Fara'id
- 1
রেওয়ায়ত ১. মালিক (রহঃ) বলেনঃ মু'আবিয়া ইবন আবী সুফিয়ান যায়দ ইবন সাবিত (রহঃ)-কে দাদার মীরাস সম্বন্ধে প্রশ্ন করিয়া লিখিয়াছিলেন। যায়েদ উত্তরে লিখিলেন, তুমি দাদার মীরাস সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করিয়াছ, ইহা এমন একটি মাসআলা সেই সম্বন্ধে দুই খলীফা [উমর, উসমান (রাঃ)] ফয়সালা করার সময় আমি স্বয়ং ইহাতে উপস্থিত ছিলাম। মৃতের এক ভাই থাকিলে দাদাকে অর্ধেক অংশ দিতেন এবং দুই ভাই থাকিলে দাদার এক-তৃতীয়াংশ এবং অনেক ভাই-বোন থাকিলেও ঐ এক-তৃতীয়াংশই দাদাকে দিতেন, উহা হইতে কম দিতেন না।
Book 27 · Hadith 1 · #1022 · Mauquf Sahih - 2
রেওয়ায়ত ২. মালিক (রহঃ) বলেনঃ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) দাদাকে এইরূপ হিস্যা দিতেন যেরূপ আজকাল লোকেরা দিয়া থাকে। মালিক (রহঃ) বলেন, সুলায়মান ইবন ইয়াসার হইতেও এইরূপ বর্ণিত আছে।
Book 27 · Hadith 2 · #1023 · Mauquf Sahih - 3
মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহা আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাসআলা যে, বৈপিত্রেয় ভাইয়ের সন্তান, নানা, পিতার বৈপিত্রেয় ভাই, মামা এবং নানার মা, সহোদর ভাই-এর সন্তান, ফুফু এবং খালা যবিল আরহাম হওয়া সত্ত্বেও ওয়ারিস হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেন, যে স্ত্রীলোক দূরসম্পৰ্কীয় সে ওয়ারিস হইবে না। আর স্ত্রীলোকদের মধ্যে ঐ স্ত্রীলোকেরা কেহ ওয়ারিস হইবে না, যাহাদিগকে আল্লাহ্ তা'আলা কুরআন মাজীদে বর্ণনা করিয়া দিয়াছেন। তাহারাই হইল মা, কন্যা, স্ত্রী, সহোদর ভগ্নী, সৎ ভগ্নী, বৈপিত্রেয় ভগ্নী। নানী এবং দাদীর অংশ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এইরূপ মহিলাগণ তাহাদের মুক্ত দাসের ওয়ারিস হইবে; কারণ আল্লাহ্ পাক কুরআন মজীদে উল্লেখ করিয়াছেনঃ উহাদিগকে তোমাদের ধর্মীয় ভ্রাতা ও বন্ধুরূপে গণ্য করিবে। (সূরা আহযবঃ)
Book 27 · Hadith 3 · #1024 · Mauquf Daif - 4
রেওয়ায়ত ৪. কুবাইসা ইবন ওয়াইব (রহঃ) হইতে বর্ণিত-এক মৃত ব্যক্তির দাদী তাহার মীরাসের জন্য আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট আসিল । তিনি বলিলেন, তোমাদের হিস্যা সম্বন্ধে কিতাবুল্লাহতেও কোন উল্লেখ নাই এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হইতেও কোন হাদীস শুনি নাই। এখন তুমি চলিয়া যাও। আমি লোকের নিকট জিজ্ঞাসা করিয়া তাহা বলিয়া দিব। অবশেষে আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) সাহাবীদেরকে জিজ্ঞাসা করিলেন, মুগীরা ইবন শু’বা (রাঃ) বলিলেন, আমার সম্মুখে রাসূল করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাদীকে ষষ্ঠাংশ দিয়াছেন। আবু বকর (রাঃ) বলিলেন, তোমার কোন সাক্ষী আছে কি? তখন মুহম্মদ ইবন মাসলামা আনসারী দাঁড়াইয়া মুগীরা যেইরূপ বলিয়াছিলেন তদ্রুপ বলিলেন। এই সাক্ষীর পর আবু বকর (রাঃ) দাদীকে এক-ষষ্ঠাংশ দিয়া দিলেন। অতঃপর উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর খিলাফতকালে এক দাদী মীরাসের জন্য তাহার নিকট আসিল। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিলেন, কুরআনে তোমাদের কোন হিস্যার উল্লেখ নাই। তুমি ব্যতীত অন্যদের সম্বন্ধে কিছু সিদ্ধান্ত পূর্বে হইয়াছে আমি স্বীয় পক্ষ হইতে কাহারও জন্য মীরাসের হিস্য বাড়াইতে পারি না। তবে তুমিও ষষ্ঠাংশ লইয়া লও। যদি দাদী আরও অথবা নানীও থাকে তবে উভয়ে মিলিয়া ষষ্ঠাংশ বন্টন করিয়া দিও। আর তোমরা কেহ একজন থাকিলে সে ষষ্ঠাংশ পাইবে।
