The Book Of Faith and its Signs
- 1
আবু আবদুর রহমান আহমদ ইবন শুআয়ব (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করা হলোঃ কোন আমল উত্তম? তিনি বললেনঃ আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের উপর ঈমান আনা।
Book 47 · Hadith 1 · #4883 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 2
হারূন ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন হাবাশী খাসআমী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করা হলোঃ কোন আমল উত্তম? তিনি বললেনঃ এমন ঈমান, যাতে কোন সন্দেহ নেই এবং এমন জিহাদ, যাতে কোন খিয়ানত নেই, আর মককূল হজ্জ।
Book 47 · Hadith 2 · #4884 · Sahih, Sahih, Hasan - 3
ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার মধ্যে তিনটি গুণ থাকে সে ঈমানের স্বাদ ও মিষ্টতা পেয়ে যায়; (১) যার নিকট আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল অন্য সব কিছু অপেক্ষা বেশি প্রিয়; (২) যে আল্লাহর জন্য ভালবাসা রাখে এবং আল্লাহর জন্য শত্রুতা পোষণ করে; (৩) আর যদি ভয়াবহ আগুন প্রজ্জ্বলিত করা হয়, তবে তাতে প্রবেশ করা তার নিকট আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা অপেক্ষা বেশি পসন্দনীয় হয়।
Book 47 · Hadith 3 · #4885 · Sahih, Sahih, Sahih - 4
সুওয়ায়দ ইন নসর (রহঃ) ... আনাস ইবন মালিক (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, যার মধ্যে তিনটি গুণ থাকবে; সে ঈমানের মিষ্টতা পাবে; ১. যে কাউকে ভালবাসলে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই তাকে ভালবাসবে; ২. আল্লাহ্ এবং আল্লাহর রাসূল তার কাছে অন্য সবকিছুর চাইতে বেশি প্রিয় হবে এবং ৩. আল্লাহ্ তাকে কুফর হতে পরিত্রাণ করার পর পুনঃ কুফরীতে ফিরে যাওয়ার চেয়ে অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হওয়া তার নিকট পছন্দনীয় হবে।
Book 47 · Hadith 4 · #4886 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 5
আলী ইবন হুজুর (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার মধ্যে তিনটি গুণ থাকবে, সে ইসলামের মিষ্টতা উপলব্ধি করবে; ১. আল্লাহ্ এবং আল্লাহর রাসূল তার নিকট অন্য সমস্ত কিছু হতে প্রিয় হবে; ২. সে কাউকে ভালবাসলে তাকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই ভালবাসবে; ৩. আর সে কুফরীতে ফিরে যাওয়াকে ঐরূপই ঘৃণা করবে, যেরূপ সে অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে ঘৃণা করে।
Book 47 · Hadith 5 · #4887 · Sahih, Sahih, Sahih - 6
ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমন সময় এক ব্যক্তি আগমন করলেন, যার কাপড় অত্যধিক সাদা ছিল এবং চুল অধিক কাল ছিল। বুঝা যাচ্ছিল না যে, তিনি সফর হতে এসেছেন; আর আমাদের মধ্যে কেউ তাকে চিনতে পারছিল না। তিনি নিজ হাঁটুদ্বয় তাঁর হাঁটুদ্বয়ের সাথে লাগিয়ে বসলেন, তাঁর হস্তদ্বয় তাঁর উভয় উরুর উপর রাখলেন এবং বললেনঃ হে মুহাম্মদ! আমাকে বলুন, ইসলাম কি? তিনি বললেনঃ এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করা যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, আর মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল এবং সালাত আদায় করা, যাকাত দেওয়া, রমযানের রোযা রাখা ও পথ খরচের সামর্থ্য থাকলে হজ্জ করা। সে লোকটি বললোঃ আপনি সত্যই বলেছেন। আমরা আশ্চর্যান্বিত হলাম যে, তিনি প্রশ্ন করলেন এবং বললেনঃ আপনি সত্য বলেছেন। এরপর তিনি বললেন, ঈমান কী, আমাকে বলুন? তিনি বললেনঃ বিশ্বাস স্থাপন করা আল্লাহর উপর, ফিরিশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসূলগণ, কিয়ামত দিবস এবং নিয়তির ভাল-মন্দের উপর বিশ্বাস। তিনি বললেনঃ আপনি সত্য বলেছেন। তারপর বললেনঃ ইহসান কি? তিনি বললেনঃ এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করবে, যেন তুমি আল্লাহকে দেখছাে, যদি তুমি তাকে না দেখতে পাও, তবে তিনি তোমরা তোমাকে দেখছেন। তারপর বললেনঃ কিয়ামত কখন হবে? তিনি বললেনঃ যার নিকট প্রশ্ন করা হচ্ছে তিনি প্রশ্নকারী হতে অধিক জ্ঞাত নন। সে ব্যক্তি বললোঃ কিয়ামতের নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করুন। তিনি বললেনঃ দাসী তার মুনিবকে প্রসব করবে, নগ্ন পদ, বিবস্ত্র, গরীব, বকরীর রাখালরা বড় বড় প্রাসাদ নির্মাণে প্রতিযোগিতা করবে। উমর (রাঃ) বলেন, আমি তিন দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম, পরে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ হে উমর! তুমি কি অবগত আছ, এই প্রশ্নকারী ব্যক্তি কে? আমি বললামঃ আল্লাহ্ এবং আল্লাহর রাসূলই সমধিক অবগত। তিনি বললেনঃ তিনি ছিলেন জিবরীল (আঃ), তিনি তোমাদেরকে তোমাদের দীন শিক্ষা দিতে এসেছিলেন।
