The Book of Commentary on the Qur'an
- 1
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কয়েকটি হাদীস আলোচনা করেছেন। তন্মধ্যে একটি হাদীস হচ্ছে এই যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বনী ইসরাঈলদেরকে বলা হয়েছিল, তোমরা দরজা দিয়ে প্রবেশ করার সময় সিজদাবনতঃ হয়ে প্রবেশ কর এবং বলো حِطَّةٌ আমাদেরকে ক্ষমা কর। তাহলে আমি তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দিব। কিন্তু তারা এ কথার পরিবর্তন করতঃ পাছার উপর ভর করে হেচড়াতে হেঁচড়াতে দরজা দিয়ে প্রবেশ করল এবং (ক্ষমা মার্জনার স্থলে) حَبَّةٌ فِي شَعَرَةٍ অর্থাৎ- যবের শীষে দানা দাও বলতে থাকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 1 · #7141 - 2
আমর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু বুকায়র আন নাকিদ, হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইন্তিকালের পূর্বে ও ইন্তিকাল পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর ধারাবাহিকভাবে ওয়াহী অবতীর্ণ করেন। যেদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন সেদিনও তার প্রতি অনেক ওয়াহী অবতীর্ণ হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 2 · #7142 - 3
আবু খাইসামাহ যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... তারিক ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াহুদী লোকেরা উমর (রাযিঃ) কে বলল, তোমরা এমন একটি আয়াত পাঠ করে থাকো তা যদি আমাদের সম্বন্ধে অবতীর্ণ হত, তবে এ দিনটিকে আমরা আনন্দোৎসবের দিন হিসেবে পালন করতাম। উমর (রাযিঃ) বললেন, আমি জানি, ঐ আয়াতটি কখন, কোথায় ও কোন দিন অবতীর্ণ হয়েছিল। আর যখন তা অবতীর্ণ হয়েছিল তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথায় অবস্থান করছিলেন তাও জানি। আয়াতটি আরাফার দিন অবতীর্ণ হয়েছিল; রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আরাফাতেই অবস্থান করছিলেন। রাবী সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, "আজ আমি তোমাদের দীনকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং আমার নি’আমাত তোমাদের প্রতি পূর্ণ করে দিলাম"- (সূরা আল মায়িদাহ ৫ঃ ৩)। এ আয়াতটি যেদিন অবতীর্ণ হয়েছিল তা জুমুআর দিন ছিল কি-না, এ বিষয়ে আমি সন্দিহান। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 3 · #7143 - 4
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) .... ত্বরিক ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন জনৈক ইয়াহুদি উমার (রাযিঃ) কে বলল الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلاَمَ دِينًا অর্থাৎ “আজ আমি তোমাদের দীনকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন হিসেবে মনোনীত করলাম”— (সূরা আল মায়িদাহ ৫ঃ ৩) এ আয়াতটি আমাদের ইয়াহুদী সম্প্রদায় সম্বন্ধে অবতীর্ণ হলে এ দিনটিকে আমরা আনন্দোৎসব দিবস হিসেবে পালন করতাম। আমরা জানি, কোন দিন এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে। রাবী বলেন, এ কথা শুনে উমর (রাযিঃ) বললেন, কোন দিন এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে, কোন সময়ে অবতীর্ণ হয়েছে এবং এ আয়াতটি অবতীর্ণ হওয়ার প্রাক্কালে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথায় ছিলেন, তাও আমি সম্যক অবগত আছি। এ আয়াতটি মুযদালিফার রাতে অবতীর্ণ হয়েছে। তখন আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আরাফার মাঠে ছিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 4 · #7144 - 5
(…) আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... তারিক ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ইয়াহুদী ব্যক্তি উমর (রাযিঃ) এর কাছে এসে বলল, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনাদের কিতাবের মধ্যে এমন একটি আয়াত আপনারা তিলাওয়াত করে থাকেন। যদি তা আমাদের ইয়াহুদী সম্প্রদায় সম্পর্কে অবতীর্ণ হত তাহলে ঐ দিনটিকে আমরা আনন্দোৎসব দিবস হিসেবে পালন করতাম। উমর (রাযিঃ) প্রশ্ন করলেন আয়াতটি কি? সে বলল, আয়াতটি হল الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلاَمَ دِينًاঅর্থাৎ "আজ আমি তোমাদের দীনকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন হিসেবে মনোনীত করলাম"— (সূরা আল মায়িদাহ ৫ঃ ৩)। এ কথা শুনে উমর (রাযিঃ) বললেন, যে দিন, যে স্থানে আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে অবশ্যই আমি তা জানি। আয়াতটি জুমুআর দিন আরাফাতের মাঠে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 5 · #7145 - 6
আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া আত তুজীবী (রহঃ) ..... উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে মহান আল্লাহর বাণী সম্পর্কে প্রশ্ন করলেনঃ “তোমরা যদি ভয় করো যে, ইয়াতীমদের মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না, তবে বিয়ে করবে স্ত্রীলোকেদের মধ্যে যাকে তোমাদের পছন্দ হয়। (সূরা আন নিসার) দু’, তিন অথবা চার" এর ব্যাখ্যা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, হে ভাগ্নে! যেসব ইয়াতীম মেয়েরা তাদের তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবকদের সম্পদের অংশীদার হত তার সম্পদের লালসা ও রূপ-যৌবনের সৌন্দর্যের প্রতি উক্ত অভিভাবক তাকে অন্যরা যে পরিমাণ মুহরানা দিয়ে বিয়ে করতে প্রস্তুত ইনসাফের নীতি অনুযায়ী উক্ত পরিমাণ মুহরানা দিয়ে বিয়ে করতে চাইতো না। এ আয়াতে তাদেরকে ঐসব ইয়াতীমদের বিয়ে করতে বারণ করা হয়েছে। তবে তাদের মুহরানা প্রদানের ব্যাপারে সর্বোত্তম রীতি-নীতি অনুসরণ করলে তা স্বতন্ত্র কথা। অন্যথায় তাদের পছন্দমত অন্য মেয়েদের বিয়ে করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উরওয়াহ বলেন, আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছেন, এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর কতিপয় লোক বিষয়টি সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে জিজ্ঞেস করলে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেনঃ "এবং লোকেরা আপনার কাছে নারীদের বিষয়ে ব্যবস্থা জানতে চায়। বলুন, আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা জানাচ্ছেন এবং ইয়াতীম নারী সম্পর্কে যাদের প্রাপ্য তোমরা প্রদান করো না অথচ তোমরা তাদেরকে বিবাহ করতে চাও ও নিপীড়িত শিশুদের বিষয়ে এবং ইয়াতীমদের প্রতি তোমাদের ন্যায়বিচার সম্পর্কে যা কিতাবে তোমাদেরকে শুনানো হয়, তাও পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন। আর যে সৎকাজ তোমরা করো আল্লাহ তা সবিশেষ অবহিত"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১২৭)। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর বাণী- وَمَا يُتْلَى عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ এর দ্বারা প্রথম আয়াতটিকে বুঝানো হয়েছে, যার মধ্যে আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, তোমরা যদি আশঙ্কা করো যে ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না তবে বিবাহ করবে নারীদের মধ্যে যাকে তোমাদের ভাল লাগে দু’, তিন অথবা চার। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর বাণী وَتَرْغَبُونَ أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ এর মানে হচ্ছে, অর্থ-সম্পদ ও রূপযৌবন কম থাকার কারণে তোমাদের কেউ ইয়াতীম মেয়েদেরকে বিবাহ করতে অপছন্দ করলে-তাদেরকে অর্থ সম্পদ ও রূপ যৌবনবতী ইয়াতীম স্ত্রীলোককে পছন্দ হলেও বিয়ে করতে বারণ করা হয়েছে। তবে অর্থ-সম্পদ ও রূপ-যৌবন না থাকার কারণে পছন্দনীয় না হলেও যদি ইনসাফের ভিত্তিতে মুহরানা পরিশোধ করে তবে বিয়ে করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 6 · #7146 - 7
(…/...) হাসান আল হুলওয়ানী ও আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... উরওয়াহ থেকে বর্ণিত। তিনি ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে আল্লাহর বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেনঃ "তোমরা যদি শঙ্কিত হও যে, ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৩) এর ব্যাখ্যা সম্পর্কে প্রশ্ন করেন অতঃপর রাবী ইউনুসের সানাদে যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসের শেষাংশে তিনি رَغْبَةَ أَحَدِكُمْ عَنِ الْيَتِيمَةِ الَّتِي تَكُونُ فِي حَجْرِهِ حِينَ تَكُونُ قَلِيلَةَ الْمَالِ وَالْجَمَالِ এর পরিবর্তেمِنْ أَجْلِ رَغْبَتِهِمْ عَنْهُنَّ إِذَا كُنَّ قَلِيلاَتِ الْمَالِ وَالْجَمَالِ অর্থাৎ "যখন তারা সামান্য সম্পদ ও কম সৌন্দর্যের অধিকারী হয় তখন আর তাদের তত্ত্বাবধায়করা এদেরকে বিয়ে করতে সম্মত হয় না" কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 7 · #7147 - 8
(…) আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার বাণী, "তোমরা যদি আশঙ্কা কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি ইনসাফ রক্ষা করতে পারবে না"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৩) এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ঐ পুরুষ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে; যার তত্ত্বাবধানে রয়েছে ইয়াতীম মহিলা এবং এ পুরুষই হচ্ছে তার ওলী ও অভিভাবক। আর এ মেয়েটির আছে কিছু ধন-সম্পদ। কিন্তু তার পক্ষ সমর্থন করার জন্য সে ব্যতীত আর কেউই নেই। ওলী এ ধরনের মেয়েকে তার সম্পদের উদ্দেশে বিয়ে করে তাকে কষ্ট দিতে এবং তার সাথে নিষ্ঠুরভাবে জীবন-যাপন করতে পারবে না। এ ব্যক্তি সম্পর্কেই আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ তোমরা যদি শঙ্কা করো যে, ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি ইনসাফ রক্ষা করতে পারবে না তবে বিবাহ করবে নারীদের মাঝে যাকে তোমাদের পছন্দ হয় দু’, তিন অথবা চার। অর্থাৎ- যে মহিলাদেরকে আমি তোমাদের জন্য হালাল করেছি তাদেরকে বিবাহ করো এবং যে ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি তুমি নিষ্ঠুর আচরণ করছ তাদের থেকে দূরে থাকো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 8 · #7148 - 9
(…) আবূ বাকর ইবনু আবু শাইবাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণীঃ “এবং ইয়াতীম মেয়ে সম্পর্কে যাদের অধিকার তোমরা দান করো না, অথচ তোমরা তাদেরকে বিবাহ করতে চাও ও অসহায় শিশুদের বিষয়ে এবং ইয়াতীমদের প্রতি তোমাদের ন্যায় বিচার সম্পর্কে যা কিতাবে তোমাদেরকে শুনানো হয়, তাও পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেয়"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১২৭) বিষয়ে বলেন, এ আয়াতটি ঐ ইয়াতীম মেয়েদের সম্বন্ধে নাযিল হয়েছে, যে এমন এক পুরুষের তত্ত্বাবধানে রয়েছে, যার সাথে সে সম্পদের মধ্যে শারীক আছে। কিন্তু সে তাকে বিয়ে করা অপছন্দ করছে এবং অপর কোন লোকের সঙ্গে তার বিয়ে হোক এটাও অপছন্দ করছে এ আশঙ্কায় যে, সে তার সম্পদের শারীক হয়ে যাবে। পরিশেষে সে তাকে এমনিই ছেড়ে রাখছে; নিজেও তাকে বিবাহ করছে না এবং অন্য কারো কাছে বিবাহও দিচ্ছে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 9 · #7149 - 10
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ “এবং লোকেরা আপনার কাছে নারীদের সম্পর্কে বিধান জানতে চায়, বলুন, আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের ব্যাপারে বিধান জানিয়ে দিচ্ছেন”— (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১২৭) এর ব্যাখ্যায় বলেন, আয়াতটি ঐ ইয়াতীম মেয়েদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, যে রয়েছে এমন এক পুরুষের তত্ত্বাবধানে যার সম্পদে এমনকি খেজুর বাগানেও উক্ত নারী অংশীদার। সে তাকে বিয়ে করতেও আগ্রহী নয় এবং অন্যের কাছে বিয়ে দিতেও আগ্রহী নয়। কেননা তাহলে সে তার সম্পদের শারীক হয়ে যায়। ফলে সে তাকে বিয়ের ব্যবস্থা না করে এমনিই ফেলে রাখে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 10 · #7150 - 11
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণীঃ "এবং যে গরীব সে যেন ন্যায়ানুগ পন্থায় আহার করে"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৬)। তিনি বলেন, এ আয়াতটি ইয়াতীমের ধন-সম্পদের ঐ তত্ত্বাবধায়ক সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছে, যে তার সম্পদের তত্ত্বাবধান করছে এবং সেটা রক্ষণাবেক্ষণ করছে। যদি তত্ত্বাবধানকারী ব্যক্তি গরীব হয় তবে সে ন্যায়ানুগ পরিমাণ তা হতে পারিশ্রমিক হিসেবে আহার করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 11 · #7151 - 12
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণীঃ "যে অভাবমুক্ত সে যেন নিবৃত থাকে এবং যে গরীব সে যেন ন্যায়ানুগ পরিমাণ ভোগ করে"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৬) এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ইয়াতীমের তত্ত্বাবধানকারী ব্যক্তির ব্যাপারে নাযিল হয়েছে, সে যদি নিতান্তই গরীব হয় তবে সে যেন তার সম্পদ হতে ন্যায়ানুগ পন্থায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পারিশ্রমিক গ্রহণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 12 · #7152 - 13
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 13 · #7153 - 14
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ "যখন তারা তোমাদের (বিপক্ষে) উপর হতে ও নীচ হতে সমাগত হয়েছিল— (ভয়ের কারণে) তোমাদের চোখ বিস্ফারিত হয়ে গিয়েছিল, তোমাদের প্রাণ হয়েছিল কণ্ঠাগত এবং তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে নানা রকম বিরূপ ধারণা পোষণ করছিলে" (সূরা আল আহযাব ৩৩ঃ ১০) এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি খন্দক যুদ্ধের দিন অবতীর্ণ হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 14 · #7154 - 15
আবূ বাকর ইবনু আবু শইবাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর বাণীঃ “কোন সহধর্মিণী যদি তার স্বামীর দুর্ব্যবহার ও উপেক্ষার আশঙ্কা করে, তবে স্বামী-স্ত্রী যদি সমঝোতা করতে চায় তাদের কোন দোষ নেই এবং সমঝোতা (সন্ধি) সর্বাবস্থায়ই উত্তম”- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১২৮) তিনি এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ঐ মহিলাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, যে এমন একজন পুরুষের কাছে ছিল, যার সাহচর্যে সে দীর্ঘদিন ছিল। এখন সে তাকে তালাক দিতে চায়। আর মহিলা বলে, আমাকে তালাক দিও না বরং আমাকে তোমার সাথে থাকতে দাও। তবে তোমার জন্য আমার পক্ষ হতে অন্য স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি থাকল। এ প্রসঙ্গে উপরোল্লিখিত আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 15 · #7155 - 16
(…) আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর বাণীঃ “কোন স্ত্রী যদি তার স্বামীর অসদাচরণ ও উপেক্ষার আশঙ্কা করে তবে তারা আপোষ-মীমাংসা করতে চাইলে তাদের কোন দোষ নেই বরং সমঝোতাই (সন্ধিই) উত্তম”— (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১২৮) তিনি এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ঐ মহিলা সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে, যে এমন একজন পুরুষের কাছে ছিল, সম্ভবতঃ সে তার প্রতি ভালবাসা ও আকর্ষণ অনুভব করে না। অথচ সে তার দীর্ঘ সাহচর্যে ছিল এবং তার সন্তান-সন্ততিও রয়েছে। ফলে সে তার স্বামী হতে পৃথক হওয়া অপছন্দ করছে। তখন উক্ত মহিলা তাকে বলছে, তুমি আমার পক্ষ হতে মুক্ত (অন্য স্ত্রী গ্রহণে অনুমতি থাকল)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 16 · #7156 - 17
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... উরওয়াহ্ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি (উরওয়াহ) বলেন, “আয়িশাহ (রাযিঃ) আমাকে বলেছেনঃ হে ভাগ্নে! লোকেদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহাবাদের জন্য মাফ চাইতে আদেশ দেয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তাদের গাল-মন্দ করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 17 · #7157 - 18
(…/...) আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 18 · #7158 - 19
