The Book of Marriage
- 1
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও মুহাম্মাদ ইবনুল 'আলা আল হামদানী (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... 'আলকামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি 'আবদুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) (রাযিঃ) এর সঙ্গে মিনায় পৌছলাম। এ সময় উসমান (ইবনু আফফান) (রাযিঃ) এসে তার সাথে মিলিত হলেন। তখন তিনি তার সঙ্গে দাঁড়িয়ে কথা বলতে লাগলেন। উসমান (রাযিঃ) তাকে বললেন, হে আবূ আবদুর রহমান! আমরা কি আপনার সঙ্গে এমন একটি যুবতী মেয়ের বিয়ে দিব না, যে হয়ত আপনার অতীত কিছু স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিবে? রাবী বলেন, আবদুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) (রাযিঃ) বললেন, আপনি যদি এ কথা বলেন তবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলেছেনঃ “হে যুব সমাজ! তোমাদের মধ্যে যে দাম্পত্য জীবনের ব্যয়ভার বহন করতে সক্ষম সে যেন বিবাহ করে। কারণ তা (বিবাহ) দৃষ্টিকে নিচু করে এবং লজ্জাস্থানকে সুরক্ষিত করে। আর যে সক্ষম নয় তার সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করা উচিত। কারণ তা তার জন্য যৌন কামনা দমনকারী।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 1 · #3210 - 2
উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আলকামাহ্ (রহঃ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ)-এর সাথে মিনায় হাটছিলাম। এ সময় উসমান ইবনু আফফান (রাযিঃ) তার সাথে সাক্ষাৎ করলেন। রাবী বলেন, তিনি বললেনঃ হে আবূ আবদুর রহমান! এখানে আসুন। রাবী বলেন, তিনি তাকে একান্তে ডেকে নিলেন এবং 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) যখন দেখলেন গোপনীয়তার কোন প্রয়োজন নেই তখন তিনি আমাকে বললেন, হে আলকামাহ! আসো, তখন আমি তাদের সাথে যোগ দিলাম। উসমান (রাযিঃ) তাকে বললেন, হে আবূ আবদুর রহমান! আমরা কি তোমাকে একটি কুমারী মেয়ের সাথে বিবাহ দিব না, হয়ত সে তোমার অতীত স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিবে? আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বললেন, আপনি যদি তাই বলেন...অবশিষ্ট বর্ণনা আবূ মু'আবিয়ার হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 2 · #3211 - 3
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলেছেনঃ হে যুব সমাজ! তোমাদের মধ্যে যে বৈবাহিক জীবনের ব্যয়ভার বহনে সক্ষম সে যেন বিয়ে করে। কারণ তা দৃষ্টিকে নিচু করে দেয় এবং লজ্জাস্থানকে সংরক্ষণ করে। আর যে (ভরণপোষণে) সমর্থ নয়, তাকে অবশ্যই সওম পালন করতে হবে। কারণ তা তার যৌবন কামনা দমনকারী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 3 · #3212 - 4
উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার চাচা আলকামাহ্ ও আল আসওয়াদ (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। এ সময় আমি যুবক ছিলাম। তিনি একটি হাদীস উল্লেখ করলেন। আমি বুঝতে পারলাম যে, তিনি আমাকে লক্ষ্য করেই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আরো আছে, "অতঃপর আমি বিয়ে করতে আর বিলম্ব করিনি।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 4 · #3213 - 5
আবদুল্লাহ ইবনু সাঈদ আল আশাজ্জ (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম এবং আমি ছিলাম দলের মধ্যে সব চাইতে তরুণ। ... উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে এ সূত্রে “অতঃপর আমি বিযে করতে আর বিলম্ব করিনি” কথাটুকু উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 5 · #3214 - 6
আবূ বাকর ইবনু নাফি আল আবদী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতিপয় সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণীদের নিকট তার গোপন ইবাদত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তাদের মধ্যে কেউ বললেন, আমি কখনও বিয়ে করব না, কেউ বললেন, আমি কখনও গোশত খাব না, কেউ বললেন, আমি কখনও বিছানায় ঘুমাব না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন এবং বললেনঃ “লোকদের কী হল যে, তারা এরূপ এরূপ বলছে? অথচ আমি তো সালাত (সালাত/নামাজ/নামায)ও আদায় করি আবার নিদ্ৰাও যাই, সওম পালন করি এবং ইফতারও করি এবং বিয়েও করেছি। অতএব যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে আমার কেউ নয়।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 6 · #3215 - 7
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনুল আলী (রহিমাহুমল্লাহ) ..... সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উসমান ইবনু মাযউন (রাযিঃ) এর নারী সাহচর্য থেকে দূরে থাকার ইচ্ছাকে প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি যদি তাকে অনুমতি দিতেন, তবে আমরা নিজেরা খোজা হয়ে যেতাম।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৭০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 7 · #3216 - 8
আবূ ইমরান মুহাম্মাদ ইবনু জাফার (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সা'দ (ইবনু আবূ ওয়াক্কাস) (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি- উসমান ইবনু মায'উন (রাযিঃ) এর কৌমাৰ্যব্রত অবলম্বনের প্রস্তাব (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক) প্রত্যাখ্যাত হয়। তাকে অনুমতি দেয়া হলে আমরা অবশ্যই নিজেদের খোজা করে নিতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৭১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 8 · #3217 - 9
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন, উসমান ইবনু মাযউন (রাযিঃ) কৌমাৰ্যব্রত অবলম্বনের প্রস্তাব করলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (তা করতে) নিষেধ করে দেন। তিনি যদি তাকে অনুমতি দিতেন তবে অবশ্যই আমরা নিজেদের খোজা করে নিতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৭২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 9 · #3218 - 10
আমর ইবনু আলী (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মহিলাকে দেখলেন। তখন তিনি তার স্ত্রী যায়নাব এর নিকট আসলেন। তিনি তখন তার একটি চামড়া পাকা করায় ব্যস্ত ছিলেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের প্রয়োজন পূরণ করলেন। অতঃপর বের হয়ে সাহাবীগণের নিকট এসে তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোক সামনে আসে শয়ত্বানের বেশে এবং ফিরে যায় শায়ত্বানের বেশে। অতএব তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোক দেখতে পেলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে। কারণ তা তার মনের ভেতর যা রয়েছে তা দূর করে দেয়।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ৩২৭৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 10 · #3219 - 11
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি স্ত্রীলোক দেখলেন...উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে আছেঃ “তিনি নিজ স্ত্রী যায়নাব (রাযিঃ) এর নিকট এলেন, তখন তিনি একটি চামড়া পাকা করছিলেন” এবং “সে শয়ত্বানের বেশে চলে যায়" উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 11 · #3220 - 12
সালামাহ্ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কারো যদি কোন স্ত্রীলোক দেখে মনে কিছু উদয় হয় তখন সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে এবং তার সাথে মিলিত করে। এতে তার মনে যা আছে তা দূর করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 12 · #3221 - 13
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র আল হামদানী (রহঃ) ..... কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে জিহাদে অংশগ্রহণ করতাম এবং আমাদের সঙ্গে আমাদের স্ত্রীগণ থাকত না। আমরা বললাম, আমরা কি খাসী হব না? তিনি আমাদের তা থেকে নিষেধ করলেন। অতঃপর তিনি পরিধেয় বস্ত্র দানের বিনিময়ে আমাদের নির্দিষ্ট কালের জন্য নারীদের বিবাহ করার রুখসত দিলেন। অতঃপর আবদুল্লাহ (রাযিঃ) পাঠ করলেনঃ “হে মুমিনগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য উৎকৃষ্ট যেসব বস্তু হালাল করেছেন, সে সমুদয়কে তোমরা হারাম করো না এবং সীমালঙ্ঘন করো না আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না”— (সূরা আল মায়িদাহ ৫ঃ ৮৭)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 13 · #3222 - 14
উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... ইসমাঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) থেকে এ সানাদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। অতঃপর তিনি উক্ত আয়াত পাঠ করলেন। তিনি বলেননি যে, ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) পড়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 14 · #3223 - 15
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইসমাঈল (রহঃ) থেকে এ সূত্রে উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, আমরা ছিলাম যুবক। তাই আমরা বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমরা কি খাসী হব না? এতে 'জিহাদ' শব্দের উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 15 · #3224 - 16
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ ও সালামাহ্ ইবনুল আকওয়া (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা উভয়ে বলেন, আমাদের সামনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ঘোষক বেরিয়ে এসে বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের মুত'আহ বিবাহ করার অনুমতি দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 16 · #3225 - 17
উমাইয়্যাহ্ ইবনু বিস্তাম আল আয়শী (রহঃ) ..... সালামাহ্ ইবনুল আকওয়া (রাযিঃ) ও জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট এলেন এবং আমাদের মুত্’আর (সাময়িক বিবাহের) অনুমতি দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৮০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 17 · #3226 - 18
হাসান আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আত্বা (রহঃ) বলেন, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) উমরাহ পালন করতে এলেন। তখন আমরা তার আবাসে তার নিকট গেলাম। লোকেরা তার নিকট বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞেস করল। অতঃপর তারা মুত‘আহ সম্পর্কে উল্লেখ করলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এবং আবূ বাকর (রাযিঃ) ও উমার (রাযিঃ) এর যুগে মুত'আহ (বিবাহ) করেছি।*। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৮১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 18 · #3227 - 19
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবূ যুবায়র (রহঃ) বলেন, আমি জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, আমরা এক মুঠো খেজুর অথবা ময়দার বিনিময়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এবং আবূ বাকর (রাযিঃ) এর যুগে মুত'আহ বিবাহ করতাম। শেষ পর্যন্ত উমর (রাযিঃ) আমর ইবনু হুরায়স এর বিষয়টিকে কেন্দ্র করে তা নিষিদ্ধ করেন।*। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৮২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 19 · #3228 - 20
হামিদ ইবনু উমার আল বাকরাবী (রহঃ) ..... আবূ নাযরাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এক ব্যক্তি তার নিকট এসে বলল, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) ও ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) দু' প্রকারের মুত'আহ (তামাতু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও মুত'আহ বিবাহ) নিয়ে পরস্পর মতবিরোধ করছেন। তখন জাবির (রাযিঃ) বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপস্থিতিতে দু' প্রকারের মুত্'আহ করেছি। অতঃপর উমর (রাযিঃ) আমাদের এ উভয়টিই করতে নিষেধ করলেন। অতএব আমরা তা আর করিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৮৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 20 · #3229 - 21
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইয়াস ইবনু সালামাহ্ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (পিতা) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আওত্বাস যুদ্ধের বছর তিন দিনের জন্য মুত'আহ বিবাহের অনুমতি দিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি তা নিষিদ্ধ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৮৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 21 · #3230 - 22
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... রাবী' ইবনু সাবরাহ আল জুহানী (রহঃ) থেকে তার পিতা সাবরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মুত্'আর অনুমতি দিলেন। অতঃপর আমি ও অপর এক ব্যক্তি বানু আমির গোত্রের একটি মহিলার নিকট গেলাম। সে ছিল দেখতে লম্বা ঘাড় বিশিষ্ট তরুণ উষ্ট্রীর ন্যায়। আমরা নিজেদেরকে তার নিকট (মুত্'আহ বিবাহের জন্য) পেশ করলাম। সে বলল, আমাকে কী দিবে? আমি বললাম, আমার চাঁদর। আমার সাথীও বলল, আমার চাঁদর। আমার চাঁদরের তুলনায় আমার সঙ্গীর চাঁদরটি ছিল উৎকৃষ্টতর, কিন্তু আমি ছিলাম তুলনায় কম বয়সের যুবক। সে যখন আমার সঙ্গীর চাঁদরের প্রতি তাকায় তখন তা তার পছন্দ হয় এবং বলল, তুমি এবং তোমার চাঁদরই আমার জন্য যথেষ্ট। অতএব আমি তার সাথে তিনদিন অতিবাহিত করলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কারো কাছে মুত্'আহ বিবাহের সূত্রে কোন স্ত্রী লোক থাকলে সে যেন তার পথ ছেড়ে দেয় (ত্যাগ করে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৮৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 22 · #3231 - 23