Book 47 · Hadith 6 · #4888 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim - 7
মুহাম্মদ ইবন কুদামা (রহঃ) ... আবু হুরায়রা এবং আবু যর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে বসতেন; নবাগত লোক এসে তাকে চিনতে পারত না যতক্ষণ না জিজ্ঞাসা করতো। আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তাঁর জন্য একটি বসার স্থান নির্মাণের জন্য অনুমতি চাইলাম। যাতে নবাগত লোক তাঁকে সহজে চিনতে পারে। আমরা তাঁর জন্য মাটির একটি উঁচু স্থান তৈরি করলাম। তিনি তার উপর উপবেশন করতেন। একদা আমরা বসা ছিলাম, আর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্থানে উপবিষ্ট ছিলেন। এমন সময় এক নবাগত ব্যক্তির আগমন হলো, যার মুখমণ্ডল সকলের চেয়ে সুন্দর ছিল এবং যার শরীরের সুগন্ধি ছিল সকলের চেয়ে উত্তম। তাঁর বস্ত্রে একটু ময়লাও ছিল না। সে ব্যক্তি বিছানার কিনারা হতে সালাম করে বললেনঃ হে মুহাম্মদ! আপনাকে সালাম। তিনি তাঁর সালামের উত্তর দিলে তিনি বললেনঃ আমি কি নিকটে আসবাে? তিনি বললেনঃ আস। এভাবে কয়েকবার বললেন, তিনিও কয়েকবার উত্তরে বললেন, হ্যাঁ, নিকটে আস। এমনকি তিনি নিকটে এসে নিজ হাত রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাঁটুর উপর রাখলেন এবং বললেনঃ হে মুহাম্মদ! আমাকে ইসলাম সম্বন্ধে বলুন। তিনি বললেনঃ ইসলাম হলো তুমি আল্লাহ্ তা'আলার ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না, সালাত কায়েম করবে এবং যাকাত আদায় করবে, কা'বা শরীফের হজ্জ করবে এবং রমযানের রোযা রাখবে। তিনি বললেনঃ আমি যদি এটা করি, তবে কি আমি মুসলিম হয়ে যাব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে ব্যক্তি বললেন, আপনি সত্যই বলেছেন। ঐ ব্যক্তির 'আপনি সত্য বলেছেন' বাক্য শুনে আমাদের বিস্ময় জাগল। এরপর বললেনঃ হে মুহাম্মদ! আমাকে বলুন, ঈমান কি? তিনি বললেনঃ আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাগণের, নবীগণের এবং কিতাবের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা এবং কদরে বিশ্বাস করা। তিনি বললেনঃ আমি যদি এরূপ করি, তবে কি আমি মুমিন হয়ে যাব? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ। তখন সে বলল, আপনি সত্যই বলেছেন। এরপর তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মদ! আমাকে বলুন, ইহসান কি? তিনি বললেনঃ তুমি এমনভাবে ইবাদত করবে, যেন তুমি আল্লাহ্ তা'আলাকে দেখছাে। কেননা যদিও তুমি তাঁকে দেখছাে না, তিনি তোমরা তোমাকে দেখছেন। তিনি বললেনঃ আপনি সত্যই বলেছেন। তিনি আবার বললেনঃ হে মুহাম্মদ! কিয়ামত কবে হবে? তিনি কিছু বললেন না, বরং মাথা নিচু করলেন। লোকটি আবারও সেই প্রশ্ন করলেন কিন্তু তিনি তাকে কোন উত্তর দিলেন না। আবারও প্রশ্ন করলেন কিন্তু এবারও তিনি তাকে কোন উত্তর দিলেন না, অতঃপর তিনি মাথা উঠিয়ে বললেনঃ তুমি যার নিকট জিজ্ঞাসা করছে, তিনি প্রশ্নকারী হতে অধিক জ্ঞাত নন। কিন্তু এর অনেক আলামত রয়েছে। তুমি তা জানতে পার। যখন তুমি দেখবে পশুপালের রাখালরা সুউচ্চ প্রাসাদ নির্মাণ করবে, আর তুমি দেখবে, নগ্ন পদ ও নগ্ন দেহ লোকেরা ভূখণ্ডের বাদশাহ হবে, আরো তুমি দেখবে যে, দাসী তার মালিককে প্রসব করবে, তখন মনে করবে যে, কিয়ামত নিকটবর্তী। পাঁচটি বস্তু আল্লাহ্ ব্যতীত কেউ অবগত নয়। এরপর তিনি إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ হতে اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ পর্যন্ত পাঠ করলেন। এরপর তিনি বললেনঃ ঐ সত্তার কসম! যিনি মুহাম্মদকে সত্য সহকারে পথ প্রদর্শক ও সুসংবাদদাতারূপে প্রেরণ করেছেন, আমি তাকে তোমাদের চাইতে অধিক জানি না। তিনি ছিলেন জিবরীল (আঃ) যিনি দিহইয়া কালবীর রূপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।