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয আল আম্বারী (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুফাবাসী লোকেরা মহান আল্লাহর এ বাণীকে কেন্দ্র করে মতভেদে লিপ্ত হলঃ "কেউ স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে কোন মুমিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম; সেখানে সে স্থায়ী হবে এবং আল্লাহ তার প্রতি রুষ্ট হবেন, তাকে লা’নাত করবেন এবং তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত করবেন"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৯৩) এ আয়াত সম্পর্কে দ্বিমত পোষণ করলে আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাছে আসলাম এবং তাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, এ আয়াত শেষ পর্যায়ে নাযিল হয়েছে। সুতরাং অন্য কোন আয়াত সেটাকে মানসুখ করতে পারেনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 19 · #7159 - 20
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... শু’বাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মুহাম্মদ ইবনু জাফার এর বর্ণনায় আছে فِي آخِرِ مَا أُنْزِلَ ঐ আয়াত সর্বশেষ নাযিল হওয়া আয়াতের অন্তর্ভুক্ত। আর নায্র এর হাদীসের মধ্যে রয়েছে إِنَّهَا لَمِنْ آخِرِ مَا أُنْزِلَتْ নিশ্চয় ঐ আয়াত সর্বশেষ নাযিল হওয়া আয়াতগুলোর অন্তর্ভুক্ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 20 · #7160 - 21
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু আবযা আমাকে নিম্নোক্ত দুটি আয়াতের ব্যাপারে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করার জন্য আদেশ দিলেন। তন্মধ্যে প্রথমটি হলো, "কেউ স্বেচ্ছায় কোন মুমিনকে হত্যা করলে"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৯৩) এর হুকুম সম্বন্ধে আমি তাকে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, কোন আয়াত এ আয়াতটিকে রহিত করেনি। আর দ্বিতীয় আয়াতটি হচ্ছে, "এবং তারা আল্লাহর সঙ্গে কোন মা’বূদকে আহ্বান করে না। আল্লাহ যার হত্যা বারণ করেছেন যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না"- (সূরা আল ফুরকান ২৫ঃ ৬৮)। এ সম্পর্কে আমি তাকে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, এ আয়াতটি মুশরিকদের বিষয়ে নাযিল হয়েছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 21 · #7161 - 22
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, "এবং তারা আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদকে ডাকে না। আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যে এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে। কিয়ামতের দিন তার শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে এবং সেখানে স্থায়ী হবে লাঞ্ছিত অবস্থায়"- (সূরা আল ফুরকান ২৫ঃ ৬৮)। উক্ত আয়াতটি মাক্কায় অবতীর্ণ হবার পর মুশরিকরা বলতে আরম্ভ করল যে, ইসলাম গ্রহণ করলে আমাদের কি উপকার হবে, আমরা তো আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার স্থাপন করেছি, যাদেরকে হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন, তাদের হত্যা করেছি এবং অশ্লীল কাজ-কর্মে লিপ্ত হয়েছি। তখন আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেন, “তারা নয় যারা তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। আল্লাহ তাদের পাপরাশি পুণ্যের দ্বারা পরিবর্তন করে দিবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু” (সূরা আল ফুরকান ২৫ঃ ৭০)। অতঃপর ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করল এবং ইসলাম সম্বন্ধে যথাযথ উপলব্ধি অর্জন করল তারপর হত্যা করল, তার তওবা কবুলযোগ্য নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 22 · #7162 - 23
আবদুল্লাহ ইবনু হাশিম ও আবদুর রহমান ইবনু বিশর আল আবদী (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বললাম, যে লোক স্বেচ্ছায় কোন মুমিনকে হত্যা করে তার তওবা গ্রহণযোগ্য হবে কি? তিনি বললেন, না, গ্রহণযোগ্য হবে না। এরপর আমি তার কাছে সূরা আল ফুরকানে বর্ণিত উল্লেখিত আয়াতটি পাঠ করলাম, “যারা আল্লাহর সঙ্গে কোন মা’বুদকে ডাকে না। আল্লাহ যার হত্যা বারণ করেছেন যথোপযুক্ত কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচারও করে না। যে এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে”— (সূরা আল ফুরকান ২৫ঃ ৬৮)। তিনি বললেন, এটা তো হচ্ছে মাক্কী আয়াত। মাদানী আয়াত সেটাকে মানসুখ করে দিয়েছে। আর তা হলো, "যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোন মুমিনকে হত্যা করে তার আযাব জাহান্নাম"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৯৬)। কিন্তু ইবনু হাশিম এর বর্ণনায় রয়েছে যে, অতঃপর আমি তার কাছে সূরা আল ফুরকানে উল্লেখিত إِلاَّ مَنْ تَابَ (সূরা আল ফুরকান ২৫ঃ ৭০) আয়াতটি তিলাওয়াত করলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 23 · #7163 - 24
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ...... উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, তোমার কি জানা আছে? হারূন (রহঃ) বলেন, তিনি বলেছেন, কুরআনের সর্বশেষ নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ সূরা কোনটি? আমি বললাম, হ্যাঁ, তা হলো إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ তিনি বললেন, তুমি সত্য বলেছ। ইবনু আবূ শাইবার বর্ণনায়آخر (সর্বশেষ) এর পরিবর্তে تَعْلَمُ أَىُّ سُورَةٍ কথাটি উল্লেখ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 24 · #7164 - 25
ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ..... আবু উমায়স (রহঃ) হতে এ সূত্রে উপরের হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তিনি তার বর্ণনায় آخِرَ سُورَةٍ বলেছেন। আর তিনি ইবনু সুহায়ল’ না বলে শুধু 'আবদুল মজীদ' বাক্যটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 25 · #7165 - 26
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আহমাদ ইবনু আবদাহ আয যাব্বী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক একটি ছোট্ট বকরীর পাল চরাচ্ছিল, এমতাবস্থায় কতক মুসলিম তার কাছে আগমন করলে সে বলল, 'আস্সালামু আলাইকুম'। এতদসত্ত্বেও তারা তাকে পাকড়াও করল। অতঃপর তারা তাকে হত্যা করতঃ তার এ ছোট্ট বকরীর পালটি নিয়ে নিল। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে অবতীর্ণ হলোঃ "যারা তোমাদেরকে সালাম করে, ইহ-জীবনের সম্পদের লালসায় তাকে বলো না, তুমি ঈমানদার নও"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৯৪)। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) السَّلاَمَ বলেছেন, তবে কেউ কেউ سلم আলিফ ছাড়া পাঠ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 26 · #7166 - 27
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... বারা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারী লোকেরা হজ্জ সমাপ্তি শেষে বাড়ী ফেরার পর দরজা দিয়ে প্রবেশ না করে পেছন দিক থেকে ঘরে প্রবেশ করত। অতঃপর এক আনসারী সহাবা দরজা দিয়ে প্রবেশ করলে এ ব্যাপারে তাকে কিছু (ভাল-মন্দ) বলা হলে "পেছন দিক দিয়ে তোমাদের বাড়ীতে ঢুকাতে কোন সাওয়াব নেই" (সুরাহ্ আল বাকারাহ ২ঃ ১৮৯) এ আয়াতটি অবতীর্ণ হলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 27 · #7167 - 28
—(২৪/৩০২৭) ইউনুস ইবনু আবদুল আ’লা আস্ সাদাফী (রহঃ) ..... ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের ইসলাম গ্রহণ করা ও নিম্নোক্ত আয়াত তথা "যারা ঈমান আনে আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর কি ভক্তিতে বিগলিত হওয়ার সময় আসেনি" (সূরা আল হাদীদ ৫৭ঃ ১৬) এর দ্বারা আমাদেরকে উপহাস করার মধ্যে চার বছরের ব্যবধান ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 28 · #7168 - 29
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও আবু বকর ইবনু নাফি (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, স্ত্রীলোকেরা উলঙ্গ অবস্থায় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করত এবং বলত, কে আমাকে একটি কাপড় ধার দিবে? এর দ্বারা উদ্দেশ্য স্বীয় লজ্জাস্থান ঢাকা। আর এটাও বলত, আজ খুলে যাচ্ছে কিয়দংশ বা পূর্ণাংশ। তবে যে অংশটা খুলে সেটা আমি আর কখনো হালাল করব না। তখন অবতীর্ণ হলো, "প্রত্যেক সালাতের সময় সৌন্দর্য অবলম্বন করবে"- (সূরা আল আ’রাফ ৭ঃ ৩১)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 29 · #7169 - 30
আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনু সালুল তার বাদীকে বলত, যাও বেশ্যাবৃত্তির মাধ্যমে সম্পদ উপার্জন করে নিয়ে এসো। তখন আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করলেন, “তোমাদের বাদীদেরকে সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে লিপ্ত করতে বাধ্য করবে না। আর যে তাদেরকে বাধ্য করে, তবে তাদের (দাসীদের) উপর জবর-দস্তির পর আল্লাহ তো (দাসীদের জন্য) ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু” (সূরা আন নূর ২৪ঃ ৩৩)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 30 · #7170 - 31
আবু কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই এর দু’জন বাদী ছিল। একজনের নাম ছিল মুসাইকাহ এবং অপরজনের নাম ছিল উমাইমাহ। সে দু’জন বাদীকে দিয়ে জোরপূর্বক বেশ্যাবৃত্তি করাতো। তাই তারা এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অভিযোগ করল। তখন আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেনঃ “তোমাদের বাদীরা সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন-লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে লিপ্ত হতে জোর-জবরদস্তি করবে না। আর যে তাদেরকে জোর জবরদস্তি করে তবে তাদের (বাদীদের) উপর জবরদস্তির পর আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 31 · #7171 - 32
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ “তারা যাদেরকে আহবান করে তারাই তো তাদের প্রতিপালকের নৈকট্য লাভের উপায় খোঁজ করে"- (সূরা আল ইসরা ১৭ঃ ৫৭) এর ব্যাখ্যায় বলেন, একদা একদল জিন ইসলাম গ্রহণ করলো। (একদল মানুষ) তাদের (জিনদের) পূজা করতো। কিন্তু পূজায় রত এ লোকগুলো তাদের পূজাতেই অটল থাকল। অথচ জিনের একদল ইসলাম গ্রহণ করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 32 · #7172 - 33
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণীঃ “তারা যাদেরকে ডাকে তারাই তো তাদের প্রতিপালকের নৈকট্যার্জনের উপায় খোজ করে"- (সূরাহ্ আল ইসরা ১৭ঃ ৫৭)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, অত্র আয়াতটি আরবের এক দল লোক সম্বন্ধে নাযিল হয়েছে। তারা কতগুলো জিনের আরাধনা করত। অতঃপর জিনেরা তো ইসলাম গ্রহণ করলো; কিন্তু তাদের ইবাদাতে রত এ মানুষগুলো তা বুঝতে পারল না। তখন অবতীর্ণ হলো, "তারা যাদেরকে ডাকে তারাই তো তাদের প্রতিপালকের নৈকট্যার্জনের উপায় সন্ধানে লিপ্ত থাকে"- (সুরাহ্ আল ইসরা ১৭ঃ ৫৭)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 34 · #7173 - 34
আবদুল্লাহ ইবনু মুতী' (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, সূরা আত তওবা। বরং এটা হচ্ছে অপমানকারী সূরাহ্। এ সূরাতে কেবল مِنْهُمْ - مِنْهُمْ (এদের মধ্যে, এদের মধ্যে) বর্ণিত হয়েছে। ফলে মানুষেরা ধারণা করতে লাগল যে, এ সূরায় আমাদের কেউ আলোচনা ব্যতীত অবশিষ্ট থাকবে না, সকলের দুর্বলতা তুলে ধরবে। অতঃপর আমি বললাম, সূরা আল আনফাল। এ কথা শুনে তিনি বললেন, এ সূরা তো বাদর যুদ্ধের পটভূমিতে নাযিল হয়েছে। এরপর আমি সূরা আল হাশরের কথা বললাম। তিনি বললেন, এতো বানু নায়ীর গোত্র সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 35 · #7174 - 35
আবূ বাকর ইবনু শাইবাহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন উমর (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মিম্বারে উঠে খুৎবাহ প্রদান করতঃ প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা এবং গুণকীর্তন করলেন। অতঃপর বললেন- মদ হারাম হওয়ার বিধান যেদিন অবতীর্ণ হওয়ার অবতীর্ণ হয়েছে। তখন তা পাঁচটি জিনিস হতে বানানো হতো, গম, যব, খেজুর, আঙ্গুর এবং মধু হতে। আর যা মানুষের বিবেকবুদ্ধি বিলোপ করে দেয়, তা-ই মদ। আর তিনটি বিষয়, হে লোক সকল! আমার প্রত্যাশা। যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে দাদার (পরিত্যক্ত সম্পত্তি), কালালাহ্ (নিঃসন্তান ব্যক্তির পরিত্যাজ্য সম্পত্তি) এবং সুদের বিভিন্ন অধ্যায় সম্পর্কে (আরো স্পষ্ট) বলে যেতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 36 · #7175 - 36
আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মিম্বারে উঠে খুৎবাহ রত অবস্থায় এ কথা বলতে শুনেছি যে, অতঃপর হে লোক সকল! মদ হারাম হওয়ার বিধান অবতীর্ণ হয়েছে। তা পাঁচটি জিনিস হতে বানানো হয়। আঙ্গুর, খেজুর, মধু, গম ও যব হতে। আর যা মানুষের হিতাহিত জ্ঞান বিলুপ্ত করে দেয় তা-ই মদ। আর তিনটি বিষয়, হে লোক সকল! আমার মনের কামনা, যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে (নিম্নোক্ত কতিপয় বিষয়ে) আরো বিশদভাবে সুস্পষ্টভাবে বলে যেতেন তবে তো আমরা এ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পৌছে যেতে পারতাম। আর তা হচ্ছে, দাদার (মীরাস বণ্টন), কালালাহ্ (নিঃসন্তান ব্যক্তির পরিত্যাজ্য সম্পত্তি) এবং সুদের কতিপয় বিষয়াদি সম্পর্কিত বিধান বলে দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 37 · #7176 - 37
আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবু হাইয়্যান (রহঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু উলাইয়্যাহ আবু ইদরীস এর মতো তার হাদীসে (আঙ্গুর) বাক্যটি উল্লেখ করেছেন। আর রাবী ঈসা ইবনু মুসহির (রহঃ) এর ন্যায় তার হাদীসের মধ্যে عِنَبِ (আঙ্গুর) শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 38 · #7177 - 38
আমর ইবনু যুরারাহ (রহঃ) ..... আবু যর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি শপথ করে বলতেন, "তারা দু’টি বিবদমান পক্ষ তাদের পালনকর্তা সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা করে"- (সূরা আল হাজ্জ ২২ঃ ১৯) আল্লাহর এ বাণী ঐ লোকেদের সম্বন্ধেই অবতীর্ণ হয়েছে, যারা বদরের দিন যুদ্ধ করার জন্য যুদ্ধ ক্ষেত্রে অবতরণ করেছিল। এদের একদিকে ছিলেন হামযাহ, ‘আলী ও উবাইদাহ ইবনুল হারিস (রাযিঃ) আর অপরদিকে ছিল, উতবাহ ও শাইবাহ রাবী’আর দু' পুত্র এবং ওয়ালীদ ইবনু উতবাহ্। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৮০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 39 · #7178 - 39
(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) .... আবু যর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি শপথ করে বলতেন, هَذَانِ خَصْمَانِ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে- অতঃপর হুশায়মের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৮১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 40 · #7179 - 40
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... তালহাহ ইবনু ইয়াহইয়া তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুআবিয়াহ ইবনু আবূ সুফইয়ান (রাযিঃ) এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় মুওয়াযযিন তাকে সালাতের জন্য ডাকতে আসল। মু'আবিয়াহ (রাযিঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন মুওয়াযযিনদের গর্দান সবচেয়ে বেশি উচু হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
Book 56 · Hadith 0 · #7180 - 41
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... ঈসা ইবনু তালহাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুআবিয়াহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উপরোক্ত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
Book 56 · Hadith 0 · #7181 - 42
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... মুআয়কীব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেছেন) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ব্যক্তিকে সালাতরত অবস্থায় সাজদার জায়গা (থেকে পাথর-টুকরা ইত্যাদি সরিয়ে) সমান করতে দেখে বললেনঃ তোমাকে যদি এরূপ (পাথর টুকরা ইত্যাদি সরিয়ে সাজদার জায়গা সমান) করতেই হয় তাহলে মাত্র একবারের জন্য করতে পার। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১০২, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7182 - 43
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... হাকাম-এর মাধ্যমে একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
