The Book of Oaths
- 1
আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উমার ইবনু খাত্তাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। উমার (রাযিঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি যখন থেকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ থেকে নিষেধ করতে শুনেছি, তখন থেকে আর কখনও সে নামে কসম করিনি, নিজের পক্ষ থেকেও নয়, আর অপরের উদ্ধৃতি দিয়েও নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১০৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 1 · #4051 - 2
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনু লায়স, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) এর সূত্রে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। অবশ্য উকায়ল (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে আছে যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ থেকে নিষেধ করতে শুনার পর থেকে সে নামে আর শপথ করিনি। আর ঐ নামের কসমের উচ্চারণও করিনি। তবে তিনি "নিজের পক্ষ থেকে এবং অপরের উদ্ধৃতি দিয়েও" কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১০৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 2 · #4052 - 3
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আমর আন্ নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... সালিম (রহঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা উমর (রাযিঃ) কে তার পিতার নামে শপথ করতে শুনলেন। পরবর্তী অংশ ইউনুস ও মা'মার (রহঃ) এর বর্ণনার অনুসারে বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১১০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 3 · #4053 - 4
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সময় কাফিলায় উমার ইবনু খাত্তাব (রহঃ) কে পেলেন। উমর (রাযিঃ) তখন তার পিতার নামে শপথ করছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সম্বোধন করে বললেনঃ সাবধান আল্লাহ তোমাদের বাপ দাদার নামে কসম করতে তোমাদের নিষেধ করেছেন। সুতরাং যে কেউ কসম করতে চায়, সে যেন আল্লাহর নামে কসম করে অথবা সে যেন চুপ থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১১১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 4 · #4054 - 5
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, মুহাম্মাদ মুসান্না, ইয়াহইয়া, বিশর ইবনু হিলাল, আবূ কুরায়ব, ইবনু আবূ উমার, ইবনু রাফি, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ইবনু রাফি' (রহঃ) ... তারা সকলেই ইবনু 'উমার (রাযিঃ) হতে অনুরূপ ঘটনা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১১২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 5 · #4055 - 6
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শপথ করার জন্য মনস্থ করে, সে যেন আল্লাহর নাম ব্যতীত শপথ না করে। কুরায়শরা তাদের বাপ-দাদার নামে শপথ করতো। কাজেই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তোমাদের বাপ-দাদার নামে শপথ করো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১১৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 6 · #4056 - 7
আবূ তাহির ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কসম করে এবং সে কসম করতে গিয়ে বলে, লাতের কসম সে যেন এর পরপরই বলেلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ আর যে ব্যক্তি তার সাথীকে বলে, এসো, তোমার সাথে জুয়া খেলি, সে যেন এর সাথে সাথেই কিছু সদাকাহ করে দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১১৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 7 · #4057 - 8
সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ...... যুহরী (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন। আর মা'মার (রহঃ) এর হাদীস ইউনুস (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ। তবে মা'মার বলেছেন, “সে যেন কোন কিছু সদাকাহ করে দেয়”। আর আওযাঈর হাদীসে আছে, যে ‘লাত’ ও ‘মানাত এর শপথ করবে। (ইসলামিক সেন্টার ৪১১৩) আবূল হুসায়ন মুসলিম (রহঃ) বলেন, এ কথাটি অর্থাৎ তার কথা “তুমি এসো, তোমার সাথে আমি জুয়া খেলি, তবে সে যেন সাথে সাথে সদাকাহ দেয়" যুহরী ব্যতীত অন্য কেউই বর্ণনা করেননি। ইমাম মুসলিম (রহঃ) আরো বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রায় নব্বইটি হাদীস যুহরীর নিকট রয়েছে যা তিনি উত্তম সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যাতে আর কেউ শারীক নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১১৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 8 · #4058 - 9
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা দেব-দেবীর নামে ও তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১১৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 9 · #4059 - 10
খালাফ ইবনু হিশাম, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব হারিসী (রহঃ) ... আবূ মূসা আশ'আরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আশ'আরী গোত্রের কিছু সংখ্যক লোককে নিয়ে বাহন চাওয়ার জন্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসি। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের বাহনের সওয়ারী দিব না। আর আমার কাছে এমন কিছু নেই যাতে আমি তোমাদের সওয়ার করাতে পারি। আবূ মূসা আশ'আরী (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহ যতটা চাইলেন আমরা ততক্ষণ অপেক্ষা করলাম। তারপর তার কাছে উট আনা হলো। তিনি আমাদেরকে তিনটি সাদা কুঁজবিশিষ্ট উট দেয়ার নির্দেশ দেন। যখন আমরা (তা নিয়ে) চলে আসি। তখন আমরা বললাম, রাবী বলেন, অথবা আমাদের একে অপরকে বললেন যে, এতে আল্লাহ তা'আলা আমাদের কল্যাণ করবেন না। আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সওয়ারী বাহন চাইতে এসেছিলাম। তখন তিনি কসম করেছিলেন যে, আমাদেরকে সওয়ারী বাহন দিবেন না। এরপর আমাদেরকে সওয়ারী দিলেন। তারপর তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তার কসমের কথা অবগত করালেন। তিনি বললেনঃ আমি নই; বরং আল্লাহ তোমাদের সওয়ারী দিয়েছেন। আর আল্লাহর কসম! ইনশা-আল্লাহ আমি যখনই কোন বিষয়ের উপর কসম করি এরপর যদি এর তুলনায় অন্যটি কল্যাণকর মনে করি, তবে আমি আমার কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিব এবং যা উত্তম তাই করবো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১১৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 10 · #4060 - 11
আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ'আরী ও মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা মাহদানী (রহঃ) ...... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে জায়গুল উসরা' অর্থাৎ তাবুকের যুদ্ধের জন্যে সমবেত হওয়ার কালে আমার সাথীরা তাদের জন্যে সওয়ার চাইতে আমাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রেরণ করেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমার সঙ্গীরা আমাকে আপনার নিকট তাদেরকে সওয়ারী দেয়ার জন্যে পাঠিয়েছে। তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের কোন বাহন দেব না। আর যখন আমি তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করি তখন তিনি রাগাম্বিত ছিলেন, অথচ আমি বুঝতে পরিনি। আমি চিন্তিত মনে ফিরে আসি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অসম্মতির কারণে এবং এ ভয়ে যে, সম্ভবত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উপর মনে মনে রাগান্বিত হয়েছেন। তখন আমি আমার সাথীদের কাছে চলে আসি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন, তা তাদের জানাই। অল্পক্ষণের বেশি দেরি করিনি, হঠাৎ শুনতে পাই যে, বিলাল (রাযিঃ) ডাক দিচ্ছেন হে আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! আমি উত্তর দিলাম। তিনি বললেন, চলো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে ডাকতে পাঠিয়েছেন। যখন আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসি, তখন তিনি বললেন, এ জোড়া নাও, এ জোড়া নাও এবং এ জোড়া নাও। ছয়টি উট সম্পর্কে বললেন, যা সাদ (রাযিঃ) থেকে সে সময়েই রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্রয় করেছেন। সুতরাং তুমি তা নিয়ে তোমার সাথীদের কাছে চলে যাও এবং বল, আল্লাহ অথবা বলেন, আল্লাহর রসূল তোমাদের এগুলো বাহনের জন্যে দিয়েছেন। সুতরাং তোমরা এর উপর আরোহণ করো। আবূ মূসা (রাযিঃ) বলেন, আমি এগুলো নিয়ে আমার সাথীদের নিকট আসি এবং বলি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এগুলো তোমাদের বাহন হিসেবে দিয়েছেন। কিন্তু আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের ছাড়বো না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের কেউ আমার সাথে সে ব্যক্তির নিকট না যায়, যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা শুনেছে, যখন আমি তার নিকট তোমাদের জন্যে (বাহন) চেয়েছিলাম এবং তিনি প্রথমবার নিষেধ করেন এবং পরে আমাকে তা প্রদান করেন। তোমরা মনে করো না, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা বলেননি, আমি তোমাদের এমন কথা বলেছি। তারা আমাকে বললেন, আল্লাহর কসম! আপনি আমাদের নিকট অবশ্যই সত্যবাদী। আর আপনি যা চাইছেন তা আমরা অবশ্যই করবো। তারপর আবূ মূসা (রাযিঃ) তাদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে সাথে নিয়ে ঐসব লোকদের নিকটে এলেন যারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা এবং তাদের দিতে তার নিষেধাজ্ঞা শুনেছিলেন এবং পরবর্তীতে তার দেয়া লক্ষ্য করেছিলেন। তারা তাদের কাছে হুবহু সে বর্ণনাই দিলেন যা আবূ মূসা (রাযিঃ) তাদের কাছে বর্ণনা করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১১৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 11 · #4061 - 12
আবূ রাবী' আতাকী (রহঃ) ...... যাহদাম জারমী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ মূসা (রাযিঃ) এর নিকটে ছিলাম। তিনি তার (খানার) দস্তরখান নিয়ে আসতে বললেন। তাতে মুরগীর গোশত ছিল। ইত্যবসরে তাইমুল্লাহ গোত্রের লাল বর্ণের এক লোক প্রবেশ করে, যে গোলাম সদৃশ ছিল। আবূ মূসা (রাযিঃ) তাকে বললেন, এসো। সে ইতস্ততঃ করে। আবূ মূসা (রাযিঃ) বললেন, এসো। কারণ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তা খেতে দেখেছি। লোকটি বললো, আমি একে এমন কিছু খেতে দেখেছি যাতে আমার খেতে ঘৃণার উদ্রেক হয়, তাই আমি কসম করেছি যে, তা আর খাবো না। আবূ মূসা (রাযিঃ) বললেন, এসো, এ ব্যাপারে আমি তোমাকে একটি হাদীস বলছি। আমি একবার আশ'আরী গোত্রের কতিপয় লোকের সাথে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সওয়ারী চাইতে আসি। তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের সওয়ারী দিব না। আর তোমাদের দেয়ার মত সওয়ারীও আমার কাছে নেই। তারপর যতক্ষণ আল্লাহর ইচ্ছা হয়, আমরা অপেক্ষা করলাম। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে কিছু গানীমাতের উট আসে। তিনি আমাকে ডাকতে পাঠান এবং সাদা কুঁজবিশিষ্ট পাঁচটি উট আমাদের দেয়ার জন্যে নির্দেশ দেন। যখন আমরা চললাম তখন আমাদের একে অন্যকে বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার কসম সম্বন্ধে অবহিত করিনি, আমাদের জন্যে বারাকাত হবে না। তখন আমরা তার নিকট ফিরে গিয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার নিকট এসেছিলাম বাহন চাওয়ার জন্য আর আপনি কসম করে ছিলেন যে, আমাদেরকে বাহন দিবেন না, অতঃপর আমাদেরকে বাহন দিলেন; হে আল্লাহর রাসূল আপনি কী ভুলে গেছেন? তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! ইনশা-আল্লাহ আমি যখনই কোন বিষয়ে কসম করি, তারপর তার বিপরীতটিকে উত্তম মনে হলে উত্তমটিই করি এবং কসম থেকে হালাল হয়ে যাই অর্থাৎ কাফফারাহ আদায় করি। সুতরাং তোমরা যাও, কেননা আল্লাহ তা'আলা তোমাদের সওয়ারী দান করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১১৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 12 · #4062 - 13
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... যাহদাম জারমী (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'জারম' এর এ গোত্র এবং আশ'আরীদের মধ্যে হৃদ্যতা ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। একবার আমরা আবূ মূসা আশ'আরীর নিকটে ছিলাম, তখন তার সামনে খাবার আনা হলো, যার মধ্যে মুরগির গোশতও ছিল। পরবর্তী অংশ উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১২০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 13 · #4063 - 14
‘আলী ইবনু হুজুর সাদী, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু নুমায়র, ইবনু আবূ 'উমার ও আবূ বাকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ..... যাহদাম জারমী (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ মূসার নিকটে ছিলাম। অতঃপর সকলেই হাম্মাদ ইবনু যায়দের হাদীসের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১২১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 14 · #4064 - 15
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... যাহদাম জারমী (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ মূসা (রাযিঃ) এর নিকট গমন করি। তখন তিনি মুরগীর গোশত আহার করছিলেন। তিনি হাদীসের পরবর্তী অংশ উক্ত বর্ণনাকারীদের মতই বর্ণনা করেন। তবে তিনি এতে এতটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর কসম! আমি তা ভুলে যাইনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১২২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 15 · #4065 - 16
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ মূসা আশ'আরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সওয়ারী চাইতে আসি। তিনি বললেনঃ আমার নিকট এমন কিছু নেই যা তোমাদেরকে সওয়ারী হিসেবে দিতে পারি। আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের সওয়ারী দিব না। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কালো মিশ্রিত সাদা কুঁজবিশিষ্ট তিনটি উট আমাদের নিকট পাঠান। আমরা আলোচনা করলাম যে, সওয়ারী চাওয়ার জন্যে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসেছিলাম। তখন তিনি কসম খেয়েছিলেন যে, তিনি আমাদের সওয়ারী দিবেন না। এরপর আমরা তার নিকট গিয়ে তাকে কসমের বিষয় জানালাম। তিনি বললেনঃ আমি কোন বিষয়ের উপর কসম করলে তার বিপরীত কাজ যদি উত্তম দেখি, তবে সে উত্তমটি করি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১২৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 16 · #4066 - 17
