব্যস্ত করে না (এই জাতীয়) নিজের কোন আবশ্যকে নির্দেশ দেওয়াতে কোন ক্ষতি নাই। ইহাতে কোন দোষ নাই, যদি তিনি ছোটখাট কাজের জন্য কোন ব্যক্তিকে সেই কার্য সমাধা করিতে নির্দেশ দেন। মালিক (রহঃ) বলেন, কোন আহলে ইলম কর্তৃক ইতিকাফে কোন শর্ত আরোপ করিতে আমি শুনি নাই। ইতিকাফ অন্যান্য আমলের মত একটি আমল; যথা নামায, রোযা, হজ্জ এবং অন্যান্য যাহা এই সকল আমলের অনুরূপ এবং যাহা উহাদের মধ্যে ফরয অথবা নফল। (শরীয়তের) এই সকল আমলের মত ইতিকাফও একটি আমল। যে ব্যক্তি ইহার কোন আমলে প্রবেশ করিবে, সে প্রতিষ্ঠিত সুন্নত মুতাবিক আমল করিবে। মুসলিমগণ যে তরীকায় চলিয়াছেন সেই তরীকা ছাড়া উহাতে নূতন কোন পন্থা আবিষ্কার করার অধিকার তাহার নাই। না কোন শর্ত আরোপ করিবে, না কোন বিদ'আত সৃষ্টি করবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম ইতিকাফ করিয়াছেন, উহা হইতে মুসলিমরা ইতিকাফের সুন্নত অবগত হইয়াছেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ ইতিকাফ এবং মসজিদে অবস্থান এক সমান। আর গ্রাম ও শহরের লোকের ইতিকাফ এক সমান (আহকামের ব্যাপারে)।

    Book 19 · Hadith 3 · #659 · Maqtu Sahih
  4. 4

    রেওয়ায়ত ৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট খবর পৌছিয়াছে যে, কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) ও আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-এর মাওলা নাফি' (রহঃ) বলিয়াছেনঃ ইতিকাফ জায়েয নহে রোযা ব্যতীত, কারণ কুরআনে ইরশাদ হইয়াছেঃ ‏وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْلِ وَلاَ تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنْتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ‏ আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ রাত্রির কৃষ্ণ রেখা হইতে উষার শুভ্র রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়। অতঃপর নিশাগমন পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ কর। তোমরা মসজিদে ইতিকাফৱত অবস্থায় তাহাদের সহিত সঙ্গত হইও না। (বাকারাঃ ১৮৭) আল্লাহ্ তা'আলা ইতিকাফের উল্লেখ করিয়াছেন রোযার সহিত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাসআলা অনুরূপ। রোযা ব্যতীত ইতিকাফ হয় না।

    Book 19 · Hadith 4 · #660 · Maqtu Daif
  5. 5

    রেওয়ায়ত ৬. মালিক (রহঃ) হইতে যিয়াদ (রহঃ) বর্ণনা করেন- তিনি কিন্তু আহলে ইলমকে দেখিয়াছেন, তাহারা রমযানের শেষ দশ দিন যখন ইতিকাফ করিতেন তখন মুসলিমদের সহিত ঈদুল ফিতরে হাজির না হওয়া পর্যন্ত তাহাদের পরিজনের নিকট ফিরিতেন না। মালিক (রহঃ) বলেন, জ্ঞান ও গুণের অধিকারী আমার পূর্ববর্তী মনীষিগণের নিকট হইতে আমার নিকট ইহা পৌছিয়াছে যে, যখন তাহারা ইতিকাফ করিতেন তখন অনুরূপ করিতেন। এই ব্যাপারে আমি যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহাই আমার নিকট পছন্দনীয়।