Book 56 · Hadith 0 · #7183 - 44
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র, আবূ কামিল (রহঃ) ..... উমারাহ ইবনু ক্বা-ক্বা' (রহঃ)-এর মাধ্যমে একই সানাদে জারীর কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7184 - 45
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ কতাদাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পূর্ব বর্ণিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে ইসহাক তার বর্ণনায় মা'মার ও শায়বান বর্ণিত হাদীসের "যতক্ষণ আমাকে বের হতে না দেখো" কথাটি বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৪১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7185 - 46
হারমালাহ (রহঃ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে হারমালাহ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে- "ফজরের সময় স্পষ্ট হয়ে উঠলে মুয়াযযিন তার কাছে আসত" কথাটি উল্লেখ করেননি। আর তিনি ইকামাতের কথাও উল্লেখ করেননি। এছাড়া হাদীসের অবশিষ্ট অংশ তিনি আমর ইবনু হারিস বর্ণিত হাদীসের মতো হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7186 - 47
আবূর রাবী' আয যাহরানী, ইয়াকুব আদ দাওরাকী (রহঃ) ..... উভয়েই আইয়ূব (রহঃ) থেকে একই সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯১৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7187 - 48
আবূর রাবী' আয যাহরানী, ইয়াকুব আদ দাওরাকী (রহঃ) ..... উভয়েই আইয়ূব (রহঃ) থেকে একই সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯১৬, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7188 - 49
আমর আন নাকিদ, আবূ বাকর ইবনু নাফি ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... তারা শুবাহ (রহঃ) থেকে একই সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯২৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7189 - 50
আমর আন নাকিদ, আবূ বাকর ইবনু নাফি ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... তারা শুবাহ (রহঃ) থেকে একই সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯২৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7190 - 51
যুহরী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চার রুকূ এবং চার সাজদাতে দু' রাকাআত সালাত আদায় করেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7191 - 52
আবূ গাসসান আল মিসমাঈ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কেবল ব্যতিক্রম এই যে, তিনি বলেন, আমি জাহান্নামের মধ্যে হিমইয়ারিয়্যাহ গোত্রের একটি দীর্ঘাকায় কালো মেয়েলোককে দেখতে পেলাম। এতে তিনি বনী ইসরাঈলের কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7192 - 53
আবূ গাসসান আল মিসমাঈ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কেবল ব্যতিক্রম এই যে, তিনি বলেন, আমি জাহান্নামের মধ্যে হিমইয়ারিয়্যাহ গোত্রের একটি দীর্ঘাকায় কালো মেয়েলোককে দেখতে পেলাম। এতে তিনি বনী ইসরাঈলের কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7193 - 54
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উরওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনكَسَفَتِ الشَّمْسُ বলবে না, বরং خَسَفَتِ الشَّمْسُ বলো। অর্থ একই সূর্যগ্রহণ লেগেছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7194 - 55
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উরওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনكَسَفَتِ الشَّمْسُ বলবে না, বরং خَسَفَتِ الشَّمْسُ বলো। অর্থ একই সূর্যগ্রহণ লেগেছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7195 - 56
অতঃপর আমি উঠে গিয়ে আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম এবং তাকে ইবনু উমার (রাযিঃ) এর উক্তি সম্পর্কে জানালে তিনি বললেনঃ না, আল্লাহর কসম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও এরূপ বলেননি যে, মৃত ব্যক্তিকে কারো কান্নার দরুন আযাব দেয়া হবে বরং তিনি বলেছেন, কাফির ব্যক্তির আযাব আল্লাহ তা'আলা তার পরিবার-পরিজনের কান্নাকাটির দরুন আরও বাড়িয়ে দেন এবং সর্বশক্তিমান আল্লাহই হাসান এবং কাঁদান। "আর কোন বহনকারীই অন্যের বোঝা বহন করবে না"- (সূরাহ আল ইসরা/ ইসরাঈল ১৭ঃ ১৫)। আইয়ূব (রহঃ) বলেন, ইবনু আবূ মুলায়কাহ বলেছেন, আমাকে কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ জানিয়েছেন, তিনি বলেন, 'আয়িশাহ্ (রাযিঃ) এর নিকট যখন উমর (রাযিঃ) ও ইবনু উমার-এ বক্তব্য পৌছল তখন তিনি বললেন, তোমরা আমাকে এমন দু' ব্যক্তির কথা শুনাচ্ছ, যারা মিথ্যাবাদী নন আর তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্নও করা যায় না। তবে কখনও শুনতে ভুল হয়ে যেতে পারে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০১৭. ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7196 - 57
ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, উমর (রাযিঃ) ইনতিকাল করলে আমি অত্র হাদীসটি আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট ব্যক্ত করলাম। তিনি বললেন, উমর (রাযিঃ) কে আল্লাহ রহমত করুন। কখনও না আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও এমন হাদীস ব্যক্ত করেননি যে, ঈমানদার ব্যক্তিকে কারো কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হবে। বরং তিনি বলেছেনঃ কাফির ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের কান্নাকাটির দরুন আল্লাহ তা'আলা তার আযাবকে আরো বাড়িয়ে দিবেন। এছাড়া আয়িশাহ (রাযিঃ) আরও বলেছেন, তোমাদের জন্য আল্লাহর কুরআনই যথেষ্ট। কুরআনে ঘোষিত হয়েছে, “কোন ব্যক্তিই অন্যের পাপের বোঝা বহন করবে না।" বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, "এবং আল্লাহই হাসান, আল্লাহই কাঁদান।” ইবনু আবূ মুলায়কাহ বলেন, আল্লাহর কুসম! ইবনু উমর (রাযিঃ) এর ওপর আর কোন কথাই বলেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০১৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7197 - 58
কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) ..... আমর ইবনু মুররাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। অতঃপর তারা বললেন, আমরা একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। এমন সময় আমাদের নিকট দিয়ে একটি লাশ অতিক্রম করল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৯৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7198 - 59
নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, আবুত তহির ও হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) [শব্দগুলো আবূ তহির-এর] ... আওফ ইবনু মালিক আল আশজাঈ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জানাযার সালাতে এভাবে দু'আ করতে শুনেছিঃ “আল্ল-হুমমাগফিরলাহু ওয়ারহামহু ওয়াফু আনহু ওয়া-আ-ফিহী ওয়া আকরিম নুযুলাহ্ ওয়াসসি' মুদখালাহ্ ওয়াগসিলহু বিমা-য়িন ওয়াসালজিন ওয়াবারাদিন ওয়ানাক্কীহী মিনাল খাতা-ইয়া- কামা- ইউনাক্কাস সাওবুল আবইরায়ু মিনাদদানাস ওয়া আবদিলহু দা-রান খায়রাম মিন দা-রিহী ওয়া আহলান খায়রাম মিন আহলিহী ওয়া যাওজান খায়রাম মিন যাওজিহী ওয়াক্বিহী ফিতনাতিল কবরি ওয়া'আযা-বিন না-র” (অর্থাৎ- "হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করে দাও ও তার প্রতি দয়া কর। তার ক্রটি মার্জন কর ও তাকে বিপদ মুক্ত কর। তার উত্তম আপ্যায়নের ব্যবস্থা কর ও তার আশ্রয়স্থলকে প্রশস্ত করে দাও। তাকে পানি, বরফ ও বৃষ্টি দিয়ে ধুয়ে মুছে দাও। তাকে পাপরাশ থেকে এভাবে পরিষ্কার করে দাও যেভাবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিষ্কার করা হয়। তাকে তার বর্তমান ঘরের পরিবর্তে আরও উত্তম ঘর দান কর, তার পরিবার থেকে উত্তম পরিবার দান কর, বর্তমান স্ত্রী অপেক্ষা উত্তম স্ত্রী দান কর এবং তাকে কবর আযাব ও জাহান্নামের আযাব থেকে বাচাও )। আওফ ইবনু মালিক (রাযিঃ) বলেন, ঐ মৃত ব্যক্তির প্রতি রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এরূপ দু’আ দেখে মনে আকাঙ্ক্ষা জাগল যে, আমি যদি এ মৃত ব্যক্তি হতাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১০৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7199 - 60
আবূ বকর ইবনু খাল্লাদ আল বাহিলী (রহঃ) ..... হাবীব (রহঃ) থেকে একই সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, মূর্তি বিলুপ্ত এবং ছবি ধ্বংস করে দিবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১১৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7200 - 61
কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে না যে পর্যন্ত সম্পদের প্রাচুর্য না আসবে। এমনকি কোন ব্যক্তি সম্পদের যাকাত নিয়ে ঘুরবে কিন্তু নেয়ার মতো লোক পাবে না। আরবের মাঠ ঘাট তখন চারণভূমি ও নদী-নালায় পরিণত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২০৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7201 - 62
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে (আরাফাতে) অবস্থান করছিল। হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা হাম্মাদ এর সূত্রে আইয়্যুবের অনুরূপ বর্ণিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৭৬০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7202 - 63
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে (আরাফাতে) অবস্থান করছিল। হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা হাম্মাদ এর সূত্রে আইয়্যুবের অনুরূপ বর্ণিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৭৬০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7203 - 64
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) এর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু হাজ্জ আদায় করেছেন এবং আমরাও তার সঙ্গে তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7204 - 65
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) এর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু হাজ্জ আদায় করেছেন এবং আমরাও তার সঙ্গে তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7205 - 66
উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উচ্চস্বরে হজ্জের তালবিয়াহ পাঠ করতে করতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমরা মাক্কায় (মক্কায়) পৌছলে তিনি আমাদের তা উমরায় পরিণত করার নির্দেশ দিলেন। তালবিয়ার দিন এলে আমরা হজ্জের ইহরাম বেঁধে মিনার দিকে রওনা হলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7206 - 67
আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ আমি উমরাহ ও হাজ্জ (হজ্জ/হজ) উভয়ের ইহরাম বাঁধছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7207 - 68
আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ আমি উমরাহ ও হাজ্জ (হজ্জ/হজ) উভয়ের ইহরাম বাঁধছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7208 - 69
কুরায়ব বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) ফযল এর সূত্রে আমাকে অবহিত করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামরায়* পৌছার পূর্ব পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ্ পাঠ করছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7209 - 70
হাসান আল হুলওয়ানী (রহঃ) ... হুসায়ন (রহঃ) থেকে এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7210 - 71
হাসান আল হুলওয়ানী (রহঃ) ... হুসায়ন (রহঃ) থেকে এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7211 - 72
কুতায়বাহ ও ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু রুমূহ তার বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ আল খাত্বমীর সূত্রে উল্লেখ করেছেন যে, আবূ আইয়ুব আল আনসারী (রাযিঃ) আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর খিলাফতকালে কুফার আমীর ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7212 - 73
কুতায়বাহ ও ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু রুমূহ তার বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ আল খাত্বমীর সূত্রে উল্লেখ করেছেন যে, আবূ আইয়ুব আল আনসারী (রাযিঃ) আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর খিলাফতকালে কুফার আমীর ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7213 - 74
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... আবূ সালামাহ্ ও উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, উন্মুল মু'মিনীন সফিয়্যাহ বিনতু হুয়াই (রাযিঃ) ত্বওয়াফে ইফাযাহ করার পর হায়যগ্রস্ত হয়ে পড়েন। আয়িশাহ (রাযিঃ) আরও বলেন, আমি তার হায়িযের কথা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে কি আমাদেরকে আটকিয়ে রাখবে? আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! সে ত্বওয়াফে ইফাযাহ করার পর হায়যগ্রস্ত হয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে সে রওনা হতে পারে।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৮৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7214 - 75
আবূ তহির, হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে এ সানাদে বর্ণিত। ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী সফিয়্যাহ বিনতু হুয়াই বিদায় হাজ্জকালে পবিত্র অবস্থায় ত্বওয়াফে ইফাযাহ করার পর হায়যগ্রস্ত হন। ... অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত লায়সের হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7215 - 76
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করলেন যে, সফিয়্যাহ (রাযিঃ) এর হায়য হয়েছে। অবশিষ্ট যুহরীর হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৯০, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7216 - 77
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আশংকা করছিলাম যে, সফিয়্যাহ (রাযিঃ) ত্বওয়াফে ইফাযাহ করার পূর্বেই হায়যগ্রস্তা হয়ে পড়লেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট এলেন এবং বললেনঃ "সফিয়্যাহ আমাদের আটকে রাখবে হয়ত।” আমরা বললাম, তিনি তওয়াফে ইফাযাহ করেছেন। তিনি বললেনঃ “তাহলে আটকে পড়ার কোন কারণ নেই।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৯১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7217 - 78
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! সফিয়্যাহ বিনতু হুইয়াই হায়যগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হয়ত সে আমাদের আটকে রাখবে। সে কি তোমাদের সঙ্গে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেনি তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তবে তোমরা চল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৯, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7218 - 79
হাকাম ইবনু মূসা (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, কোন পুরুষ স্ত্রীর সাথে সাধারণত যা করার ইচ্ছা করে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও সফিয়্যাহ (রাযিঃ) এর সাথে তাই করার ইচ্ছা করলেন। তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল! তিনি হায়যগ্রস্তা। তিনি বললেন, তাহলে সে তো আমাদের এখানে অবস্থান করতে বাধ্য করবে। তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল! তিনি কুরবানীর দিন (বায়তুল্লাহ-এর) যিয়ারাত করেছেন। তিনি বললেন, তাহলে সে তোমাদের সঙ্গে যাত্রা করুক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৯৩, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7219 - 80
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার ও উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রওনা হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন সফিয়্যাকে তার তাবুর দরজায় চিন্তিতা ও অবসাদগ্ৰস্তা দেখতে পেলেন। তিনি বললেনঃ বন্ধ্যা নারী! তুমি আমাদের (এখানে) আটকে রাখবে? তিনি পুনরায় তাকে বললেনঃ তুমি কি কুরবানীর দিন (বায়তুল্লাহ) যিয়ারত করেছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে রওনা হও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৯৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7220 - 81