Book 47 · Hadith 7 · #4889 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 8
মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল আ'লা (রহঃ) ... সা'দ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতিপয় লোককে কিছু দান করলেন; আর তাদের মধ্যে এক লোককে কিছুই দিলেন না। সাদ (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি অমুক, অমুককে দান করলেন কিন্তু অমুককে দান করলেন না, অথচ সে মু'মিন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ অথবা সে মুসলিম। সা'দ (রাঃ) কথাটি তিনবার পুনরাবৃত্তি করলেন। আর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবারই বললেন, অথবা সে মুসলিম। পরে তিনি বললেনঃ আমি কোন কোন লোককে দান করি, আর কাউকে দান করি না, অথচ সে আমার নিকট তাদের চেয়ে অধিক প্রিয়, এই ভয়ে যে, তাদেরকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
Book 47 · Hadith 8 · #4890 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 9
আমর ইবন মানসূর (রহঃ) ... সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু মাল বণ্টন করলেন। তিনি কতিপয় লোককে দিলেন, আর অপর কতককে দিলেন না। আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি অমুক অমুককে দান করলেন, অমুককে দান করলেন না, অথচ সেও মু'মিন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : মু'মিন বলো না, বরং বলো মুসলিম। এরপর রাবী ইবন শিহাব (রহঃ) এই আয়াত (قَالَتْ الْأَعْرَابُ آمَنَّا) অর্থঃ “বেদুঈনগণ বলে, আমরা ঈমান এনেছি। বল, তোমরা ঈমান আননি; বরং তোমরা বল আমরা ইসলাম গ্রহণ (বাহ্যিক আনুগত্য প্রকাশ) করেছি” (হুজুরাতঃ ১৪)। তিলাওয়াত করলেন।
Book 47 · Hadith 9 · #4891 · Sahih, Sahih, Hasan - 10
কুতায়বা (রহঃ) ... বিশর ইবন সুহায়ম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আইয়ামে তাশরীকে এই কথা ঘোষণা করতে বললেন যে, জান্নাতে শুধু মু'মিনই প্রবেশ করবে।
Book 47 · Hadith 10 · #4892 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 11
কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিম ঐ ব্যাক্তি যার হাত ও রসনা হতে অন্য মানুষ নিরাপদ থাকে। আর মু'মিন ঐ ব্যক্তি যার থেকে অন্য লোক নিজের জান ও মালকে নিরাপদ মনে করে।
Book 47 · Hadith 11 · #4893 · Hasan Sahih, Hasan Sahih, Sahih - 12
আমর ইবন আলী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ মুসলিম ঐ ব্যক্তি, যার হাত ও রসনা হতে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকে, আর মুহাজির ঐ ব্যক্তি, যে আল্লাহর নিষিদ্ধ বস্তু থেকে দূরে থাকে।
Book 47 · Hadith 12 · #4894 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari - 13
হাফস ইবন উমর (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে আমাদের ন্যায় সালাত আদায় করে, আর আমাদের কিবলার দিকে মুখ করে এবং আমাদের যবেহকৃত পশু খায়, সে মুসলিম।
Book 47 · Hadith 13 · #4895 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari - 14
আহমাদ ইবন মুআল্লা (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন কোন ব্যক্তি উত্তমরূপে ইসলাম গ্রহণ করে, তখন আল্লাহ্ তা'আলা তার ঐ সকল সৎকর্ম লিখে নেন, যা সে পূর্বে করেছিল আর তার সেই সকল পাপ মুছে ফেলেন যাতে অতীতে লিপ্ত হয়েছিল। এরপর তার হিসাব এইভাবে লিখিত হয় যে, তার প্রত্যেক নেকীর পরিবর্তে দশ হতে সাতশত গুণ পর্যন্ত সওয়াব লেখা হয়। আর প্রত্যেক পাপ শুধু অতটুকুই লেখা হয়, যা সে করে, যদি না আল্লাহ্ তা'আলা ক্ষমা করেন।
Book 47 · Hadith 14 · #4896 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari - 15
সাঈদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ উমাবী (রহঃ) ... আবু মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন্ ইসলাম উত্তম? তিনি বললেনঃ যার রসনা ও হাত হতে অন্য মুসলিমগণ নিরাপদ থাকে।
Book 47 · Hadith 15 · #4897 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 16