আবূ কামিল ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন (রহঃ) ..... রাবী' ইবনু সাবরাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তার পিতা মাক্কাহ্ (মক্কা) বিজয়াভিযানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, আমরা তথায় ১৫ দিন অর্থাৎ পূর্ণ ১৩ দিন এবং এক দিন ও এক রাত অবস্থান করি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মুত্'আর অনুমতি দিলেন। তখন আমি ও আমার গোত্রের এক ব্যক্তি বেরিয়ে পড়লাম। আমি তার তুলনায় আকর্ষণীয় চেহারার অধিকারী ছিলাম এবং সে ছিল প্রায় কুৎসিত। আমাদের উভয়ের সাথে একটি করে চাঁদর ছিল। আমার চাঁদরটি ছিল পুরাতন এবং আমার চাচাতো ভাইয়ের চাঁদরটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন। অবশেষে আমরা মাক্কার (মক্কার) নিম্নভূমিতে অথবা উচ্চভূমিতে পৌছে একটি যুবতী মেয়ের সাক্ষাৎ পেলাম, যাকে দেখতে অনেকটা উঠতি বয়সের চালাক এবং লম্বাঘাড় বিশিষ্ট উষ্ট্রীর মত। আমরা প্রস্তাব দিলাম, আমাদের দু'জনের কারো সাথে তোমার মুত্র'আহ বিবাহ কি সম্ভব? সে বলল, তোমরা কী বিনিময় দিবে? তাদের প্রত্যেকে নিজ নিজ চাঁদর মেলে ধরল। সে তাদের উভয়ের দিকে তাকাতে লাগল। আমার সঙ্গীও তার দিকে তাকাল। যখন স্ত্রীলোকটির দিকে তাকিয়ে বলল, তার এ চাঁদর পুরাতন এবং আমার চাঁদর একেবারে নতুন। স্ত্রীলোকটি তিনবার কি দু’বার বলল, তার চাঁদরটি গ্রহণে কোন ক্ষতি নেই। অতঃপর আমি তাকে মুত'আহ বিবাহ করলাম এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা হারাম ঘোষণা না করা পর্যন্ত ফিরে আসিনি।। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৮৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 23 · #3232 - 24
আহমাদ ইবনু সাঈদ ইবনু সখর আদ দারিমী (রহঃ) ..... সাবরাহ আল জুহানী (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মাক্কাহ (মক্কা) বিজয়ের বছর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মাক্কায় (মক্কায়) রওনা হলাম .....বাকী অংশ উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছে, স্ত্রীলোকটি বলল, “এটা কি ঠিক হবে? তার চাঁদরটি পুরাতন এবং ছিড়ে গেছে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৮৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 24 · #3233 - 25
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... সাবরাহ্ আল জুহানী (রাযিঃ) বলেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলেন। তিনি বললেন, হে লোক সকল! আমি তোমাদেরকে স্ত্রীলোকদের সাথে মুত'আহ বিবাহের অনুমতি দিয়েছিলাম। কিন্তু অচিরেই আল্লাহ তা'আলা তা হারাম করেছেন কিয়ামতের দিন পর্যন্ত। অতএব যার নিকট এ ধরনের বিবাহ সূত্রে কোন স্ত্রীলোক আছে, সে যেন তার পথ ছেড়ে দেয়। আর তোমরা তাদের যা কিছু দিয়েছে তা কেড়ে দিও না।। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৮৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 25 · #3234 - 26
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল আযীয ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে এ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি সাবরাহ আল জুহানী (রাযিঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে (কা’বার) দরজা ও রুকনের মাঝে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি ..... বাকী অংশ উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 26 · #3235 - 27
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবদুল মালিক ইবনু রাবী' ইবনু সাবরাহ আল জুহানী (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (দাদা) বলেন, মাক্কাহ (মক্কা) বিজয়ের বছর আমাদের মাক্কায় (মক্কায়) প্রবেশকালে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মুত'আহ বিবাহের অনুমতি দান করেন। তিনি আমাদের তা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত (নারী সঙ্গ ত্যাগ করে) বের হয়ে আসিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৯০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 27 · #3236 - 28
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সাবরাহ ইবনু মা'বাদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ (মক্কা) বিজয়ের বছর তার সাহাবীগণকে স্ত্রীলোকদের সাথে মুত্'আর অনুমতি দেন। সারাহ (রাযিঃ) বলেন, তখন আমি এবং সুলায়ম গোত্রের আমার এক সাথী বের হয়ে পড়লাম এবং শেষ পর্যন্ত আমি গোত্রের এক যুবতীকে পেয়ে গেলাম। সে ছিল দীর্ঘাঙ্গী যুবতী উটনীর ন্যায়। আমরা তার নিকট মুত'আহ বিবাহের প্রস্তাব দিলাম এবং আমাদের চাঁদর তার সামনে পেশ করলাম। তখন সে তাকিয়ে দেখল এবং আমাকে আমার সঙ্গীর তুলনায় সুন্দর দেখতে পেল, অপরদিকে আমার চাঁদরের তুলনায় আমার সঙ্গীর চাঁদর উৎকৃষ্টতর দেখল। সে মনে মনে কিছুক্ষণ চিন্তা করল। অতঃপর আমার সঙ্গীর চাইতে আমাকে অগ্রাধিকার দিল। তারা আমাদের সাথে তিন দিনের মুত'আহ করল। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বিদায় করে দেয়ার জন্য আমাদের নির্দেশ দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৯১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 28 · #3237 - 29
আমর আন নাকিদ ও ইবনু নুমায়র (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... রাবী' ইবনু সাবরাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুত্'আহ (বিবাহ) করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৯২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 29 · #3238 - 30
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... রাবী' ইবনু সাবরাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ (মক্কা) বিজয়ের দিন মুত্'আহ নিষিদ্ধ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৯৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 30 · #3239 - 31
হাসান আল হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... রাবী' ইবনু সাবরাহ আল জুহানী (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ (মক্কা) বিজয়ের কালে স্ত্রীলোকদের সাথে মুত্'আহ করতে নিষেধ করেছেন। তাঁর পিতা দুটি লাল চাঁদরের বিনিময়ে মুত্'আহ করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৯৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 31 · #3240 - 32
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ...... উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) মাক্কায় (মক্কায়) (ভাষণ দিতে) দাঁড়িয়ে বললেন, কিছু লোক এমন আছে আল্লাহ তা'আলা যেমন তাদের চোখ অন্ধ করে দিয়েছেন তেমনি অন্তরকেও অন্ধ করে দিয়েছেন। তারা মুত'আর পক্ষে ফাতাওয়া দেয়। এ কথা বলে তিনি এক ব্যক্তির প্রতি ইঙ্গিত করলেন। সে ব্যক্তি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)। তাকে ডেকে বললেন, তুমি একটি অসভ্য ও কাণ্ডজ্ঞানহীন ব্যক্তি। আমার জীবনের শপথ! ইমামুল মুত্তাকীন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে মুত'আহ প্রচলিত ছিল। ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) তাকে বললেন, আপনি নিজে একবার করে দেখুন। আল্লাহর শপথ আপনি যদি তা (মুত্'আহ) করেন তাহলে আপনার জন্য নির্ধারিত পাথর দিয়েই আপনাকে রজম (পাথর নিক্ষেপে হত্যা) করব। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনুল মুহাজির ইবনু সাইফুল্লাহ (রহঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি এক ব্যক্তির নিকট বসা ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি এসে তাকে মুত্'আহ সম্পর্কে ফাতাওয়া জিজ্ঞেস করে। তিনি তাকে মুত'আর অনুমতি দিলেন। ইবনু আবূ আমরাহ্ আল আনসারী (রাযিঃ) তাকে বললেন, থামুন। সে বলল, কেন? আল্লাহর শপথ ইমামুল মুত্তাকীন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে তা করা হত। ইবনু আবূ আমারাহ (রাযিঃ) বললেন, ইসলামের প্রাথমিক যুগে নিরুপায় অবস্থায় তার অনুমতি ছিল (যেমন নিরুপায় অবস্থায়) মৃত জীব, রক্ত ও শূকরের (গোশত ভক্ষণের) ন্যায়। অতঃপর আল্লাহ তার দীনকে শক্তিশালী এবং সুদৃঢ় করলেন এবং তা নিষিদ্ধ করলেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, রাবী' ইবনু সাবরাহ আল জুহানী আমাকে জানিয়েছেন যে, তার পিতা বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমি দুটি লাল চাঁদরের বিনিময়ে আমির গোত্রের একটি স্ত্রীলোকের সাথে মুত্'আহ করেছিলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মুত্'আহ করতে নিষেধ করেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) আরও বলেন, আমি রাবী ইবনু সাবরাহকে উমর ইবনু আবদুল আষীয (রহঃ) এর নিকট তা বর্ণনা করতে শুনেছি, আমি তখন (সেখানে) বসা ছিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 32 · #3241 - 33
সালামাহ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... রাবী' ইবনু সাবরাহ আল জুহানী (রহঃ) তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুত্'আহ নিষিদ্ধ করেছেন এবং বলেছেন, সাবধান! আজকের এ দিন থেকে কিয়ামত পর্যন্ত মুত'আহ হারাম। যে কেউ (ইতোপূর্বে) মুত'আহ বাবদ যা কিছু দিয়েছে, সে যেন তা ফেরত না দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৯৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 33 · #3242 - 34
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বরের যুদ্ধের দিন মুত্'আহ ও গৃহপালিত গাধার গোশত নিষিদ্ধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৯৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 34 · #3243 - 35
আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আসমা আয যুবাঈ (রহঃ) ..... মালিক (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে আছে, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আলী বলেন, তিনি আলী ইবনু আবূ তলিব (রাযিঃ) কে জনৈক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বলতে শুনেছেন, তুমি তো সৎপথ থেকে বিচ্যুত। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষিদ্ধ করেছেন ..... উক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৯৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 35 · #3244 - 36
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ইবনু নুমায়র ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের যুদ্ধের দিন মুত'আহ এবং গৃহপালিত গাধার গোশত নিষিদ্ধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৯৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 36 · #3245 - 37
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ‘আলী (রাযি) থেকে বর্ণিত। তিনি শুনতে পেলেন যে, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) নারীদের সাথে মুত্'আর ব্যাপারে কিছুটা শিথিলতা প্রদর্শন করেছেন। আলী (রাযিঃ) বললেন, থামো, হে ইবনু আব্বাস কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের যুদ্ধের দিন মুত্'আহ ও গৃহপালিত গাধার গোশত নিষিদ্ধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩০০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 37 · #3246 - 38
আবূ ত্বহির ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে লক্ষ্য করে আলী (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের যুদ্ধের দিন মুত'আহ এবং গৃহপালিত গাধার গোশত নিষিদ্ধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩০১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 38 · #3247 - 39
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ আল কা'নবী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন স্ত্রীলোক ও তার ফুফুকে এবং কোন স্ত্রীলোক ও তার খালাকে একত্র (একত্রে বিবাহ) করা যাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩০২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 39 · #3248 - 40
মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ইবনুল মুহাজির (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারজন মহিলা গ্রহণের ব্যাপারে এ নিষেধাজ্ঞা করেছেন যে, তাদের যেন কোন স্ত্রীলোক ও তার ফুফুকে এবং কোন স্ত্রীলোক ও তার খালাকে একত্র করা না হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩০৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 40 · #3249 - 41
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনুল কা'নাব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ ভাইঝির উপর তার ফুফুকে বিবাহ করা যাবে না। অনুরূপভাবে খালার উপর বোনঝিকে বিবাহ করা যাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩০৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 41 · #3250 - 42