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আবূ কুরায়ব ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমুল্লাহ) ... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে এ সূত্রে উপরোক্ত হাকামের হাদীসের অনরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে 'চিন্তিতা' ও 'অবসাদগ্রস্তা’ শব্দদ্বয়ের উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7221 - 82
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে তার দাসী আযাদ করে তাকে বিয়ে করে, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সাওয়াব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7222 - 83
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হান্যালী ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ উমর (রহিমাছমাল্লাহ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণের মধ্যে থেকে দু’জন মহিলা সম্পর্কে উমার (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করার জন্য বহুদিন যাবৎ আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলাম যাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেনঃ “তোমাদের দু'জনের হৃদয় অন্যায় প্রবণ হয়েছে মনে করে তোমরা যদি অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসো তাহলে আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করবেন"। (সূরা আত তাহরীম ৬৬ঃ ৪) পরিশেষে উমর (রাযিঃ) হাজ্জ (হজ্জ/হজ) পালনের জন্য ঘর থেকে বেরিয়ে পড়লেন এবং আমিও হজ্জ পালনের জন্য তার সফরসঙ্গী হলাম। এরপর (হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সমাপন করে ফেরার পথে) আমরা কোন এক রাস্তা দিয়ে চলার সময় উমার (রাযিঃ) এক পার্শ্বে মোড় নিলেন। আমিও পানির বদনাসহ তার সঙ্গে রাস্তার পাশে গেলাম। তিনি তার হাজত পূরণ করলেন এবং আমার কাছে এলেন। আমি তার উভয় হাতে পানি ঢাললাম, তিনি ওযু করে নিলেন। তখন আমি বললাম, হে আমীরুল মু'মিনীন! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণের মধ্যে সে দু'জন মহিলা কারা ছিল যাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেছেনঃ উমর (রাযিঃ) বললেন, হে ইবনু আব্বাস। এতো তোমার জন্য আশ্চর্যের বিষয় বলে মনে হচ্ছে (তুমি এত বিলম্বে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে কেন?) যুহরী (রহঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! তিনি [উমর (রাযিঃ)] জিজ্ঞাসিত বিষয়টি (ইবনু আব্বাসের এ বিষয়ে বিলম্বে প্রশ্ন করাকে) অপছন্দ করলেও তা বর্ণনা করতে কিছুই গোপন করলেন না। তিনি বললেন, তারা দু’জন ছিল হাফসাহ ও আয়িশাহ (রাযিঃ)। এরপর তিনি ঘটনার বিবরণ দিতে লাগলেন। তিনি বললেন, আমরা কুরায়শ বংশের লোকেরা (জাহিলিয়্যাত যুগে) আমাদের স্ত্রীদের উপর প্রভুত্ব করে চলতাম। যখন আমরা মাদীনায় এলাম তখন এমন লোকদের দেখতে পেলাম যাদের উপর তাদের স্ত্রীরা প্রভাব বিস্তার করছিল। এমনি পরিবেশে আমাদের নারীরা তাদের (মাদীনাহবাসীদের) নারীদের অভ্যাস রপ্ত করতে শুরু করে দেয়। তিনি বলেন, সে সময় মাদীনার উচ্চভূমির অধিবাসী বানু উমাইয়্যাহ্ ইবনু যায়দের বংশধরদের মধ্যে আমার বসতবাটি ছিল। এরপর একদিন আমি আমার স্ত্রীর উপর রাগান্বিত হলাম। সে আমার কথার প্রত্যুত্তর করতে লাগল। আমি আমার সঙ্গে তার প্রত্যুত্তর করাকে খুবই অপ্রিয় মনে করলাম। সে বলল, আপনার সঙ্গে আমার কথার প্রত্যুত্তর করাকে অপছন্দ করছেন কেন? আল্লাহর কসম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণও তো তার সঙ্গে কথার প্রত্যুত্তর করে থাকে। এমনকি তাদের কেউ কেউ তাকে সারা দিন রাত বিচ্ছিন্ন করে রাখে। তখন আমি রওনা করে (আমার মেয়ে) হাফসার কাছে চলে এলাম। এরপর আমি তাকে বললাম, তুমি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে প্রত্যুত্তর কর? সে বলল, হ্যাঁ। আমি বললাম, তোমাদের মধ্যে কি কেউ তাকে সারা দিন রাত বিচ্ছিন্ন করে রাখে? সে বলল, হ্যাঁ। আমি বললাম, তোমাদের যে কেউ এরূপ আচরণ করে সে আসলেই দুর্ভাগা ও ক্ষতিগ্রস্ত। তোমাদের মধ্যে কি কেউ বিপদমুক্ত ও নিরাপদ হতে পারে যদি আল্লাহ তার রসূলের ক্রোধের কারণে ক্রুদ্ধ হন। এরূপ হলে তো তার ধ্বংস অনিবার্য। তুমি কখনো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে তার কথার প্রত্যুত্তরে লিপ্ত হয়ো না এবং তার কাছে কোন কিছু দাবী করবে না, তোমার মনে যা চায় তা আমার কাছে চাইবে। তোমার সতীন তোমার চাইতে অধিকতর সুন্দরী এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তোমার তুলনায় অধিকতর প্রিয়পাত্রী। সে যেন তোমাকে ধোকায় পতিত না করে ফেলে। এর দ্বারা তিনি [উমর (রাযিঃ)] আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বুঝাতে চাইছেন। তিনি বলেন, আমার একজন আনসারী প্রতিবেশী ছিলেন। আমরা দুই বন্ধু পালাক্রমে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে (তার মাজলিসে) যেতাম। একদিন তিনি উপস্থিত থাকতেন, অপরদিন আমি উপস্থিত হতাম। এভাবে তিনি আমাকে ওয়াহী ইত্যাদির খবর দিতেন, আমিও অনুরূপ খবর তাকে পৌছাতাম। সে সময় আমরা বেশ করে আলোচনা করতে ছিলাম যে, গাসসানী বাদশাহ নাকি আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য ঘোড়ার ক্ষুরে নাল লাগাচ্ছে। একদিন আমার বন্ধু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলেন এবং ইশার সময় (রাত্রিকালে) আমার কাছে (ফিরে) এলেন। তিনি এসে আমার ঘরের দরজা খটখটালেন এবং আমাকে ডাকলেন। আমি তার ডাক শুনে তার কাছে ছুটে এলাম। তিনি বললেন, একটা বিরাট কাণ্ড ঘটে গেছে। আমি বললাম, সে কী? গাস্সানীরা তাহলে এসে গেছে নাকি? তিনি বললেনঃ না, তারা আসেনি বরং ব্যাপার তার চাইতেও সাংঘাতিক ও দীর্ঘতর। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সহধর্মিণীদের ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছেন। তখন আমি বললাম, হাফসাহ হতাশ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমি পূর্ব থেকেই ধারণা পোষণ করে আসছিলাম যে, এমন একটা কিছু ঘটতে যাচ্ছে। এরপর আমি ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করে প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড় পরিধান করলাম। আমি ঘর থেকে বেরিয়ে সরাসরি হাফসার কাছে উপস্থিত হলাম। তখন সে কাঁদছিল। আমি বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তোমাদেরকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছেন। সে (শ্বাসরুদ্ধ করে) বলল, আমি জানি না। তবে তিনি তার ঐ বালাখানায় নির্জনবাস করছেন। তখন আমি তার কৃষ্ণাঙ্গ খাদিমের কাছে বললাম, উমারের (প্রবেশের) জন্য অনুমতি প্রার্থনা করো। এরপর সে ভিতরে প্রবেশ করল এবং পরক্ষণেই বেরিয়ে এসে আমার দিকে তাকাল। এরপর সে বলল, আমি তাঁর (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) কাছে আপনার কথা উত্থাপন করেছি কিন্তু তিনি নীরব আছেন (কিছুই বলছেন না)। অতঃপর আমি চলে এলাম এবং মিম্বারের কাছে এসে বসে পড়লাম। তখন আমি দেখতে পেলাম সেখানে একদল লোক বসা আছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ডুকরে ডুকরে কাঁদছে। আমি খানিকটা বসলাম। এরপর আমার মনের প্রবল আকাঙ্খা আমার উপর প্রভাব বিস্তার করল। তখন আমি সে কৃষ্ণাঙ্গ যুবকটির কাছে চলে এলাম এবং তাকে বললাম, 'উমারের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি নিয়ে এসো। সে ভেতরে প্রবেশ করল এবং বেরিয়ে এসে আমাকে বলল, আমি আপনার বিষয়টি তার সামনে উত্থাপন করেছি কিন্তু তিনি নীরব আছেন। আমি যখন পিছনে ফিরে চললাম অমনি সে কৃষ্ণাঙ্গ যুবকটি আমাকে ডাক দিয়ে বলল, আপনি প্রবেশ করুন; তিনি আপনাকে অনুমতি দিয়েছেন। আমি ভিতরে প্রবেশ করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাম দিলাম। আমি দেখতে পেলাম, তিনি খেজুর পাতার তৈরি একটি চাটাই এর উপর হেলান দিয়ে আরাম করছেন যা তার পাজরে চাটাইয়ের দাগ বসিয়ে দিয়েছে। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি আপনার সহধর্মিণীগণকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছেন? তিনি তার মাথা উচিয়ে আমার প্রতি দৃষ্টিপাত করলেন এবং বললেন, না। আমি বললাম, আল্লাহু আকবার। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। হে আল্লাহর রসূল! আপনি বিষয়টি ভেবে দেখুন; আমরা যখন মাদীনায় এলাম তখন দেখতে পেলাম, এখানকার পুরুষ লোকদের উপর তাদের স্ত্রীরা প্রভুত্ব বিস্তার করে আসছে। এতে তাদের দেখাদেখি আমাদের স্ত্রীরাও তাদের অভ্যাস রপ্ত করতে শুরু করে দিয়েছে। একদিন আমি আমার স্ত্রীর প্রতি রাগান্বিত হলাম। অমনি সে আমার কথার প্রত্যুত্তর শুরু করে দিল। আমি তার প্রত্যুত্তর করাকে খুবই খারাপ মনে করলাম। সে বলে ফেলল, আপনার সঙ্গে প্রত্যুত্তর করাকে আপনি এত খারাপ মনে করছেন কেন? আল্লাহর কসম! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণও তো তার কথার প্রত্যুত্তর করে থাকে, এমনকি তাদের কেউ কেউ তাকে সারা দিন রাত বিচ্ছিন্ন করে রাখে। আমি বললাম, তাদের মধ্যে কেউ এমন আচরণ করলে সে হতভাগ্য ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। তাদের মধ্যে থেকে কারো উপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাগান্বিত হওয়ার কারণে যদি আল্লাহ ক্রুদ্ধ হয়ে যান তাহলে তার পতন ও ধ্বংস অনিবার্য। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃদু স্বরে হেসে উঠলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি হাফসার কাছে গিয়ে তাকে বলে দিয়েছি যে, তোমার সতীন সৌন্দর্যে তোমার তুলনায় অগ্ৰগামিনী এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তোমার চাইতে অধিকতর আদরিণী- তা যেন তোমাকে ধোকার জালে আবদ্ধ করতে না পারে। এতে আবার তিনি মুচকি হাসি দিলেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনার সঙ্গে একান্তে আলাপ করতে চাই। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, করতে পার। অতঃপর আমি বললাম এবং মাথা উঠিয়ে তার কোঠার (এদিক ওদিক) তাকিয়ে দেখলাম। আল্লাহর কসম! আমি সেখানে তিনখানি চামড়া ব্যতীত নয়ন জুড়ানো তেমন কিছু দেখতে পাইনি। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি আল্লাহর কাছে দু'আ করুন যেন তিনি আপনার উম্মাতকে প্রাচুর্য দান করেন। পারসিক ও রোমকদের তো বৈষয়িক সুখ সমৃদ্ধ দান করা হয়েছে অথচ তারা আল্লাহর ইবাদাত (আনুগত্য) করে না। তখন তিনি সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেন, হে খাত্তাবের পুত্র! তুমি কি সন্দেহের জালে আচ্ছন্ন আছো। আসলে তারা তো এমন সম্প্রদায় যাদের পার্থিব জীবনে ক্ষণিকের তরে সুখ সমৃদ্ধি দান করা হয়েছে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। তিনি তার সহধর্মিণীগণের আচরণে ক্ষুদ্ধ হয়ে কসম করেছিলেন যে, দীর্ঘ একমাস তাদের সঙ্গে একত্রে অতিবাহিত করবেন না। শেষাবধি আল্লাহ তাকে এ আচরণের জন্য তিরস্কার করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৫৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7223 - 84
আবূ বকর ইবনু শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি যায়নাব বিনতু আবূ সালামাকে উম্মু সালামাহ্ ও উম্মু হাবীবাহ (রাযিঃ) থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। তারা উল্লেখ করেন যে, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলো। তিনি তার (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) কাছে উত্থাপন করলেন যে, আমার মেয়ের স্বামী মারা গিয়েছে। (তার শোক পালন করতে গিয়ে) তার চোখে অসুখ হয়েছে। সে এখন তার চোখে সুরমা ব্যবহার করতে চায়। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ (জাহিলিয়াত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে) তোমাদের কেউ এক বছর পূর্তি পর্যন্ত উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। আর এখন তো মাত্র চারমাস দশদিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7224 - 85
আবূ বকর ইবনু শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি যায়নাব বিনতু আবূ সালামাকে উম্মু সালামাহ্ ও উম্মু হাবীবাহ (রাযিঃ) থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। তারা উল্লেখ করেন যে, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলো। তিনি তার (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) কাছে উত্থাপন করলেন যে, আমার মেয়ের স্বামী মারা গিয়েছে। (তার শোক পালন করতে গিয়ে) তার চোখে অসুখ হয়েছে। সে এখন তার চোখে সুরমা ব্যবহার করতে চায়। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ (জাহিলিয়াত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে) তোমাদের কেউ এক বছর পূর্তি পর্যন্ত উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। আর এখন তো মাত্র চারমাস দশদিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7225 - 86
আবূ বকর ইবনু শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি যায়নাব বিনতু আবূ সালামাকে উম্মু সালামাহ্ ও উম্মু হাবীবাহ (রাযিঃ) থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। তারা উল্লেখ করেন যে, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলো। তিনি তার (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) কাছে উত্থাপন করলেন যে, আমার মেয়ের স্বামী মারা গিয়েছে। (তার শোক পালন করতে গিয়ে) তার চোখে অসুখ হয়েছে। সে এখন তার চোখে সুরমা ব্যবহার করতে চায়। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ (জাহিলিয়াত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে) তোমাদের কেউ এক বছর পূর্তি পর্যন্ত উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। আর এখন তো মাত্র চারমাস দশদিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯১, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7226 - 87
আর যায়নাব (রাযিঃ) এ হাদীসখানা তার মা উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী যায়নাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৮, ইসলামীক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7227 - 88
ইব্রাহীম ইবনু দীনার (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে এ সানাদে বর্ণিত- তবে তিনি এতে বলেছেনঃ “কোন লোক তার মুনীবের অনুমতি ব্যতিরেকে অন্যকে মাওলা বানাবে ..... " (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৫১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7228 - 89
তিনি আরো বলেনঃ আমরা কাফিলা থেকে দ্রব্য খরিদ করতাম। এরপর রসূলুল্লাহ আমাদেরকে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা স্থানান্তরিত করার পূর্বে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭০০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7229 - 90
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ...... ইয়াযীদ ইবনু আবূ হাবীব (রহঃ) এর সূত্রে উক্ত সানাদে আবদুর রাযাক (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১০৬, ইসলামিক সেন্টার ৪১০৪/ক)
Book 56 · Hadith 0 · #7230 - 91
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ...... ইয়াযীদ ইবনু আবূ হাবীব (রহঃ) এর সূত্রে উক্ত সানাদে আবদুর রাযাক (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪১০৬, ইসলামিক সেন্টার ৪১০৪/ক)
Book 56 · Hadith 0 · #7231 - 92
আবূ তাহির, হারমালাহ, আমর আন নাকিদ ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7232 - 93
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ... যাহহাক ইবন উসমান (রহঃ) হতে এ একই সূত্রে বর্ণনা করেন। আর তিনি তার হাদীসে বলেছেন যে, যদি জানা যায়, তবে তাকে তা দিয়ে দেবে। অন্যথায় তুমি তার থলে, তার বন্ধন, তার আবরণ ও (মুদ্রার) সংখ্যা চিনে রাখবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7233 - 94
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ... যাহহাক ইবন উসমান (রহঃ) হতে এ একই সূত্রে বর্ণনা করেন। আর তিনি তার হাদীসে বলেছেন যে, যদি জানা যায়, তবে তাকে তা দিয়ে দেবে। অন্যথায় তুমি তার থলে, তার বন্ধন, তার আবরণ ও (মুদ্রার) সংখ্যা চিনে রাখবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7234 - 95