    Book 19 · Hadith 5 · #661 · Maqtu Sahih
  6. 6

    রেওয়ায়ত ৭. আমরাহ বিনত আবদুর রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফ করিতে মনস্থ করিলেন। অতঃপর যে স্থানে তিনি ইতিকাফ করিবার মনস্থ করিয়াছিলেন সেই স্থানে গমন করিলে (সেখানে) কয়েকটি তাবু দেখিতে পাইলেন। (ইহ) আয়েশা (রাঃ)-এর তাবু, ইহা হাফসা (রাঃ)-এর তাবু এবং ইহা যায়নব (রাঃ)-এর তাবু। তিনি তাবু সম্পর্কে জানিয়া উহাদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করিলেন। তাহাকে বলা হইল, ইহা আয়েশা, ইহা হাফসা এবং ইহা যায়নব (রাঃ)-এর তাবু। তারপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ এই সকলের দ্বারা তাহারা কি পুণ্যের নিয়ত করিয়াছেন? অতঃপর তিনি ফিরিয়া গেলেন এবং ইতিকাফ করিলেন না। পরে তিনি শাওয়াল মাসের দশ দিন ইতিকাফ করিলেন। যিয়াদ (রহঃ) বলেনঃ মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যে রমযানের শেষের দশদিনে ইতিকাফের উদ্দেশ্যে মসজিদে প্রবেশ করিয়াছে, অতঃপর একদিন অথবা দুইদিন অবস্থান করার পর পীড়িত হইয়া পড়ে এবং মসজিদ হইতে বাহির হয়, সে সুস্থ হইলে অবশিষ্ট দিনের ইতিকাফ করা তাহার উপর ওয়াজিব হইবে কি? কিংবা উহার কাযা তাহার উপর আদৌ ওয়াজিব হইবে না। ইহা তাহার উপর ওয়াজিব হইলে কোন মাসে সে ইতিকাফ করিবে? উত্তরে মালিক (রহঃ) বলেনঃ সুস্থ হইয়া গেলে রমযান বা গর-রমযানে তাহার উপর যে ইতিকাফ ওয়াজিব হইয়াছে উহা কাযা করিবে। আমার নিকট খবর পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার রমযানে ইতিকাফ করার মনস্থ করিলেন। পরে তিনি মত পাল্টাইলেন এবং ইতিকাফ করিলেন না। অতঃপর রমযান অতিবাহিত হইলে শাওয়াল মাসে দশ দিন ইতিকাফ করিলেন। নফল ইতিকাফকারী ও যাহার উপর ইতিকাফ ওয়াজিব হালাল ও হারামের বিষয়ে উভয়ের হুকুম এক অর্থাৎ যাহা হালাল উভয়ের জন্য হালাল এবং যাহা হারাম উভয়ের জন্য হারাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইতিকাফ ছিল নফল ইতিকাফ– এইরূপই আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যেই স্ত্রীলোক ইতিকাফ করে এবং ইতিকাফে থাকিতে তাহার হায়েয (ঋতুস্রাব) হয়, সেই স্ত্রীলোক নিজ গৃহে ফিরিয়া যাইবে। তারপর যখন পাক হইবে সেই মুহুর্তে মসজিদে উপস্থিত হইবে। ইহাতে বিলম্ব করিবে না। অতঃপর তাহার ইতিকাফের যে কয়দিন পূর্বে অতিবাহিত হইয়াছে উহা বাদ দিয়া বাকি দিনগুলি ইতিকাফ করবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ অনুরূপ যে স্ত্রীলোকের উপর একাধারে দুই মাসের রোযা ওয়াজিব তাহার যদি ঋতুস্রাব হয়, তৎপর পাক হয়, তবে সে যে রোযা পূর্বে রাখিয়াছিল উহার উপর ভিত্তি করিয়া বাকি রোযা রাখিবে। উহাতে বিলম্ব করিবে না।

    Book 19 · Hadith 6 · #662 · Shadh, Sahih
  7. 7

    রেওয়ায়ত ৮. ইবন শিহাব (রহঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফের অবস্থায় হাজতে ইনসানীর জন্য গৃহে প্রবেশ করিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইতিকাফকারী মাতাপিতার জানাযা এবং তাহারা ব্যতীত অন্য কাহারো জানাযায় শরীক হওয়ার জন্য বাহির হইবে না।

    Book 19 · Hadith 7 · #663 · Sahih
  8. 8

    রেওয়ায়ত ৯. আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের মাঝের দশদিন ইতিকাফ করিতেন। তাহার ইতিকাফের বর্ণনা এই-এক বৎসর তিনি ইতিকাফ করিলেন, অতঃপর যখন একুশের রাত্রি উপস্থিত হইল, সেই রাত্রির ফজরে ইতিকাফ হইতে বাহির হইলেন। তিনি ফরমাইলেনঃ যে ব্যক্তি আমার সাথে ইতিকাফ করিয়াছে, সে যেন শেষের দশ দিনও ইতিকাফ করে। আমি এই রাত্রিতে শবে-কদর মালুম করিয়াছি। তারপর আমাকে উহা ভুলাইয়া দেওয়া হইয়াছে। আমি সেই রাত্রির ভোরবেলা আমাকে পানি ও কাদামাটিতে সিজদা করিতে অনুভব করিয়াছি। তাই তোমরা উহা তালাশ কর শেষের দশদিনে এবং উহার সন্ধান কর প্রতি বিজোড় রাত্রে। আবূ সাঈদ (রাঃ) বলেন, সেই রাত্রিতে বৃষ্টিপাত হয়, আর মসজিদ (তখন) খেজুরের ডালের। তাই বৃষ্টির পানি চুয়াইয়া মেঝেতে পড়িয়াছিল। আবু সাঈদ (রাঃ) বলেনঃ আমার দুই নয়ন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখিয়াছে। তিনি একুশে রাত্রির ফজরের নামায পড়িয়া ফিরিলেন (এই অবস্থায় যে) তাহার ললাট ও নাকে পানি ও কাদামাটির নিশান রহিয়াছে।