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল আ'লা তামীম (রহঃ) ... আবূ মুসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা পদাতিক ছিলাম। তাই আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে সওয়ার চাইতে আসলাম। এরপর জারীরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১২৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 17 · #4067 - 18
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে গভীর রাত পর্যন্ত বিলম্ব করে। এরপর তার গৃহে গিয়ে দেখে যে, বাচ্চারা ঘুমিয়ে পড়েছে। তার স্ত্রী তার খাবার নিয়ে এলে সে সন্তানদের কারণে কসম করলো যে, সে খাবে না। পরে খাবার গ্রহণকে উচিত মনে করলে সে খেয়ে নিল। এরপর সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তাকে উক্ত ঘটনা বলে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম খায়, পরে অন্যটিকে তা থেকে উত্তম মনে করে, সে যেন তা করে ফেলে এবং নিজের কসমের কাফফারাহ দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১২৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 18 · #4068 - 19
আবূ তাহির (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, পরে অন্যটি তার চেয়ে উত্তম মনে করে, তবে সে যেন তার কসমের কাফফারা দেয় এবং ঐ (উত্তম) কাজটি করে ফেলে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১২৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 19 · #4069 - 20
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন বিষয়ের উপর কসম করে, পরে অন্যটিকে তার চেয়ে ভাল মনে করে, তবে সে যেন সেই ভাল বিষয়কে কার্যে পরিণত করে এবং কসমের কাফফারা আদায় করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১২৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 20 · #4070 - 21
কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) ..... সুহায়ল (রহঃ) এর সূত্রে উক্ত সানাদে মালিক বর্ণিত হাদীসের মর্মানুরূপ বর্ণনা করেন। কিন্তু এতে রয়েছে, "সে যেন তার কসমের কাফফারাহ দেয় এবং তাই করে যা ভাল"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১২৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 21 · #4071 - 22
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... তামীম ইবনু তারাফাহ্ (রহঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) এর নিকট একজন প্রার্থী আসল। সে একজন দাসের মূল্য কিংবা দাসের মূল্যের কিছু অংশ সাহায্য করার প্রার্থনা জানায়। তিনি বললেন, একটি বর্ম ও লোহার টুপি ব্যতীত আমার নিকট তোমাকে দেয়ার মত আর কিছুই নেই। আমি আমার ঘরে লিখে দিচ্ছি যেন তারা এ দুটি তোমাকে দিয়ে দেয়। রাবী বলেন, সে ব্যক্তি এতে রাজি হলো না। অাদী এতে ক্রোধাম্বিত হয়ে বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাকে কিছুই দিব না। পরে লোকটি রাযি হয়ে গেল। তখন তিনি বললেনঃ জেনে রেখো, আল্লাহর কসম! আমি যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, যে ব্যক্তি কোন ব্যাপারে কসম করে, অতঃপর তা অপেক্ষা বেশি আল্লাহর ভয়সম্পন্ন বিষয় দেখে, তবে সে যেন তাকওয়াপূর্ণ বিষয়টিই করে, তাহলে আমি আমার কসম ভঙ্গ করতাম না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১২৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 22 · #4072 - 23
উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কসম করে, এরপর অন্যটিকে উত্তম মনে করে, তবে সে যেন উত্তমটিই করে এবং কসম ছেড়ে দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৩০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 23 · #4073 - 24
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও মুহাম্মাদ ইবনু তারীফ বাজালী (রহঃ) ..... আদী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ কসম করে, এরপর তার চেয়ে উত্তম কিছু দেখে, তবে সে যেন তার কাফফারাহ আদায় করে এবং তা-ই যেন করে যা উত্তম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৩১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 24 · #4074 - 25
মুহাম্মাদ ইবনু তারীফ (রহঃ) ..... আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে উক্ত হাদীসের অনুরূপ বলতে শুনেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৩২ ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 25 · #4075 - 26
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... ‘আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। একবার তার নিকট এক ব্যক্তি এসে একশ' দিরহামের প্রার্থনা জানায়। তিনি বললেন, তুমি আমার নিকট একশ' দিরহাম সওয়াল করছ! অথচ আমি হাতিমের ছেলে। আল্লাহর শপথ! তোমাকে আমি দান করব না। এরপর তিনি বললেন, আমি যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, যে ব্যক্তি কসম করে, পরে তদপেক্ষা উত্তম কিছু দেখে, তবে সে যেন সে উত্তমটিই পালন করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 26 · #4076 - 27
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি তার কাছে সাওয়াল করে। এরপর উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন এবং অতিরিক্ত বলেন যে, আমার দান থেকে তুমি চারশ' দিরহাম নাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 27 · #4077 - 28
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... 'আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ! তুমি শাসন কর্তৃত্ব চেয়ো না। কারণ, যদি তোমাকে চাওয়ার কারণে তা দেয়া হয়, তবে তার দায়িত্ব তোমার উপর পড়বে। আর চাওয়া ব্যতীত তোমাকে তা দেয়া হলে এ ব্যাপারে তোমাকে সাহায্য করা হবে। আর যখন তুমি কোন কাজের উপর কসম কর, তারপর তার বিপরীত কাজকে তুমি উত্তম মনে কর, তবে তুমি তোমার কসমের কাফফারাহ আদায় কর এবং যা উত্তম তা করে নাও। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৭০৫] আবূ আহমাদ আল-জালূদী ..... জারীর ইবনু হাযিম (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 28 · #4078 - 29
‘আলী ইবনু হুজুর সা’দী ..... আবূ কামিল জাহদারী ..... উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয ..... ও উকবাহ ইবনু মুকরাম আম্মী ..... আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে মু'তামির তার পিতা সূত্রে বর্ণিত হাদীসে শাসন কর্তৃত্ব (ইমারাত) এর কথা উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৩৬. ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 29 · #4079 - 30
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমার কসম ঐ উদ্দেশের উপর ধরে নেয়া হবে, যে উদ্দেশের উপর তোমার সঙ্গী তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। আমর বলেন, এ ভাবে যে, তোমার সঙ্গী যে উদ্দেশে তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 30 · #4080 - 31
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কসমকারীর নিয়াতের উপরই কসমটি হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 31 · #4081 - 32