আবদুল্লাহ ইবনু হাশিম (রহঃ) ..... সুলাইমান ইবনু বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন সেনাবাহিনী কিংবা সেনাদলের উপর আমীর নিযুক্ত করতেন তখন বিশেষতঃ তাকে আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করে চলার উপদেশ দিতেন এবং তার সঙ্গী মুসলিমদের প্রতি আদেশ করতেন তারা যেন ভালভাবে চলে। আর (বিদায়লগ্নে) বলতেন, যুদ্ধ করো আল্লাহর নামে, আল্লাহর পথে। লড়াই করো তাদের বিরুদ্ধে যারা আল্লাহর সঙ্গে কুফুরী করেছে। যুদ্ধ চালিয়ে যাও, তবে গনীমাতের মালের খিয়ানাত করবে না, চুক্তি ভঙ্গ করবে না, শক্র পক্ষের অঙ্গ বিকৃতি সাধন করবে না। শিশুদেরকে হত্যা করবে না। যখন তুমি মুশরিক শক্রর সম্মুখীন হবে, তখন তাকে তিনটি বিষয় বা আচরণের প্রতি আহ্বান জানাবে। তারা এগুলোর মধ্য থেকে যেটিই গ্রহণ করে, তুমি তাদের পক্ষ থেকে তা মেনে নিবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়াবে। প্রথমে তাদের ইসলামের দিকে দাওয়াত দিবে। যদি তারা তোমার এ আহবানে সাড়া দেয়, তবে তুমি তাদের পক্ষ থেকে তা মেনে নিবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা থেকে সরে দাঁড়াবে। এরপর তুমি তাদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে মুহাজিরদের এলাকায় (মাদীনায়) চলে যাওয়ার আহ্বান জানাবে। এবং তাদের জানিয়ে দিবে যে, যদি তারা তা কার্যকরী করে, তবে মুহাজিরদের জন্য যেসব উপকার ও দায়-দায়িত্ব রয়েছে, তা তাদের উপর কার্যকরী হবে। আর যদি তারা বাড়ি-ঘর ছেড়ে যেতে অস্বীকার করে, তবে তাদের জানিয়ে দেবে যে, তারা সাধারণ বেদুঈন মুসলিমদের মত গণ্য হবে। তাদের উপর আল্লাহর সে বিধান কার্যকরী হবে, যা মুমিনদের উপর কার্যকরী হয় এবং তারা গনীমাত ও ফাই* থেকে কিছুই পাবে না। অবশ্য মুসলিমের সঙ্গে শামিল হয়ে যুদ্ধ করলে তার অংশীদার হবে। আর যদি তারা ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করে, তবে তাদের কাছে জিযয়াহ্ প্রদানের দাবী জানাবে। যদি তারা তা গ্রহণ করে নেয়, তবে তুমি তাদের পক্ষ থেকে তা মেনে নিবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ থেকে বিরত থাকবে। আর যদি তারা এ দাবী না মানে তবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়বে। আর যদি তুমি কোন দুর্গবাসীকে অবরোধ করো এবং তারা যদি তোমার কাছে আল্লাহ ও তার রসূলের যিম্মাদারী চায়, তবে তুমি তাদের জন্য আল্লাহ ও তার রসূলের যিম্মাদারী মেনে নিবে না। বরং তাদেরকে তোমার এবং তোমার সাথীদের যিম্মাদারীতে রাখবে। কেননা তারা যদি তোমার ও তোমার সাথীদের যিম্মাদারী ভঙ্গ করে, তবে তা আল্লাহ ও তার রসূলের যিম্মাদারী ভঙ্গের চাইতে কম গুরুতর। আর যদি তোমরা কোন দুর্গের অধিবাসীদেরকে অবরোধ করো, তখন যদি তারা তোমাদের কাছে আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক নেমে আসতে চায়, তবে তোমরা তাদেরকে আল্লাহর হুকুমের উপর নেমে আসতে দিবে না, বরং তুমি তাদেরকে তোমার সিদ্ধান্তের উপর নেমে আসতে দেবে। কেননা তোমার জানা নেই যে, তুমি তাদের মাঝে আল্লাহর নির্দেশ বাস্তবায়িত করতে পারবে কি-না? আবদুর রহমান (রহঃ) এ হাদীস কিংবা এ হাদীসের অনুরূপ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইসহাক (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসের শেষাংশে ইয়াহইয়া ইবনু আদম (রহঃ) সূত্রে কিছু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এ হাদীসটি মুকাতিল ইবনু হাইয়্যান (রহঃ) এর কাছে বর্ণনা করেছি। তখন তিনি ইয়াহইয়া (রহঃ) অর্থাৎ আলকামাহ্ (রহঃ) এর কথা উল্লেখ করে বলেন যে, তিনি তা বর্ণনা করেছেন ইবনু হাইয়্যানের উদ্দেশে। অতএব তিনি বলেন যে, মুসলিম ইবনু হায়সাম (রহঃ), নুমান ইবনু মুকাররিন (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৭২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7235 - 96
আবদুল্লাহ ইবনু হাশিম (রহঃ) ..... সুলাইমান ইবনু বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন সেনাবাহিনী কিংবা সেনাদলের উপর আমীর নিযুক্ত করতেন তখন বিশেষতঃ তাকে আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করে চলার উপদেশ দিতেন এবং তার সঙ্গী মুসলিমদের প্রতি আদেশ করতেন তারা যেন ভালভাবে চলে। আর (বিদায়লগ্নে) বলতেন, যুদ্ধ করো আল্লাহর নামে, আল্লাহর পথে। লড়াই করো তাদের বিরুদ্ধে যারা আল্লাহর সঙ্গে কুফুরী করেছে। যুদ্ধ চালিয়ে যাও, তবে গনীমাতের মালের খিয়ানাত করবে না, চুক্তি ভঙ্গ করবে না, শক্র পক্ষের অঙ্গ বিকৃতি সাধন করবে না। শিশুদেরকে হত্যা করবে না। যখন তুমি মুশরিক শক্রর সম্মুখীন হবে, তখন তাকে তিনটি বিষয় বা আচরণের প্রতি আহ্বান জানাবে। তারা এগুলোর মধ্য থেকে যেটিই গ্রহণ করে, তুমি তাদের পক্ষ থেকে তা মেনে নিবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়াবে। প্রথমে তাদের ইসলামের দিকে দাওয়াত দিবে। যদি তারা তোমার এ আহবানে সাড়া দেয়, তবে তুমি তাদের পক্ষ থেকে তা মেনে নিবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা থেকে সরে দাঁড়াবে। এরপর তুমি তাদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে মুহাজিরদের এলাকায় (মাদীনায়) চলে যাওয়ার আহ্বান জানাবে। এবং তাদের জানিয়ে দিবে যে, যদি তারা তা কার্যকরী করে, তবে মুহাজিরদের জন্য যেসব উপকার ও দায়-দায়িত্ব রয়েছে, তা তাদের উপর কার্যকরী হবে। আর যদি তারা বাড়ি-ঘর ছেড়ে যেতে অস্বীকার করে, তবে তাদের জানিয়ে দেবে যে, তারা সাধারণ বেদুঈন মুসলিমদের মত গণ্য হবে। তাদের উপর আল্লাহর সে বিধান কার্যকরী হবে, যা মুমিনদের উপর কার্যকরী হয় এবং তারা গনীমাত ও ফাই* থেকে কিছুই পাবে না। অবশ্য মুসলিমের সঙ্গে শামিল হয়ে যুদ্ধ করলে তার অংশীদার হবে। আর যদি তারা ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করে, তবে তাদের কাছে জিযয়াহ্ প্রদানের দাবী জানাবে। যদি তারা তা গ্রহণ করে নেয়, তবে তুমি তাদের পক্ষ থেকে তা মেনে নিবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ থেকে বিরত থাকবে। আর যদি তারা এ দাবী না মানে তবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়বে। আর যদি তুমি কোন দুর্গবাসীকে অবরোধ করো এবং তারা যদি তোমার কাছে আল্লাহ ও তার রসূলের যিম্মাদারী চায়, তবে তুমি তাদের জন্য আল্লাহ ও তার রসূলের যিম্মাদারী মেনে নিবে না। বরং তাদেরকে তোমার এবং তোমার সাথীদের যিম্মাদারীতে রাখবে। কেননা তারা যদি তোমার ও তোমার সাথীদের যিম্মাদারী ভঙ্গ করে, তবে তা আল্লাহ ও তার রসূলের যিম্মাদারী ভঙ্গের চাইতে কম গুরুতর। আর যদি তোমরা কোন দুর্গের অধিবাসীদেরকে অবরোধ করো, তখন যদি তারা তোমাদের কাছে আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক নেমে আসতে চায়, তবে তোমরা তাদেরকে আল্লাহর হুকুমের উপর নেমে আসতে দিবে না, বরং তুমি তাদেরকে তোমার সিদ্ধান্তের উপর নেমে আসতে দেবে। কেননা তোমার জানা নেই যে, তুমি তাদের মাঝে আল্লাহর নির্দেশ বাস্তবায়িত করতে পারবে কি-না? আবদুর রহমান (রহঃ) এ হাদীস কিংবা এ হাদীসের অনুরূপ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইসহাক (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসের শেষাংশে ইয়াহইয়া ইবনু আদম (রহঃ) সূত্রে কিছু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এ হাদীসটি মুকাতিল ইবনু হাইয়্যান (রহঃ) এর কাছে বর্ণনা করেছি। তখন তিনি ইয়াহইয়া (রহঃ) অর্থাৎ আলকামাহ্ (রহঃ) এর কথা উল্লেখ করে বলেন যে, তিনি তা বর্ণনা করেছেন ইবনু হাইয়্যানের উদ্দেশে। অতএব তিনি বলেন যে, মুসলিম ইবনু হায়সাম (রহঃ), নুমান ইবনু মুকাররিন (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৭২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7236 - 97
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত উম্মু সুলায়মের কাহিনী বর্ণনা প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ থেকে পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7237 - 98
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত উম্মু সুলায়মের কাহিনী বর্ণনা প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ থেকে পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7238 - 99
ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে উপরে বর্ণিত হাদীসটি লায়স আন্ নাফি' এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7239 - 100
ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে উপরে বর্ণিত হাদীসটি লায়স আন্ নাফি' এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7240 - 101
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ যিনাদ (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি "যে ব্যক্তি আমীরের অবাধ্যতা করলো সে আমারই অবাধ্যতা করলো" অংশটুকু উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7241 - 102
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ যিনাদ (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি "যে ব্যক্তি আমীরের অবাধ্যতা করলো সে আমারই অবাধ্যতা করলো" অংশটুকু উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7242 - 103
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ... শু'বাহ্ (রহঃ) হতেও উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে একান্তে মিলিত হন" বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬২৮. ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7243 - 104
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ... শু'বাহ্ (রহঃ) হতেও উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে একান্তে মিলিত হন" বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬২৮. ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7244 - 105
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) এর পিতা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, বৃক্ষবর্ষে (হুদাইবিয়ার বছর) তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ছিলেন। তিনি বলেন, পরবর্তী বছর তারা সে স্থানটির অবস্থান ভুলে যান। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7245 - 106
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) এর পিতা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, বৃক্ষবর্ষে (হুদাইবিয়ার বছর) তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ছিলেন। তিনি বলেন, পরবর্তী বছর তারা সে স্থানটির অবস্থান ভুলে যান। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7246 - 107
(…/....) ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ খুদরী (রযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বাহিনী পাঠান। অবশিষ্ট হাদীস পূর্বরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৫২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7247 - 108
(…/....) ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ খুদরী (রযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বাহিনী পাঠান। অবশিষ্ট হাদীস পূর্বরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৫২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7248 - 109
(…/…) ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮১৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7249 - 110
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন ব্যক্তি রাতের বেলা অতর্কিত ঘরে ফিরে তার স্ত্রীর প্রতি সন্দেহ পোষণ করতে কিংবা দোষ-ত্রুটি খোঁজ করতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮১৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7250 - 111
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ..... সুফইয়ান (রহঃ) হতে উক্ত হাদীস বর্ণিত। আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, সুফইয়ান (রহঃ) বলেছেন, "তাদের প্রতি সন্দেহ পোষণ ও দোষ-ত্রুটি খোঁজা প্রসঙ্গটি" হাদীসে আছে কি-না তা আমার জানা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮১৭ ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7251 - 112
(…) মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অতর্কিত রাত্রিতে ঘরে ফিরা মাকরুহ হওয়া সংক্রান্ত কথা রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি “তাদের প্রতি সন্দেহ পোষণ ও দোষ-ত্রুটি খোঁজা" বাক্যটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮১৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7252 - 113
আবদুল্লাহ ইবনু আব্দুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু হামযাহ্ (রহঃ) হতে উল্লেখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বিদায় হাজ্জের সময় কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৫১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7253 - 114
আবদুল্লাহ ইবনু আব্দুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু হামযাহ্ (রহঃ) হতে উল্লেখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বিদায় হাজ্জের সময় কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৫১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7254 - 115
(…/১৯৯৯) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য যে নবীয প্রস্তুত করার জন্য কোন বাসন না পাওয়া গেলে পাথর নির্মিত বাসনে তার জন্য নবীয প্রস্তুত করা হতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫০৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7255 - 116
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... মুহাম্মদ ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে চর্ম নির্মিত পাত্র ব্যতীত অন্য সব পাত্রেই নবীয প্রস্তুত করা হতে বারণ করেছিলাম। এখন তোমরা সব ধরনের পাত্রেই নবীয প্রস্তুত করে পান করতে পার। কিন্তু নেশা জাতীয় নবীয পান করো না। [দ্রষ্টব্য হাদীস ২২৬] (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫০৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7256 - 117
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে নবীয তৈরি করতে সব রকম পাত্র (ব্যবহার করা) হতে বারণ করেছিলাম। পাত্রগুলো অথবা (তিনি বলেছেন) কোন পাত্র কোন জিনিসকে হালালও করতে পারে না হারামও করতে পারে না। তবে সব ধরনের নেশা জাতীয় জিনিসই নিষিদ্ধ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫০৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7257 - 118
(…/২১০৭) রাবী [যায়দ ইবনু খালিদ (রহঃ)] বলেন, অতঃপর আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কাছে গিয়ে প্রশ্ন করলাম, ইনি (আবূ তালহাহ) আমাকে বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফেরেশতারা সে গৃহে প্রবেশ করেন না, যে গৃহে কোন কুকুর অথবা মূর্তি থাকে। আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন, না। কিন্তু আমি যা করতে তাকে দেখেছি, তার বর্ণনা তোমাদের নিকটে দিচ্ছি। আমি তাকে লক্ষ্য করেছি, তিনি (কোন) জিহাদে বেরিয়ে গেলেন। সে সময় আমি একটি পাতলা নরম শাল জোগাড় করলাম এবং তা দ্বারা দরজার পর্দা তৈরি করলাম। তিনি প্রত্যাবর্তন করে যখন চাদরটি প্রত্যক্ষ করলেন, তখন তার চেহারায় আমি বিমৰ্ষভাব লক্ষ্য করলাম। তিনি তা টেনে নামিয়ে ফেললেন; এমনকি তা ছিড়ে ফেললেন কিংবা টুকরা টুকরা করে ফেললেন। আর বললেন, মহান আল্লাহ আমাদেরকে পাথর অথবা মাটিকে বস্ত্র পরানোর নির্দেশ দেননি। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমরা চাদরটি কেটে দুটি বালিশ তৈরি করলাম এবং সে দুটির অভ্যন্তরে খেজুর বৃক্ষের আঁশ ঢুকিয়ে দিলাম। তাতে তিনি আমাকে আর দোষারোপ করলেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7258 - 119
(…) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ), ইবনু আবূ আদী ও আবদুল আ'লা (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু ইবনুল মুসান্না (রহঃ) বলেছেন, এ সূত্রে তিনি অর্থাৎ- আবদুল আ'লা বর্ধিত করে বলেছেন, "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তা কর্তন করার নির্দেশ দেননি।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7259 - 120
(…) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ), ইবনু আবূ আদী ও আবদুল আ'লা (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু ইবনুল মুসান্না (রহঃ) বলেছেন, এ সূত্রে তিনি অর্থাৎ- আবদুল আ'লা বর্ধিত করে বলেছেন, "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তা কর্তন করার নির্দেশ দেননি।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7260 - 121