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন মহিলা ও তার খালাকে একত্রে বিবাহ করতে নিষেধ করেছেন। রাবী শিহাব (রহঃ) বলেন, আমরা মনে করি, পিতার খালা ও পিতার ফুফু এ পর্যায়ের। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩০৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 42 · #3251 - 43
আবূ মা'ন আর রাকাশী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মহিলাকে বিবাহ করা যাবে না তার ফুফুর উপরে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩০৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 43 · #3252 - 44
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩০৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 44 · #3253 - 45
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যেন তার (মুসলিম) ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়, তার ভাইয়ের দরদাম করার উপর দিয়ে দরদাম না করে। ফুফুর উপরে তার ভাইঝিকে এবং খালার উপরে তার বোনঝিকে বিবাহ করা যাবে না। কোন স্ত্রীলোক যেন নিজের পাত্র ভরে নেয়ার জন্য তার বোনের (অন্য স্ত্রী লোকের) তালাক দাবী না করে, বরং সে বিবাহ করুক। কারণ আল্লাহ তার জন্য যা নির্ধারণ করেছেন, সে তা পাবেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩০৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 45 · #3254 - 46
মুহরিয ইবনু আওন ইবনু আবূ আওন (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফুফুর উপরে তার ভাইঝিকে এবং খালার উপর তার বোনঝিকে বিবাহ করতে এবং কোন মহিলাকে তার নিজের পাত্র পূর্ণ করার জন্য তার বোনের তালাকের দাবী করতে নিষেধ করেছেন। কারণ আল্লাহই তার রিযকদাতা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩০৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 46 · #3255 - 47
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার ও আবূ বাকর ইবনু নাফি (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন কোন মহিলা ও তার ফুফুকে একত্র করতে এবং কোন মহিলা ও তার খালাকে একত্র করতে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩১০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 47 · #3256 - 48
মুহাম্মাদ বিন হাতিম (রহঃ) ..... 'আমর ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩১১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 48 · #3257 - 49
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... নুবায়হ ইবনু ওয়াহব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) শায়বাহ্ ইবনু জুবায়রের কন্যার সাথে নিজ পুত্র তলহার বিবাহ দেয়ার মনস্থ করেন। অতএব তিনি উসমান (রাযিঃ) এর পুত্র আবানের কাছে লোক পাঠালেন (তাকে বিবাহ অনুষ্ঠানে যোগদানের দাওয়াত দেয়ার জন্য)। তিনি সেখানে উপস্থিত হলেন। আর তিনি এ সময় আমীরুল হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ছিলেন। আবান বলেন, আমি উসমান ইবনু আফফান (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (হাজ্জ (হজ্জ/হজ) বা উমরাহ পালনের উদ্দেশে) ইহরামধারী ব্যক্তি নিজেও বিবাহ করবে না, অন্যকেও বিবাহ করাবে না এবং বিবাহের প্রস্তাবও দিবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩১২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 49 · #3258 - 50
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আল মুকাদ্দামী (রহঃ) ..... নুবায়হ ইবনু ওয়াহব (রহঃ) বলেন, উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ ইবনু মা'মার আমাকে আ'বান ইবনু উসমানের নিকট পাঠালেন এ উদ্দেশে যে, তিনি নিজ পুত্রের সাথে শায়বাহ্ ইবনু উসমানের কন্যার বিবাহের প্রস্তাব দেয়ার মনস্থ করেছিলেন। তিনি (আ'বান) তখন হাজের (হজ্জের/হজের) দায়িত্বে ছিলেন। তিনি বললেন, আমি তো তাকে বেদুঈনের মতো আচরণ করতে দেখেছি।" কারণ (এটাতো সাধারণ জ্ঞানের ব্যাপার যে) ইহরাম বস্ত্র পরিহিত ব্যক্তি না বিবাহ করতে পারে, না বিবাহ করাতে পারে।" রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ হাদীস উসমান (রাযিঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩১৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 50 · #3259 - 51
আবূ গাসসান মিসমাঈ ও আবূল খাত্ত্বাব যিয়াদ ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... উসমান ইবনু আফফান (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-বলেছেনঃ মুহরিম ব্যক্তি না বিবাহ করবে, না বিবাহ করাবে, আর না বিবাহের প্রস্তাব দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩১৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 51 · #3260 - 52
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আমর আন্ নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমুল্লাহ) ... উসমান (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুহরিম ব্যক্তি বিবাহ করবে না এবং বিবাহের প্রস্তাবও দিবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩১৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 52 · #3261 - 53
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনুল লায়স (রহঃ) ..... নুবায়হ ইবনু ওয়াহব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ ইবনু মা'মার হাজ্জের (হজ্জের/হজের) মৌসুমে শায়বাহ্ ইবনু জুবায়রের কন্যার সাথে নিজ পুত্র ত্বলহার বিবাহ দেয়ার মনস্থ করলেন। এ সময় আ'বান ইবনু উসমান ছিলেন আমীরুল হাজ্জ। অতএব তিনি (উমার) তার নিকট এ কথা বলে পাঠালেন, আমি ত্বলহাহ ইবনু উমারের বিবাহ দিতে ইচ্ছা করেছি। অতএব আমি বিবাহ অনুষ্ঠানে আপনার উপস্থিতি কামনা করি। আ'বান (রহঃ) তাকে বললেন, আমি তো তোমাকে নির্বোধ ইরাকীর মতো আচরণ করতে দেখছি। নিশ্চিত আমি উসমান ইবনু আফফান (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইহরামধারী ব্যক্তি বিবাহ করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩১৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 53 · #3262 - 54
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ইবনু নুমায়র ও ইসহাক আল হানযালী (রহিমাহুমুল্লাহ) ... আবূ শা'সা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) তাকে অবহিত করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহরিম অবস্থায় (মায়মূনাকে) বিবাহ করেছেন। ইবনু নুমায়রের বর্ণনায় আরো আছেঃ আমি (ইবনু নুমায়র) যুহরীর নিকট এ হাদীস বর্ণনা করলে তিনি বলেন, আমাকে ইয়াযীদ ইবনুল আসাম অবহিত করেছেন যে, “তিনি ইহরামমুক্ত অবস্থায় তাকে বিবাহ করেছেন।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩১৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 54 · #3263 - 55
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরামের অবস্থায় মায়মূনাহ (রাযিঃ) কে বিবাহ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩১৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 55 · #3264 - 56
আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইয়াযীদ ইবনুল আসাম (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হারিসের কন্যা মায়মূনাহ্ (রাযিঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম মুক্ত অবস্থায় তাকে বিবাহ করেন। তিনি আরও বলেন, তিনি ছিলেন আমার খালা এবং ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)-এরও খালা।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩১৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 56 · #3265 - 57
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন অন্যের দামাদামীর উপর দর বাড়িয়ে না বলে এবং অন্যের বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩২০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 57 · #3266 - 58
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যক্তি যেন তার ভাইয়ের দর দামের উপর দরদাম না করে এবং তার বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়। তবে সে অনুমতি দিলে (তা জায়িয)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩২১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 58 · #3267 - 59
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে (এ হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩২২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 59 · #3268 - 60
আবূ কামিল (রহঃ) ..... নাফি’ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে (অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩২৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 60 · #3269 - 61
আমর আন নাকিদ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু আবূ উমার (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন- গ্রামের লোকদের পক্ষ থেকে পণ্য দ্রব্য শহরের লোকদের বিক্রয় করে দিতে, অথবা কৃত্রিম ক্রেতা সেজে দাম বাড়িয়ে বলতে, একজনের বিয়ের প্রস্তাবের উপর অপরজনের প্রস্তাব দিতে, একজনের ক্রয়-বিক্রয়ের দরদাম করার উপর অপরজনের দরদাম করতে এবং কোন স্ত্রীলোককে স্বীয় পাত্র পূর্ণ করার উদ্দেশে অপর স্ত্রীলোকের তলাক (তালাক) দাবী করতে। "আমরের বর্ণনায় আরো আছেঃ “একজনের দর করার উপর অপরজনকে দর বাড়িয়ে বলতে।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩২৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 61 · #3270 - 62
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (ক্রয়ের ইচ্ছা না থাকলে দালালী করার উদ্দেশে) দাম বাড়িয়ে বলবে না, কোন ব্যক্তি যেন তার ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ক্রয়-বিক্রয় না করে, শহরবাসী যেন গ্রামবাসীর পণ্য বিক্রয় না করে, কোন ব্যক্তি যেন তার ভাই এর বিয়ের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয় এবং কোন স্ত্রীলোক যেন নিজের পাত্র পূর্ণ করার জন্য অপর স্ত্রীলোকের তলাক (তালাক) দাবী না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩২৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 62 · #3271 - 63
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে এ সানাদের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে মা'মারের বর্ণনায় আছেঃ “কোন ব্যক্তি যেন ক্রয়-বিক্রয়ে তার ভাইয়ের দামের উপর দিয়ে দাম বাড়িয়ে না বলে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩২৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 63 · #3272 - 64
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতায়বাহ ও ইবনু হুজুর (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন মুসলিম যেন অপর মুসলিমের দামের উপর দাম না করে এবং তার বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩২৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 64 · #3273 - 65
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তারা “তার ভাইয়ের দামের উপর” এবং "তার ভাইয়ের প্রস্তাবের উপর" কথা দুটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩২৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 65 · #3274 - 66
আবূ ত্বাহির (রহঃ) ..... উকবাহ ইবনু আমির (রাযিঃ) মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুমিন ব্যক্তি অপর মুমিন ব্যক্তির ভাই। অতএব মুমিনের জন্য তার ভাইয়ের দামের উপর দাম বলা এবং তার ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব দেয়া হালাল নয়। তবে সে (নিজের প্রস্তাব) প্রত্যাহার করলে স্বতন্ত্র কথা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩২৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 66 · #3275 - 67
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিগার পদ্ধতির বিবাহ নিষিদ্ধ করেছেন। শিগার হল- কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার কন্যাকে অপর ব্যক্তির নিকট এ শর্তে বিবাহ দেয়া যে, শেষোক্ত ব্যক্তি তার কন্যাকে প্রথমোক্ত ব্যক্তির নিকট বিবাহ দিবে এবং তাদের মধ্যে মাহর দেয়া হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৩০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 67 · #3276 - 68
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে এ সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে উবায়দুল্লাহর বর্ণনায় আছে, তিনি বলেনঃ “আমি নাফি (রহঃ) এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, শিগার কী?" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৩১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 68 · #3277 - 69
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিগার নিষিদ্ধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৩২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 69 · #3278 - 70
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ "ইসলামে শিগার নেই"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৩৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 70 · #3279 - 71