আবূ রাবী' আতাকী ও আবূ কামিল জাহদারী ও ফুযায়ল বিন হুসায়ন (রহঃ) ... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সুলাইমান (আঃ) এর ষাটজন স্ত্রী ছিল। একদা তিনি বলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সকল স্ত্রীর কাছেই গমন করবো। অর্থাৎ মিলিত হব। এতে প্রত্যেকেই গর্ভবতী হবে এবং প্রত্যকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা (ভবিষ্যতে) আল্লাহর পথে অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে লড়াই করবে। কিন্তু পরিশেষে একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কেউই গর্ভবতী হননি। এরপর তিনি অর্ধ মানবাকৃতির (নিষ্কর্ম) একটি সন্তান প্রসব করলেন। এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি তিনি তখন ইনশাআল্লাহ' বলতেন, তবে নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করতেন, যারা প্রত্যেকেই অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে আল্লাহর পথে লড়াই করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 32 · #4082 - 33
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) .... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, একদা আল্লাহর নবী সুলাইমান ইবনু দাউদ (আঃ) বলেছিলেন, অবশ্যই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করবে। তখন তার কোন সাথী অথবা ফেরেশতা তাকে বললেন যে, আপনি ইনশা আল্লাহ' বলুন। কিন্তু তিনি ভুলে যাওয়ার কারণে তা বলেননি। অতএব, তার স্ত্রীদের মধ্য হতে একজন ছাড়া আর কেউ সন্তান প্রসব করেননি। আর সে স্ত্রী যে সন্তানটি প্রসব করলেন, তাও আবার অপূর্ণাঙ্গ ছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি তিনি ইনশাআল্লাহ' বলতেন, তবে তিনি শপথ প্রত্যাহারকারী হতেন না। আর তিনি তখন স্বীয় উদ্দেশ্য সাধনে সফলকাম হতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৪০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 33 · #4083 - 34
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) .... আবূ হুরাইরাহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরেকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৪১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 34 · #4084 - 35
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সুলাইমান ইবনু দাউদ (আঃ) একদা বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যকেই এমন সব সন্তান জন্ম দেবে যারা আল্লাহর পথে লড়াই করবে। তখন তাকে বলা হলো যে, আপনি ইনশা আল্লাহ' বলুন। কিন্তু তিনি (ভুলক্রমে) তা বলেননি। অতঃপর তিনি সকল স্ত্রীর কাছে গমন করলেন। তাতে কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না, একজন স্ত্রীর একটি অর্ধ মানবাকৃতির (অপূর্ণাঙ্গ) সন্তান প্রসব করা ব্যতীত। রাবী বলেন যে, এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি তিনি তখন ইনশা-আল্লাহ' বলতেন, তবে তিনি শপথ ভঙ্গকারী হতেন না। আর উদ্দেশ্য পূরণে তিনি সফলতা পেতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৪২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 35 · #4085 - 36
যুহাইর ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা সুলাইমান ইবনু দাউদ (আঃ) বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে নব্বইজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছেই গমন করবো। এতে তারা এমন যোগ্য সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। তখন তার কোন সাথী তাকে বললেন, আপনি ইনশাআল্লাহ বলুন। কিন্তু তিনি ইনশাআল্লাহ' বলেননি। এরপর তিনি সকল স্ত্রীর সঙ্গেই সহবাস করলেন। কিন্তু মাত্র একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না। তিনি যে সস্তানটি প্রসব করলেন- তাও ছিল অপূর্ণাঙ্গ! সেই মহান সত্তার শপথ! যার হাতে মুহাম্মদসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবন, যদি তিনি তখন ইনশাআল্লাহ' বলতেন, তবে তারা সকলেই (স্ত্রীদের জন্ম দেয়া সন্তান) আশ্বারোহী সৈনিক হয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 36 · #4086 - 37
সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রাযিঃ) ..... আবূ যিনাদ (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি কিছু শাব্দিক পরিবর্তন করে বলেছেন যে- প্রত্যেক স্ত্রী এমন সন্তানদের প্রসব করবে, যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 37 · #4087 - 38
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ ব্যাপারে বহু হাদীস বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর কসম! তোমাদের কেউ স্বীয় পরিবারের সাথে (কোন বিষয়ে) আল্লাহর নামে কসম করে এর পুনরাবৃত্তি করে বা এর উপর অটল থাকে তা অধিক গুনাহর কারণ বলে বিবেচিত হবে- কসম করে আল্লাহর নির্ধারিত (শপথ ভঙ্গের) কাফফারাহ আদায় করার তুলনায়।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 38 · #4088 - 39
–(২৭/১৬৫৬) মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর মুকাদ্দামী মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না যুহাইর ইবনু হারব (রহঃ) .... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, একদা উমর (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি জাহিলিয়াতের জামানায় মসজিদুল হারামে এক রাত্রি ইতিকাফ করার মানৎ করেছিলাম। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার মানত পূর্ণ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 39 · #4089 - 40
আবূ সাঈদ আশাজ্জ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মদ ইবনু 'আলা, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু জাবালা ইবনু আবূ রাওয়াদ (রহঃ) ..... সকলেই উবাইদুল্লাহ (রহঃ) এর সূত্রে ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করে বলেন যে, তাদের মধ্য হতে হাফ্স (রহঃ) উমর (রাযিঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর আবূ উসামাহ্ এবং সাকিফ (রহঃ) উভয়ের বর্ণিত হাদীসে اعْتِكَافُ لَيْلَةٍ (এক রাত্রির ইতিকাফের) কথা উল্লেখ আছে। আর শুবাহ (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে يَوْمًا يَعْتَكِفُهُ (তিনি তার উপর একদিনের ইতিকাফ করা ধার্য করে নিয়েছিলেন)। উল্লেখিত হাফস (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে 'একদিন এবং এক রাত্রির কথা উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 40 · #4090 - 41
আবূ তাহির (রহঃ) ..... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়িফ থেকে ফিরে আসার পর জিরানাহ নামক স্থানে অবস্থান কালে উমার ইবনু খাত্তাব (রাযিঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন হে আল্লাহর রসূল! আমি অজ্ঞতার যুগে মাসজিদুল হারামে একদিন ইতিকাফ করার মানৎ করেছিলাম। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তখন তনি বললেনঃ যাও এবং একদিন ইতিকাফ করো। বর্ণনাকারী বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে যুদ্ধ থেকে প্রাপ্ত সম্পদের (গনীমতের) এক পঞ্চমাংশ থেকে একটি দাসী প্রদান করেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্ত করে দেন তখন উমর (রাযিঃ) তাদের শোরগোল শুনতে পান। তারা বলাবলি করছিল যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। উমর (রাযিঃ) বললেন, ব্যাপার কী? তখন তারা বলল, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। তখন উমর (রাযিঃ) বললেন, হে আবদুল্লাহ! ঐ দাসীটির কাছে গিয়ে তাকে মুক্ত করে দাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 41 · #4091 - 42