(…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... নাযর ইবনু আনাস ইবনু মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি (অনেক বিষয়) ফাতাওয়া দিতে লাগলেন, কিন্তু (কোন ফাতাওয়ায়) এ কথা বলেননি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পরিশেষে জনৈক লোক তাকে প্রশ্ন করলে সে বলল, আমি এসব (প্রাণীর) ছবি তৈরি করে থাকি। তখন ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) তাকে বললেন, কাছে এসো। ব্যক্তিটি নিকটে আসলো। তখন ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, দুনিয়াতে যে লোক (প্রাণীর) ছবি অঙ্কন করে, কিয়ামতের দিন তাতে প্রাণ ফুঁকে দিতে তাকে বাধ্য করা হবে। অথচ সে (তা) ফুঁকে দিতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7261 - 122
(…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... নাযর ইবনু আনাস ইবনু মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি (অনেক বিষয়) ফাতাওয়া দিতে লাগলেন, কিন্তু (কোন ফাতাওয়ায়) এ কথা বলেননি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পরিশেষে জনৈক লোক তাকে প্রশ্ন করলে সে বলল, আমি এসব (প্রাণীর) ছবি তৈরি করে থাকি। তখন ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) তাকে বললেন, কাছে এসো। ব্যক্তিটি নিকটে আসলো। তখন ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, দুনিয়াতে যে লোক (প্রাণীর) ছবি অঙ্কন করে, কিয়ামতের দিন তাতে প্রাণ ফুঁকে দিতে তাকে বাধ্য করা হবে। অথচ সে (তা) ফুঁকে দিতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7262 - 123
আবূ গাসসান মিসমাঈ (রহঃ) ও মুসান্না (রহঃ) ..... নাযর ইবনু আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, জনৈক লোক ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকটে আসলো। ..... অতঃপর তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7263 - 124
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ যুর'আহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সঙ্গে (খলীফা) মারওয়ানের গৃহে ঢুকলাম। সেখানে তিনি বহু ছবি প্রত্যক্ষ করে বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “সে লোকের চেয়ে অধিকতর অত্যাচারী আর কে আছে, যে আমার সৃষ্টি সমতুল্য মাখলুক সৃষ্টি করতে চায়; (যদি তাই হয়) তাহলে তারা একটি (অনুভূতিশীল) বিন্দু সৃষ্টি করুক? কিংবা তারা (খাদ্য প্রাণ ও স্বাদযুক্ত) একটি শস্যদানা সৃষ্টি করে দেখাক? কিংবা তারা একটি মাত্র যব (এর দানা) সৃষ্টি করুক? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7264 - 125
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ যুর'আহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) সাঈদ অথবা মারওয়ানের জন্য মাদীনায় নির্মাণাধীন একটি ঘরে ঢুকলাম। বর্ণনাকারী বলেন, সে সময় তিনি [আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ)] প্রত্যক্ষ করলেন যে, একজন অঙ্কনকার ঘরের দেয়ালগুলোতে (বিভিন্ন) চিত্র আঁকছে। তখন তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপরোক্ত হাদীসের হুবহু বলেছেন। কিন্তু তিনি "তারা একটি (মাত্র) যবদান সৃষ্টি করুক" অংশটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7265 - 126
আবূ বাকর ইবনু শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সে ঘরে ফেরেশতাগণ প্রবেশ করেন না, যে ঘরে ছবি রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7266 - 127
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব (রহঃ) ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7267 - 128
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব (রহঃ) ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7268 - 129
(…/...) মুহাম্মদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ...... ইবরাহীম ইবনু নাফি (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সানদে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, কৃত্রিম চুল সংযোজনকারিণীদের প্রতি লা'নত করা হয়েছে। তাছাড়া তার বর্ণনায়لُعِنَ الْمُوصِلاَتُ (এ কাজে সাহায্যকারীদের লা'নাত দেয়া হয়েছে) শব্দ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7269 - 130
(…/...) মুহাম্মদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ...... ইবরাহীম ইবনু নাফি (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সানদে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, কৃত্রিম চুল সংযোজনকারিণীদের প্রতি লা'নত করা হয়েছে। তাছাড়া তার বর্ণনায়لُعِنَ الْمُوصِلاَتُ (এ কাজে সাহায্যকারীদের লা'নাত দেয়া হয়েছে) শব্দ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7270 - 131
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু বাযী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7271 - 132
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু বাযী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7272 - 133
(…) সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7273 - 134
(…) সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7274 - 135
তিনি বলেন, আর একবার আমি আমার (এক) ছেলেকে নিয়ে তার নিকট প্রবেশ করলাম- যার গলদেশে ব্যথার কারণে আমি তার (নাসারন্দ্রে পাকানো নেকড়া দ্বারা) যন্ত্রণা সারানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। তিনি বললেন, নেকড়ার এ প্রক্রিয়ায় তোমাদের ছেলে-মেয়ের গলার ব্যথার চিকিৎসা করো কেন? তোমরা (বরং) হিন্দুস্তানী চন্দন ব্যবহার করবে। কারণ এতে সাতটি (রোগের) নিরাময় আছে। তন্মধ্যে একটিذَاتُ الْجَنْبِ গলা ব্যথায় নাকে হিন্দী চন্দনের নির্যাস দেয়া হবে, আরذَاتِ الْجَنْبِ চোয়ালের এক পার্শ্ব দিয়ে ঢেলে দেয়া হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7275 - 136
(…/২৮৭) বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ বলেন, তিনি আমাকে আরও জানিয়েছেন যে, তার ঐ ছেলেটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোলে প্রস্রাব করে দিল। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামান্য পানি নিয়ে আসতে বললেন এবং তিনি প্রস্রাবের উপর ঢেলে দিলেন, কিন্তু একেবারে পুরোপুরি তা ধুলেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7276 - 137
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া, আবদ ইবনু হুমায়দ ও হাসান হুলওয়ানী (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে (শেষ সানাদে) বর্ণনাকারী সালিহ্ (রহঃ) বলেছেন, ‘পরিশেষে আবূ লুবাবাহ ইবনু আবদুল মুন্যির (রাযিঃ) এবং যায়দ ইবনু খাত্তাব (রাযিঃ) আমাকে প্রত্যক্ষ করলেন ..... এবং তারা উভয়ে বললেন যে, তিনি ঘর-বাড়িতে অবস্থানকারী সাপ হত্যা করতে বারণ করেছেন। আর (প্রথম সূত্রের) বর্ণনাকার ইউনুস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে- 'সব ধরনের সাপ মেরে ফেল'। তিনি পিঠে ডোরাকাটা বিশিষ্ট ও লেজকাটা সাপ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৩২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7277 - 138
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া, আবদ ইবনু হুমায়দ ও হাসান হুলওয়ানী (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে (শেষ সানাদে) বর্ণনাকারী সালিহ্ (রহঃ) বলেছেন, ‘পরিশেষে আবূ লুবাবাহ ইবনু আবদুল মুন্যির (রাযিঃ) এবং যায়দ ইবনু খাত্তাব (রাযিঃ) আমাকে প্রত্যক্ষ করলেন ..... এবং তারা উভয়ে বললেন যে, তিনি ঘর-বাড়িতে অবস্থানকারী সাপ হত্যা করতে বারণ করেছেন। আর (প্রথম সূত্রের) বর্ণনাকার ইউনুস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে- 'সব ধরনের সাপ মেরে ফেল'। তিনি পিঠে ডোরাকাটা বিশিষ্ট ও লেজকাটা সাপ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৩২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7278 - 139
যুহায়র ইবনু হারব ও আহমাদ ইবনু আব্দাহ্ (রহঃ) ..... শারীদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তার (বাহনে) পশ্চাতে সহ-আরোহী বানালেন। ..... তারপর তারা পূর্বোল্লিখিত হাদীসের হুবহু উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7279 - 140
যুহায়র ইবনু হারব ও আহমাদ ইবনু আব্দাহ্ (রহঃ) ..... শারীদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তার (বাহনে) পশ্চাতে সহ-আরোহী বানালেন। ..... তারপর তারা পূর্বোল্লিখিত হাদীসের হুবহু উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7280 - 141
বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, পরে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বক্তব্য- "আমি মনে করি যে, আমাকে (স্বপ্নে) যা দেখানো হয়েছে তা তোমার বিষয়েই দেখানো হয়েছে" সম্বন্ধে প্রশ্ন করলাম। তখন আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) আমাকে বললেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি ঘুমে থাকাবস্থায় আমার দু'হাতে দুটি সোনার কাকন দেখতে পেলাম; সে দু'টির অবস্থা আমাকে মহাদুশ্চিন্তায় ফেলল। স্বপ্নে আমার নিকট ওয়াহী পাঠানো হলো যে, ও দুটিকে ফুঁ দিন। আমি সে দুটিকে ফুঁ দিলে সে দুটি ভেসে গেল। তখন আমি স্বপ্নে দেখা সে বালা দুটির ব্যাখ্যা করলাম— দু'জন নুবুওয়াতের মিথ্যা দাবীদার, যারা আমার পরে আত্মপ্রকাশ করবে। (বর্ণনাকারী বলেন), তাদের উভয়ের একজন হলো আল-আনসী সান’আবাসীদের নেতা এবং অপরজন হলো মুসাইলামাহ-ইয়ামামাবাসীদের সরদার। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7281 - 142
(…/২২৯১) নু'মান বলেন, আর আমি আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) এর ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি, আমি অবশ্যই তাকে বর্ধিত বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলবেন, এরা তো আমার উম্মাত! তখন বলা হবে, আপনি তো জানেন না, তারা আপনার পরে কি আমল করেছে। তখন যারা আমার পরে (দীনে) পরিবর্তন পরিবর্ধন করেছে; আমি তাদের বলবঃ দূর হও, দূর হও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7282 - 143
বর্ণনাকারী (ইবনু আবূ মুলাইকাহ) বলেন, আর আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি হাওযের সন্নিকটে থাকব, যাতে দেখতে পারি যে, তোমাদের মাঝে কারা আমার নিকট আসলো। আর আমার সম্মুখ থেকে কতক ব্যক্তিকে আটকানো হবে, তখন আমি বলব- ইয়া রাব! এরা তো আমার লোক এবং আমার উম্মাত। তখন বলা হবে, আপনি কি জানেন না যে, আপনার পরে এরা কি করেছে? আল্লাহর শপথ! এরা আপনার পরে এদের পিছনের দিকেই প্রত্যাবর্তন করেছে। বর্ণনাকারী (নাফি') বলেন, তাই বর্ণনাকারী ইবনু আবূ মুলাইকাহ্ (রহঃ) বলতেন, হে আল্লাহ! আমরা আপনার আশ্রয় চাচ্ছি, আমাদের পশ্চাতে ফিরে যাওয়া হতে এবং আমাদের দীনের বিষয়ে ফিতনায় আপতিত হওয়া থেকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৭০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7283 - 144
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) বর্ণনা করেন, কাতাদাহ্ (রহঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে সাওবান (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে এতটুকু পার্থক্য যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কিয়ামতের দিন হাওযের পাশেই থাকবো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7284 - 145
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) বর্ণনা করেন, কাতাদাহ্ (রহঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে সাওবান (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে এতটুকু পার্থক্য যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কিয়ামতের দিন হাওযের পাশেই থাকবো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7285 - 146
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার হাওযের প্রশস্ততার পরিমাণ হলো আয়লা এবং ইয়ামানের সান’আর ব্যবধানের সমান। আর সেখানে পানির পাত্রগুলো আসমানের নক্ষত্রের ন্যায় অগণিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7286 - 147
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয়ই হাওযের পাশে এমন কতিপয় লোক আসবে যারা পৃথিবীতে আমার সাহচর্য পেয়েছিল। এমন কি যখন আমি তাদের দেখতে পাব এবং তাদেরকে আমার সামনে নিয়ে আসা হবে, তখন আমার কাছে আসতে তাদের জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। অতঃপর আমি বলব, হে প্ৰভু! এরা আমার সঙ্গী, এরা আমার সঙ্গী। তখন আমাকে বলা হবে, নিশ্চয়ই আপনি জানেন না, আপনার পর এরা কিভাবে দীনের মধ্যে নব উদ্ভাবন করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7287 - 148
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আলী ইবনু হুজর ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অর্থানুরূপ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। অতিরিক্ত রয়েছে যে, 'তার পাত্রগুলোর পরিমাণ নক্ষত্রের ন্যায়'। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7288 - 149
আসিম ইবনু নাযর তামীমী ও হুরায়ম ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে রিওয়ায়াত করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমার হাওযের দু' পাশের ব্যবধান এতটুকু যতটুকু মাদীনাহ ও সান'আর মাঝে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7289 - 150
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও হাসান ইবনু আলী হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হুবহু রিওয়ায়াত করেন। শুধু ব্যবধান এতটুকু যে, এ হাদীসে বর্ণনাকারীদ্বয় সংশয় প্রকাশ করেছেন, কিংবা মাদীনাহ ও আম্মানের (জর্ডানের রাজধানী) ব্যবধানের সমান'। আবূ আওয়ানার বর্ণনায়نَاحِيَتَىْ حَوْضِي জায়গায় রয়েছেلاَبَتَىْ حَوْضِي। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7290 - 151
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব হারিসী ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ রূযযী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হাওযের কাছে আকাশের তারকারাজির মতো অগণিত স্বর্ণ ও রূপার পানপাত্র দেখতে পাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7291 - 152
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। এতে অতিরিক্ত রয়েছে যে, কিংবা আকাশের নক্ষত্রের সংখ্যার চেয়েও বেশি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7292 - 153
ওয়ালীদ ইবনু শুজা ইবনু ওয়ালীদ আস্সাকুনী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, হাওযের কাছে আমি তোমাদের অগ্রগামী হব। তার দু'পাশের দূরত্ব সান’আ ও আয়লার ব্যবধানের সমান। তার পাত্রগুলো যেন নক্ষত্রের ন্যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯৭. ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7293 - 154
(…) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আমির ইবনু সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার গোলাম নাফি'র মাধ্যমে জাবির ইবনু সামুরার কাছে লিখে পাঠালাম যে, আপনি আমাকে এমন কোন হাদীস সম্বন্ধে অবহিত করুন যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছেন। তিনি বলেন, এরপর তিনি আমাকে লিখেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, 'আমি হাওযের উপর তোমাদের অগ্রগামী থাকবো'। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7294 - 155
(…/২৩০৯) আনাস (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ আমি নয় বছর তার সেবায় ছিলাম, কিন্তু আমার জানা নেই, কোন কাজ আমি করেছি সে ব্যাপারে বলেননি এরূপ কেন করলে কিংবা কোন কাজ করিনি, সে ব্যাপারে বলেননি, কেন অমুক অমুক কাজ করলে না? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৯, ইসলামিক সেন্টার, নেই)
Book 56 · Hadith 0 · #7295 - 156
(…/...) হাজ্জাজ ইবনুশ শাইর (রহঃ) ..... জুবায়র ইবনু মুতইম (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তাঁর পিতা মুতইম তাকে বলেছেন যে, একজন স্ত্রী লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তাঁকে কিছু বললেন, তিনি মহিলাটিকে আব্বাদ ইবনু মূসা (রহঃ) এর হাদীসের হুবহু আদেশ করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7296 - 157