Book 27 · Hadith 4 · #1025 · Daif - 5
রেওয়ায়ত ৫. কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত-নানী এবং দাদী মীরাসের জন্য আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট আসিল। তিনি নানীকে ষষ্ঠাংশ দিতে চাহিলেন, এমন সময় এক ব্যক্তি দাঁড়াইয়া বললেন আপনি এমন ব্যক্তির দাদীর অংশ দিতেছেন না যে, যদি সে মৃত হইত এবং উক্ত মৃত ব্যক্তি জীবিত হইত তবে সে (নাতি) তাহার ওয়ারিস হইত। আর এমন ব্যক্তিকে হিস্যা দিতেছেন যে, যদি সে মৃত হইত (অর্থাৎ নানী) এবং উক্ত মৃত ব্যক্তি জীবিত হইত তবে সে (মেয়ের ছেলে) তাহার ওয়ারিস হইত না। ইহা শুনিয়া তিনি উভয়কে ষষ্ঠাংশ সমান বন্টন করিয়া দিয়াছিলেন।
Book 27 · Hadith 5 · #1026 · Mauquf Daif - 6
রেওয়ায়ত ৬. মালিক (রহঃ) বলেন, আবু বকর ইবন আবদুর রহমান ইবন হারিস ইবন হিশাম নানী কিংবা দাদীকে হিস্যা দিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মতিক্রমে ইহা নিধারিত মাসআলা যে, মৃত ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকিলে নানী হিস্যা পাইবে না। ইহা ব্যতীত অন্য অবস্থায় নানী ষষ্ঠাংশ পাইবে। আর মাতা অথবা পিতা জীবিত থাকাকালীন দাদী মাহুরূম হইবেন। অন্য অবস্থাতে তাহার জন্য ষষ্ঠাংশ। আর যদি দাদীও মৃত ব্যক্তির নিকটের হয় অথবা নৈকট্যের বিবেচনায় দুইজন সমপর্যায়ের হয় তবে দুইজনে (দাদী ও নানী) ষষ্ঠাংশের অর্ধেক অর্ধেক হিস্যা প্রাপ্ত হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ অন্যান্য দাদী-নানীর জন্য কোন মীরাস নাই এই দুই দাদী ও নানী ব্যতীত, যেহেতু আমার নিকট সংবাদ পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাদীকে মীরাস দিয়াছেন। অতঃপর আবু বকরকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাদীকে অংশ দিয়াছেন বলিয়া প্রমাণ পাইয়া তিনিও দাদীকে অংশ দিয়াছেন। অতঃপর এক নানী উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট আসিলে তিনি বলিয়াছেন আমি কাহারও জন্য মীরাসে নূতন কোন অংশ দিতে পারি না, তবে দাদী ও নানী একত্র হইলে ঐ অংশ তাহাদের মধ্যে সমানভাগে ভাগ করিয়া দেওয়া হইবে। আর তাহাদের যে কেহ একজন শুধু আছে (অন্য দাদী নানী নাই) তবে সে একাই ষষ্ঠাংশ পাইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইসলামের প্রারম্ভ হইতে আজ পর্যন্ত উক্ত নানীগণ এবং দাদীগণ ব্যতীত কেহই অন্য নানী কিংবা দাদীগণকে কোন মীরাস দেয় নাই।
Book 27 · Hadith 6 · #1027 · Mauquf Daif - 7
রেওয়ায়ত ৮. কুরায়শ সম্প্রদায়ের এক স্বাধীন করা গোলাম (যাহাকে ইবন মুসা বলা হইত) বলিল, আমি উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম, তিনি যুহরের নামায পড়িয়া য়ারফা নামক সাহাবীক বলিলেন, আমার নিকট ঐ কিতাবটি লইয়া আস, যাহা ফুফুর মীরাস সম্বন্ধে লেখা হইয়াছে। আমি এই ব্যাপারে লোকের নিকট জিজ্ঞাসা করিব। অতঃপর উমর (রাঃ) একটি পেয়ালা আনাইলেন যাহাতে পানি ছিল। ঐ পানি দ্বারা ঐ কিতাব ধুইয়া ফেলিলেন এবং বলিলেন, যদি ফুফুকে অংশ দেওয়া আল্লাহর ইচ্ছা থাকিত তাহা হইলে স্বীয় কিতাবে উহা উল্লেখ করিতেন।