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনাইনের যুদ্ধ থেকে ফিরে এলেন- তখন উমর (রাযিঃ) তার জাহিলী যুগে করা একদিনের ইতিকাফ করার মানৎ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম (রহঃ) এর হাদীসের মৰ্মানুরূপ হাদীসটি উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 42 · #4092 - 43
আহমাদ ইবনু অবদাতুয় যাব্বী (রহঃ) ... নাফি (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমর (রাযিঃ) এর নিকট জিরানাহ থেকে ফেরার সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উমরাহ করার কথা উল্লেখ করা হল। তখন তিনি বললেন, সেখান থেকে তিনি উমরাহ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন যে, উমার (রাযিঃ) জাহিলী যুগে একরাত্রি ইতিকাফ করার মানৎ করেছিলেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম ও মা'মার সূত্রে আইয়ূব হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৫০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 43 · #4093 - 44
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিমী, ইয়াহইয়া ইবনু খালাফ (রহঃ) ..... উভয়েই নাফি (রহঃ) এর সূত্রে ইবনু উমর (রযিঃ) থেকে মানত সম্পর্কে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর উভয়ের বর্ণিত হাদীসে সকলেই اعْتِكَافُ يَوْمٍ (একদিনের ইতিকাফ) কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৫১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 44 · #4094 - 45
আবূ কামিল ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন জাহদারী (রহঃ) ..... আবূ উমর (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু উমর (রাযিঃ) এর কাছে আগমন করলাম, ইতোমধ্যে একজন ক্রীতদাসকে মুক্ত করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, তিনি মাটি থেকে একটি কাঠি অথবা অন্য কোন বস্তু নিয়ে বললেন, তাকে আযাদ করার মধ্যে তার সমতুল্য পুণ্যও নেই। কিন্তু আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি নিজ ক্রীতদাসকে চপেটাঘাত করল অথবা প্রহার করল, এর কাফফারা হল তাকে মুক্ত করে দেয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৫২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 45 · #4095 - 46
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... যযান (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, ইবনু উমার (রাযিঃ) তার এক গোলামকে ডাকলেন। এরপর তার পিঠে (প্রহারের) দাগ দেখতে পেলেন। তিনি তাকে বললেন, তুমি কি এতে যন্ত্রণা অনুভব করছ? সে বলল, না। তখন তিনি বললেন, তুমি মুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি মাটি থেকে কোন বস্তু নিয়ে বললেন, তাকে আযাদ করার মধ্যে এতটুকু পুণ্যও মেলেনি। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আপন গোলামকে বিনা অপরাধে প্রহার করল কিংবা চপেটাঘাত করল, এর কাফফারাহ হল তাকে মুক্ত করে দেয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 46 · #4096 - 47
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) উভয়েই সুফইয়ান (রহঃ) এর সূত্রে ইবনু মাহদী (রহঃ) এর হাদীসের উল্লেখপূর্বক বলেন যে, এতে حَدًّا لَمْ يَأْتِهِ (বিনা অপরাধে) কথাটি উল্লেখ আছে। আর ওয়াকী (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে مَنْ لَطَمَ عَبْدَهُ (যে ব্যক্তি আপন গোলামকে চপেটাঘাত করল) বাক্যটির উল্লেখ আছে। তিনি তার হাদীসে حد (অপরাধের শাস্তি) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 47 · #4097 - 48
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু নুমাইর (রহঃ) ..... মুআবিয়াহ্ ইবনু সুওয়াইদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, একদা আমি আমাদের এক গোলামকে চপেটাঘাত করলাম। এরপর আমি পালিয়ে গেলাম এবং যুহরের সালাতের আগে আগে ফিরে এলাম। আমি আমার পিতার পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি তাকে এবং আমাকে ডাকালেন। গোলামকে বললেন, তুমি তার কাছ থেকে বদলা নাও। অবশেষে সে ক্ষমা করে দিল। এরপর তিনি বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়কালে বানী মুকাররিন গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমাদের মাত্র একটি গোলাম ছিল। একদা আমাদের কোন একজন তাকে চপেটাঘাত করল এবং এ সংবাদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌছল। তখন তিনি বললেন, তাকে আযাদ করে দাও। তারা বলল, সে ব্যতীত তাদের কোন খাদেম নেই। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা তার কাছ হতে সেবা গ্রহণ করতে থাক, যখনই তার প্রয়োজন মিটে যাবে তখনই তোমরা তাকে মুক্ত করে দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 48 · #4098 - 49
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... হিলাল ইবনু ইয়াসাফ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বৃদ্ধ তার চাকরকে তড়িঘড়ি করতে গিয়ে চপেটাঘাত করল। সুওয়াইদ ইবনু মুকাররিন (রহঃ) তাকে বললেন, আপনি তার মূল্যবান চেহারা ছাড়া আর কোন স্থান পেলেন না। আপনি আমাকে বানী মুকাররিন গোত্রের সাত সদস্য বিশিষ্ট পরিবারে সপ্তম লোক হিসেবে দেখতে পাচ্ছেন। আমাদের একজন গোলাম ব্যতীত অন্য কোন গোলাম ছিল না। একদা আমাদের মধ্যকার সর্ব কনিষ্ঠ ব্যক্তি তাকে চপেটাঘাত করল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন তাকে আযাদ করে দিতে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 49 · #4099 - 50
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... হিলাল ইবনু ইয়াসাফ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নু'মান ইবনু মুকাররিন (রহঃ) এর ভাই সুওয়াইদ ইবনু মুকাররিন (রহঃ) এর বাড়িতে কাপড় বিক্রি করছিলাম। এমন সময় একজন দাসী বেরিয়ে এসে আমাদের একজন লোকের সাথে তর্ক করল। তখন সে তাকে একটি চপেটাঘাত মারল। এতে সুওয়াইদ (রাযিঃ) রাগাম্বিত হলেন। তখন তিনি ইবনু ইদ্রিস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৫৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 50 · #4100 - 51
আবদুল ওয়ারিস ইবনু আবদুস সামাদ (রহঃ) ..... সুওয়াইদ ইবনু মুকাররিন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তার একজন দাসী ছিল। এক ব্যক্তি একদা তাকে এক চপোটাঘাত করল। তখন সুওয়াইদ (রাযিঃ) তাকে বললেন, তুমি কি জাননা যে, চেহারায় চপেটাঘাত করা নিষিদ্ধ? নিশ্চয়ই তুমি আমাকে দেখতে পাচ্ছ যে, আমরা সাত ভাই। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় আমাদের একজনের গোলাম ব্যতীত আর কারো গোলাম ছিল না। একদা আমাদের মধ্যকার জনৈক ব্যক্তি তাকে চপোটাঘাত করল। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন তাকে মুক্ত করে দেয়ার জন্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 51 · #4101 - 52
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু মুনকাদার (রাযিঃ) এরপর আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কী? অতঃপর তিনি 'আবদুস সামাদ (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 52 · #4102 - 53