কুতায়বা (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলোঃ কোন্ ইসলাম (অর্থাৎ ইসলামের কোন কর্ম) ভাল? তিনি বললেনঃ খাদ্য দান করা, পরিচিত অপরিচিত সকলকে সালাম করা।
Book 47 · Hadith 16 · #4898 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 17
মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আম্মার (রহঃ) ... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি তাঁকে বললোঃ আপনি কি যুদ্ধ করেন না? তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ ইসলাম পাঁচটি বস্তুর উপর প্রতিষ্ঠিত, এই কথার সাক্ষ্য দান করা যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, সালাত আদায় করা, যাকাত দেওয়া, রমযানের রোযা রাখা এবং হজ্জ করা।
Book 47 · Hadith 17 · #4899 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 18
কুতায়বা (রহঃ) ... উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক মজলিসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ছিলাম। তিনি বললেন, তোমরা আমার নিকট একথার উপর বায়আত কর যে, তোমরা আল্লাহ্ তা'আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না। তিনি তাদের সামনে এতদসংক্রান্ত পূর্ণ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন। তারপর বললেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এটা রক্ষা করবে, আল্লাহর নিকট তার প্রতিদান রয়েছে। আর যদি কেউ এর কোন একটি অপরাধ করে ফেলে, আর আল্লাহ্ তা'আলা পৃথিবীতে তা ঢেকে রাখেন, তবে আখিরাতে তা আল্লাহর ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল। তিনি ইচ্ছা করলে ক্ষমা করবেন, আর ইচ্ছা করলে শাস্তি দেবেন।
Book 47 · Hadith 18 · #4900 · Sahih, Sahih, Hasan - 19
মুহাম্মদ ইবন হাতিম ইবন নু'আয়ম (রহঃ) ... আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে লোকের বিরুদ্ধে জিহাদ করার আদেশ করা হয়েছে, যতক্ষণ না তারা এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, আর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল। যদি তারা এই সাক্ষ্য দেয় এবং আমাদের কিবলার দিকে মুখ করে, আমাদের যবেহকৃত পশু খায়, আমাদের ন্যায় সালাত আদায় করে, তখন তাদের জান মাল আমাদের উপর হারাম হয়ে যাবে, তবে এর হক ব্যতীত। তখন অন্যান্য মুসলিমের যে প্রাপ্য রয়েছে তাদের জন্যও তা রয়েছে। আর এদের উপর যে দায়-দায়িত্ব বর্তায়; তাদের উপরও তা বর্তাবে।
Book 47 · Hadith 19 · #4901 · Sahih, Sahih, Hasan - 20
মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঈমানের সত্তরটিরও বেশি শাখা রয়েছে। লজ্জা-শরমও ঈমানের একটি শাখা।
Book 47 · Hadith 20 · #4902 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 21
আহমাদ ইবন সুলায়মান (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঈমানের সত্তরটির উপরে শাখা রয়েছে। এর সর্বোত্তমটি হলো, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ বলা, আর এর সর্বনিম্নটি হলো রাস্তা হতে কষ্টদায়ক বস্তু দূর করা, আর লজ্জাও ঈমানের একটি শাখা।
Book 47 · Hadith 21 · #4903 · Sahih, Sahih, Hasan - 22
ইয়াহইয়া ইবন হাবীব ইবন আরাবী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।
Book 47 · Hadith 22 · #4904 · Sahih, Sahih, Hasan - 23
ইসহাক ইবন মানসূর ও আমর ইবন আলী (রহঃ) ... নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এক সাহাবী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আম্মারের অস্থিমজ্জা ঈমানে পরিপূর্ণ।
Book 47 · Hadith 23 · #4905 · Sahih, Sahih, Daif - 24
মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যখন তোমাদের কেউ কোন অন্যায় দেখতে পায়, তখন সে যেন তা নিজ হাতে প্রতিহত করে। যদি ততটুকু শক্তি তার না থাকে, তবে সে যেন মুখে তা দূর করতে তৎপর হয়। যদি এই শক্তিও তার না থাকে, তবে সে যেন উক্ত মন্দ কাজকে মনে মনে ঘৃণা করে। আর এ হলো ঈমানের নিম্নতম পর্যায়।
Book 47 · Hadith 24 · #4906 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim - 25
