The Book Concerning the Use of Correct Words
- 1
আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি বলতে শুনেছি, মহান আল্লাহ বলেন, আদম সন্তান সময় ও কালকে গালি-গালাজ করে, অথচ আমিই সময়, আমার হাতেই রাত্রি ও দিবস (এর পরিবর্তন সাধিত হয়)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 1 · #5602 - 2
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহান আল্লাহ বলেন, আদম সন্তান আমাকে দুঃখ দেয়, সে সময়কে গালি দেয়, অথচ আমিই সময়, রাত ও দিন আমিই পরিবর্তন করে থাকি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 2 · #5603 - 3
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পবিত্র ও মহান আল্লাহ বলেন, আদম সন্তান আমাকে দুঃখ দেয়, সে বলে, ‘হায় সময়ের দুর্ভাগ্য। (আমার সময় মন্দ)! তোমাদের কেউ যেন 'হায় সময়ের দুর্ভাগ্য না বলে। কারণ, আমিই তো সময়; আর রাত্রি ও দিবস আমিই পরিবর্তন করে থাকি; আমি যখন ইচ্ছা করি তখন তাদের দু'টিকে সংকুচিত করে দেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 3 · #5604 - 4
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন 'হায়! সময়ের ধ্বংস’ না বলে। কারণ আল্লাহ সময়ের নিয়ন্ত্রক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 4 · #5605 - 5
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা সময়কে গালি-গালাজ করো না। কারণ, আল্লাহ সময়ের পরিবর্তনকারী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 5 · #5606 - 6
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ সময়কে গালি দিবে না। কারণ, আল্লাহ সময়ের নিয়ন্ত্রক। আর তোমাদের কেউ আঙ্গুরকে (বুঝাবার জন্য)العنب এর পরিবর্তেالْكَرْمَ বলবে না। কারণ,الْكَرْمَ বদান্যতা ও মর্যাদা হলো মুসলিম লোক।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 6 · #5607 - 7
আমর আন নাকিদ ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা (আঙ্গুরকে) "আল কারম" বলো না, কারণ 'কারম' হলো মুমিনের অন্তর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 7 · #5608 - 8
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আঙ্গুরকেالْكَرْم (আল-কারম) নামে ডেকো না। কারণ আল কারম হলো মুসলিম ব্যক্তি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 8 · #5609 - 9
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অবশ্যই তোমাদের কেউ যেন (আঙ্গুরকে) আল-কারম’ না বলে। কারণ আল-কারম হলো মুমিনের অন্তর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 9 · #5610 - 10
ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হলো সে সব হাদীস যা আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এ কথা বলে তিনি কতিপয় হাদীস বর্ণনা করেন, সে সবের একটি হলো- রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ আঙ্গুরকে কখনোالْكَرْمَ (আল-কারম) বলবে না। "আল-কারম" তো মুসলিম লোক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 10 · #5611 - 11
‘আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ..... আল্কামাহ ইবনু ওয়ায়িল (রহঃ) তাঁর পিতার সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা (আঙ্গুরকে) 'আল-কারম' বলো না বরং الْحَبَلَةُ আল হাবালাহ' বলো। (বর্ণনাকারী বলেন,) তিনি এ কথা বলে আঙ্গুরের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 11 · #5612 - 12
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলকামাহ্ ইবনু ওয়ায়িল (রহঃ) কে তার পিতার সনদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে রিওয়ায়াত করতে শুনেছি। তিনি বলেন, তোমরা (আঙ্গুরকে) 'আল-কারম' বলো না। তবে বলোالْحَبَلَةُ (আল হাবালাহ) ওالْعِنَبُ (আল ইনাব)।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 12 · #5613 - 13
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন আমার আব্দ ও আমাত তথা আমার বান্দা, আমার বান্দী না বলে। কারণ তোমাদের সকল পুরুষই আল্লাহর বান্দা এবং তোমাদের সকল নারীই আল্লাহর বান্দী। সুতরাং বলবে, গোলামী, ওয়া জারিয়াতী, ওয়া ফাতায়া, ওয়া ফাতাতী' অর্থাৎ, আমার সেবক, আমার সেবিকা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 13 · #5614 - 14
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অবশ্যই তোমাদের কেউ যেন আমার দাস না বলে। কারণ, তোমাদের প্রত্যেকেই আল্লাহর দাস ও বান্দা। তবে সে বলবে আমার সেবক। আর কোন আবদ যেন তার মনিবকে আমার রব্ব’ না বলে বরং বলবে আমার সাইয়্যিদ (মনিব ও নেতা) (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 14 · #5615 - 15