আবূ কামিল জাহদারী (রহঃ) ..... আবূ মাসউদ বাদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আমার এক ক্রীতদাসকে চাবুক দিয়ে প্রহার করছিলাম। হঠাৎ আমার পিছনে থেকে একটি শব্দ শোনলাম, হে আবূ মাসউদ! জেনে রেখো! রাগের কারণে আমি শব্দটি স্পষ্ট বুঝতে পারলাম না। বর্ণনাকারী বলেন, যখন তিনি আমার কাছাকাছি এলেন তখন দেখতে পেলাম, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তিনি বলছেনঃ হে আবূ মাসউদ! তুমি জেনে রেখো, হে আবূ মাসউদ! তুমি জেনে রেখো! বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি চাবুকটি আমার হাত থেকে ফেলে দিলাম। এরপর তিনি বললেন, হে আবূ মাসউদ! তুমি জেনে রেখো যে, এ গোলামের উপর তোমার ক্ষমতার চেয়ে তোমার উপর আল্লাহ তা'আলা অধিক ক্ষমতাবান। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, এরপর কখনও কোন কৃতদাসকে আমি প্রহার করবো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৬০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 53 · #4103 - 54
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি, আবূ বকর ইবনু আবূ শইবাহ (রহঃ) সকলেই আ'মশ (রহঃ) সূত্রে আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু জারীর (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীস فَسَقَطَ مِنْ يَدِي السَّوْطُ مِنْ هَيْبَتِهِ (তার ভয়ে আমার হাত থেকে চাবুকটি পড়ে গেল) এ বাক্যটি অতিরিক্ত সংযোজিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৬১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 54 · #4104 - 55
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু আ'লা (রহঃ) ..... আবূ মাসউদ আনসারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার এক দাসকে প্রহার করছিলাম। হঠাৎ আমার পিছন দিক থেকে একটি আওয়াজ শোনলাম। হে আবূ মাসউদ! জেনে রেখো, তুমি তার উপর যেরূপ শক্তিমান, আল্লাহ তা'আলা তোমার ওপর এর চেয়ে অধিক শক্তিমান। হঠাৎ পিছন দিকে তাকিয়ে দেখি তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! সে আল্লাহর ওয়াস্তে মুক্ত। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সাবধান! যদি তুমি তা না করতে তাহলে অবশ্যই দোযখ তোমাকে গ্রাস করতো। কিংবা (রাবীর সন্দেহ) দোযখ তোমাকে অবশ্যই স্পর্শ করতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন 8১৬২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 55 · #4105 - 56
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি একদা তার গোলামকে মারছিলেন। তখন সে বলতে লাগলো- আমি আল্লাহর কাছে পরিত্রাণ চাই। বর্ণনাকারী বলেন, তখনও তিনি তাকে প্রহার করছিলেন। এরপর সে বলল, আমি আল্লাহর রসূলের কাছে সাহায্য চাই। তখন তিনি তাকে ছেড়ে দিলেন। এ সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহর শপথ! তুমি তার উপর যতটুকু শক্তিমান, আল্লাহ তা'আলা তোমার উপর তার চেয়ে অধিক শক্তিমান। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি তাকে আযাদ করে দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 56 · #4106 - 57
বিশর ইবনু খালিদ উক্ত হাদীসটি শুবাহ্ (রহঃ) হতে এ একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি أَعُوذُ بِاللَّهِ أَعُوذُ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم (আমি আল্লাহর কাছে পরিত্রণ চাই, আমি আল্লাহর রসূলের কাছে সাহায্য চাই) এ বাক্যটির উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 57 · #4107 - 58
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূল কাসিম (মুহাম্মদ) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আপন দাস দাসীর উপর ব্যভিচারের মিথ্যা অভিযোগ আনলো, কিয়ামত দিবসে তার উপর এ মিথ্যা অপবাদের শাস্তি আপতিত হবে। কিন্তু সে যা বলেছে তা যদি সত্য হয় তবে নয় (তবে অভিযোগকারী আর শাস্তি পাবে না) (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 58 · #4108 - 59
আবূ কুরায়ব ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... উভয়ে ফুযায়ল ইবনু গাযওয়ান (রাযিঃ) থেকে একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর তাদের উভয়ের হাদীসে أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم نَبِيَّ التَّوْبَةِ(তাওবার নবী আবূল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছি) এর উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 59 · #4109 - 60
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... মা’রূর ইবনু সুওয়াইদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমরা রাবাযাহ নামক স্থানে আবূ যর (রাযিঃ) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন তার গায়ে একটি চাদর ছিল এবং তার গোলামের গায়েও অনুরূপ একটি চাদর ছিল। তখন আমরা বললাম, হে আবূ যার (রাযিঃ)! যদি আপনি উভয়টি একত্রিত করতেন, তাহলে এক জোড়া চাদর হতো। তিনি বললেন, আমার মধ্যে এবং আমার ভাই সম্পৰ্কীয় ব্যক্তিটির মধ্যে কিছু কথা আছে। তার মা একজন অনারব। একদা আমি তার মাকে উল্লেখ করে তাকে ভৎসনা করলাম। তখন সে আমার বিরুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নালিশ করল। এরপর যখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম তখন তিনি বললেন, হে আবূ যার! তুমি এমন ব্যক্তি, যার মধ্যে জাহিলী যুগের কাজকর্ম রয়েছে (যে সময়ে একে অন্যের বাপ-মাকে অবজ্ঞা ও তুচ্ছজান করতো)। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! যে ব্যক্তি মানুষদেরকে গালি দেয় তার প্রতি উত্তরে তারাও তার পিতা মাতাকে উল্লেখ করে গালি দেয়া স্বাভাবিক। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবূ যার! তোমার মধ্যে জাহিলী যুগের কর্মকাণ্ড এখনও বিদ্যমান (অর্থাৎ তার মন্দ কথার বদলায় তার বাবা-মাকে গালি দেয়া অন্যায়)। তারা তোমাদের ভাই। আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীনস্থ করেছেন। তোমরা যা খাবে তাদেরকেও তা খাওয়াবে এবং তোমরা যেমন পোশাক পরবে তাদেরকে তা পরাবে। তোমরা তাদের উপর এমন কোন কাজের ভার চাপিয়ে দিবে না, যা করতে তারা হিমশিম খেয়ে যায়। যদি তোমরা তাদেরকে কোন কাজে কষ্ট দাও, তাহলে এ কাজে তাদের সাহায্যও করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 60 · #4110 - 61
আহমাদ ইবনু ইউনুস, আবূ কুরায়ব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ...... সকলেই আ'মাশ (রহঃ) ..... থেকে এ একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি যুহায়র ও আবূ মু'আবিয়াহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন, হাদীসে "তোমার মধ্যে জাহিলী যুগের কর্মকাণ্ড বিদ্যমান" এ কথার পর কিছু বাড়িয়ে যোগ করেছেন। তিনি বলেন, আমি বললাম, তা কি আমার বয়োবৃদ্ধে হবে? তিনি বলেন, হ্যাঁ। আর আবূ মুআবিয়াহর বর্ণনায় আছে- হ্যাঁ, তোমার বয়োবৃদ্ধকালে। আর ঈসা (রহঃ) এর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, যদি তুমি তাকে সাধ্যের বাইরে কোন কাজ করতে দাও, যা সে করতে অক্ষম, তবে তাকে বিক্রি করে দাও। আর যুহায়র (রহঃ) এর হাদীসে আছে "অতএব তুমি তাকে তখন সাহায্যও করবে।" আবূ মু'আবিয়াহ্ (রাযিঃ) এর হাদীসে "তুমি তাকে বিক্রি করে দাও” অথবা “সাহায্য কর” কোন কথার উল্লেখ নেই। "তুমি তাকে এমন কাজের ভার চাপিয়ে দিও না, যা করতে সে অক্ষম" এ কথা দ্বারাই হাদীস শেষ করা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 61 · #4111 - 62