আবদুল হামিদ ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) ... আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কোন মন্দ কাজ দেখতে পায় আর সে তা নিজ হাতে প্রতিহত করে, তবে সে দায়িত্বযুক্ত হল। যদি তার হাতে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা না থাকে, তাই মুখে এর বিরোধিতা করে, তবে সেও দায়িত্বমুক্ত হল। আর যে ব্যক্তি মুখে এর বিরোধিতা করার ক্ষমতা না রাখে, আর সে মনে মনে এর বিরুদ্ধাচরণ করে, সেও দায়িত্বমুক্ত হল; আর এ হলো দুর্বলতর ঈমান।
Book 47 · Hadith 25 · #4907 · Sahih, Sahih, Hasan - 26
মুহাম্মদ ইবন রাফে (রহঃ) ... আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের পার্থিব কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ঝগড়া এত তীব্র হয় না, যা মু'মিন তার দোযখী ভাইদের জন্য আল্লাহর তা'আলার সাথে করবে। তিনি বলেন, তারা বলবেঃ ইয়া আল্লাহ্! আমাদের ভাইগণ আমাদের সাথে সালাত আদায় করতো, আমাদের সাথে রোযা রাখতে এবং আমাদের সাথে হজ্জ করতো, আর আপনি তাদেরকে দোযখে দাখিল করেছেন। তখন আল্লাহ্ তা'আলা বলবেনঃ তোমরা গিয়ে যাকে চিনতে পার তাকে বের করে নাও। তিনি বলেনঃ তারা এসে তাদেরকে তাদের চেহারা দেখে চিনতে পারবে। তাদের মধ্যে এমন লোক হবে, যাকে আগুন তার পায়ের গোছার অর্ধেক পর্যন্ত ধরেছে এবং কাউকে হাঁটু পর্যন্ত, তারা তাদেরকে বের করবে এবং বলবেঃ হে আমাদের রব! আপনি যাদেরকে বের করার আদেশ দিয়েছেন, আমরা তাদেরকে বের করেছি। আল্লাহ তা'আলা বলবেনঃ তাদেরকেও বের কর যাদের অন্তরে এক দীনার পরিমাণ ঈমান রয়েছে। এরপর বলবেনঃ ঐ সকল লোককেও বের কর যাদের অন্তরে অর্ধ দীনার পরিমাণ ঈমান রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত বলবেনঃ এমন লোকদেরকেও বের কর যাদের অন্তরে অণু পরিমাণ ঈমান রয়েছে। আবু সাঈদ (রাঃ) বলেনঃ যার বিশ্বাস হয় না সে এই আয়াত (إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَنْ يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ) হতে শেষ পর্যন্ত পাঠ করতে পারে।
Book 47 · Hadith 26 · #4908 · Sahih, Sahih, Isnaad Sahih - 27
মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) ... আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি নিদ্রিত অবস্থায় দেখলাম, কোন কোন লোককে আমার নিকট উপস্থিত করা হচ্ছে এবং তারা সকলেই জামা পরিহিত। কারো জামা বুক পর্যন্ত, আর কারো তা অপেক্ষা নিচে। এরপর আমার নিকট উমর ইবন খাত্তাবকে আনা হল আর, তার গায়ে এমন একটা জামা, যা সে মাটিতে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তারা বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি এর কী ব্যাখ্যা করলেন? তিনি বললেনঃ দীন।
Book 47 · Hadith 27 · #4909 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 28
আবূ দাউদ (রহঃ) ... তারিক ইবন শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, এক ইয়াহুদী উমর ইবন খাত্তাবের নিকট এসে বললোঃ হে আমীরুল মু'মিনীন! আপনাদের কুরআনে একটি আয়াত আছে, যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, যদি ঐ আয়াতটি ইয়াহুদীদের উপর নাযিল হতো, তবে আমরা ঐ দিনকে ঈদের দিন হিসাবে ধার্য করতাম। তিনি বললেনঃ তা কোন আয়াত? সে বললঃ তা হলঃ (الْيَوْمَ عِيدًا قَالَ أَيُّ آيَةٍ قَالَ الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمْ الْإِسْلَامَ دِينًا)। উমর (রাঃ) বললেনঃ যে স্থানে সে সময় ঐ আয়াত নাযিল হয়েছে, তা আমার জানা আছে। ঐ আয়াত রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর আরাফাতে শুক্রবারে নাযিল হয়।
Book 47 · Hadith 28 · #4910 · Sahih, Sahih, Hasan - 29
হুমায়দ ইবন মাসআদা (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউই পূর্ণ মু'মিন হবে না, যতক্ষণ না আমি তার সন্তান-সন্ততি, মাতাপিতা এবং সকল লোক হতে তার নিকট অধিক প্রিয় হই।
Book 47 · Hadith 29 · #4911 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 30
হুসায়ন ইবন হুরায়স (রহঃ) ও ইমরান ইবন মূসা (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ পূর্ণ মুমিন হবে না, যে পর্যন্ত না আমি তার নিকট তার পরিবার-পরিজন এবং মাল-সম্পদ এবং সকল লোক হতে অধিক প্রিয় হই।