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিগার পদ্ধতির বিবাহ নিষিদ্ধ করেছেন। ইবনু নুমায়রের বর্ণনায় আরো আছেঃ “শিগার এই যে, কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলে, তোমার কন্যাকে আমার সাথে বিবাহ দাও এবং আমিও আমার কন্যাকে তোমার সাথে বিবাহ দিব। তোমার বোনকে আমার সাথে বিবাহ দাও, আমিও তোমার সাথে আমার বোনকে বিবাহ দিব।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৩৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 71 · #3280 - 72
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে ইবনু নুমায়রের অতিরিক্ত বর্ণনা উল্লেখিত হয়নি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 72 · #3281 - 73
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিগার পদ্ধতির বিবাহ নিষিদ্ধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৩৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 73 · #3282 - 74
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, ইবনু নুমায়র, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... উকবাহ ইবনু আমির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ শর্ত যা অবশ্যই পূরণ করতে হবে- তা হচ্ছে সে শর্ত যার মাধ্যমে তোমরা (স্ত্রীদের) লজ্জাস্থান বৈধ করে নিয়েছো।" হাদীসের মূল পাঠে উদ্ধৃত শব্দাবলী আবূ বাকর ও ইবনুল মুসান্নার বর্ণনা থেকে গৃহীত। তবে ইবনুল মুসান্নার বর্ণনায় “শর্তাবলী” উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 74 · #3283 - 75
উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পূর্ব বিবাহিতাকে তার সুস্পষ্ট অনুমতি না নিয়ে এবং কুমারীকে তার সম্মতি না নিয়ে বিবাহ দেয়া যাবে না। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! তার (কুমারীর) সম্মতি কিভাবে নেয়া যাবে? তিনি বললেন, সে নীরব থাকলে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 75 · #3284 - 76
যুহায়র ইবনু হারব, ইবরাহীম ইবনু মূসা, যুহায়র ইবনু হারব, ‘আমর আন্ নাকিদ, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ও 'আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান আদ দারিমী (রহিমাহুমুল্লাহ) সকলেই ..... ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) থেকে এ সানাদে হিশামের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। হিশাম, শায়বান ও মু'আবিয়াহ ইবনু সাল্লাম- এ হাদীসে তাদের শব্দ অভিন্ন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 76 · #3285 - 77
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞেস করলামঃ যে মেয়েকে তার অভিভাবক বিবাহ দেয়, তার নিকট থেকেও সম্মতি নিতে হবে কি না? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ হ্যাঁ, তার সম্মতি নিতে হবে। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি তাকে পুনর্বার বললাম, সে তো লজ্জায় পড়বে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার নীরবতাই তার সম্মতি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 77 · #3286 - 78
সাঈদ ইবনু মানসূর, কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পূর্ব বিবাহিতা তার (নিজের বিবাহের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে) নিজের ব্যাপারে অভিভাবকের তুলনায় অধিক হকদার। কুমারীকে তার থেকে তার ব্যাপারে সম্মতি নিতে হবে, তার নীরবতাই তার সম্মতি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 78 · #3287 - 79
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পূর্ব বিবাহিতা তার নিজের ব্যাপারে তার অভিভাবকের তুলনায় অধিক কর্তৃত্বসম্পন্ন এবং কুমারীর সম্মতি নিতে হবে। নীরবতাই তার সম্মতি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 79 · #3288 - 80
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... সুফইয়ান (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, পূর্ব বিবাহিতা তার নিজের (বিবাহের) ব্যাপারে তার অভিভাবকের তুলনায় অধিক কর্তৃত্বসম্পন্ন এবং পিতা কুমারী কন্যার নিজের ব্যাপারে তার সম্মতি নিবে। নীরবতাই তার সম্মতি। কখনও তিনি বলেছেন, তার নীরবতাই তার স্বীকৃতি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 80 · #3289 - 81
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা ও আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহু (রহিমাছমাল্লাহ) ... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বিয়ে করেছেন, আমার বয়স তখন ছয় বছর। তিনি আমাকে নিয়ে বাসর ঘরে যান, তখন আমার বয়স নয় বছর। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমরা হিজরাত করে মাদীনায় পৌছার পর আমি একমাস যাবৎ জ্বরে আক্রান্ত ছিলাম এবং আমার মাথার চুল পড়ে গিয়ে কানের কাছে (কিছু) থাকে। (আমার মা) উম্মু রূমান আমার নিকট এলেন, আমি তখন একটি দোলনার উপরে ছিলাম এবং আমার কাছে আমার খেলার সাখীরাও ছিল। তিনি আমাকে উচ্চস্বরে ডাকলেন, আমি তার নিকট গেলাম। আমি বুঝতে পারিনি যে, তিনি আমাকে নিয়ে কী করবেন। তিনি আমার হাত ধরে আমাকে দরজায় নিয়ে দাঁড় করালেন। আমি তখন বলছিলাম, আহ, আহ। অবশেষে আমার উদ্বেগ দূরীভূত হল। তিনি আমাকে একটি ঘরে নিয়ে গেলেন। সেখানে আনসার মহিলাগণ উপস্থিত ছিলেন। তারা সকলে আমার কল্যাণ ও রহমতের জন্য দুআ করলেন এবং আমার সৌভাগ্য কামনা করলেন। তিনি (মা) আমাকে তাদের নিকট সমর্পণ করলেন। তারা আমার মাথা ধুয়ে দিলেন এবং আমাকে সুসজ্জিত করলেন। আমি কোন কিছুতে ভীত শংকিত হইনি। চাশতের সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন এবং তারা আমাকে তার নিকট সমর্পণ করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 81 · #3290 - 82
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইবনু নুমায়র (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার ছয় বছর বয়সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বিবাহ করেন এবং আমার নয় বছর বয়সে তিনি আমার সঙ্গে বাসর যাপন করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 82 · #3291 - 83
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তার সাত বছর বয়সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বিবাহ করেন। তাকে নয় বছর* বয়সে তার ঘরে বধুবেশে নেয়া হয় এবং তার সঙ্গে তার খেলার পুতুলগুলোও ছিল। তাঁর আঠারো বছর বয়সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 83 · #3292 - 84
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহিমাহুমুল্লাহ) ... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, তার ছয় বছর বয়সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বিবাহ করেন, তার নয় বছর বয়সে তিনি তাকে নিয়ে বাসর যাপন করেন এবং আঠারো বছর বয়সে তিনি ইন্তিকাল করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 84 · #3293 - 85
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমাল্লাহ) .... আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে শাওয়াল মাসে বিবাহ করেন এবং শাওয়াল মাসে আমার সাথে প্রথম মিলিত হন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন স্ত্রী তার নিকট আমার চাইতে অধিক সম্ভোগ্য ছিলেন? আয়িশাহ্ (রাযিঃ) তার বংশের মেয়েদের শাওয়াল মাসে বাসর ঘরে পাঠানো উত্তম মনে করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 85 · #3294 - 86
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... সুফইয়ান (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কর্মপন্থা উল্লেখিত হয়নি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 86 · #3295 - 87
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি তার নিকট এসে তাকে বলল যে, সে আনসার সম্প্রদায়ের এক মেয়েকে বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি কি তাকে একবার দেখেছে? সে বলল, না। তিনি বললেন, যাও! তুমি তাকে এক নযর দেখে নাও। কারণ আনসারদের চোখে কিছুটা ক্রটি আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 87 · #3296 - 88
ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলল, আমি জনৈকা আনসারী মহিলা বিবাহ করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি কি দেখে নিয়েছিলে? কেননা আনসারদের চোখে ক্রটি থাকে। লোকটি বললো, আমি তাকে দেখে নিয়েছি। তিনি বললেন, কী পরিমাণ বিনিময়ে তুমি তাকে বিবাহ করেছো? লোকটি বললো, চার উকিয়ার বিনিময়ে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, চার উকিয়ার বিনিময়ে? মনে হয় তোমরা পাহাড়ের পার্শ্বদেশ থেকে রৌপ্য খুঁড়ে এনে থাক। আমাদের নিকট এমন কিছু নেই যা দিয়ে তোমাকে দান করতে পারি। তবে আমি তোমাকে শীঘ্রই একটি যুদ্ধাভিযানে পাঠিয়ে দিচ্ছি যার লব্ধ গনীমাত থেকে তুমি একাংশ লাভ করতে পারবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বানু আব্স-এর বিরুদ্ধে একটি অভিযান দল প্রেরণ করেন যার সাথে তিনি ঐ লোকটিকে পাঠিয়ে দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 88 · #3297 - 89
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ আস্ সাকাফী ও কুতায়বাহ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... সাহল ইবনু সাদ আস্ সাইদী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি নিজেকে আপনার জন্য হিবা করছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে লক্ষ্য করলেন এবং দৃষ্টি উপরের দিকে উঠিয়ে নিচে নামালেন। অতঃপর তিনি তার শির মুবারক নত করলেন। মহিলা যখন বুঝতে পারল যে, তার সম্বন্ধে কোন সিদ্ধান্তে পৌছেননি, তখন সে বসে পড়ল। অতঃপর জনৈক সাহাবী দাঁড়িয়ে আরয করল, হে আল্লাহর রসূল! যদি আপনার প্রয়োজন না হয় তাহলে তাকে আমার সাথে বিবাহ দিয়ে দিন। তিনি বললেন, তোমার কাছে কি কিছু আছে? সাহাবী বললেন, না, আল্লাহর কসম হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন, তুমি বাড়ী যাও দেখ, কোন কিছু পাও কিনা। সাহাবী বাড়ি গিয়ে আবার ফিরে এসে বলল, আল্লাহর কসম, আমি বাড়িতে কোন কিছুই পাইনি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ দেখ, লোহার আংটি হলেও (পাও কিনা)। সাহাবী আবার গেল এবং ফিরে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম, আমি লোহার একটি আংটিও পাইনি। তবে আমার এ লুঙ্গিটি আছে। (বর্ণনাকারী) সাহল (রাযিঃ) বলেন, তার চাঁদরও ছিল না- যাতে অর্ধেক মহিলাটির জন্য হয়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তোমার লুঙ্গি দ্বারা কী করবে? তা যদি তুমি পর তাহলে স্ত্রীর জন্য সেটির কোন অংশ অবশিষ্ট থাকবে না। আর যদি সে তা পরিধান করে তাহলে (তোমার জন্য) সেটির কোন অংশ অবশিষ্ট থাকবে না। এরপর সে ব্যক্তি বসে রইল। অনেক ক্ষণ বসার পর উঠে গেল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ফিরে যেতে দেখে ডেকে পাঠালেন। যখন সে এল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কুরআনের কোন অংশ তোমার জানা আছে? উত্তরে সে বললঃ অমুক সূরা, অমুক সূরা আমার জানা আছে। এভাবে সে সূরাগুলোর সংখ্যা বলে দিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি এগুলো মুখস্থ পাঠ করতে পার? সাহাবী বলল, হাঁ। তিনি বললেন, যাও, তোমাকে এসব সূরার কারণে এ মহিলাকে তোমার অধিকারে দিয়ে দিলাম। এ হল ইবনু আবূ হাযিম এর বর্ণনা। আর ইয়াকুব এর বর্ণনা শব্দের দিকে দিয়ে এর কাছাকাছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 89 · #3298 - 90
খালাফ ইবনু হিশাম, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আবূ হাযিম (রহঃ) এর সূত্রে সাহল ইবনু সা'দ (রাযিঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেন। অবশ্য কেউ কেউ একে অপর থেকে বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন। তবে যায়িদাহ এর হাদীসে রয়েছে, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি যাও, আমি তোমার সাথে একে বিবাহ দিলাম। তুমি তাকে কুরআন শিক্ষা দাও।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 90 · #3299 - 91
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ উমার আল মাক্কী (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ সালামাহ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়িশাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিবাহে মাহর কী পরিমাণ ছিল? তিনি বললেন, তার বিবিগণের মাহরের পরিমাণ ছিল বারো উকিয়্যাহ্ ও এক নাশ। তিনি বললেন, তুমি কি জান এক নাশ এর পরিমাণ কতটুকু? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, এক নাশ এর পরিমাণ হল আধা উকিয়্যাহ। সুতরাং মোট হল পাঁচশত দিরহাম। এ ছিল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণীগণের মাহর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 91 · #3300 - 92
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামিমী, আবূ রাবী’, সুলায়মান ইবনু দাউদ আল আতাকী ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) এর কাপড়ে হলদে রং দেখে বললেন, একি? তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি খেজুরের আঁটির সমপরিমাণ সোনার বিনিময়ে এক মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি বললেন, আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন, তুমি ওয়ালীমাহ কর, যদিও একটি বকরী দ্বারা হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 92 · #3301 - 93
মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ গুবারী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) খেজুরের আঁটি পরিমাণ সোনার বিনিময়ে (মুহরানা দিয়ে) বিবাহ করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালীমাহ কর, যদি তা একটি বকরী দ্বারাও হয়।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 93 · #3302 - 94
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) খেজুরের আঁটি পরিমাণ সোনার (মুহরানার) বিনিময়ে এক মহিলাকে বিবাহ করেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালীমাহ কর, যদি একটি বকরী দিয়েও হয়।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 94 · #3303 - 95
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও আহমাদ ইবনু খিরাশ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... শু'বাহ সূত্রে হুমায়দ থেকে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তবে ওয়াহব-এর হাদীসের রয়েছে, ‘আবদুর রহমান (রাযিঃ) বললেনঃ আমি এক মহিলাকে বিবাহ করেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 95 · #3304 - 96
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু কুদামাহ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার চেহারায় বাসর যাপনের প্রফুল্লতা দেখতে পেলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি এক আনসার মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি বললেন, তুমি তাকে কী পরিমাণ মাহর দিয়েছো? আমি বললাম, এক নাওয়াত (এক খেজুর পরিমাণ স্বর্ণ)। ইসহাক্ক (রহঃ)-এর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেনঃ ‘এক খেজুর পরিমাণ স্বর্ণের’। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 96 · #3305 - 97
ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবদুর রহমান (রাযিঃ) খেজুরের একটি আঁটি পরিমাণ স্বর্ণের বিনিময়ে (মহরানা দিয়ে) এক মহিলাকে বিবাহ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 97 · #3306 - 98
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... শুবাহ্ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তবে এতে রয়েছে, তিনি বললেনঃ আবদুর রহমান ইবনু আওফ এর কোন এক সন্তান مِنْ ذَهَبٍ (স্বর্ণের) শব্দও বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 98 · #3307 - 99
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের যুদ্ধে যান। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বারের কাছে অন্ধকার থাকতেই ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলাম। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবূ তলহাহ্ (রাযিঃ) সওয়ার হলেন। আমি ছিলাম আবূ তলহাহ (রাযিঃ) এর রাদীফ (তার বাহনে তার পশ্চাতে উপবিষ্ট) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের গলি দিয়ে রওনা দিলেন। এ সময় আমার হাঁটু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উরুদেশ স্পর্শ করছিল এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উরু থেকে লুঙ্গী সরে যাচ্ছিল। আর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উরুর শুভ্রতা দেখছিলাম। যখন তিনি বস্তিতে প্রবেশ করলেন তখন বললেন, আল্লাহু আকবার, খায়বার ধ্বংস হোক। বস্তুত আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙ্গিনায় অবতরণ করি তখন সতর্ককৃতদের প্রভাত হবে কত মন্দ। এ কথা তিনি তিনবার বলেন। বর্ণনাকারী বলেন, ঐ সময় লোকজন তাদের কাজে বের হচ্ছিল। তারা বলতে লাগলো, মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এসেছেন)। বর্ণনাকারী আবদুল আযীয বলেন, আমাদের কোন কোন উস্তায বলেছেন, "পুরো বাহিনী সহ"। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বার জয় করলাম এবং বন্দীদের একত্রিত করা হল। তখন দিহইয়া (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কয়েদীদের মধ্যে থেকে আমাকে একজন দাসী প্রদান করুন। তিনি বললেনঃ যাও, একজন দাসী নিয়ে নাও। তিনি সফিয়্যাহ বিনত হুয়াইকে নিয়ে নিলেন। তখন এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর নবী! আপনি বানু কুরায়যাহ ও বানু নাযার এর সর্দার হুয়াইয়ের কন্যা সফিয়্যাকে দিহইয়াকে দিয়ে দিয়েছেন। ইনি একমাত্র আপনারই উপযুক্ত হতে পারে। তিনি বললেন, তাকে সফিয়্যাহসহ ডাক। তারপর দিহ্ইয়া (রাযিঃ) সফিয়্যাহসহ উপস্থিত হলেন। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রতি দৃষ্টিপাত করলেন, তখন তিনি দিহইয়া (রাযিঃ) কে বললেন, তুমি সফিয়াহ ব্যতীত কয়েদীদের মধ্য থেকে অন্য কোন দাসী নিয়ে নাও। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি সফিয়াকে আযাদ করলেন এবং তাকে বিবাহ করলেন। আনাসকে লক্ষ্য করে সাবিত (রাযিঃ) বললেন, হে আবূ হামযাহ! তিনি তাকে কী মাহর দিলেন? তিনি বললেন, তিনি তার সত্তাকে মুক্তি দান করেন এবং এর বিনিময়ে তাকে বিবাহ করেন। তারপর তিনি যখন (ফেরার) পথে ছিলেন তখন উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) সফিয়্যাহ (রাযিঃ) কে তার জন্য প্রস্তুত করেন এবং রাতে তার কাছে পাঠিয়ে দেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সঙ্গে বাসর উদযাপনের পর ভোর হলে তিনি ঘোষণা করলেন, যার নিকট যা কিছু আছে তা নিয়ে যেন উপস্থিত হয়। আর তিনি চামড়ার বড় দস্তরখান বিছালেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা শুনে কেউ পানীয়, কেউ খেজুর ও কেউ ঘি নিয়ে হাযির হল। তারপর এসব মিলিয়ে তারা হায়স তৈরি করেন। আর তাই ছিল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওয়ালীমাহ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 99 · #3308 - 100
আবূ রবী আয যাহরানী, কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ আল গুবারী, যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আনাস (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি সফিয়্যাকে আযাদ করলেন এবং তার আযাদ করাকে মাহর ধার্য করলেন। অপর এক হাদীসে মু'আয তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফিয়্যাকে বিবাহ করেন এবং তার আযাদ করাটাই ছিল মাহর।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 100 · #3309 - 101
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বারের যুদ্ধে আমি আবূ তলহাহ্ (রাযিঃ) এর পিছনে সওয়ার ছিলাম। আমার পা তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কদম মুবারক স্পর্শ করছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা সূর্যোদয়ের সময় খায়বারবাসীদের নিকট পৌছলাম। তারা তখন চতুষ্পদ জন্তু, কোদাল, বস্তু ও রশি নিয়ে বের হচ্ছিল। তারা বলতে লাগলো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পঞ্চবাহিনী (পূর্ণ বাহিনী) নিয়ে এসে গেছেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ খায়বার ধ্বংস হোক, আমরা যখন কোন শক্র দলের আঙ্গিণায় অবতরণ করি তখন সতর্কীকৃত লোকদের প্রভাত হয় মন্দ। বর্ণনাকারী বলেন, (ঐ অভিযানে) আল্লাহ তাদের পরাজিত করেছেন। দিহইয়া (রাযিঃ) এর ভাগে পড়ে সুন্দরী দাসী। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাতজন দাসের বিনিময়ে সে দাসীকে খরিদ করে নেন। অতঃপর তিনি তাকে উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) এর হাওয়ালা করেন যাতে তিনি তাকে ঠিকঠাক করে প্রস্তুত করে দেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় রাবী এ কথাও বলেছেন, সে যেন তার ঘরে ইদ্দাত (ইদ্দত) পূর্ণ করে। তিনি ছিলেন হুয়াইর কন্যা সফিয়াহ। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ খেজুর, পানীয় ও ঘি দিয়ে তার ওয়ালীমাহ করলেন। এ উদ্দেশে জমিনের কিছু অংশ গর্ত আকারের করে তাতে চামড়ার বড় দস্তরখান বিছিয়ে দেয়া হয়। এতেই পানীয় ও ঘি রাখা হয়। সকলেই তা তৃপ্তির সাথে আহার করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা বলতে লাগলঃ আমরা জানি না, তিনি তাকে বিবাহ করলেন, না উম্মু ওয়ালাদ (দাসী) রূপে গ্রহণ করলেন। আবার কয়েকজন বলতে লাগল, যদি তিনি তার পর্দার ব্যবস্থা না করেন তবে তিনি তার উম্মু ওয়ালাদ। তিনি যখন বাহনে সওয়ার হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন তার জন্য পর্দার ব্যবস্থা করলেন। এরপর সফিয়্যাহ (রাযিঃ) উটের পিছনের দিকে বসলেন। তখন লোকেরা জানতে পারল যে, তিনি তাকে বিবাহ করেছেন। সাহাবীগণ যখন মদীনার নিকটবর্তী হলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন দ্রুত অগ্রসর হতে থাকলেন এবং আমরাও দ্রুত চললাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আদবা নামক উষ্ট্রী হোচট খেলে তিনি উটের পিঠ থেকে জমিনে পড়ে গেল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমিনে পড়ে যান এবং সফিয়াহ (রাযিঃ)ও পড়ে যান। তিনি দাঁড়িয়ে সফিয়্যাহ (রাযিঃ) কে পর্দার দ্বারা আবৃত করে দেন। এ দেখে কতিপয় মহিলা বলতে লাগল, ইয়াহুদী মহিলাকে আল্লাহ তার রহমত থেকে বঞ্চিত করুন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে আবূ হামযাহ! সত্যিই কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটনী থেকে জমিনে পড়ে গিয়েছিলেন? তিনি শপথ করে বললেন, হ্যাঁ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 102 · #3310 - 102
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবদুল্লাহ ইবনু হাশিম ইবনু হাইয়্যান (রহিমাহমাল্লাহ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সফিয়াহ (রাযিঃ) দিহইয়া (রাযিঃ) এর ভাগে পড়েন। লোকেরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তার প্রশংসা করে বলতে লাগলো, আমরা কয়েদীদের মধ্যে তার কোন জুড়ি দেখিনি। আনাস (রাযিঃ) বলেন, তখন তিনি দিহইয়াকে ডেকে পাঠালেন এবং সফিয়্যার বদলে তাকে যা তিনি চাইলেন তা দিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি সফিয়্যাকে আমার মা (উম্মু সুলায়ম)-এর কাছে দিয়ে বললেন, তুমি তাকে (সাজিয়ে) ঠিকঠাক করে দাও। আনাস (রাযিঃ) বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার থেকে বের হয়ে পড়লেন। যখন ছেড়ে আসলেন তখন অবতরণ করলেন। অতঃপর সফিয়্যার উপর একটি তাঁবু খাটিয়ে দিলেন। ভোরে উঠে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যার কাছে উদ্ধৃত্ত খাদ্য আছে সে যেন তা আমার কাছে নিয়ে আসে। আনাস (রাযিঃ) বলেন, তখন লোকজন তার উদৃত্ত খেজুর এবং উদ্ধৃত্ত ছাতু আনতে লাগল। এমনকি এগুলোর একটি স্তুপ পরিমাণ জমা করে হায়স তৈরি করল। অতঃপর সকলে হায়স থেকে খেতে লাগল এবং বৃষ্টির পানির হাওয থেকে তারা পানি পান করতে লাগল। বর্ণনাকারী (সাবিত) বলেন, আনাস (রাযিঃ) বলেন, তাই ছিল সফিয়্যাহ (রাযিঃ) এর ওয়ালীমাহ। তিনি বলেন, অতঃপর আমরা রওনা দিলাম এবং যখন মাদীনার প্রাচীরগুলো দেখতে পেলাম তখন মাদীনার জন্য আমাদের মন উৎফুল্ল হয়ে উঠলো। আমরা আমাদের সওয়ারগুলোকে দ্রুত চালনা করলাম এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সওয়ারীকে দ্রুত চালালেন। আনাস (রাযিঃ) বলেন, সফিয়্যাহ তার পিছনে তার সাথে সওয়ার করে গিয়েছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উটনী হোচট খায়। ফলে তিনি ও সফিয়্যাহ (রাযিঃ) পড়ে যান। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা কেউ তার ও সফিয়্যার দিকে দৃষ্টিপাত করেননি। ইতোমধ্যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে তাকে আবৃত করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা মাদীনায় প্রবেশ করলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অপরাপর সহধর্মিণীগণ বের হয়ে সফিয়্যাকে একজন আর একজনকে দেখাতে লাগলেন এবং তার মাটিতে পড়ে যাওয়ার কারণে আফসোস করতে লাগলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 104 · #3311 - 103
(খ]/১৪২৮) আনাস (রাযিঃ) বলেন, আমি নিজে যায়নাব (রাযিঃ) এর ওয়ালীমাহ অনুষ্ঠানে ছিলাম। সে অনুষ্ঠানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের তৃপ্তি সহকারে রুটি ও গোশত আহার করিয়ে ছিলেন। সে ওয়ালীমার দা'ওয়াত দেয়ার জন্য তিনি আমাকে পাঠিয়েছিলেন। তিনি যখন ওয়ালীমার কাজ শেষ করে উঠলেন আমিও তার পিছনে চললাম। তখনও দু'জন লোক ঘরে কথাবার্তায় ব্যস্ত রইল, তারা বের হল না। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার স্ত্রীগণের নিকট গেলেন এবং প্রত্যেককেই 'আসসালামু আলায়কুম' বলে সালাম জানিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে গৃহবাসী! তোমরা কেমন আছো? উত্তরে প্রত্যেকেই বলেন, “আমরা ভাল আছি, হে আল্লাহর রসূল! আপনি আপনার নব পরিণীতাকে কেমন পেয়েছেন? বললেন, ভালই। তিনি যখন এ কাজ শেষ করে ফিরে এলেন আমিও তার সঙ্গে ফিরে এলাম। যখন তিনি দরজার কাছে এলেন- দেখলেন যে, সে দু'জন আলোচনায় রত আছে। তারা তাকে ফিরে যেতে দেখে উঠে চলে গেল। আনাস (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ আমার মনে নেই, ঘর থেকে ঐ দু'জন লোকের বের হয়ে যাওয়ার কথা আমি তাকে জানিয়ে ছিলাম, না এ ব্যাপারে তার উপর ওয়াহী নাযিল হয়েছিল। তিনি আবার ফিরে এলেন এবং আমিও তার সঙ্গে ফিরে এলাম। যখন তিনি দরজার চৌকাঠে পা রাখলেন তখন তিনি আমার ও তার মাঝে পর্দা টেনে দিলেন, আর আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করেন "তোমরা নবীর ঘরে তার বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করবে না।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 103 · #3312 - 104