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... মা’রূর ইবনু সুওয়াইদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ যার (রাযিঃ) কে দেখতে পেলাম যে, তার গায়ে একটি চাদর এবং তার গোলামের গায়েও অনুরূপ একটি চাদর রয়েছে। তখন আমি এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন যে, কোন এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় এক ব্যক্তিকে গালি দিয়েছিল। প্রত্যুত্তরে সে ব্যক্তি তার মাকে উল্লেখ করে গালি দিল। বর্ণনাকারী বলেন, তখন লোকটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে ঐ ঘটনা বর্ণনা করলো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ নিশ্চয়ই তোমার মধ্যে অজ্ঞতা যুগের কর্মকাণ্ড বিদ্যমান। তারা তোমাদের ভাই, তোমাদের গোলাম আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে তোমাদের অধীনস্থ করে দিয়েছেন। সুতরাং যে ব্যক্তির অধীনে তার কোন ভাই থাকে তার উচিত তাকে এমন খাদ্য দেয়া যা সে নিজে খায় এবং এমন পোশাক দেয়া যা সে নিজে পরে। আর তোমরা তাদের উপর এমন কাজের ভার চাপিয়ে দিও না যা তাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়। আর যদি তোমরা তাদেরকে সামর্থ্যের বাইরে কাজ দাও, তবে তোমরা তাদেরকে প্রয়োজনীয় সাহায্য সহযোগিতাও করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 62 · #4112 - 63
আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেনঃ কৃতদাসের জন্যে খাওয়া-দাওয়া ও পোশাক-পরিচ্ছদের ব্যবস্থা করা মনিবের দায়িত্ব। তার সাধ্যের বাইরে কোন কাজের জন্য তাকে কষ্ট দেয়া যাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৭০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 63 · #4113 - 64
কা'নবী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কোন গোলাম খাদ্য তৈরী করে তার মনিবের কাছে নিয়ে আসে যাতে তার তাপ ও ধোয়া সে সহ্য করেছে, তখন তার উচিত হবে তাকে কাছে বসিয়ে তা থেকে কিছু খাবার প্রদান করা। আর যদি খাবারের পরিমাণ অতি অল্প হয়, তবে সে যেন তার হাতে অন্ততঃ এক লোকম অথবা দু' লোকমা খাবার প্রদান করে। বর্ণনাকারী দাউদ (রহঃ) ..... বলেন যে,أُكْلَةً أَوْ أُكْلَتَيْنِ এর অর্থ لُقْمَةً أَوْ لُقْمَتَيْنِ এক লোকমা অথবা দু' লোকমা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৭১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 64 · #4114 - 65
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন চাকর যখন কল্যাণকামিতার সাথে আপন মনিবের সেবা করে এবং উত্তমরূপে আল্লাহর ইবাদাতও করে- তখন সে দুটি পুরস্কার প্রাপ্ত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৭২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 65 · #4115 - 66
যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু নুমায়র, আবূ বাকর আবূ শাইবাহ ও হারূন ইবনু সাঈদ আইলী (রহঃ) ..... সকলেই ইবনু উমার (রাযিঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মালিক (রহঃ) ..... এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 66 · #4116 - 67
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সৎ গোলামের জন্যে দ্বিগুণ পুরস্কার রয়েছে। সে মহান আল্লাহর শপথ যার হাতে আবূ হুরাইরাহর জীবন, যদি আল্লাহর পথে জিহাদ করা, হজ্জ করা এবং আমার মায়ের সেবা করা অধিক পুণ্যের বিষয় না হতো, তবে গোলাম অবস্থায় মৃত্যু হওয়াকেই আমি অধিক পছন্দ করতাম। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা জানতে পারলাম যে, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হজ্জে গমন করেননি তার মায়ের মৃত্যুর আগে। কেননা তিনি সর্বদা তার পাশে থেকে সেবা করতেন। বর্ণনাকারী আবূ তাহির তার বর্ণিত হাদীসে لِلْعَبْدِ الْمُصْلِحِ (সৎ গোলামের জন্যে) কথাটির উল্লেখ করেছেন। কিন্তু الْمَمْلُوكَ (ক্রীতদাস) শব্দটি তিনি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 67 · #4117 - 68
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) .... ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি بَلَغَنَا وَمَا بَعْدَهُ (আমাদের কাছে সংবাদ পৌছেছে থেকে নিয়ে এর পরবর্তী অংশ উল্লেখ করেননি)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 68 · #4118 - 69
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে গোলাম আল্লাহর হক এবং তার মনিবের হক আদায় করল, তার জন্য দ্বিগুণ পুরস্কার রয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন যে, আমি হাদীসটি কা'ব (রাযিঃ) এর নিকট বর্ণনা করলাম তখন কা'ব (রাযিঃ) বললেন, কিয়ামতের দিন তার কোন হিসাব নেই এবং ঐ মুমিনের ওপরও কোন হিসাব নেই যার সম্পদ কম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 69 · #4119 - 70
উপযুক্ত হাদীস মুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) আ'মাশ (রহঃ) থেকে একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 70 · #4120 - 71
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ ব্যাপারে অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে উত্তমরূপে ইবাদাত করে মৃত্যুবরণ করেছে এবং আপন মনিবের উত্তম সেবা করেছে, ঐ গোলামের জন্য কতই না উত্তম পুরস্কার রয়েছে, তার জন্য কতই না উত্তম প্রতিদান রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 71 · #4121 - 72
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন গোলামে নিজের অংশ মুক্ত করে দেয় আর তার কাছে এমন পরিমাণ সম্পদ আছে যা দ্বারা সে ঐ গোলামের সম্পূর্ণ মূল্য ন্যায়সঙ্গতভাবে পরিশোধ করতে সক্ষম তখন সে যেন অন্যান্য অংশীদারদের প্রাপ্য অংশ পরিশোধ করে দেয় এবং নিজ দায়িত্বে তাকে সম্পূর্ণভাবে আযাদ করে দেয়। অন্যথায় সে যে অংশ আযাদ করল, তাই শুধু আযাদ হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 72 · #4122 - 73
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি যৌথভাবে ক্রয় করা কোন গোলামের নিজ অংশ আযাদ করে দিল, তার উপর কর্তব্য হবে সম্পূর্ণ গোলাম আযাদ করে দেয়া, যদি সম্পূর্ণ গোলামের মূল্য পরিশোধের মত সম্পদ তার কাছে থাকে। আর যদি এ পরিমাণ সম্পদ তার কাছে না থাকে, তবে সে যে অংশ আযাদ করল, তাই শুধু আযাদ হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 73 · #4123 - 74
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শারীকানায় ক্রয় করা কোন গোলামের নিজ অংশ আযাদ করে দেয় এবং তার কাছে গোলামের সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের মত সম্পদও থাকে তখন তার উপর কর্তব্য হবে ন্যায়সঙ্গতভাবে সকলের মূল্য পরিশোধ করে তাকে সম্পূর্ণ আযাদ করে দেয়া। অন্যথায় সে যে অংশ আযাদ করল তাই শুধু আযাদ হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৮০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 74 · #4124 - 75