Book 47 · Hadith 30 · #4912 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 31
ইমরান ইবন বাক্কার (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঐ সত্তার শপথ! যার হাতে আমার প্রাণ! তোমাদের মধ্যে কেউ পূর্ণ ঈমানদার হবে না, যে পর্যন্ত না আমি তার নিকট তার সন্তান ও পিতা হতে অধিক প্রিয় হই।
Book 47 · Hadith 31 · #4913 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari - 32
ইসহাক ইবন ইবরাহীম ও হুমায়দ ইবন মাসআদা (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরামদের কেউ পূর্ণ মু'মিন হবে না, যে পর্যন্ত না সে স্বীয় ভাইয়ের জন্য তা পছন্দ করে, যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।
Book 47 · Hadith 32 · #4914 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 33
মূসা ইবন আব্দুর রহমান (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুহাম্মাদ এর প্রাণ যার হাতে তাঁর কসম! তোমাদের কেউ পূর্ণ মু'মিন হবে না, যে পর্যন্ত না সে নিজের ভাইয়ের জন্য সেই কল্যাণ পছন্দ করবে, যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে থাকে।
Book 47 · Hadith 33 · #4915 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 34
ইউসুফ ইবন ঈসা (রহঃ) ... যিরর (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আলী (রাঃ) বলেছেন, আমার নিকট উম্মী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অঙ্গীকার হচ্ছে, কেবল মু'মিনই তোমাকে ভালবাসবে, আর মুনাফিকই তোমার প্রতি শক্রতা পোষণ করবে।
Book 47 · Hadith 34 · #4916 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim - 35
ইসমাঈল ইবন মাসউদ (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারের প্রতি ভালবাসা ঈমানের আলামত আর আনসারের প্রতি শত্রুতা নিফাকের আলামত।
Book 47 · Hadith 35 · #4917 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 36
বিশর ইবন খালিদ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে, ব্যক্তির মধ্যে চারটি অভ্যাস থাকবে, সে মুনাফিক। আর যদি ঐ চারটি অভ্যাসের একটি অভ্যাস থাকে, তবে তার মধ্যে একটি নিফাকের অভ্যাস হলো, যতক্ষণ না তা পরিত্যাগ করে : সে যখন কথা বলে, মিথ্যা বলে, কোন ওয়াদা করলে তা খেলাফ করে, যখন কোন অঙ্গীকার করে তা ভঙ্গ করে এবং কারো সাথে ঝগড়া করার সময় গালি দেয়।
Book 47 · Hadith 36 · #4918 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 37
আলী ইবন হুজর (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি : সে যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, যখন ওয়াদা করে তা পূর্ণ করে না এবং তার নিকট আমানত রাখা হলে তার খিয়ানত করে।
Book 47 · Hadith 37 · #4919 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 38
ওয়াসিল ইবন আবদুল আলা (রহঃ) ... যির ইবন হুবায়শ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আলী (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট অঙ্গীকার করে বলেছেনঃ কেবল মু'মিনই আমার সাথে মহব্বত রাখবে, আর মুনাফিকই আমার প্রতি শত্রুতা পোষণ করবে।
Book 47 · Hadith 38 · #4920 · Sahih, Sahih, Hasan - 39
আমর ইবন ইয়াহইয়া ইবনুল-হারিস (রহঃ) ... আবু ওয়ায়ল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেনঃ যার মধ্যে তিনটি অভ্যাস থাকবে, সে মুনাফিক : যখন সে কথা বলে, তখন মিথ্যা বলে, কেউ আমানত রাখলে, খিয়ানত করে এবং যখন কোন অঙ্গীকার করে, তা ভঙ্গ করে। আর যার মধ্যে এর একটি অভ্যাস থাকবে, তার মধ্যে মুনাফিকের একটি অভ্যাস থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত।
Book 47 · Hadith 39 · #4921 · Sahih Isnaad Mauquf, Sahih Isnaad Mauquf, Isnaad Sahih - 40
কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমযান মাসে রাত্রি জাগরণ করবে, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ্ ক্ষমা করা হবে।
Book 47 · Hadith 40 · #4922 · Sahih, Sahih - 41