    Book 19 · Hadith 8 · #664 · Sahih
  9. 9

    রেওয়ায়ত ১০. উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ রমযানের শেষ দশদিনে তোমরা শবে-কদরের সন্ধান কর।

    Book 19 · Hadith 9 · #665 · Sahih
  10. 10

    রেওয়ায়ত ১১. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত-তোমরা রমযানের শেষের সাত দিনে শবে-কদরের অনুসন্ধান কর।

    Book 19 · Hadith 10 · #666 · Sahih
  11. 11

    রেওয়ায়ত ১২. আবদুল্লাহ ইবন উনায়স জুহানী (রাঃ) হইতে বর্ণিত- তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে আরজ করিলেনঃ আমি এমন এক ব্যক্তি যাহার বাড়ি অনেক দূরে অবস্থিত, তাই আমাকে আপনি একটি রাত বলিয়া দিন যে রাত্রে আমি (ইবাদতের জন্য এই মসজিদে) আগমন করিব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেনঃ তুমি রমযানের তেইশে রাত্রে আগমন কর।

    Book 19 · Hadith 11 · #667 · Sahih
  12. 12

    রেওয়ায়ত ১৩. আনাস ইবন মালিক (রাঃ) বলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহির হইয়া আমাদের নিকট আসিলেন, অতঃপর বলিলেনঃ আমাকে অবশ্য এই রাত্রিটি (শবে-কদর) রমযানে দেখান হইয়াছে, হঠাৎ দুইজন লোক বিতর্কে লিপ্ত হইল, ফলে উহা (আমার স্মৃতি হইতে) তুলিয়া নেওয়া হয়। অতঃপর তোমরা উহাকে তালাশ কর নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাত্রে।

    Book 19 · Hadith 12 · #668 · Sahih
  13. 13

    রেওয়ায়ত ১৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের মধ্যে কিছু লোককে লাইলাতুল কদর স্বপ্নে দেখানো হয় শেষের সাত রাত্রে। তারপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ আমি মনে করি তোমাদের স্বপ্ন শেষের সাতদিনের ব্যাপারে পরস্পর মুয়াফিক (সামঞ্জস্যপূর্ণ) হইয়াছে। অতঃপর যে উহাকে (লাইলাতুল কুদর) তালাশ করে, সে যেন শেষের সাত দিনে উহাকে তালাশ করে।

    Book 19 · Hadith 13 · #669 · Sahih
  14. 14

    রেওয়ায়ত ১৫. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য আহলে ইলমকে বলিতে শুনিয়াছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাহার পূর্ববর্তী লোকদের আয়ু দেখান হয়। অথবা উহা হইতে যতটুকু আল্লাহ চাহিয়াছেন তাহা দেখান হয়। ফলে তিনি যেন তাহার উম্মতের আয়ুকে সংক্ষিপ্ত মনে করিলেন যাহার কারণে আমলের দিক দিয়া তাহারা পূর্ববর্তী ব্যক্তিদের সমপর্যায়ে পৌছিতে সক্ষম হইবে না। অতঃপর আল্লাহ্ তাহাকে হাজার মাস হইতে উত্তম লাইলাতুল কদর প্রদান করেন।

    Book 19 · Hadith 14 · #670 · Daif
  15. 15

    রেওয়ায়ত ১৬. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট সংবাদ পৌছিয়াছে যে, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিতেনঃ যে ব্যক্তি শবে-কদরের ইশার নামাযে উপস্থিত হইয়াছে, সে উহার (শবে-কদর) অংশ প্রাপ্ত হইয়াছে।

    Book 19 · Hadith 15 · #671 · Maqtu Daif
সব বিষয় · Muwatta Malik