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, আবূ রাবী', আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু মনসুর, মুহাম্মদ ইবনু রাফি, হারূন ইবনু সাঈদ আইলী (রহঃ) ...... সকলেই ইবনু উমর (রাযি.) সূত্রে নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তাদের বর্ণিত হাদীসে وَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ مَالٌ فَقَدْ عَتَقَ مِنْهُ مَا عَتَقَ (আর যদি তার কাছে সম্পদ না থাকে, তবে সে যে অংশ আযাদ করল তাই শুধু আযাদ হবে) এরূপ বাক্যের উল্লেখ করেছেন। আর তারা এ কথাও বলেছেন যে, আমরা জানি না যে, প্রকৃতপক্ষেই এ শব্দগুলো হাদীসের অন্তর্ভুক্ত, না বর্ণনাকারী নাফি (রহঃ) নিজের পক্ষ হতেই এগুলো বলেছেন। উল্লিখিত বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় "আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছি"- এ কথাটি একমাত্র লায়স ইবনু সা'দ এর হাদীস ব্যতীত অন্য কারো বর্ণনায় নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৮১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 75 · #4125 - 76
আমর আন নাকিদ ও ইবনু উমার (রাযিঃ) ..... উভয়েই, ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এমন গোলামকে আযাদ করল যার মধ্যে তার এবং অপরের অংশীদারিত্ব আছে, তবে তার সম্পদ থেকে অন্যের অংশ ন্যায়সঙ্গতভাবে পরিশোধ করা কর্তব্য। যদি সে প্রাচুৰ্যশালী হয়, নিজ দায়িত্বে স্বীয় সম্পদ দ্বারা তাকে মুক্ত করে দেয়া উচিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৮২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 76 · #4126 - 77
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি যৌথভাবে ক্রয় করা কোন গোলামের নিজ অংশ আযাদ করল, বাকী অংশটুকু তার সম্পদ থেকে আযাদ করে দেয়া কর্তব্য, যদি তার এমন সম্পদ থাকে যা দিয়ে গোলামের মূল্য পরিশোধ করা যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 77 · #4127 - 78
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) উভয়েই ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ দুজনের অংশীদারিত্বে কোন গোলামের একজন মালিক যদি তার অংশ আযাদ করে দেয়, তবে সে (অপরের অংশের) যামিন হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 78 · #4128 - 79
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... শু’বাহ (রহঃ) সূত্রে হাদীসটি একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, যদি কেউ যৌথভাবে ক্রয় করা কোন গোলামের এক অংশ আযাদ করল, সে স্বাধীন হবে তার মাল দ্বারাই। (অর্থাৎ নিজ দায়িত্বে স্বীয় সম্পদ দ্বারা তাকে সম্পূর্ণ মুক্ত করে দেয়া তার কর্তব্য)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 79 · #4129 - 80
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি যৌথ মালিকানার কোন গোলামের নিজ অংশ আযাদ করল, তবে তার মাল থেকেই তাকে সম্পূর্ণ মুক্ত করে দেয়া কর্তব্য, যদি সে সম্পদশালী হয়। আর যদি তার সম্পদ না থাকে তবে গোলামের দ্বারা সেবা কার্য আদায় করবে বটে, কিন্তু তার উপর কোন কঠোরতা আরোপ করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 80 · #4130 - 81
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ...... ইবনু আবূ আরবাহ (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর ঈসা (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে “এরপর যে অংশ আযাদ হয়নি সে অংশ আযাদ করানোর চেষ্টা করবে, কিন্তু তার উপর কোন কঠোরতা আরোপ করা যাবে না" বর্ণিত রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 81 · #4131 - 82
আলী ইবনু হুজর সাদী, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি তার মৃত্যুকালে নিজের ছয়জন গোলামকে আযাদ করল। অথচ গোলামগুলো ব্যতীত তার আর কোন সম্পদও ছিল না। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে ডাকালেন এবং তাদেরকে তিনভাগে ভাগ করলেন। তারপর তাদের মধ্যে লটারী করে দু'জনকে সম্পূর্ণভাবে আযাদ করলেন এবং বাকী চারজনকে গোলাম বানিয়ে রাখলেন। আর তার (মৃতের) প্রতি শক্ত ভাষা প্রয়োগ করলেন।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 82 · #4132 - 83
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আইয়্যুব (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আর হাম্মাদ (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসটি ইবনু উলাইয়াহ (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ। আর সাকাফী (রহঃ) এর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, "আনসারী এক লোক তার মৃত্যুর সময় ওয়াসিয়্যাত করায় তার ছয়জন গোলামকে মুক্ত করা হলো"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 83 · #4133 - 84
মুহাম্মাদ ইবনু মিনহাল দারীর ও আহমাদ ইবনু আবদাল্লাহ্ (রহঃ) ..... উভয়ে ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ইবনু উলাইয়্যাহ্ (রহঃ) ও হাম্মদ (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৯০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 84 · #4134 - 85
আবূ রাবী' সুলাইমান ইবনু দাউদ আতাকী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, আনসারী একজন লোক তার গোলামকে এ শর্তে আযাদ করল যে, তুমি আমার মৃত্যুর পর স্বাধীন। সে গোলাম ব্যতীত তার আর কোন সম্পদও ছিল না। এ সংবাদ যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌছল তখন তিনি বললেন আমার কাছ থেকে তাকে কিনে নিবে, এমন কে আছে? তখন নু'আয়ম ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) আটশ দিরহামের বিনিময়ে তাকে কিনে নিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ অর্থ আনসারীকে দিয়েছিলেন। 'আমর (রহঃ) বলেন, আমি জাবির ইবনু আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি যে, সে ছিল একজন কিবতী গোলাম। সে (আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর খিলাফতের) প্রথম বছর মৃত্যুবরণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৯১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 85 · #4135 - 86
আবূ বকর ইবনুআবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ...... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন আনসারী এক লোক তার গোলামকে এই বলে আযাদ করল যে, আমার মৃত্যুর পর তুমি স্বাধীন। কিন্তু সে গোলাম ব্যতীত তার আর কোন সম্পদ ছিল না। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বিক্রি করেন। জাবির (রাযিঃ) বলেন যে, ইবনু নাহহাম (রাযিঃ) তাকে ক্রয় করলো। সে গোলামটি ছিল একজন কিবতী ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর খিলাফত কালের প্রথম বছর সে মৃত্যুবরণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৯২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 86 · #4136 - 87
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুদাব্বার সম্পর্কে হাম্মদ (রহঃ) কর্তৃক আমর ইবনু দীনারের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 87 · #4137 - 88
কুতাইবাহ, ‘আবদুল্লাহ ইবনু হাশিম ও আবূ গাসসান মিসমাঈ (রহঃ), সকলেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাম্মদ (রহঃ) এবং ইবনু উয়াইনাহ (রাযিঃ) কর্তৃক আমর (রাযিঃ) ও জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 27 · Hadith 88 · #4138