Book 27 · Hadith 8 · #1028 · Mauquf Daif - 8
রেওয়ায়ত ৯. মুহাম্মদ ইবন আবু বকর ইবন হাজম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি তাহার পিতাকে অনেক বার বলিতে শুনিয়াছেন যে, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিতেন, ফুফুর ব্যাপার আশ্চর্যজনক, তিনি মীরাস পান না কিন্তু তাহার মীরাস অন্যরা পায়।
Book 27 · Hadith 9 · #1029 · Mauquf Daif - 9
রেওয়ায়ত ১০. উসামা ইবন যায়দ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, মুসলিম কাফিরের ওয়ারিস হইবে না। (আর কাফিরও মুসলিমের ওয়ারিস হইবে না।-বুখারী)
Book 27 · Hadith 10 · #1030 · Sahih - 10
রেওয়ায়ত ১১. আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) হইতে বর্ণিত, যখন আবু তালিবের মৃত্যু হইয়াছে তখন তাহার ছেলে আকীল ও তালিব তাহার ওয়ারিস হইয়াছে। কিন্তু আলী তাহার ওয়ারিস হয় নাই। এইজন্য আমরা মক্কার ঘরের নিজের অংশ ছাড়িয়া দিয়াছি। (কেননা ইহারা উভয়ে তখন কাফের ছিল, পরে আকীল মুসলিম হইয়া গিয়াছিল আর তালিব নিরুদ্দেশ হইয়া গিয়াছিল।)
Book 27 · Hadith 11 · #1031 · Maqtu Sahih - 11
রেওয়ায়ত ১২. সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত-মুহাম্মদ ইবন আশ'আসের এক ফুফু ছিল ইহুদী অথবা খৃষ্টান। সে মৃত্যুবরণ করিলে মুহাম্মদ ইবন আশ'আস উমর (রাঃ)-এর নিকট তাহা বলিলেন এবং জিজ্ঞাসা করিলেন, কে তাহার ওয়ারিস হইবে? উমর (রাঃ) বলিলেন, তাহার স্বধৰ্মীয়গণ তাহার ওয়ারিস হইবে। অতঃপর যখন উসমান খলীফা হইলেন, তখন তাহার নিকট জিজ্ঞাসা করিলেন, উসমান (রাঃ) বলিলেন, কেন উমর তোমাকে যাহা বলিয়াছেন তাহা কি তোমার স্মরণ নাই? অতঃপর তিনি বলিলেন, তাহার স্বধর্মের লোকেরাই তাহার ওয়ারিস হইবে।
Book 27 · Hadith 12 · #1032 · Mauquf Hasan - 12
রেওয়ায়ত ১৩. ইসমাঈল ইবন আবু হাকীম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন আবদীল আযীয (রহঃ)-এর এক খৃস্টান গোলাম ছিল। তিনি তাহাকে মুক্ত করিয়া দিয়াছিলেন। তাহার মৃত্যুর পর উমর আমাকে বলিলেন, তাহার মাল বায়তুলমালে জমা করিয়া দাও (কেননা মুসলিম কাফেরের ওয়ারিস হইবে না)।
Book 27 · Hadith 13 · #1033 · Maqtu Sahih - 13
রেওয়ায়ত ১৪. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিতেন, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) আজম দেশের লোককে আরবের লোকের ওয়ারিস হইতে নিষেধ করিতেন। অবশ্য যে আরবে জন্মগ্রহণ করিত সে মীরাস পাইত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কোন গর্ভবতী স্ত্রীলোক কাফেরদের দেশ হইতে আসিয়া আরবে বসতি স্থির করিল, তথায় তাহার সন্তান জন্মিল, এখন সে সন্তানের এবং সন্তান তাহার ওয়ারিস হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ইহা একটি সর্বসম্মত বিষয় যে, যেকোন আত্মীয়তার দরুনই হউক না কেন মুসলিম কাফেরের ওয়ারিস হইবে না, বংশগত আত্মীয়তা হউক বা অন্য প্রকারের, আর সে অন্য কাহাকেও তাহার মীরাস হইতে মাহরূম করিতে পারিবে না। যেমন কোন কাফের মৃত্যুবরণ করিল যাহার সন্তান মুসলিম, ভাই কাফের। এখন ছেলে মীরাস পাইবে না ভাই পাইবে। এই ছেলের জন্য ভাই মাহরাম হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এইরূপে যে মীরাস না পায় এবং সে ব্যতীত অন্য ওয়ারিস বর্তমান থাকে তবে সে অন্যকে মাহুরূম করিতে পারে না।