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মায়মুন ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন যায়নাব (রাযিঃ) এর ইদ্দাত (ইদ্দত) পূর্ণ হল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়দ (রাযিঃ) কে বললেন, তুমি যায়নাবের নিকট আমার কথা উল্লেখ কর। আনাস (রাযিঃ) বলেন, যায়দ (রাযিঃ) রওনা হলেন এবং তার নিকট গেলেন। তখন তিনি আটা খামির করছিলেন। যায়দ (রাযিঃ) বললেন, আমি যখন তাকে দেখলাম তার মর্যাদা আমার অন্তরে এমনভাবে জাগ্রত হল যে, আমি তার প্রতি তাকাতে পারলাম না। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে স্মরণ করেছেন। তাই আমি তার দিকে পিঠ ফিরে দাঁড়ালাম এবং পিছনের দিকে সরে পড়লাম। এরপর বললাম, হে যায়নাব! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে স্মরণ করে আমাকে পাঠিয়েছেন। তিনি বললেন, আমি এ সম্পর্কে কিছুই করব না যে পর্যন্ত না আমি আমার রবের কাছ থেকে নির্দেশ লাভ না করি। এরপর তিনি তার সালাতের জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালেন। এদিকে কুরআন নাযিল হল এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে যায়নাবের বিনা অনুমতিতেই তার ঘরে প্রবেশ করলেন। আনাস (রাযিঃ) বলেন, আমরা দেখেছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (যায়নাবের সে বিবাহ উপলক্ষে) দুপুর বেলায় আমাদের রুটি গোশত খাইয়েছেন। খাওয়া-দাওয়ার পর লোকেরা বের হয়ে গেল কিন্তু কয়েকজন লোক খাওয়ার পর আলাপে মশগুল থাকল। এ সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে পড়লেন, আমিও তার অনুসরণ করলাম। তিনি তার বিবিগণের ঘরে ঘরে উপস্থিত হয়ে তাদের সালাম করতে লাগলেন। আর বিবিগণ তাকে জিজ্ঞেস করছিলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনার এ স্ত্রীকে কেমন পেয়েছেন। আনাস (রাযিঃ) বলেন, আমার মনে নেই, (আলাপরত) সে লোকদের বের হয়ে যাওয়ার কথা আমিই তাকে জানিয়ে ছিলাম, না তিনিই আমাকে জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, অতঃপর তিনি চললেন এবং সে ঘরে প্রবেশ করলেন। আমিও তার সঙ্গে প্রবেশ করতে যাচ্ছিলাম। তিনি আমার ও তার মধ্যে পর্দা টেনে দিলেন। আর পর্দার বিধান নাযিল হল। আনাস (রাযিঃ) বলেন, লোকদের নাসীহাত দিলেন দেয়ার যা ছিল। ইবনু রাফি তার হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করতে গিয়ে এ আয়াত উল্লেখ করেনঃ (অর্থ) “তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য প্রস্তুতির অপেক্ষা না করে নবী গৃহে প্রবেশ করবে না...কিন্তু আল্লাহ সত্য বলতে সংকোচবোধ করেন না”— (সূরা আল আহযাব ৩৩ঃ ৫৩)।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 105 · #3313 - 105
আবূ রবী' আয যাহরানী, আবূ কামিল ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন ও কুতায়বাহ (রহিমাহুমুল্লাহ) .... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কোন মহিলার জন্য- আবূ কামিল বলেন, তার কোন স্ত্রীর জন্য- সেরূপ ওয়ালীমাহ করতে দেখিনি যেমন ওয়ালীমাহ করেছেন যায়নাবের জন্য। তার জন্য তিনি একটি বকরী যাবাহ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 106 · #3314 - 106
মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু আব্বাদ ইবনু জাবালাহ্ ইবনু আবূ রাওওয়াদ ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যায়নাব (রাযিঃ) এর জন্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এত অধিক পরিমাণ অথবা উত্তমভাবে ওয়ালীমাহ করেছিলেন, যা তিনি তার সহধর্মিণীদের কারো জন্য করেননি। সাবিত বুনানী জিজ্ঞেস করেন, তিনি কী দিয়ে ওয়ালীমাহ করেছিলেন? তিনি (আনাস রাযিঃ) বললেন, সবাইকে তিনি রুটি ও গোশত খাওয়ালেন। এমনকি তারা উদ্ধৃত্ত রেখে গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 107 · #3315 - 107
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী, আসিম ইবনু নায্র আত্ তায়মী এবং মুহাম্মাদ ইবনু 'আবদুল আ'লা (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন যায়নাব বিনতু জাহশ (রাযিঃ) কে বিবাহ করেন তখন তিনি লোকদের দাওয়াত করেন। তারা খাওয়া-দাওয়া করে বসে কথাবার্তা বলতে লাগল। আনাস (রাযিঃ) বলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেন দাঁড়াতে উদ্যত হলেন তবুও তারা উঠল না। এরূপ দেখে তিনি উঠে গেলেন। তারা উঠে যাওয়ার পর তাদের মধ্যে যারা উঠবার তারা উঠে গেল। আসিম ও ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) এর বর্ণনায় অতিরিক্ত রয়েছে- আনাস (রাযিঃ) বলেন, কিন্তু তিনজন লোক ঘরে বসে রইল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে প্রবেশ করার জন্য এসে দেখতে পান যে, কয়েকজন লোক বসে আছে। এরপর তারাও উঠে চলে গেল। আনাস (রাযিঃ) বলেন, আমি এসে তাদের চলে যাওয়ার সংবাদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দিলাম। আনাস (রাযিঃ) বলেন, তিনি এসে প্রবেশ করলেন। আমিও তার সঙ্গে প্রবেশ করতে অগ্রসর হলাম। এ সময় তিনি আমার ও তার মাঝখানে পর্দা বুলিয়ে দিলেন। আনাস (রাযিঃ) বলেন, আর আল্লাহ তা'আলা নাযিল করেনঃ "তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে নবীগৃহে প্রবেশ করবে না... আল্লাহর দৃষ্টিতে এটা গুরুতর অপরাধ"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৭০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 108 · #3316 - 108
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি পর্দার হুকুম সংক্রান্ত ঘটনা সম্পর্কে সবার চাইতে বেশি অবগত। এ ব্যাপারে উবাই ইবনু কা'ব (রাযিঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করতেন। আনাস (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়নাব বিনতু জাহশের স্বামী হন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বিবাহ করেন মাদীনায়। এ উপলক্ষে তিনি দ্বিপ্রহরের সময় খাওয়ার জন্য লোকদের দাওয়াত দেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসলেন এবং তারা তার সঙ্গে বসল। লোকদের যারা উঠে যাওয়ার উঠে গেল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠলেন এবং রওনা হলেন। আমিও তার সঙ্গে চলতে থাকলাম। তিনি আয়িশাহ (রাযিঃ) এর হুজরায় পৌছলেন। যখন তিনি ধারণা করলেন যে, তারা (উপবিষ্ট লোকজন) বেরিয়ে গেছে তখন তিনি ফিরে এলেন এবং আমিও তার সঙ্গে ফিরে এলাম। দেখা গেল, তখন তারা তাদের জায়গায় বসা আছে। তখন তিনি ফিরে গেলেন এবং আমিও তার সঙ্গে দ্বিতীয়বার ফিরে গেলাম। তিনি ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) এর হুজরায় পৌছলেন। আবার তিনি যায়নাবের ঘরের দিকে ফিরলেন। দেখা গেল, লোকেরা চলে গেছে। তখন তিনি আমার ও তার মাঝখানে পর্দা টেনে দিলেন। আর পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৭১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 109 · #3317 - 109
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়নাবকে বিবাহ করলেন তখন উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) পাথরের একটি পাত্রে তার জন্য হায়স পাঠালেন। আনাস (রাযিঃ) বলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি যাও, মুসলিমদের মধ্যে যার সঙ্গে তোমার সাক্ষাৎ হয় তাকে আমার পক্ষ থেকে দাওয়াত দাও। অতঃপর যার সাথে সাক্ষাৎ হল আমি তাকে দা'ওয়াত দিলাম। তারা তার কাছে আসতে শুরু করল এবং খেয়ে চলে যেতে লাগল। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত খাদ্যের উপর রাখলেন এবং তাতে দুআ পড়লেন। এতে আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি যা পাঠ করার তা পড়লেন। যারই সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে তাকেই দাওয়াত দিতে বাদ দেইনি। সকলেই খেল এবং তৃপ্ত হল। তারা বেরিয়ে গেল কিন্তু তাদের একদল রয়ে গেল। তারা তার সেখানে দীর্ঘালাপে লিপ্ত রইল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কিছু বলতে লজ্জাবোধ করছিলেন। তাই তিনি নিজেই বেরিয়ে গেলেন এবং তাদের ঘরে রেখে গেলেন। তখন আল্লাহ তা'আলা এ আয়াত নাযিল করেন- (অর্থ) "হে মু’মিনগণ! তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে আহার্য প্রস্তুতের জন্য অপেক্ষা না করে আহার গ্রহণের জন্য তোমরা নবী গৃহে প্রবেশ করবে না।" কাতাদাহ্ (রহঃ) বলেন, তোমরা আহার্য প্রস্তুতির সময়ের যদি অপেক্ষা না কর তবে তোমাদের আহবান করলে তোমরা প্রবেশ করবে। এ বিধান তোমাদের ও তাদের হৃদয়ের জন্য অধিকতর পবিত্র"- (সূরা আল আহযাব ৩৩ঃ ৫৩)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৭৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 110 · #3318 - 110
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কাউকে ওয়লীমার দাওয়াত দেয়া হয়, সে যেন ঐ দাওয়াতে সাড়া দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 112 · #3319 - 111
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কাউকে ওয়ালীমার দাওয়াত দেয়া হয়, সে যেন তা কবুল করে। (রাবী) খালিদ (রহঃ) বলেন, উবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) একে বিবাহের ওয়ালীমাহ বলে গ্রহণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 113 · #3320 - 112
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কাউকে বিবাহের ওয়ালীমার দাওয়াত দেয়া হলে সে যেন তা কবুল করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 114 · #3321 - 113
আবূ রবী', আবূ কামিল ও কুতায়বাহ্ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কাউকে দাওয়াত দেয়া হলে তাতে সাড়া দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 115 · #3322 - 114
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ তার ভাইকে দাওয়াত দেয় সে যেন তার দাওয়াতে সাড়া দেয়, বিবাহের অনুষ্ঠানই হোক বা সে রকম (অন্য কোন অনুষ্ঠান)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 116 · #3323 - 115
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কাউকে কোন বিবাহ অনুষ্ঠানে অথবা এ ধরনের অন্য কোন অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয়া হয়, সে যেন সাড়া দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 117 · #3324 - 116
হুমায়দ ইবনু মাস'আদাহ্ আল বাহিলী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যখন তোমাদেরকে দাওয়াত দেয়া হয় তখন তোমরা দাওয়াতে আসবে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৮০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 118 · #3325 - 117
হারূন ইবনু উবায়দুল্লাহ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা এ দাওয়াতে সাড়া দিবে যখন তোমাদেরকে তার জন্য দাওয়াত দেয়া হয়। রাবী বলেন, আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বিবাহের দাওয়াতে বা বিয়ে ছাড়া অন্য যে কোন দাওয়াতে আসতেন। এমনকি তিনি সায়িম অবস্থায়ও (দাওয়াতে আসতেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৮১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 119 · #3326 - 118
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের বকরীর পায়া খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হয় তখন তোমরা তাতে সাড়া দিও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৮২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 120 · #3327 - 119
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহিমাহুমাল্লাহ) ...... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কাউকে খাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া হয়, তখন সে যেন দা'ওয়াতে সাড়া দেয়। অতঃপর ইচ্ছা করলে আহার করবে, না হয় না করবে। ইবনুল মুসান্না (রহঃ) তার বর্ণনায় ‘পানাহারের দিকে' কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৮৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 121 · #3328 - 120
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৮৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 122 · #3329 - 121
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কাউকে দাওয়াত দেয়া হয় সে যেন তাতে সাড়া দেয়। যদি সে সায়িম হয় তাহলে সে (ওখানে গিয়ে) দু'আ- সালাতরত থাকবে। আর যদি সায়িম না হয় তাহলে সে আহার করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৮৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 123 · #3330 - 122
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলতেন, সে ওয়ালীমার খাদ্য কতই না মন্দ যা খাওয়ার জন্য কেবল ধনীদের দাওয়াত দেয়া হয়, আর গরীবদের তা থেকে বঞ্চিত করা হয় বলে তারা তাতে যোগ দিতে পারে না। যে ব্যক্তি দা'ওয়াতে সাড়া দেয় না সে আল্লাহ তা'আলা ও তার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নাফরমানী করল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৮৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 124 · #3331 - 123