(…/...) হাজ্জাজ ইবনুশ শাইর (রহঃ) ..... জুবায়র ইবনু মুতইম (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তাঁর পিতা মুতইম তাকে বলেছেন যে, একজন স্ত্রী লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তাঁকে কিছু বললেন, তিনি মহিলাটিকে আব্বাদ ইবনু মূসা (রহঃ) এর হাদীসের হুবহু আদেশ করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7297 - 158
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি শুয়ে ছিলাম। স্বপ্নে আমাকে আমি জান্নাতে দেখতে পাই। ওখানে একটি অট্টালিকার কিনারে একজন নারী ওযু করছিল। আমি জানতে চাইলাম। এটি কার? তারা বলল, “উমর ইবনুল খাত্তাবের। তখন উমারের আত্মসম্মানবোধের কথা আমার স্মরণ হলে, আমি সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করলাম। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, এ কথা শুনে উমর (রাযিঃ) কেঁদে দিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আমরা সকলে এ মাজলিসে ছিলাম। তারপর উমর (রাযিঃ) বললেন, আপনার উপর আমার মা-বাবা কুরবান হোক, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি আপনার প্রতি আত্মসম্মানবোধ দেখাবো? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7298 - 159
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি শুয়ে ছিলাম। স্বপ্নে আমাকে আমি জান্নাতে দেখতে পাই। ওখানে একটি অট্টালিকার কিনারে একজন নারী ওযু করছিল। আমি জানতে চাইলাম। এটি কার? তারা বলল, “উমর ইবনুল খাত্তাবের। তখন উমারের আত্মসম্মানবোধের কথা আমার স্মরণ হলে, আমি সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করলাম। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, এ কথা শুনে উমর (রাযিঃ) কেঁদে দিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আমরা সকলে এ মাজলিসে ছিলাম। তারপর উমর (রাযিঃ) বললেন, আপনার উপর আমার মা-বাবা কুরবান হোক, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি আপনার প্রতি আত্মসম্মানবোধ দেখাবো? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7299 - 160
রাবী ['আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ’আরী (রহঃ)] বলেন, অতঃপর আমাদের নৌকায় সফর সঙ্গিনী আসমা বিনতু উমায়স (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী হাফসাহ (রাযিঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য বের হন। যারা নাজাশীর নিকট হিজরাত করেছিলেন, তিনি ছিলেন তাদের একজন। ইত্যবসরে উমার (রাযিঃ) হাফসার নিকট আসলেন। তখন আসমা বিনতু উমায়স (রাযিঃ) তার নিকট উপস্থিত ছিলেন। তখন উমার (রাযিঃ) আসমাকে দেখে বললেন, ইনি কে? হাফসাহ (রাযিঃ) বললেন, তিনি আসমা বিনতু উমায়স। উমার (রাযিঃ) বললেন, "ইনিই কি হাবশায় হিজরাতকারিণী, নৌকায় আরোহণকারিণী?" তখন আসমা (রাযিঃ) বললেন, জ্বি হ্যাঁ। উমর (রাযিঃ) বললেন, হিজরাতের দৃষ্টিকোণে আমরা তোমাদের চেয়ে অগ্রগামী। অতএব তোমাদের চেয়ে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্বন্ধে বেশি হকদার। তখন আসমা (রাযিঃ) রাগান্বিত স্বরে বললেন, হে উমার! কথাটি সঠিক নয়। কক্ষনো সঠিক হতে পারে না। আল্লাহর শপথ! তোমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলে। তিনি তোমাদের ক্ষুধার্তদের খাবার দান করতেন, অজ্ঞদের জ্ঞানের আলো বিতরণ করতেন। আর আমরা আবিসিনিয়ায় প্রবাসে বিপদের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে অবস্থান করছিলাম। এটা শুধু আল্লাহ ও তার রসূলের সান্নিধ্য লাভের জন্যই। আল্লাহর শপথ! তুমি যা বলেছ তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আলোচনা না করা পর্যন্ত আমি কোন খাবার খাব না এবং পানীয় দ্রব্যও ছুইবো না। আমরা (বিদেশ বিভুঁইয়ে) সার্বক্ষণিক বিপদ ও ভয়ভীতির মাঝে দিনাতিপাত করতাম। আমি ব্যাপারটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উত্থাপন করব এবং প্রশ্ন করব। আল্লাহর শপথ আমি মিথ্যাচার করব না, বিপথগামীও হব না এবং প্রকৃত ঘটনার চেয়ে বাড়িয়েও কিছু বলব না। রাবী বলেন, যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন তখন আসমা (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! উমর (রাযিঃ) এই এই বলেছেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমার প্রতি তোমাদের তুলনায় তার হক অধিক নেই। কারণ, তার ও তার সঙ্গীদের জন্য আছে কেবল একটি হিজরাত। আর তোমাদের নৌকারোহীদের জন্য আছে দু'টি হিজরাত। তিনি আসমা (রাযিঃ) বলেন, আমি আবূ মূসা (রাযিঃ) ও নৌকারোহীদের দলবেঁধে এসে আমার নিকট এ হাদীসটি প্রশ্ন করতে দেখেছি। তাদের বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তাদের নিকট এর চেয়ে বেশি আনন্দদায়ক এবং বড় ও মহৎ কোন ব্যাপার দুনিয়াতে ছিল না। আবূ বুরদাহ (রাযিঃ) বলেন যে, আসমা (রাযিঃ) বলেছেন, আমি আবূ মূসা (রাযিঃ) কে দেখেছি, তিনি আমার নিকট হতে এ হাদীসটি আনন্দের আতিশয্যে বারবার শুনতে চাইতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7300 - 161
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু আরকাম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "হে আল্লাহ! আনসারদের মাফ করুন, মাফ করে দিন তাদের সন্তানদের ও নাতী-নাতনীদেরকে" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7301 - 162
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু আরকাম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "হে আল্লাহ! আনসারদের মাফ করুন, মাফ করে দিন তাদের সন্তানদের ও নাতী-নাতনীদেরকে" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7302 - 163
আবু কুরায়ব (রহঃ), মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ও কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) হাবীব (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7303 - 164
আবু কুরায়ব (রহঃ), মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ও কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) হাবীব (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7304 - 165
আবূ কামিল, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তবে যুহরী (রহঃ) এর সূত্রে ইয়াযীদ এর বর্ণনা, যুহরীর থেকে সুফইয়ান এর বর্ণনার অনুরূপ। তিনি চারটি বৈশিষ্ট্য একত্রে উল্লেখ করেছেন। আর আবদুর রাযযাক (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, وَلاَ تَحَاسَدُوا وَلاَ تَقَاطَعُوا وَلاَ تَدَابَرُوا (তোমরা একে অপরের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করবে না অথবা সম্পর্ক ছিন্ন করবে না কিংবা পশ্চাতে শক্রতা করবে না)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7305 - 166
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ), কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও আহমাদ ইবনু আবদাহ আয যাববী (রহঃ) ..... সুহায়ল (রাযিঃ) এর পিতার সূত্রে মালিক এর সানাদে তার হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে দারাওয়াদী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে ইবনু আৱদাহ এর বর্ণনায় إِلاَّ الْمُتَهَاجِرَيْنِ "কিন্তু সম্পর্কচ্ছেদকারী দু'ব্যক্তিকে ক্ষমা করা হবে না" উল্লেখ আছে। আর কুতাইবাহ্ (রহঃ) বলেছেন, إِلاَّ الْمُهْتَجِرَيْنِ (তবে সম্পর্ক বিচ্ছিন্নকারী দু’জনকে ক্ষমা করা হবে না)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৩১২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7306 - 167
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ), কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও আহমাদ ইবনু আবদাহ আয যাববী (রহঃ) ..... সুহায়ল (রাযিঃ) এর পিতার সূত্রে মালিক এর সানাদে তার হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে দারাওয়াদী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে ইবনু আৱদাহ এর বর্ণনায় إِلاَّ الْمُتَهَاجِرَيْنِ "কিন্তু সম্পর্কচ্ছেদকারী দু'ব্যক্তিকে ক্ষমা করা হবে না" উল্লেখ আছে। আর কুতাইবাহ্ (রহঃ) বলেছেন, إِلاَّ الْمُهْتَجِرَيْنِ (তবে সম্পর্ক বিচ্ছিন্নকারী দু’জনকে ক্ষমা করা হবে না)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৩১২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7307 - 168
ইবনু আবূ খালাফ ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে অত্র সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৩৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7308 - 169
ইবনু আবূ খালাফ ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে অত্র সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৩৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7309 - 170
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। জনৈক বেদুঈন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলো। তারপর তার মতো হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া এ বর্ণনায় রয়েছে, তিনি বলেন, বেদুঈন লোকটি বলল, আমি কিয়ামতের জন্যে এমন কোন বেশি সম্বল তৈরি করিনি, যার জন্য আমি নিজেকে সাধুবাদ দিতে পারি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৭১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7310 - 171
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। জনৈক বেদুঈন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলো। তারপর তার মতো হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া এ বর্ণনায় রয়েছে, তিনি বলেন, বেদুঈন লোকটি বলল, আমি কিয়ামতের জন্যে এমন কোন বেশি সম্বল তৈরি করিনি, যার জন্য আমি নিজেকে সাধুবাদ দিতে পারি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৭১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7311 - 172
সুলাইমান ইবনু উবাইদুল্লাহ আবু আইয়্যুব আল গাইলানী (রহঃ) ..... আমর ইবনু মাইমূন (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি দশবার "লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলা- কুল্লি শাইয়্যিন কদীর।" অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা’বূদ নেই, তিনি অদ্বিতীয়, তার কোন অংশীদার নেই, রাজত্ব তারই, সমস্ত প্রশংসা তারই, তিনি-ই সব বিষয়ের উপর সম্পূর্ণ শক্তিধর’ পাঠ করবে সে যেন ইসমাঈল (আঃ) এর বংশের চারজন গোলামকে মুক্তি করে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7312 - 173
(…/...) সুলাইমান (রহঃ) রাবী’ ইবনু খুসায়ম (রহঃ) এর সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি রাবী’কে প্রশ্ন করলাম, আপনি কার কাছ হতে তা শুনেছেন? তিনি বললেন, “আমর ইবনু মাইমূন (রহঃ) হতে। তিনি বলেন, তখন আমি আমর ইবনু মাইমূন (রহঃ) এর নিকট গেলাম এবং বললাম, আপনি কার কাছ হতে শুনেছেন? তিনি বলেন, (শাবী বলেন) অতঃপর আমি ইবনু লাইলার কাছে গিয়ে তাকে প্রশ্ন করলাম, আপনি কার থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, আবু আইয়্যুব আল আনসারী (রাযিঃ) হতে, তিনি প্রত্যক্ষভাবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7313 - 174
(…/...) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) হতে এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7314 - 175
(…/...) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) হতে এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7315 - 176
ইয়াকুব (রহঃ) বলেন, কা'কা ইবনু হাকীম (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! গত রাতে একটি বিছু আমাকে দংশন করার কারণে আমি বড় কষ্ট পেয়েছি। তিনি বললেন, যদি তুমি সন্ধ্যায় এ দু’আটি পড়তে "আউযু বিকালিমাতিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা- খলাক" অৰ্থাৎ- ‘আমি পূর্ণাঙ্গ কালিমাহ দ্বারা আল্লাহর নিকট তার সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। তাহলে সে তোমাকে ক্ষতি করতে পারত না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৩২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7316 - 177
(….) আহমাদ ইবনু সাঈদ আদ দারিমী (রহঃ) ..... সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৭০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7317 - 178
(….) আহমাদ ইবনু সাঈদ আদ দারিমী (রহঃ) ..... সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৭০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7318 - 179
(…/২৭৩২) তিনি (সাফওয়ান) বলেন, এরপর আমি বাজারের দিকে বের হলাম। আর আবু দারদা (রাযিঃ) এর দেখা পেলাম, তখন তিনি আমাকে অনুরূপ কথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৮০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7319 - 180
(…/...) আহমাদ আদ দারিমী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭০৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7320 - 181
(…/...) আহমাদ আদ দারিমী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭০৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7321 - 182
অপর এক সানাদে যুহরী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, জনৈক মহিলা একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করেছে। সে বিড়ালটি বেঁধে রেখেছিল; অথচ তাকে কোন আহারও প্রদান করেনি এবং জমি থেকে কীট-পতঙ্গ বা ঘাসপাতা খাবার জন্য তাকে ছেড়েও দেয়নি। এমনিভাবে বিড়ালটির মৃত্যু হয়। যুহরী (রহঃ) বলেন, উপরোল্লিখিত হাদীস দু’টো এ কারণেই আলোচনা করা হয়েছে, যেন মানুষ আমল পরিত্যাগ করে আল্লাহর রহমতের উপর ভরসা করে বসে না থাকে (পাপরাশিতে ডুবে না থাকে) এবং যেন মানুষ আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে (আযাবের ভয়ে) নিরাশ না হয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭২৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7322 - 183
(…/…) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7323 - 184
(…/…) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7324 - 185
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ....... ইবনু শিহাব (রহঃ) এর সানাদে ইউনুস (রহঃ) এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৬০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7325 - 186
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ....... ইবনু শিহাব (রহঃ) এর সানাদে ইউনুস (রহঃ) এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৬০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7326 - 187
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে শাইবানের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮১৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7327 - 188
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে শাইবানের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮১৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7328 - 189
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবু সাঈদ আল আশাজ্জ (রহঃ) ...... আবু মূসা (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসের মধ্যে وَيُجْعَلُ لَهُ الْوَلَدُ কথাটি উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮২২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7329 - 190
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবু সাঈদ আল আশাজ্জ (রহঃ) ...... আবু মূসা (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসের মধ্যে وَيُجْعَلُ لَهُ الْوَلَدُ কথাটি উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮২২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7330 - 191
(…/…) ইউনুস ইবনু আবদুল আ’লা আস্ সাদাকী (রহঃ) ... বুকায়র ইবনু আশাজ্জ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে بِرَحْمَةٍ مِنْهُ (তার করুণা) এর সঙ্গে وَفَضْلٍ (অনুগ্রহ) শব্দটিও উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু তাতে سَدِّدُوا (সঠিক পন্থা অবলম্বন কর) শব্দটি বিদ্যমান নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৫১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7331 - 192
(…/…) ইউনুস ইবনু আবদুল আ’লা আস্ সাদাকী (রহঃ) ... বুকায়র ইবনু আশাজ্জ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে بِرَحْمَةٍ مِنْهُ (তার করুণা) এর সঙ্গে وَفَضْلٍ (অনুগ্রহ) শব্দটিও উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু তাতে سَدِّدُوا (সঠিক পন্থা অবলম্বন কর) শব্দটি বিদ্যমান নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৫১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7332 - 193