Book 27 · Hadith 14 · #1034 · Mauquf Sahih - 14
রেওয়ায়ত ১৫. রবীয়া ইবন আবু আবদুর রহমান (রহঃ) একাধিক আলেম সূত্রে বর্ণনা করেন যে, জামাল যুদ্ধে, সিফফীন যুদ্ধে এবং হাররা দিবসে যাহারা নিহত হইয়াছেন তাহারা মীরাস পান নাই। এরপর ফুদাইদ দিবসে যাহারা নিহত হইয়াছে তাহারাও একে অপরের মীরাস পান নাই। কিন্তু মীরাস পাইবে সেই ক্ষেত্রে যেই ক্ষেত্রে নিশ্চিত জানা গিয়াছে যে, তিনি তাহার সাথির পূর্বে নিহত হইয়াছেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ আমি মালিক (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, আমাদের উলামায়ে কিরামের মধ্যে এ ব্যাপারে কোন বিরোধ নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কয়েকজন পানিতে ডুবিয়া অথবা মাটিতে ধ্বসিয়া মৃত্যুবরণ করে অথবা নিহত হয়, আর কে আগে কে পরে[1] মৃত্যুবরণ করিয়াছে তাহা অজ্ঞাত থাকে, তবে তাহারা একে অন্যের ওয়ারিস হইবে না, বরং প্রত্যেকের মাল তাহাদের ওয়ারিসগণ পাইবে, যাহারা জীবিত রহিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কেহ সন্দেহস্থলে কাহারও ওয়ারিস হইবে না, ওয়ারিস হওয়ার জন্য নিঃসন্দেহ হওয়া প্রয়োজন। যেমন কেহ মৃত্যুবরণ করিল, আর সে তাহার যে দাসকে মুক্ত করিয়াছিল সেও মৃত্যুবরণ করিল, এখন যদি এই সন্তান বলে যে, আমার পিতা এই দাসের ওয়ারিস হইবে তবে তাহা ততক্ষণ পর্যন্ত সাব্যস্ত হইবে না যতক্ষণ না সে সাক্ষী দ্বারা প্রমাণ করিবে যে, ঐ দাস তাহার পিতার পূর্বে মারা গিয়াছে। যদি প্রমাণ করিতে না পারে তবে ঐ দাসের জীবিত ওয়ারিসগণ তাহার মাল পাইবে।মালিক (রহঃ) বলেন, অনুরূপভাবে যদি দুই সহোদর ভাই মারা যায় যাহাদের একজনের সন্তান রহিয়াছে অন্যজন নিঃসন্তান, আর তাহদের উভয়ের একজন সৎ ভাইও রহিয়াছে। কিন্তু ইহা জানা যায় নাই যে, প্রথমে কোন ভাই মরিয়াছে। এখন নিঃসন্তান ভাই-এর মাল তাহার সৎ ভাই পাইবে, তাহার ভাতিজারা পাইবে না। এইরূপে ফুফু ভাতিজা একত্রে মারা গেলে বা চাচা ভাতিজা একত্রে মারা গেলে আর কে আগে মারা গিয়াছে তাহা জানা নাই, তবে চাচা স্বীয় ভাতিজার এবং ভাতিজা স্বীয় ফুফুর ওয়ারিস হইবে না।
Book 27 · Hadith 15 · #1035 · Maqtu Sahih - 15
রেওয়ায়ত ১৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ উরওয়া ইবন যুবায়র বলিতেন, যখন লি’আন ওয়ালী স্ত্রীলোকের সন্তান অথবা কোন জারজ সন্তান মারা যায়, তখন তাহার মা আল্লাহর কিতাব মতো তাহার অংশ পাইবে আর তাহার বৈমাত্রেয় ভাইও অংশ পাইবে। অবশিষ্ট মাল তাহার মাতার মাওলা (প্রভু)-কে দেওয়া হইবে। যদি তাহাকে মুক্ত করিয়া দেওয়া হইয়া থাকে, যদি সে আরবের হয়, সে তাহার অংশ পাইবে, তাহার বৈপিত্রেয় ভাই-বোনেরা তাহাদের অংশ পাইবে, আর অবশিষ্ট যাহা থাকিবে তাহা মুসলিমদের জন্য। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার নিকট সুলায়মান ইবন ইয়াসার হইতে এইরূপই সংবাদ পৌছিয়াছে আর আমাদের শহরের আলিমদেরও এই মত।
Book 27 · Hadith 16 · #1036 · Maqtu Daif