কুতায়বা (রহঃ) ও হারিস ইবন মিসকীন (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমযান মাসে রাত্রি জাগরণ করবে, তার পূর্ববর্তী সকল পাপ ক্ষমা করা হবে।
Book 47 · Hadith 41 · #4923 · Sahih, Sahih, Hasan - 42
মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি রমযান মাসে ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রাত্রি জাগরণ করবে, তার পূর্ববর্তী সকল পাপ ক্ষমা করা হবে।
Book 47 · Hadith 42 · #4924 · Sahih, Sahih, Hasan - 43
আবুল আশআস (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রমযানে ঈমানের সাথে সওয়াব লাভের আশায় রাত্রি জাগরণ করবে, তার পূর্বকৃত সকল গুনাহ ক্ষমা করা হবে। আর যে ব্যক্তি কদরের রাত্রে ঈমানের সাথে সওয়াব লাভের আশায় জাগরণ করবে, তার পূর্ববর্তী সকল পাপ ক্ষমা করা হবে।
Book 47 · Hadith 43 · #4925 · Sahih, Sahih, Hasan - 44
মুহাম্মদ ইবন সালামা (রহঃ) ... আবু সুহায়ল তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি তালহা ইবন উবায়দুল্লাহকে বলতে শুনেছেনঃ এলোমেলো চুলবিশিষ্ট নজদবাসী এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলো। গুণগুণ শব্দ ব্যতীত তার কথার কিছুই শুনা যাচ্ছিল না, বুঝাও যাচ্ছিল না। সে নিকটে আসলে বুঝা গেল যে, সে ইসলাম সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ দিবারাত্রির মধ্যে পাঁচ ওয়াক্ত নামায। সে জিজ্ঞাসা করলো, এটা ছাড়া আমার আরও কিছু করণীয় আছে? তিনি বললেনঃ না, কিন্তু ইচ্ছা করলে নফল পড়তে পার। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আর রমযান মাসের রোযা। সে বললোঃ এটা ছাড়াও কি আমার কিছু করণীয় আছে? তিনি বললেনঃ না, তবে চাইলে নফল রোযা রাখতে পার। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে যাকাতের কথা বললেন, সে বললোঃ এটা ছাড়াও কি আমার কিছু করণীয় আছে ? তিনি বললেনঃ না, তবে তুমি নফল সাদকা করতে পার। তারপর ঐ ব্যক্তি এই বলতে বলতে চলে গেল যে, আমি এতে কিছু বাড়াবও না এবং এর থেকে কিছু কমাবও না, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি এই ব্যক্তি সত্য বলে থাকে, তবে সে কৃতকার্য হয়ে গেল।
Book 47 · Hadith 44 · #4926 · Sahih, Sahih, Hasan - 45
কুতায়বা (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় বের হয়, আল্লাহ্ এই বলে তার যামিন হয়ে যান যে, তাকে আমার উপর ঈমান এবং আমার রাস্তায় জিহাদ করা ব্যতীত আর কিছুই বের করেনি। সুতরাং আমি তাকে জান্নাতে দাখিল করব, তা দুয়ের যেভাবেই হোক। সে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হোক অথবা স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করুক, অথবা তাকে ঐ ঘরে প্রত্যাবর্তন করান, যে ঘর হতে সে বের হয়েছিল; সওয়াব এবং যুদ্ধলব্ধ মালসহ।
Book 47 · Hadith 45 · #4927 · Sahih, Sahih, Isnaad Hasan - 46
মুহাম্মদ ইবন কুদামা (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা'আলা ঐ ব্যক্তির যামিন হয়ে যান, যে ব্যক্তি তাঁর রাস্তায় বের হয়। আল্লাহ্ বলেন, তাকে আমার রাস্তায় জিহাদ, আমার উপর ঈমান এবং আমার রাসূলগণের উপর বিশ্বাস ছাড়া অন্যকিছু বের করেনি। আমি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাব অথবা তাকে ঐ ঘরে প্রত্যাবর্তন করাব, যে ঘর হতে সে বের হয়েছিল, সে যে সওয়াব ও গনীমতপ্রাপ্ত হয়, তা সহ।
Book 47 · Hadith 46 · #4928 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 47
কুতায়বা (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুল কায়স গোত্রের এক প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললো, আমরা রবীআ গোত্রের লোক। আর আমরা ‘নিষিদ্ধ মাস’ ব্যতীত আপনার নিকট উপস্থিত হতে পারি না। অতএব আমাদেরকে এমন কিছু শিক্ষা দিন, যা আমরা আপনার নিকট হতে শিখে যেতে পারি এবং আমাদের অন্যান্য লোককে এর প্রতি আহবান করতে পারি। তিনি বললেনঃ আমি তোমাদেরকে চারটি বস্তুর প্রতি আদেশ করছি এবং চারটি বস্তু হতে নিষেধ করছি। যে চার বস্তুর আদেশ করছি, তা হলো, আল্লাহর প্রতি ঈমান। এরপর তিনি তাদের জন্য এর ব্যাখ্যা দিলেন যে, “আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আমি মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল” এই সাক্ষ্য দেওয়া, সালাত কায়েম করা, যাকাত আদায় করা, তোমরা যে গনীমতের মাল পাও, তার পঞ্চমাংশ আমার নিকট আদায় করা। আর আমি তোমাদেরকে নিষেধ করছি দুবা, (কদুর খােল দ্বারা প্রস্তুত পাত্র), হানতাম (মাটির সবুজ পাত্রবিশেষ), নাকীর (কাঠের পাত্রবিশেষ) এবং মুযাফফাত (তৈলাক্ত পাত্রবিশেষ) হতে।