বর্ণনাকারী আবু হাযিম (রহঃ) বলেন, নুমান ইবনু আবূ ‘আইয়্যাশ যুরাকীর কাছে এ হাদীস আমি বর্ণনা করার পর তিনি বললেন, আমাকে আবু সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জান্নাতের মাঝে এমন একটি গাছ রয়েছে, যা দ্রুতগামী শক্তিশালী অশ্বারোহী একশ’ বছর পর্যন্ত চলার পরও তা সে অতিক্রম করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7333 - 194
(…/২৮৩১) বর্ণনাকারী বলেন, নু'মান ইবনু আবূ ‘আইয়্যাশ এর নিকট এ হাদীসটি আমি বর্ণনা করার পর তিনি বললেন, আমি আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) এর কাছে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যেমনিভাবে তোমরা পূর্ব বা পশ্চিম আকাশের উজ্জ্বল তারকারাজি দেখে থাকো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7334 - 195
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কতিপয় হাদীস বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে এই যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামত ঐ পর্যন্ত কায়িম হবে না, যে পর্যন্ত না দু'টি বড় দল পরস্পর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হবে। অথচ তাদের উভয়ের দাবী হবে একই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৯২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7335 - 196
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না এক লোক অপর লোকের কবরের নিকট গিয়ে বলবে, হায়! আমি যদি তার স্থলে থাকতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7336 - 197
আবদুল্লাহ ইবনু উমার ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবান ইবনু সালিহ্ ও মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াযীদ আর রিফা’ঈ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন, আমি তার কসম করে বলছি, দুনিয়া নিঃশেষ হবে না যতক্ষণ না এক লোক কবরের নিকট গিয়ে সেটার উপর গড়াগড়ি করে বলবে, হায়! এ কবরবাসীর স্থলে যদি আমি হতাম। তার নিকট দীন থাকবে না; থাকবে শুধু বিপদাপদ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7337 - 198
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবু সাঈদ ও জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আখিরী যুগে এমন খলীফার আগমন ঘটবে, সে ধন-সম্পদ ভাগ করবে কিন্তু কোন প্রকার গণনা করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7338 - 199
সালিম (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেছেন, এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলিমদের উদ্দেশ্যে একটি বক্তৃতা দিলেন। তাতে তিনি আল্লাহ তা’আলার যথাযোগ্য প্রশংসা ও গুণগান করে দাজ্জালের কথা বর্ণনা করে বললেনঃ আমি তোমাদেরকে দাজ্জালের ফিতনার ব্যাপারে সাবধান করছি, যেমন প্রত্যেক নবী তাঁর সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে সাবধান করেছেন। এমনকি নূহ (আঃ)-ও তার সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে সাবধান করেছেন। তবে এ সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে এমন একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বলে দিচ্ছি, যা কোন নবী তার সম্প্রদায়কে বলেননি। তা হলো এই যে, তোমরা জেনে রাখো, দাজ্জাল কানা হবে। আল্লাহ তা’আলা কানা নন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আমাকে উমার ইবনু সাবিত আল আনসারী জানিয়েছেন, জনৈক সহাবা আমাকে অবহিত করেছেন যেদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে সাবধান করেছেন সেদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা বলেছেন, তার চক্ষুদ্বয়ের মধ্যস্থলে কাফির লেখা থাকবে। যে ব্যক্তি তার কার্যক্রম পছন্দ করবে না সে তা পাঠ করতে পারবে কিংবা প্রত্যেক মু’মিন মাত্রই তা পাঠ করতে সক্ষম হবে। তিনি এ-ও বলেছেন যে, তোমরা জেনে রাখো যে, তোমাদের কোন লোক মৃত্যুর আগে তার রবকে কক্ষনো দেখতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৯০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7339 - 200
সালিম (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেছেন, এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলিমদের উদ্দেশ্যে একটি বক্তৃতা দিলেন। তাতে তিনি আল্লাহ তা’আলার যথাযোগ্য প্রশংসা ও গুণগান করে দাজ্জালের কথা বর্ণনা করে বললেনঃ আমি তোমাদেরকে দাজ্জালের ফিতনার ব্যাপারে সাবধান করছি, যেমন প্রত্যেক নবী তাঁর সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে সাবধান করেছেন। এমনকি নূহ (আঃ)-ও তার সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে সাবধান করেছেন। তবে এ সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে এমন একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বলে দিচ্ছি, যা কোন নবী তার সম্প্রদায়কে বলেননি। তা হলো এই যে, তোমরা জেনে রাখো, দাজ্জাল কানা হবে। আল্লাহ তা’আলা কানা নন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আমাকে উমার ইবনু সাবিত আল আনসারী জানিয়েছেন, জনৈক সহাবা আমাকে অবহিত করেছেন যেদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে সাবধান করেছেন সেদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা বলেছেন, তার চক্ষুদ্বয়ের মধ্যস্থলে কাফির লেখা থাকবে। যে ব্যক্তি তার কার্যক্রম পছন্দ করবে না সে তা পাঠ করতে পারবে কিংবা প্রত্যেক মু’মিন মাত্রই তা পাঠ করতে সক্ষম হবে। তিনি এ-ও বলেছেন যে, তোমরা জেনে রাখো যে, তোমাদের কোন লোক মৃত্যুর আগে তার রবকে কক্ষনো দেখতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৯০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7340 - 201
বর্ণনাকারী আবু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, আমিও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ কথা শ্রবণ করেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7341 - 202
আমর আন নাকিদ (রাযিঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি আওসাল্লাম এর পরিবার মাসের পর মাস এমনভাবে অতিবাহিত করতাম যে, আমরা (রান্না করার জন্য) আগুনও প্রজ্জ্বলন করতাম না। আমরা শুধু খেজুর ও পানি খেয়েই দিনাতিপাত করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৮০,ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7342 - 203
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) .... হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল বর্ণনা করেছেন। এতে রয়েছে যে, إِنْ كُنَّا لَنَمْكُثُ কিন্তু آلَ مُحَمَّدٍ কথাটির উল্লেখ নেই। আবু কুরায়ব এর বর্ণনায় বর্ধিত রয়েছে এই যে, হ্যাঁ, যখন গোশত আসত তখন আগুন জ্বালানো হত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৮১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7343 - 204
আবূ কুরায়ব, মুহাম্মাদ ইবনুল আলা ইবনু কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন, তখন আমার পাত্রে অল্প পরিমাণ যব ছিল। আমি তা থেকেই খেতাম। এভাবে অনেক দিন অতিবাহিত হলো। পরিশেষে আমি তা পরিমাপ করলাম, অতঃপর সেটা শেষ হয়ে গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৮২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7344 - 205
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে আমার বোনের ছেলে! আমরা নতুন চন্দ্র দেখতাম তারপর আবার নতুন চন্দ্র দেখতাম। আবারও নতুন চন্দ্র দেখতাম। অর্থাৎ- দু’মাসে তিনটি নতুন চন্দ্র দেখতাম। অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ঘরে আগুন জ্বলত না। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে খালা! আপনারা কিভাবে দিনাতিপাত করতেন? তিনি বললেন, দু’টো কালো বস্তু দ্বারা- তা হচ্ছে খুরমা ও পানি। তবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতিপয় আনসারী প্রতিবেশী ছিল। তাদের ছিল দুগ্ধবতী উটনী ও বকরী- তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য সেগুলো দোহন করে এর দুধ তার কাছে প্রেরণ করতেন এবং তিনি আমাদেরকে তাই পান করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7345 - 206
আবূ তাহির, হারূন ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেছেন অথচ দু’বেলা তিনি রুটি ও যাইতুন দ্বারা কক্ষনো পূর্ণতৃপ্ত হননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7346 - 207
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেছেন, যখন লোকেরা দুটি কালো বস্তু তথা খেজুর ও পানি খেয়ে পূর্ণতৃপ্ত হতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7347 - 208
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওফাত হয়েছে, যখন আমরা দুটি কালো জিনিস তথা পানি ও খেজুর খেয়ে পূর্ণতৃপ্ত হতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7348 - 209
(…/...) আবূ কুরায়ব, নাসর ইবনু আলী (রহঃ) ..... সুফইয়ান (রহঃ) হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এখানে শুধু وَمَا شَبِعْنَا مِنَ الأَسْوَدَيْنِ অথচ আমরা দু’টি কালো জিনিস (পানি ও খেজুর) দ্বারা পরিতৃপ্ত হয়নি এ কথাটিই বর্ণিত আছে। অর্থাৎ আমরা তৃপ্ত সহকারের খেজুর ও পানিও পেতাম না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7349 - 210
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ও ইবনু আবু উমার (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঐ সত্তার শপথ, যার হাতে আমার জীবন বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাদ (রহঃ) বলেন, আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেছেন, ঐ সত্তার শপথ! যার হাতে আবূ হুরাইরার জীবন। একাধারে তিন দিন গমের রুটি দিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পরিবার-পরিজনকে পূর্ণতৃপ্ত আহার করাতে পারেননি। এ অবস্থায়ই তিনি দুনিয়া ত্যাগ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7350 - 211
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আবু হাযিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) কে স্বীয় আঙ্গুল দ্বারা কয়েকবার ইঙ্গিত করতঃ এ কথা বলতে শুনেছি যে, ঐ সত্তার শপথ! যার হাতে আবু হুরাইরার জীবন, একাধারে তিন দিন পর্যন্ত আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার পরিবার গমের রুটি দিয়ে কক্ষনো পরিতৃপ্ত হননি। এমতাবস্থায় তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় গ্রহণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7351 - 212
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... নুমান ইবনু বাশীর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা কি চাহিদা মতো পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানীয় পাচ্ছ না? অথচ আমি তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছি যে, তিনি ক্ষুধা নিবারণের জন্য নিম্নমানের খুরমাও পাননি। বর্ণনাকার কুতাইবাহ অন্য বর্ণনায়بِهِ (নিম্নমানের খুরমা) শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৯০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7352 - 213
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি, ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ..... সিমাক (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে সিমাক (রহঃ) যুহায়র এর হাদীসের মধ্যে এ কথাটি বর্ধিত বর্ণনা করেছেন যে, অথচ বর্তমানে তোমরা খুরমা ও মাখনের বিভিন্ন প্রকার খাদ্য ছাড়া কোন খাদ্য গ্রহণ করো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৯১, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7353 - 214
মুহাম্মদ ইবনুল মুসন্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... সিমাক ইবনু হারব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নুমান (রহঃ) কে বক্তৃতারত অবস্থায় আমি এ কথা বলতে শুনলাম যে, উমর (রাযিঃ) বলেছেন, মানুষ কি পরিমাণ দুনিয়া অর্জন করেছে। অথচ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি দেখেছি যে, তিনি ক্ষুধার তাড়নায় সারা দিন অস্থির থাকতেন। ক্ষুধা নিবারণের জন্য নিম্নমানের খেজুরও তিনি পেতেন না (যার মাধ্যমে পেটপূর্ণ করবেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৯২, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7354 - 215
আবূ তাহির, আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ (রহঃ) ..... ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক লোক তাকে জিজ্ঞেস করল যে, আমরা কি মুহাজির ফকীরদের দলভুক্ত নই? এ কথা শুনে আবদুল্লাহ তাকে বললেন, তোমার কি সহধর্মিণী নেই, যার কাছে তুমি গিয়ে থাকো? উত্তরে সে বলল, হ্যাঁ আছে। অতঃপর তিনি বললেন, বসবাস করার জন্য তোমার কি আবাসস্থল নেই? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তখন তিনি বললেন, তবে তো তুমি ধনীদের পর্যায়ভুক্ত। তারপর সে বলল, আমার একজন খাদিমও আছে। এ কথা শুনে তিনি বললেন, তাহলে তো তুমি বাদশাহ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7355 - 216
(…/…) আবু আবদুর রহমান বলেন, একদিন তিন লোক আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) এর কাছে আসলেন। তখন আমি তার কাছে বসা ছিলাম। তারা এসে বলল, হে আবূ মুহাম্মাদ! আমাদের কোন কিছুই নেই, আমাদের পরিবারের ভরণ-পোষণের কোন ব্যবস্থা নেই, সওয়ারীও নেই, কোন আসবাবপত্রও নেই। তারপর তিনি তাদেরকে বললেন, তোমরা যা চাও আমি তাই করব। তোমরা যদি ইচ্ছা কর আমার কাছে চলে এসো। আল্লাহ তোমাদের ভাগ্যলিপিতে যা রেখেছেন আমি তোমাদেরকে তা প্রদান করব। তোমরা চাইলে বাদশাহের নিকট আমি তোমাদের আলোচনা করব। আর তোমাদের মনে চাইলে তোমরা সবর করো। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের দিন দরিদ্র মুহাজির ব্যক্তিগত বিত্তবানদের চেয়ে চল্লিশ বছর আগেই জান্নাতে পৌছে যাবে। এ কথা শুনে তারা বললেন, আমরা ধৈর্য অবলম্বন করব, কারো কাছে কিছুই চাইব না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7356 - 217
আবু তাহির, হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া, যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২২৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7357 - 218
আবু তাহির, হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া, যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২২৮, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7358 - 219
জাবির (রাযিঃ) বলেন, অতঃপর লোকেরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ক্ষুধা নিবারণের ব্যাপারে অভিযোগ করলেন। এ কথা শুনে তিনি বললেন, শীঘ্রই আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে খাদ্য প্রদান করবেন। অতঃপর আমরা সমুদ্র উপকূলে আসলাম। সমুদ্রের ঢেউ উঠলে একটি মাছ আমাদের সামনে নিপতিত হল। আমরা সমুদ্র তীরে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত করতঃ সেটা রান্না করলাম, ভুনা করলাম এবং তৃপ্ত সহকারে ভক্ষণ করলাম। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি এবং অমুক অমুক পাঁচ লোক চোখের গোলাকৃতির মাঝে প্রবেশ করলে আমাদেরকে কেউ দেখছিল না। অতঃপর আমরা তার পাঁজরের বাকা হাড়সমূহের একটি হাড় আমরা হাতে নিলাম এবং সেটাকে ধনুকের মতো বানিয়ে বৃহৎ যীন পরিহিত অবস্থায় কাফেলার সর্ববৃহৎ উষ্ট্রিতে আরোহণ করতঃ কাফেলার বৃহদাকায় এক লোককে এর তলদেশ দিয়ে প্রবেশ করার জন্য আমরা আহ্বান জানালাম। সে এর নীচ দিয়ে মাথা না ঝুঁকিয়ে প্রবেশ করে বেরিয়ে আসলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪০, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7359 - 220
আবু বকর ইবনু নাফি আল আবদী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণীঃ "তারা যাদেরকে আহবান করে তারাই তো তাদের পালনকর্তার নৈকট্যার্জনের উপায় সন্ধান করে"- (সূরা আল ইসরা ১৭ঃ ৫৭) এর ব্যাখ্যায় বলেন, একদল মানুষ কয়েকটি জিনের পূজা করত। তারপর জিনের দলটি ইসলাম গ্রহণ করল। কিন্তু এ লোকগুলো তাদের পূজার উপর অটল থাকে। তখন অবতীর্ণ হলো, "তারা যাদেরকে ডাকে, তারাই তো তাদের পালনকর্তার নৈকট্যার্জনের উপায় সন্ধানে লিপ্ত থাকে"- (সূরা আল ইসরা ১৭ঃ ৫৭)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
Book 56 · Hadith 0 · #7360