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব ও আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের উভয়ের বর্ণনাতে রয়েছে, গোলাম তার সাইয়্যিদ ও মনিবকে আমার মাওলা’ বলবে না। এবং (প্রথম সূত্রের) বর্ণনাকারী আবূ মু'আবিয়াহ্ (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে বর্ধিত উল্লেখ করেছেন যে, কারণ, তোমাদের মাওলা হলেন আল্লাহ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 15 · #5616 - 16
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হলো সেসব হাদীস, যা আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এ কথা বলে তিনি কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। (সে সবের একটি হলো) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, তোমাদের কেউ (মনিব সম্পর্কে এভাবে) বলবে না যে, তোমার রব্বকে পান করাও, তোমার রব্বকে খাবার দাও, তোমার রব্বকে ওযু করাও। তিনি আরও বলেন, তোমাদের কেউ যেন না বলে আমার রব্ব এবং বলবে আমার সাইয়্যিদ তথা সরদার বা নেতা, আমার মাওলা বা মনিব। আর তোমাদের কেউ যেন না বলে, আমার দাস আমার দাসী, বরং বলবে, আমার সেবক, আমার সেবিকা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 16 · #5617 - 17
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব ও মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ (নিজের দুরবস্থা প্রকাশে) বলবে না আমার মন খবীস (পিশাচ-ইতর-নিকৃষ্ট) হয়ে গেছে; বরং বলবে, আমার মন সংকুচিত ও ভারাক্রান্ত হয়ে গেছে। এ ভাষ্য আবূ কুরায়ব (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের। আর আবূ বাকর (রহঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা উল্লেখ করেছেন তাতেلَكِنْ (কিন্তু, তবে) শব্দটির উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 17 · #5618 - 18
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ মু'আবিয়াহ্ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে অত্র হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 18 · #5619 - 19
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... আবূ উমামাহ্ ইবনু সাহল ইবনু হুনায়ফ (রহঃ) তার পিতা সাহল (রাযিঃ) এর সানাদে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ, আমার আত্মা খবীস হয়ে গেছে বলবে না; বরং আমার মন সংকুচিত ও বিমর্ষ হয়ে গেছে বলবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 19 · #5620 - 20
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বনী ইসরাঈলের খাটো আকৃতির একটি স্ত্রীলোক দু'জন দীর্ঘাঙ্গী মেয়েলোকের সঙ্গে হেঁটে যাচ্ছিল। সে (উচু হওয়ার জন্য) এবং লোকদের চোখে ধরা না পড়ার জন্যে কাঠের দুটি পা তৈরি করে নিল এবং সোনা দিয়ে একটি বড় আংটি প্রস্তুত করে পরে তার ভিতরে মিশক ভরে দিল। আর তা হলো সুগন্ধি কূলের সেরা সুগন্ধি। পরে সে ঐ দু'মেয়েলোকের মধ্য থেকে চলতে লাগলো এবং লোকেরা তাকে চিনতে পারল না। সে সময় তার হাত দিয়ে এভাবে ঝাড়া দিল। (এ কথা বলে) বর্ণনাকারী শু'বাহ্ (রহঃ) তার হাত ঝাড়া দিলেন (এবং স্ত্রীলোকটির হাত ঝাড়ার ধরণ নকল করলেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 20 · #5621 - 21
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী ইসরাঈলের এক নারীর কথা বর্ণনা করলেন যে, তার আংটিটি মিশক ভরাট করে রেখেছিল। (এ বিষয়ে তিনি বললেন) আর মিশক হলো সর্বোত্তম সুগন্ধি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 21 · #5622 - 22
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কারো নিকট কোন ফুল আনা হলে সে যেন তা ফিরিয়ে না দেয়। কারণ, তা ওজনে হালকা এবং ঘ্রাণ উত্তম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 22 · #5623 - 23
হারূন ইবনু সাঈদ আইলী, আবূ তাহির ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাযিঃ) অভ্যস্ত ছিলেন যে, যখন তিনি সুগন্ধির ধোয়া নিতেন, তখন সুগন্ধিযুক্ত কাঠের উদ (চন্দন কাঠ) ধোয়া নিতেন। তিনি এর সাথে কোন কিছু মিলাতেন না। আবার (কখনো) চন্দন কাঠের সঙ্গে কর্পূর ছিটিয়ে দিতেন। তারপর বলতেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ রকমভাবে সুগন্ধি জ্বালাতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 40 · Hadith 23 · #5624