Book 47 · Hadith 47 · #4929 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 48
আব্দুর রহমান ইবন মুহাম্মাদ ইবন সাল্লাম (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াব লাভের নিয়্যতে কোন মুসলিমের জানাযায় গমন করে এবং তার জানাযার সালাত আদায় করে, এরপর তাকে কবরে রাখা পর্যন্ত অপেক্ষা করে, সে দুই কীরাত সওয়াবপ্রাপ্ত হবে। এক কীরাত হলো উহুদ পাহাড়ের সমান। আর যে ব্যক্তি সালাত আদায় করেই চলে আসে, সে এক কীরাত পাবে।
Book 47 · Hadith 48 · #4930 · Sahih, Sahih, Hasan - 49
হারূন ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) ... সালিম (রহঃ) তার পিতা [ইবন উমর (রাঃ)] থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, যে তার ভাইকে লজ্জার ব্যাপারে উপদেশ দিচ্ছিল। তিনি বললেনঃ তাকে ছাড়, লজ্জা ঈমানের অংশ।
Book 47 · Hadith 49 · #4931 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari - 50
আবূ বকর ইবন নাফি' (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই দীন সহজ, যে কেউ দীনের ক্ষেত্রে কঠিন পন্থা অবলম্বন করবে, সে দীন পালনে ব্যর্থ হয়ে যাবে। অতএব তোমরা সোজা পথে চল, পরিপূর্ণতার কাছাকাছি থাকতে চেষ্টা কর, সুসংবাদ দাও, সহজ পন্থা অবলম্বন কর, সকাল সন্ধ্যা এবং কিছু রাত পর্যন্ত ইবাদতে থেকে সাহায্য প্রার্থনা কর।
Book 47 · Hadith 50 · #4932 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari - 51
শু'আয়ব ইবন ইউসুফ (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট আসলেন, তখন তাঁর নিকট একজন মহিলা ছিল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ এই মহিলা কে? তিনি বললেনঃ অমুক মহিলা। সে ঘুমায় না। তিনি তার সালাত আদায়ের বিবরণ দিলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এরূপ করো না, অতটুকু ইবাদত করবে, যতটুকু তোমার শক্তিতে কুলায়। আল্লাহর শপথ! আল্লাহ্ তা'আলা (সওয়াব দিতে) বিমুখ হন না, যাবৎ না তোমরা অবসন্ন হয়ে পড়। আল্লাহর নিকট ঐ আমল সর্বোত্তম, যা সদা সর্বদা করা হয়।
Book 47 · Hadith 51 · #4933 · Sahih, Sahih, Hasan - 52
হারূন ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বেশিদিন দূরে নয়, যখন বকরী হবে মানুষের উত্তম মাল, যা নিয়ে সে পাহাড়ের উপরে এবং যেখানে বৃষ্টির পানি জমে সেখানে চলে যাবে, আর নিজের দীনকে ফিতনা হতে রক্ষা করবে।
Book 47 · Hadith 52 · #4934 · Sahih, Sahih, Sahih Bukhari - 53
কুতায়বা (রহঃ) ... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুনাফিকের উদাহরণ ঐ বকরীর ন্যায়, যে দুই বকরীর পালের মধ্যস্থলে থাকে। কখনও এই পালের দিকে আসে, কখনও ঐ পালের দিকে যায়, সে বুঝতে পারে না, সে কোন দলের সাথে থাকবে।
Book 47 · Hadith 53 · #4935 · Sahih, Sahih, Sahih Muslim - 54
আমর ইবন আলী (রহঃ) ... আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে মু'মিন কুরআন তিলাওয়াত করে তার উদাহরণ যেন কমলালেবু, এর স্বাদ ও ঘ্রাণ উভয়ই উত্তম, আর যে মুমিন কুরআন পড়ে না, তার উদাহরণ যেন খুরমা, যার স্বাদ উত্তম, কিন্তু কোন ঘ্রাণ নেই। আর যে মুনাফিক কুরআন পড়ে, সে যেন রায়হানা ফুল, যার ঘ্রাণ তোমরা উত্তম, কিন্তু স্বাদ তিক্ত। আর যে মুনাফিক কুরআন পড়ে না সে যেন হানযালা ফল, যার স্বাদ তিক্ত আবার ঘ্রাণও নেই।
Book 47 · Hadith 54 · #4936 · Sahih, Sahih, Sahih - Agreed Upon - 55
সুওয়ায়দ ইবন নাসর (রহঃ) ... আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ পূর্ণ মু'মিন হবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তাই পছন্দ করে, যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।
Book 47 · Hadith 55 · #4937 · Sahih, Sahih, Hasan