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সুফইয়ান (রহঃ) বলেছেন, আমি যুহরী (রহঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম- হে আবূ বকর! "এই যে হাদীস- সব চাইতে মন্দ খাদ্য ধনীদের খাদ্য’- এ সম্পর্কে আপনার কী মত? শুনে তিনি হাসলেন এবং বললেন, না, ধনীদের খাদ্য সব চাইতে মন্দ খাদ্য নয়। সুফইয়ান (রহঃ) বললেন, আমার পিতা যেহেতু ধনী লোক ছিলেন এজন্য হাদীসখানি আমাকে ঘাবড়িয়ে তুলেছিল, যখন আমি তা শুনতে পেলাম। তাই আমি এ হাদীস সম্পর্কে ইমাম যুহরী (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করি। (ইমাম) যুহরী (রহঃ) উত্তর দিলেন, আমার নিকট আবদুর রহমান আল আ'রাজ (রহঃ) হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, ওয়ালীমার খাদ্য সবচাইতে নিকৃষ্ট খাদ্য। অতঃপর তিনি মালিক (রহঃ)-এর হাদীসের ন্যায় হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৮৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 125 · #3332 - 124
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 126 · #3333 - 125
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিকৃষ্টতম খাদ্য হল ওয়ালীমার খাদ্য যেখানে আগমনকারীদের বাঁধা দেয়া হয়। আর অনিচ্ছুকদের দাওয়াত দেয়া হয়। যে ব্যক্তি দাওয়াতে সাড়া দেয় না সে আল্লাহ এবং তার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নাফরমানী করল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 127 · #3334 - 126
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রিফা'আহ এর স্ত্রী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, আমি রিফা'আর নিকট ছিলাম। সে আমাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছে পূর্ণ ত্বলাক (তালাক) (তালাক)। অতঃপর আমি আবদুর রহমান ইবনু যুবায়রকে বিবাহ করি। তার কাছে রয়েছে কাপড়ের ঝালরের মত। এতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসি হাসলেন এবং বললেন, তুমি কি রিফা'আর নিকট ফিরে যেতে চাও? না, (তা হয় না) যে পর্যন্ত না তুমি তার স্বাদ গ্রহণ করবে এবং সে তোমার স্বাদ গ্রহণ করবে। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, তখন আবূ বাকর (রাযিঃ) ছিলেন তার কাছে এবং খালিদ ইবনু সাঈদ (রাযিঃ) ছিলেন দরজায়। তিনি (প্রবেশের) অনুমতির অপেক্ষা করছিলেন। তিনি ডাক দিয়ে বললেন, হে আবূ বাকর! আপনি কি শুনেন না এ মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে উচ্চস্বরে কী কথা বলছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 128 · #3335 - 127
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... উরওয়াহ ইবনু যুবাযর (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়িশাহ্ (রাযিঃ) তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রিফা'আহ আল কুরায়ী (রাযিঃ) তার স্ত্রীকে তলাক (তালাক) দেয় এবং সে তাকে পুরাপুরি তলাক (তালাক) দিয়ে দেয়। অতঃপর সে স্ত্রী লোকটি 'আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) কে বিবাহ করে। এরপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্ রসূল! সে ছিল রিফা'আর অধীনে। সে তাকে পুরোপুরি তিন দিন তলাক (তালাক) দেয়। অতঃপর সে আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) কে বিবাহ করে। আল্লাহর কসম, তার সাথে তো রয়েছে কাপড়ের ঝালরের মতো। এ বলে মহিলা তার উড়নার আঁচল ধরে দেখাল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে দিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি সম্ভবত রিফা'আর নিকট ফিরে যেতে চাও? না তা হয় না, যতক্ষণ না সে তোমার স্বাদ গ্রহণ করে এবং তুমি তার স্বাদ গ্রহণ কর। আবূ বাকর (রাযিঃ) তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বসা ছিলেন। আর খালিদ ইবনু সাঈদ ইবনু আস (রাযিঃ) ছিলেন হুজরার দরজায় বসা। তাকে (ঘরে প্রবেশ করার) অনুমতি দেয়া হয়নি। রাবী বলেন, তখন খালিদ (রাযিঃ) আবূ বকর (রাযিঃ) কে ডেকে বললেন, আপনি কেন মহিলাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তার এ সব কথা প্রকাশ করা থেকে বারণ করলেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 129 · #3336 - 128
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রিফা'আহ্ আল কুরাযী তার স্ত্রীকে তলাক (তালাক) দেয়। এরপর সে আবদুর রহমান ইবনু যুবায়রকে বিয়ে করে। অতঃপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! রিফা'আহ তাকে পুরোপুরি তিন তলাক (তালাক) দিয়ে দেয়। এরপর ইউনুস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 130 · #3337 - 129
মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা আল হামদানী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এক মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয় যাকে একজন বিবাহ করে, অতঃপর সে তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়। এরপর সে মহিলা আরেকজনকে বিয়ে করে। কিন্তু সে তার সাথে সঙ্গমের আগেই তলাক (তালাক) দেয়। এমতাবস্থায় উক্ত মহিলা প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে কি? তিনি বললেনঃ না, যে পর্যন্ত না সে ঐ স্ত্রীর স্বাদ গ্রহণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 131 · #3338 - 130
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ মু'আবিয়াহ সহ সকলেই হিশাম (রাযিঃ) থেকে উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 132 · #3339 - 131
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তলাক (তালাক) দেয়। অতঃপর অন্য একজন তাকে বিয়ে করে। এরপর সে তাকে সঙ্গমের আগেই ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়ে দেয়। পরে প্রথম স্বামী তাকে বিয়ে করতে চায়- এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি বললেনঃ না, তা হবে না যে পর্যন্ত না তারা একে অন্যের স্বাদ গ্রহণ করবে, যেভাবে প্রথম স্বামী তার স্বাদ গ্রহণ করেছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 133 · #3340 - 132
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমাল্লাহ) ... ইয়াহইয়া অর্থাৎ ইবনু সাঈদ সহ সকলেই উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। উবায়দুল্লাহ সূত্রে ইয়াহইয়া হাদীসে বলেন যে, কাসিম আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 134 · #3341 - 133
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সঙ্গে মিলতে চায় সে যেন বলে (অর্থ-) "বিসমিল্লাহ হে আল্লাহ আমাদের শায়ত্বান (শয়তান) থেকে রক্ষা করুন আর আমাদের যা তুমি দান করবে তাকেও শয়তান থেকে দূরে রাখুন"। কেননা এ মিলনে তাদের ভাগ্যে যদি কোন সন্তান হয় তবে শায়ত্বান (শয়তান) কখনো তার ক্ষতি করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 135 · #3342 - 134
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার, ইবনু নুমায়র ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... সকলেই সাওরী (রহঃ) থেকে, তারা (শুবাহ ও আবদুর রাযযাক) উভয়ে মানসূর থেকে জারীরের হাদীসের মর্মানুযায়ী রিওয়ায়াত করেন। তবে শুবাহু তার হাদীসে “বিসমিল্লাহ" এর উল্লেখ করেননি এবং সাওরী সূত্রে আবদুর রাযযাক এর রিওয়ায়াতে “বিসমিল্লাহ" রয়েছে। আর ইবনু নুমায়র এর রিওয়ায়াতে রয়েছে যে, মানসুর বলেছেন, আমি মনে করি তিনি বলেছেন, “বিসমিল্লাহ"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 136 · #3343 - 135
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন্ নাকিদ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ইয়াহুদীরা বলত, কোন লোক স্ত্রীর পেছন দিক থেকে তার যোনী দ্বারে সঙ্গম করলে এতে সন্তান টেরা চক্ষু বিশিষ্ট হবে। এ প্রসঙ্গে নাযিল হয় অর্থাৎ "স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র। অতএব, তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার"- (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ২২৩)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 137 · #3344 - 136
মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইয়াহুদীরা বলত যে, স্ত্রীর পিছন দিক থেকে যোনী দ্বারে যদি সঙ্গম করা হয় এবং এতে সে যদি গর্ভবতী হয় তাহলে তার সন্তান হবে টেরা চক্ষু বিশিষ্ট। রাবী বলেন, এ প্রসঙ্গে নাযিল হল- "স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র, অতএব তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার"- (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ২২৩)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 138 · #3345 - 137
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, আবদুল ওয়ারিস ইবনু আবদুস সামাদ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ, আবূ মান আর রাকাশী ও সুলায়মান ইবনু মা'বাদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ... জাবির (রাযিঃ) থেকে যুহরী সূত্রে বর্ণিত। নু'মান অতিরিক্ত বলেছেন, স্বামী ইচ্ছে করলে উপুড় করে, ইচ্ছা করলে উপুড় না করে তবে একই দ্বারে হতে হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 139 · #3346 - 138
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, স্বামীর বিছানা পরিহার করে কোন স্ত্রী রাত্রি যাপন করলে ফাজর (ফজর) পর্যন্ত মালাকগণ তার প্রতি লা'নাত করতে থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 140 · #3347 - 139
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদের বর্ণনায় বলেছেন, ফিরে না আসা পর্যন্ত কথার উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 141 · #3348 - 140
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কসম সে সত্তার যার হাতে আমার জীবন। কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে যখন বিছানায় আহ্বান করে, কিন্তু সে তা অস্বীকার করে, নিঃসন্দেহে যে পর্যন্ত সে তার স্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্টি না হয়, ততক্ষণ আসমানবাসী তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 142 · #3349 - 141
আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ, আবূ কুরায়ব, আবূ সাঈদ আল আশাজ্জ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্বামী যখন স্ত্রীকে বিছানায় আহবান করে এবং সে না আসায় তার স্বামী তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে রাত্রি যাপন করে, সে স্ত্রীর প্রতি ফেরেশতাগণ ভোর হওয়া পর্যন্ত লা'নাত করতে থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 143 · #3350 - 142
আবূ বাকর ইবনু আবূ শয়বাহ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযীঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন সে ব্যক্তি হবে আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম পর্যায়ের, যে তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় এবং স্ত্রীও তার সাথে মিলিত হয়, অতঃপর সে তার স্ত্রীর গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 144 · #3351 - 143
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবূ করায়ব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষ বড় আমনাত খিয়ানাতকারী যে তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় এবং স্ত্রীও তার সাথে মিলিত হয়। অতঃপর সে তার স্ত্রীর গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়। ইবনু নুময়র বলেন,إِنَّ مِنْ أَعْظَمِ স্থলে إِنَّ أَعْظَمَ (সবচেয়ে অধিক) হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 145 · #3352 - 144
ইয়াহইয়া ইবনু আবূ আইয়ুব, কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ ও আলী ইবনু হুজর (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ইবনু মুহায়রিয (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আবূ সিরমাহ (রহঃ) আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। আবূ সিরমাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আবূ সাঈদ! আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ‘আযল সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বানু মুসতালিক এর যুদ্ধ করেছি। সে যুদ্ধে আমরা আরবের সবচেয়ে সুন্দরী বাঁদীদের বন্দী করলাম। এদিকে আমরা দীর্ঘকাল স্ত্রী সাহচর্য থেকে বঞ্চিত ছিলাম। অন্যদিকে আমরা ছিলাম সম্পদের প্রতি অনুরাগী। এমতাবস্থায় আমরা বাঁদীদের দ্বারা উদ্দেশ্য হাসিল করার এবং ‘আযল করার ইচ্ছা করলাম। কিন্তু আমরা এ কথাও আলোচনা করলাম যে, আমরা কি এ কাজ করতে যাব, অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে উপস্থিত রয়েছেন। তার নিকট আমরা কি এ ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস করব না! তাই আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ ঐ কাজ না করাতে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কেননা, আল্লাহ তা'আলা কিয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ সৃষ্টি করার কথা লিখে রেখেছেন সে সব মানুষ সৃষ্টি হবেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 146 · #3353 - 145
বানু হাশিমের মুক্ত দাস মুহাম্মাদ ইবনু ফারাজ (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া হাব্বান (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে রাবী'আর হাদীসের মর্মানুযায়ী হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে সে হাদীসে উল্লেখ আছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "কেননা আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন পর্যন্ত যত মাখলুক সৃষ্টি করবেন তা লিখে দিয়েছেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪১০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 147 · #3354 - 146
আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আসমা আয যুবাঈ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কিছু সংখ্যক যুদ্ধবন্দিনী লাভ করেছিলাম। (তাদের সাথে) আমরা ‘আযল করছিলাম। এরপর আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাদের বললেন, অবশ্যই তোমরা এ কাজ করবে। অবশ্যই তোমরা এ কাজ করবে। অবশ্যই তোমরা এ কাজ করবে। (বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন) বস্তুত কিয়ামত পর্যন্ত যত প্রাণী সৃষ্টি হওয়ার তা সৃষ্টি হবেই।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪১১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 148 · #3355 - 147
নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, মা'বাদ ইবনু সীরীন (রহঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে এ হাদীসটি শুনেছেন? তিনি [আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ)] বললেন, হ্যাঁ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। তিনি বলেন, এটা না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কেননা এটা হল তাকদীরের অন্তর্ভুক্ত।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪১২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 149 · #3356 - 148
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার, ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... শুবাহ (রহঃ) এর সূত্রে আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে অনুরূপ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের হাদীসে রয়েছে- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আযল সম্পর্কে বলেছেনঃ এ কাজ না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কেননা এটা তাকদীরের অন্তর্গত। রাবী বাহয এর বর্ণনায় রয়েছে যে, শুবাহ্ (রহঃ) বলেছেনঃ আমি তাকে (আনাস ইবনু সীরন) জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে এ হাদীসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪১৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 150 · #3357 - 149
আবূ রবী' আয যাহরানী ও আবূ কামিল আল জাহদারী (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ‘আযল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ তা না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কেননা, এ হল তাকদীরের অন্তর্ভুক্ত। মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উক্তি “লা আলায়কুম" (তোমাদের কোন ক্ষতি নেই)-নিষেধাজ্ঞারই নিকটবর্তী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪১৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 151 · #3358 - 150
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আযল সম্পর্কে উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, তোমরা তা কেন করতে চাও? তারা বলল, এমন লোক আছে যার স্ত্রী সন্তানকে দুধ পান করায় সে তার সঙ্গে সঙ্গত হয়। অথচ এতে সে গর্ভবতী হোক তা সে পছন্দ করে না। আবার কোন লোকের দাসী আছে, সে তার সঙ্গে সঙ্গত হয় কিন্তু এতে সে গর্ভবতী হোক তা সে অপছন্দ করে। তিনি বললেন, তা না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কেননা, তা তাকদীরের উপর নির্ভরশীল’। ইবনু ‘আওন (রহঃ) বলেন, আমি এ হাদীস হাসান (রহঃ) এর কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, এ হল সতর্কবাণী স্বরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪১৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 152 · #3359 - 151
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... ইবনু আওন (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদ সূত্রে ইবরাহীমকে হাদীস বর্ণনা করেছি অর্থাৎ ‘আযল সম্পর্কে। তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু বিশর (রহঃ) হাদীস বর্ণনা করেছেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪১৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 153 · #3360 - 152
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... মা'বাদ ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম! আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে 'আযল সম্পর্কে কোন আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ- এ বলে তিনি বর্ণিত ইবনু আওনের হাদীসের ন্যায় ঐ পর্যন্ত বর্ণনা করেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪১৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 154 · #3361 - 153
উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী ও আহমাদ ইবনু আবদাল্লাহ (রহিমাহুমাল্লাহ) ...... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আযল সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উল্লেখ করা হল। তিনি বললেন, তোমাদের কেউ কেন এ কাজ করে- তিনি এ ব্যাপারে এ কথা বলেননি, "তোমাদের কেউ যেন এ কাজ না করে। কোন সৃষ্টি জীব নেই যাকে আল্লাহ সৃষ্টি করেননি।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪১৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 155 · #3362 - 154
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে 'আযল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেনঃ সব পানিতেই সন্তান পয়দা হয় না। মূলত আল্লাহ যখন কোন বস্তু সৃষ্টি করতে ইচ্ছা করেন তখন কোন কিছুই তাকে বাঁধা দিতে পারে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪১৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 156 · #3363 - 155
আহমাদ ইবনু মুনযিল আল বাসরী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪২০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 157 · #3364 - 156
আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, আমার একটি দাসী আছে যে আমাদের খিদমাত ও পানি সরবরাহের কাজে নিয়োজিত। আমি তার নিকট আসা যাওয়া করে থাকি, কিন্তু সে গর্ভবতী হোক তা আমি পছন্দ করি না। তখন তিনি বললেন, তুমি ইচ্ছে করলে তার সাথে আযল করতে পার। তবে তার তাকদীরে সন্তান থাকলে তা তার মাধ্যমে আসবেই। লোকটি কিছুদিন অতিবাহিত করল। অতঃপর সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, দাসীটি গর্ভবতী হয়েছে। তিনি বললেন, আমি তোমাকে এ মর্মে জানিয়ে ছিলাম যে, তার তাকদীরে যা আছে তা আসবেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪২১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 158 · #3365 - 157
সাঈদ ইবনু আমর আল আশ'আসী (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করল, আমার একটি দাসী আছে। আমি তার সাথে আযল করে থাকি। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ কাজ আল্লাহর ইচ্ছাকে কিছুতেই প্রতিহত করতে পারে না। রাবী বলেন, এরপর সে ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! যে দাসীটির কথা আপনার কাছে উল্লেখ করেছিলাম সে গর্ভবতী হয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ "আমি আল্লাহর বান্দা ও আল্লাহর রসূল।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪২২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 159 · #3366 - 158
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছ থেকে সুফইয়ান বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ মর্মে হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪২৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 160 · #3367 - 159
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ‘আযল করতাম আর কুরআন নাযিল হত। এর উপর ইসহাক আরো বাড়িয়ে বলেছেন যে, সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, এতে যদি নিষেধ করার মতো কিছু থাকত, তবে কুরআন তা নিষেধ করে দিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪২৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 161 · #3368 - 160
সালামাহ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, "আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় আযল করতাম।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪২৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 162 · #3369 - 161
আবূ গাসসান আল মিসমাঈ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় আযল করতাম। এ সংবাদ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পৌছলে এ থেকে তিনি নিষেধ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪২৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 163 · #3370 - 162
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, একদা আসন্ন প্রসবা জনৈকা গর্ভবতী দাসীকে তাবুর দরজায় আনা হয়। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সম্ভবত ঐ ব্যক্তি তার সাথে সঙ্গম করতে চায়। লোকেরা বলল, হ্যাঁ। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি মনে করেছি, তাকে এমন লা'নাত দেই, যে লা'নাতসহ সে কবরে প্রবেশ করে। কিভাবে সে তাকে (দাসীর গর্ভস্থ সন্তানকে) ওয়ারিস বানাবে অথচ তা তার জন্য বৈধ নয়? কেমন করে সে তাকে (সন্তানকে) খাদিম বানাবে অথচ সে তার জন্য বৈধ নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪২৭, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 164 · #3371 - 163
আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... শুবাহ (রহঃ) সূত্রে এ সানাদে বর্ণিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪২৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 165 · #3372 - 164
খালাফ ইবনু হিশাম ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... জুদামাহ বিনতু ওয়াহব আল আসাদিয়্যাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, আমি স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম নিষিদ্ধ ঘোষণা করার ইচ্ছে করলাম। এরপর আমার নিকট আলোচনা করা হল যে, রোম ও পারস্যবাসী লোকেরাও তা করে থাকে, অথচ তাতে তাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হয় না। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, খালাফ তার সানাদ বর্ণনায় "জুদামাহ্ আল আসাদিয়্যাহ্" উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ইয়াহইয়া বর্ণিত 'জুযামাহ' শব্দটিই সঠিক ও নির্ভুল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪২৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 166 · #3373 - 165
উবায়দুল্লাহ্ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ উমর (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... উকাশার ভগ্নি জুদামাহ্ বিনতু ওয়াহব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদিন কিছু সংখ্যক লোকের সাথে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে হাযির হলাম। তিনি তখন বলছিলেন, আমি স্তন্যদায়িনী মহিলার সাথে সঙ্গম করা নিষেধ করার ইচ্ছা করলাম, এমতাবস্থায় আমি রোম ও পারস্যবাসী লোকদের অবস্থার কথা বিবেচনা করে অবগত হলাম যে, তারা তাদের স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করে থাকে, কিন্তু তা তাদের সন্তান-সন্ততির কোনরূপ ক্ষতি করে না। অতঃপর লোকেরা তাকে ‘আযল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা হল গোপন হত্যা। রাবী উবায়দুল্লাহ তার বর্ণনায় আল মুকরী সূত্রে আয়াতটুকুও উল্লেখ করেছেন অর্থাৎ "যখন জীবন্ত সমাধিস্থ কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছে" (সূরা আত্ তাকভীর ৮১ঃ ৮-৯)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৩০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 167 · #3374 - 166
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... জুদামাহ বিনতু ওয়াহব আল আসাদিয়্যাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি। (এরপর) সাঈদ ইবনু আবূ আইয়ুব (রহঃ) থেকে বর্ণিত আযল ও গীলাহ সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে (গীলাহ এর পরিবর্তে) 'গিয়াল' উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৩১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 168 · #3375 - 167
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, আমি আমার স্ত্রীর সাথে আযল করে থাকি। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি এ কাজ কেন কর? লোকটি বলল, আমি তার সন্তানের ক্ষতির আশংকা করি। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি এ কাজ ক্ষতিকর হত তাহলে তা পারস্য ও রোমবাসীদেরও ক্ষতিসাধন করত। রাবী যুহায়র তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, এ কাজ (আযল) যদি এ উদ্দেশেই হয় তাহলে তা করা সঠিক নয়। কেননা তা পারস্য ও রোমবাসীদের কোন প্রকার ক্ষতি করেনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৩২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 16 · Hadith 169 · #3376